এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বাংলাদেশ সমাচার - ২১ 

    bikarna লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ মার্চ ২০২৬ | ২১ বার পঠিত
  • লেখালেখি প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। আমি এমন কোন লেখক না যে চাইলেই গরগর করে লিখে ফেলতে পারি সব। আমার একটা ধাক্কা লাগে, যখন সেই ধাক্কাটা খাই তখন মনে হয় একমাত্র লেখাটাই আমার একমাত্র শক্তি। মনের সমস্ত ক্ষোভ, রাগ যদি প্রকাশ করে ফেলতে পারি তখন একটু শান্তি পাই। আমার পক্ষে এরচেয়ে বেশি কিছু করার ক্ষমতা নাই। আরও একটু কম বয়স হত, তাহলে মাথা পাগলামি করে কিছু একটা করে ফেলতাম হয়ত। যখন বয়স কম ছিল তখন করছিও কম না। চিহ্নিত রাজাকারদের চ্যালা চামুণ্ডাদের সামনে Beware: Dogs And Rajakar Ahead! লেখা টিশার্ট পরে ঘুরছি। আমরা জানতাম যে শহরে বাস করি সেখানেই দানবদের বাস, জামাতের একদম টপ লেবেলের নেতার বাড়ি, তবুও এই সাহস করেছি। বয়স কম তো একটা ফ্যাক্ট অবশ্যই, সাথে ছিল মানুষের সমর্থন। ওরা ক্ষমতায় থেকেও সাহস করেনি আমাদের কিছু বলার। সেইদিন আর নাই। আমারও লড়াইয়ের সাহস নাই আর।এখন জামাত প্রধান বিরোধী দলীয় শক্তি! তাই লেখাই ভরসা।  সেই ধাক্কাটাই আজকে আবার খেলাম। খাওয়া উচিত ছিল না। কিন্তু তবুও খেলাম। তাই লিখতে বসলাম আবার আজকে। 

    আজকে সংসদের প্রথম অধিবেশন হয়েছে। মানুষের প্রবল আগ্রহ ছিল। আমি সরাসরি না দেখলেও খোঁজ রাখছিলাম কে স্পিকার হল, ডেপুটি কাকে দিল ইত্যাদি। ফেসবুকে নানা ক্লিপ আসতেছিল। তারেক রহমান ঘুরিয়ে একটু শেখ মুজিবের নামও নিলো। এগুলা দেখতে ছিলাম। আমি জানি রঙ্গ অপেক্ষা করছে রাষ্ট্রপতি ভাষণের জন্য! আগে থেকেই এনসিপি জামাত বলছে তারা এই লীগের দোসর রাষ্ট্রপতির ভাষণ মানে না! এই সিনেমাটা দেখার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। যথারীতি শুরু হল হট্টগোল। রীতিমত প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে ওয়াকআউট করল বিরোধীদল। রাষ্ট্রপতি তার ভাষণ দিলেন। সে এক মজাদার ভাষণ। লীগের নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রপতি এত বছর ফ্যাসিস্ট শাসন চলেছে, বিএনপিই উদ্ধার করেছে দেশকে, লীগ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল, বিএনপি দুর্নীতি দূর করেছে! এমন নানা আজগুবি কথা তিনি সংসদে বলে গেলেন। এগুলা যে আরেক রাজনীতি তা বুঝার মত জ্ঞান বুদ্ধি আছে। এই ভাষণের স্ক্রিপ্ট যে বঙ্গভবনে লেখা হয় নাই তা না বুঝার কোন কারণ নাই। এই লোককে এখন মায়াই লাগে আমার। হয়ত তাকে পদত্যাগও করতে দিচ্ছে না। বা তিনিই এখন পদত্যাগ করে কোন বিপদে পড়বে আবার ভেবে কোনমতে আরও কিছুদিন টিকে থাকতে চাচ্ছেন। তাই যা সামনে দিচ্ছে তাই বলে যাচ্ছেন। ব্যাক্তিত বলে কোন কিছুই আর তার ভিতরে অবশিষ্ট নাই। তিনি এমন বলবেন আগেই জানতাম। পাট দিবসে  রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে বক্তব্য শেষ করেছেন! তখন থেকেই বুঝতে পারছি যে খেলা অন্য কোথাও হচ্ছে! তাহলে ধাক্কা খেলাম কখন? 

    ভাষণের আগে বা পরে জানি না। যেহেতু সরাসরি সম্প্রচার দেখি নাই। তাই বলতে পারছি না। জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হয়েছে। জুলাই শহীদের নাম তো আছেই, আরও আছে শীর্ষ রাজাকারদের নাম। আছে নিজামি, মুজাহিদ, সাকা চৌধুরীসহ সাতজন বিশিষ্ট রাজাকারদের নাম। এমন না এদেরকে লীগ সরকার জোর করে একটা লামসাম বিচার করে ফাঁসি দিয়েছে। এরা প্রত্যেকেই আত্মস্বীকৃত রাজাকার। নিজেদের লেখা বই আছে, সাক্ষাৎকার আছে এদের। মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজামির দেওয়া পত্রিকার সাক্ষাৎকার আছে চোখের সামনে! তবুও এদের নামে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হল, তা গৃহীতও হল! যারা এই দিন দেখার আগে মারা গেছে তাদের প্রত্যেকেই হিংসা হচ্ছে আমার। এমন ন্যাকারজনক দিন দেখতে হল না তাদের। 

    ধাক্কা খাওয়াটা আমার উচিত নাই এমন দৃশ্য দেখে। এদেরকে জনগণ ভোট দিয়ে পাশ করিয়েছে যখন তখনই তা আমার জানা যে এই দিন আসতেছে। ধাক্কা কেন খাব? যে বিখ্যাত আন্দোলনের ফসল আজকের দিন সেই আন্দোলনের বড় একটা উপদান ছিল সেইদিনের সেই মিছিল, তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার! সেদিন সব হিসাব পাকা হয়ে যায় নাই? আমার গেছিল। তবুও এমন একটা দিন যখন সত্যই এসে হাজির হয় তখন ধাক্কা না খেয়ে উপায় আছে? 

    অনেকেই এখনও বলে যায় লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করছে, চেতনার ব্যবসা করছে! আর আপনেরা? আপনারা মুক্তিযুদ্ধকে বিক্রি করে দিছেন সস্তায়! যে বিএনপি এবার এমন করে জিতে গেল মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আগ্রহের কারণে, জামাতকে ভোট না দেওয়ায় যারা ভোট পেল সেই দল সংসদে রাজাকাদের জন্য শোক প্রস্তাব আনতে দিল! যে সংসেদের স্পিকার একজন বীর বিক্রম সেই সংসদেই এমন প্রস্তাব পাশ হল! এই দলকে এরপরেও আমার বলতে হবে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি? লীগের নাম নিশানা নাই, আপনেরা মিলে কী করলেন মুক্তিযুদ্ধের? লীগ এত খারাপ, এত খারাপ সবই বুঝলাম, বাকিরা কী করল? আমরা যখন বলে আসছি সাবেক চার দলীয় ঐক্যজোট ভাগাভাগি করে নির্বাচন করছে এবার তখন অনেকের পছন্দ হয় নাই আমাদের কথা। দোসর, দালাল নানান ট্যাগ দেওয়া হয়েছে। সোনা বন্ধু তোমরা আজকে কই মুখ ঢুকিয়ে বসে আছ? একটুও শরীরে অস্বস্তি লাগে না? একটুও মনে হয় না এই জিনিস চাই নাই, প্রতারণা করল কেউ আমাদের সাথে? যদি না হয় কোন অস্বস্তি তাহলে হাসপাতালে গিয়ে বডি চেকাপ করাও তোমরা, সম্ভবত মারা গেছ বহু আগেই! মগজে পচন ধরে গেছে। 

    শুনেন, লীগ মুক্তিযুদ্ধকে দলীয়করণ বা  প্রশ্নবিদ্ধ করেনি কোনদিন। বরং উল্টোটাই ঘটেছে বহুবার। মুক্তিযুদ্ধই বারবার আওয়ামী লীগের পতাকাতলে এসেছে। পঁচাত্তরের পরেও তাই হইছে।  অন‍্যরা সবাই মিলে যখন মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করেছে, কলংকিত করেছে, প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং অস্বীকার করেছে, তখন স্বয়ং 'মুক্তিযুদ্ধ' আওয়ামী লীগের কাছে ফিরেছে, ফিরতে বাধ্য হয়েছে। এবং এখন এইটা আরও শক্ত করে প্রমাণিত হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের কাছেই মুক্তিযুদ্ধ নিরাপদ, সম্মানিত, সমাদৃত এবং উচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়। লীগের কাছে এই শক্তি আপনেরা সবাই মিলে তুলে দিছেন। তাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বললে লীগের পক্ষে কথা বলা হয়ে যায় অটোম্যাটিক! আপনারা ভাবেন সব লীগের দালাল! ঘিলুতে এরচেয়ে বেশি কিছু ধরে না আপনাদের! 

    বিএনপি জামাত একই বৃন্তে দুই কলি এমন আমরা সেই কলেজ জীবন থেকেই শুনে আসছি। আর কেউ না, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছে এমন কথা। তো তারা যে এমন একটা কাণ্ড করবে এইটাই স্বাভাবিক না? দিনের পর দিন তারা একই ধারার রাজনীতি করে আসছে। মৌলবাদকে পেলে পুষে বড় করছে চার দলীয় ঐক্যজোট। আজকে আমাকে জ্ঞান দেওয়া হয় লীগ সর্বনাশ করছে দেশের! লীগ যা করছে, যা ক্ষতি করছে তা বুঝার ক্ষমতাও নাই এদের! উল্টা আজগুবি সব আলাপ করে। লীগের আমল কোন স্বর্গীয় ছিল না। কিন্তু এখন যখন দেখি কোন অপশক্তিকে চাপা দিয়ে চলতে হয়েছে লীগকে তখন মনে হয় কম করছে ওরা। এই অন্ধকার শক্তিকে চিরতরে শেষ করা উচিত ছিল। লীগের হাজার হাজার ভুল ছিল। কিন্তু এখন সেই লেবেলের ভুলের আলাপই তো করতে পারছি না। কারণ ওগুলা এখন বিলাসিতা মনে হয়! এখন যখন শেকড় ধরে উপরে ফেলে দিচ্ছ তখন অন্য সব কিছুই মেকি লাগে, হাস্যকর লাগে। 

    কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা নির্বাচনে পাশ করায় দিকে দিকে জয়ধ্বনি শোনা যাচ্ছিল। দেখায় দিছে এক্কেরে! মুক্তিযুদ্ধের জয় হয়েছে। এদিকে যে রাজাকার সব পাশ করে বসে আছে ওই খেয়াল নাই! আজকে যখন শোক প্রস্তাব পাশ হল তখন এই মুক্তিযোদ্ধারা কী করছে? আজকে যখন শাস্তি প্রাপ্ত রাজাকার আজহার সংসদে দাঁড়িয়ে বলল জুলাই আন্দোলন হয়েছে বলেই আজকে তিনি সংসদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখান দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি তখন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান কই ছিলেন? সব পাওয়া শেষ? এখন আর মুক্তিযুদ্ধের দরকার নাই? এখন আর অপমান গায়ে লাগে না? 

    "নারীর জন্ম হয় কলঙ্ক, কুলক্ষণ, অমঙ্গল, নারীর কোন আত্মা নেই, নারীর জন্ম হয়েছে সেবার জন্য, নারী স্ত্রীকে বিক্রি করতে পারে, স্ত্রী হচ্ছে বাড়ির সম্পদ, জিনিসপত্রের মত, নারী তার স্বামী থেকে অন্য কোথাও যেতে পারবে না, নির্যাতন চালালেও!"  এমন কথা যে বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা বলেছেন তার নাম হচ্ছে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। তার আরও কুৎসিত কুৎসিত কথা আছে, জঘন্য রকমের মিথ্যাচার আছে। এমন একটা ব্যক্তিকে জনাব তারেক রহমান ইফতারের দাওয়াত দিয়েছেন। এই লোককের কাছে গিয়ে তিনি মাথা পেতে দিয়েছেন আমরা দেখেছি, মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করে দেওয়ার ছবি, ভিডিও আমরা দেখছি।কত চমৎকার না? শুধু এই একজনকেই না, আরও আছে, - আল্লামা মুফতী আব্দুল মালেক সাহেব, আব্দুল হামিদ(পীর সাহেব মধুপুর), শাহ সালাহউদ্দিন (পীর সাহেব নানুপুর), মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, শায়খ আহমাদুল্লাহ সাহেব!  সুন্দর এই সব মানুষগুলোই আসছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াতে। কবে? - ৭ মার্চ ২০২৬! দেশ কোন তরিকায় চলবে বুঝা যায়? ৭ মার্চ যে একটা বিশেষ দিন তা আর বলার উপায় নাই এই দেশে। আক্ষরিক অর্থেই নাই। একজন সাতই মার্চের ভাষণ বাজিয়েছে দেখে তাকে থানায় দিয়ে আসছে। থানা আবার তাকে আটক দেখিয়েছেও! কেন? বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ না? কবে হল এই নিষিদ্ধ? কেউ জানে না। তারা এখনও জেলেই সম্ভবত। আরেকজন ফেসবুকে পোস্ট করেছে, এরপরে রাতে গেছে বুয়েটের হলে সেহেরি খাইতে, খাওয়া থেকে তুলে এনে তাকে পিটিয়ে আধমরা করে শাহবাগ থানার সামনে রেখে গেছে! 

    তারেক রহমান আসমান থেকে এসে এগুলা কিছু করছে না। এইসবই তাদের রক্তে। বললেই বলবে এই যে এক তরফা কথা শুরু হল। কিন্তু ইতিহাসকে আমি কীভাবে বদল করব? আজকে তারেক রহমান কট্টর কাঠমোল্লাদের ডেকে এনে ৭ মার্চ ইফতারি খাওয়ান আর তার পিতা কী করেছে? জিয়ার আমলে ৭ মার্চের দিন বিখ্যাত রেসকোর্স ময়দানেই, যেখানে বঙ্গবন্ধু দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছেন সেখানে ইসলামিক জলসার আয়োজন করেছিলেন। জিয়ার মন্ত্রীরা সেখানে গিয়ে বক্তব্যও দিয়ে আসছে। যে জায়গায় বঙ্গবন্ধু দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেই জায়গাটাকে শিশুপার্ক বানিয়ে পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছিল। এখানেই ইন্দিরা মঞ্চ ছিল, ওইটার চিহ্ন পর্যন্ত ধ্বংস করে দিয়েছিল জিয়া। তাহলে পুত্র হিসেবে ভুল কী করছে তারেক? 

    সদ্য নির্বাচিত সরকারকে সময় দিতে চাইছি। মনে হয়েছে যেমনই হোক, নির্বাচিত সরকার, ম্যালা ঘটনা ঘটে গেছে দেশে। একটু সময় দিয়ে দেখা যাক। কিন্তু গরু যেদিকে রউনা দিছে হাল তো সেদিকেই যাবে, তাই না? আমরা দেখতেছি এদের তেমন কোন আগ্রহই নাই অন্য কিছু ভাবার। তাই সংসদের প্রথম দিনেই কলেমার ক্যালিগ্রাফির অর্ডার দেওয়া হয়েছে। অন্য ধর্মের মানুষের আবার দেশ নাকি? এই সংসদ শুধু মুসলমানের! তাই বড় করে আরবিতে ক্যালিগ্রাফি আসবে কলেমার। প্রচণ্ড নারী বিদ্বেষী, মৌলবাদই হুজুরেরা যাবে যমুনায় ইফতারিতে। আর এইসবের উত্তর দিবে আমার লেখার নিচে এসে লীগ কত খারাপ ছিল তা বলে! 

    ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নতি হচ্ছে এইটা একটা আশার কথা। যে লীগকে শুনতে হয়েছে পাইপ দিয়ে দেশের সব গ্যাস পাচার হয়ে যাচ্ছে ভারতে। সেই লীগেরই করা চুক্তিতে এই দুঃসময়ে তেল আসতেছে ওই পাইপ দিয়েই। তবে কোথাও কেউ দিল্লী না ঢাকা বলে স্লোগান দেয় নাই! কেউ এখন আর সেভেন সিস্টার্স দখল করতে চায় না, রিজভি সাহেব বয়কট ইন্ডিয়া ডাক দিয়ে স্ত্রীর শাড়িরও পুড়ায় না! ইরান আক্রমণ করে তছনছ করে দিচ্ছে, আমাদের সরকার একটা শক্ত বিবৃতি পর্যন্ত দিতে পারছে না! কারো নাম উল্লেখ না করে একটু ভাববাচ্যে বিবৃতি দিয়েছে! এমন করে না তো ফুসফাস, মারে না তো ঢুসঢাস মারা সাপ বাপুরাম সাপুড়ের কাছে খুঁজলেও তা পাওয়া গেছে এই বিবৃতিতেই! আমেরিকার কাছে যে নাকে খত দিয়ে চুক্তি করে গেছেন ইনুস সরকার তার খেসারত আমাদের দেওয়া শুরু হয়েছে, সামনে আরও দিব আমরা। আগে ছিলাম কাঁদামাটির প্যাকের মধ্যে, এখন এক্কেরে ভরভরা প্যাকের মধ্যে ডুবে যাচ্ছি, এই আর কী! 

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৩ মার্চ ২০২৬ | ২১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ১৩ মার্চ ২০২৬ ০৩:৩২739126
  • কিন্তু এই ইউনুসটা কবে বিদায় হবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন