এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বাংলাদেশ সমাচার - ১৮ 

    bikarna লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ৪৯ বার পঠিত
  • ১০ তারিখ ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। মুক্তিযুদ্ধের পরে বঙ্গবন্ধুর এই দেশে ফেরার তাৎপর্য নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। কোন লেখায় বা কোনভাবেই এর তাৎপর্য কমে নাই। পাকিস্তান থেকে ইংল্যান্ড, ইংল্যান্ড থেকে ভারত হয়ে দেশে ফেরা। প্রতিটা পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কথা ভাষণ লিপিবন্ধ হয়েছে। প্রতিটা জায়গায় জনসমুদ্র দেখা গেছে। সারা দুনিয়ার মানুষ তখন তাকিয়ে থেকেছে এই একটা লোকের দিকে। এমন একটা দিন নীরবে পার হয়ে গেল দেশে! এতদিন পরে এই আলাপ করার কোন মানে নাই বা এমন কিছু আশা করার কোন অর্থ নাই জানি। তবুও করলাম। কারণ খুব শক্ত করে প্রশ্ন করলে ইউনুস সরকার, এনসিপির নেতারা বলে তারা বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাসের যোগ্য জায়গা দিবে। যতখানি পাওনা ততখানি দিবে। এইটা বলে কিন্তু আজ পর্যন্ত ওরা কেউই এমন কোন কিছু করে নাই যে মনে হয় তারা যথাযথ জায়গায় সম্মান দিবে! বরঞ্চ আমরা দেখছি প্রধান উপদেষ্টা ১৫ আগস্টের মিথ্যা জন্মদিনে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অথচ তার একবারের জন্যও মনে হয় নাই স্বাধীনতার স্থাপতির এমন মৃত্যুদিনে তাদের কিছু বলার আছে বা করার আছে! সত্য হচ্ছে এগুলা হয়ও নাই হবেও না এদের দ্বারা। তাই বঙ্গবন্ধুর হলের নাম পরিবর্তন করে হাদির নামে দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এই দাবি করেছে! দারুণ! 

    দেশ ক্রিকেট নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছে। এ এক আজব সমাচার, সমস্ত ক্ষোভ গিয়ে পড়ছে এখন ভারতের উপরে। এতদিন মুখে নানা কিছু বললেও কার্যত যেহেতু কিছু করার ছিল না এই অকর্মণ্যদের তাই মুখে মুখে সমানে দেশ দখল, জিহাদ, অমুক তমুক করে যাচ্ছিল। এবার আসল মোক্ষম সুযোগ। উগ্রপন্থীদের পাল্লায় পরেই সম্ভবত আইপিএল থেকে মুস্তাফিজকে বাদ দিল ভারতের ক্রিকেট বোর্ড! কোন যুক্তিতেই কারো মাথায় আসবে না যে কোন দেশের খেলোয়াড়কে বাদ দিবে সেই দেশের মানুষের আচারনের কারণে। কিন্তু ভারতের ক্রিকেট বোর্ড তাই করল। ফিজকে বাদ দিয়া দিল।  এখন এর প্রতিক্রিয়া কী হওয়া উচিত ছিল? বাংলাদেশ তীব্র প্রতিবাদ জানাতে পারত। ক্রিকেটারদের যে আন্তর্জাতিক সংগঠন আছে তাদের সাহায্য নিয়ে আইপিএলের বিরুদ্ধে যাইতে পারত। তাতে হয়ত ফিজ কিছু টাকা পয়সা পাইত। ( কিংবা যাইত না। এখন জানা গেছে ফিজকে প্রস্তাব দেওয়া হইছিল এইটা, ও আইপিএলের বিরুদ্ধে যাইতে চায় নাই বা লাগতে চায় নাই।) তো এমন নানা কিছু করা যাইত। কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু এখন ভারত বিরোধী স্রোত তীব্র বেগে বয়ে যাচ্ছে তাই এই সবের কিছুই হল না। বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বলে দিল! এইটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য লেগেছে। দল পাঠাবে না মানে? আমাদের আর উপায় কী? এতে করে লাভটা কী হবে? ভারত ফিজকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না বলে বাদ দিয়েছে, এমন একটা দাবি করা হয়েছে। তাই বিসিবির যুক্তি হচ্ছে একজনকে নিরাপত্তা দিতে না পারলে যখন দল যাবে, দলের সাথে আরও বহু মানুষ যাবে, সমর্থকেরা যাবে, সাংবাদিকেরা যাবে তাদেরকে নিরাপত্তা দিবে কীভাবে ভারতের বোর্ড? যৌক্তিক প্রশ্ন। এর জন্য বিসিবি শ্রীলংকায় খেলতে চেয়েছে। কিন্তু অল্প সময় আছে আর খেলা শুরু হতে। এখন ভেনু পরিবর্তন অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে। তো? বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলবে না? এখানটাতেই আমার আপত্তিটা বাড়তি নিরাপত্তা নিয়ে হলেও খেলা চালু রাখা উচিত না? ভারত যেমন উগ্রপন্থীদের কাছে নতজানু হয়ে মুস্তযফিজকে বাদ দিলেও অফিসিয়াল বার্তায় নিরাপত্তার কথা বলেছে। তেমনই বাংলাদেশও নিরাপত্তার কথা বলে বিশ্বকাপ বয়কট করতে চাচ্ছে বললেও আসলে তীব্র ভারত বিরোধিতা থেকেই খেলতে যেতে চাচ্ছে না। ভারত বিরোধিতার এই সুর এখন এত চড়া যে তামিম ইকবালের মত খেলোয়াড় যখন বলছে যে বিশ্বকাপের মত টুর্নামেন্ট বাদ দেওয়ার আগে আমাদেরকে আরও ভাবা দরকার, কারণ আইসিসি ইভেন্টে না গেলে আমাদের নিজেরই লস, বিসিবির আয়ের ৯০-৯৯ % উপার্জন আসে আইসিসি থেকে। তাই আরও ভালো করে ভেবে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তখন বিসিবির এক পরিচালক সরাসরি তামিমকে ভারতের দালাল বলে ফেসবুকে পোস্ট করে বসেছে! এবং এর প্রতিবাদে যখন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা সরব হয়েছে, ফেসবুক পোস্ট করেছে তখন গণ্ডমূর্খরা তাতে গালিগালাজ করে যাচ্ছে, হা হা রিয়েক্ট দিয়ে জ্বালা মেটাচ্ছে! 

    ইরানে বিক্ষোভ চলমান। মনে হচ্ছে খোমেনি রাজ শেষ হতে চলছে। লাখ লাখ মানুষ রাস্তায়। বাংলাদেশের মানুষ যথারীতি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে আছে। কেউ আমেরিকান ষড়যন্ত্র দেখছে, কেউ ইসলামের পরাজয় দেখছে। বাস্তবতা কী? ইরানের অর্থনীতি বলতে কিছু নাই। মানুষের রাস্তায় নেমে আসা ছাড়া আর কী করার আছে? অনেকেই এর সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করছে। হাসনাত নামের এক জুলাই নেতা বলেই দিয়েছে যে ইরানে ৩৬ জুলাই চলমান! বাংলাদেশের সাথে কোন মিল আছে ইরানের গণ বিস্ফোরণের? আমার দ্বিধা আছে এখানে। ইরানে ধোঁকা দিয়ে মানুষকে রাস্তায় নামায় নাই। ইরানে অদ্ভুত গোলাগুলির খোঁজ পাওয়া যায় নাই। আমেরিকা সেখানে সক্রিয় নাই? আছে। কিন্তু তার চেহারা অন্য রকম। ইরানে আমেরিকা বহুদিন থেকেই চেষ্টা করে আসছে কিছু করার। কিন্তু বাংলাদেশের সাথে পার্থক্য হচ্ছে সেখানে হাস্যকর দাবি নিয়ে মানুষ মারা হয় নাই। মানুষ জানে কেন আসছে। তার পিছনে আমেরিকা থাকলেও আসছে না থাকলেও আসছে। না এসে উপায় নাই। আমি বরং ইরানের এর আগের বিপ্লবের সাথে বাংলাদেশের আন্দোলনের মিল দেখি। শাহের পতন, খোমিনির উত্থান। বহু সেকুলার, বাম পন্থিরা স্বগত জানিয়েছিল তখন। নারীরা রাস্তায় নামছিল হিজাব পড়তে চেয়ে। ফলাফল খোমিনির আসল চেহারা বের হয়ে আসতেই সব শেষ। এরপর থেকে ইরান এক অন্ধকারের নাম। সবচেয়ে প্রাচীন কিন্তু এখনও টিকে আছে এমন সভ্যতার মধ্যে যারা অন্যতম তারা দিনদিন পিছিয়েই যেতে থাকল শুধু। ইরানের যতখানি অগ্রগতি আমরা দেখি তা কিছুই না আসলে। ইরান যদি আর দশটা দেশের মত স্বাভাবিক দেশ হত তাহলে ইরানের অর্থনীতি, ইরানের চেহারা আজকে অন্য রকম থাকত। মধ্যপ্রাচ্য রাজ করত ওরা। 

    আমরা এখন সেই দিকে যাচ্ছি। প্রবল গতিতে যাচ্ছি। আমাদের পরেই নেপালে বিক্ষোভ হয়। সেখানেও পালিয়ে বাঁচে প্রধানমন্ত্রী। পার্থক্য হচ্ছে যিনি দায়িত্ব নেন তিনি। ভদ্রমহিলা দায়িত্ব নিয়েই ঘোষণা দেন নির্বাচনের। এবং যারা জ্বালাও পোড়াও করেছে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার ঘোষণা দেন। আজকে একটা ভিডিও দেখার সৌভাগ্য হল। সেখানে তিনি বলতেছেন নেপালকে তিনি কোনমতেই বাংলাদেশ হতে দিবেন না! পার্থক্যটা নেতৃত্বতে! সব সময়ই তাই ছিল। বাংলাদেশে কী হচ্ছে সারা দুনিয়াই দেখছে। শুধু আসিফ নজরুল আর ইউনুস সাহেব দেখছেন উন্নয়ন আর উন্নয়ন। আরেক প্রেস সচিব আছে, সে প্রলাপ বকেই যাচ্ছে। বলছে স্বাধীনতার পরে এত কাজ আর কেউ, কোন সরকার করে নাই! এদিকে মানুষ মারা চলছে। আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে আরেক হিন্দু যুবককে। ছিনাতাইয়র ঘটনা কিন্তু এখন কেন জানি এগুলা শুধু হিন্দুদের সাথেই ঘটছে! আশ্চর্য না? না, আশ্চর্য হওয়া যাবে না এই দেশে। যেমন আমি আশ্চর্য হই নাই গুলিস্তানের গোলাপশার মাজারের ওরস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলাপান বন্ধ করে দিয়েছে! মানে অশিক্ষিত, গ্রাম গঞ্জের লোকজন করে তার একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়? ফকির, বাউলেরা মার খেয়ে আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করছে যে আরে ওরা মারে কেন? আমরা ভুলটা কই করলাম? আমাকে প্রশ্ন করলে বলতাম, উহু, কোনমতেই আশ্চর্য হওয়া যাবে না বস! এমন ছোটখাটো বিষয়ে আশ্চর্য হয়ে গেলে পরে আপনার আশ্চর্য হওয়ার ক্ষমতা লোপ পাবে! 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ৪৯ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    পত্তাদকাল - %%
    আরও পড়ুন
    বাদামি - %%
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:1ddc:e3d1:be27:***:*** | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৭737802
  • পড়ছি 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন