এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • শুক্লাদ্বাদশীর চাঁদের আলোয়

    Indralekha Bhattacharya লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৫৩ বার পঠিত
  • সিধু যখন তার পাঁচবছরের ছেলে গুড্ডুর হাত ধরে দুরুদুরু বুকে বিশুদার সাথে চৌধুরীদের বাগানবাড়ির উঁচু লোহার গেট খুলে ঢুকলো, তখন বেলা পড়ে এসেছে। 
    বাড়ির কারুকার্য করা লোহার গেটজোড়া, আর বাড়িকে ঘিরে রাখা চওড়া প্লটের বাগানটা বেশ মন টেনেছে সিদ্ধেশ্বরের। 
    নাহ, এদের শুধু পয়সা নয়, বেশ ভালো পছন্দও ছিলো বলতে হবে। গেট দিয়ে ঢুকেই বাগানের মধ্যে দিয়ে বাড়ির দরজা পর্যন্ত চলে গেছে একটা পাথরে বাঁধানো লন। আর বাগানের একধারে একটা সাবেক কালের ফোয়ারা, তাতে এখন আর জল পড়ে না, কিন্তু বেশ কেত।
    ফোয়ারাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে বেশ সুন্দর  চারটে মার্বেল পাথরের মিষ্টি গড়নের বাচ্চা পরী, যাকে বলে দেবদূত।
    চৌধুরীদের বাগানঘেরা, সাদারঙের মস্ত দোতলা বাড়িটায় বনেদিয়ানা বা আভিজাত্যের যথেষ্ট ছাপ থাকলেও  বছরের বেশিরভাগ দিন ধরে বন্ধ  পড়ে থাকার ফলে কেমন যেন বিষণ্ণ, মনমরা। 
    অবশ্য সিধুচোর, ওরফে সিদ্ধেশ্বর দাসের তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। পুলিশের কাছ  থেকে গা ঢাকা দেবার জন্য এই আস্তানা সে জোগাড় করেছে দস্তুরমতো কাঠখড় পুড়িয়ে। 
    গ্রামতুতো দাদা বিশুদা ওরফে বিশ্বনাথ গাইনকে চুরির ক্যাশের ভাগ থেকে কিছু দিয়ে হাত করে কটা দিন কলকাতা থেকে অনেকটা দূরে এই আমলাগুড়ির বাগানবাড়ির সেটিং। 
    এমন কিছু না করে উপায়ও ছিলনা।
    ঘটনাচক্রে এবারে যে সঙ্গে তার, মা-মরা ছেলে, সাত রাজার ধন গুড্ডু। প্রতিবারের মতো ছেলেকে সে তার শাশুড়ি, অর্থাৎ গুড্ডুর দিদার কাছে রেখে আসার সুযোগ পায়নি, অতএব এবার বাপব্যাটায় মিলে বিশুদার দুয়ারে। বিশ্বনাথ হলো এ বাড়ির চৌকিদার। 
    না, শুধু চৌকিদার নয়, যাকে বলে অল ইন অল। কলকাতা থেকে মালিকরা তো আসেনা মোটে।
    তবে বচ্ছর-দু'বচ্ছরে দু'একজন পরিচিত লোককে অতিথি করে পাঠায়, যারা নাকি পাহাড়ের প্রায় কোলের কাছে এই আমলাগুড়ি শহরে কোনো দরকারে এলে চৌধুরীবাবুদের বাগানবাড়িতে ওঠে। তবে এক দু'দিনের বেশি নাকি থাকেনা কেউই।
    যাহোক, সিধু ছেলেকে নিয়ে কটাদিন গা-ঢাকা দেবার আস্তানা পেয়েছে, আর কি চাই! তার খাবারের জোগাড় বিশুই করে আনবে নিজের বাড়ি থেকে। অন্তত ছ' সাত টা দিন সে এবাড়িতে লুকিয়ে থাকবে।
    বিশুদা তার থাকার ব্যবস্থা করেছে নীচতলার কোনার দিকের একটা ঘরে। সেখানে আছে একটা ছেঁড়া গদি লাগানো পুরোনো দিনের রেলিং করা খাট। একটা পুরনো দিনের কাঠের টিপয়। একটা লোহার সিংহাসনমার্কা বেঞ্চ বা সোফা দুইই বলা যায়। মেঝেতে ধূলোমাখা কার্পেট। দুটো পাতলা  কম্বল আর একটা বিছানার চাদর, আর একটা কম আলোর লেড ল্যাম্প তাকে ধরিয়ে দিলো বিশু। গুড্ডু ছোট ছেলে। অন্ধকারে ভয় পাবে, তাই আলো চেয়েছিল সিধু। বিশু বললো "নে, বিছনাটে করে ফেল সিধু। এই টিপিনক্যারিতে তোদের জন্য পরোটা তরকারি, এই বোতলি জল আর ফ্যালাস্কে চা রইলো, সব তোর বৌদি পাঠিইছে। আর একটা কথা, রেতের বেলা ঘরের বার হোসনে বাপু।"
    -"কেন গো বিশুদা!"- সিধু একটু থতমত খেয়ে জিজ্ঞাসা করলো। 
    -"নারে, বলতে আছি, বাগানে তো সাপখোপ আছে। এ তোদের কলকেতা শহর নয় তো, তাই।" বিশু যেন প্রশ্নটা এড়িয়ে গেলো। 
    "নে আজ আর কথা নয়, রাত হলো। বাপব্যাটায় খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়। আমি চললাম।" বিশুদা তড়িঘড়ি বাগান পেরিয়ে লোহার গেট খুলে বার হয়ে গেলো। পিছনে গেট টেনে লাগিয়ে যাবার আওয়াজ পেলো সিধু। 
    তা খিদেটা কিছু পেয়েছিলো বাবা ও ছেলে দুজনেরই। বিশুদা বেরোতেই বাবার কোল ঘেঁষে এলো ছোট্ট গুড্ডু। বাবা সাথে থাকলে বাবার হাতে ছাড়া খায়না সে। 
    মায়া হলো সিধুর। এমনিতে ক'দিনই বা ছেলেকে সময় দিতে পারে সে।
    শৈশবেই মা-হারা ছেলে। এসব বিপজ্জনক কাজে, ও পরিস্থিতিতে ছেলেকে যত পারে বাঁচিয়ে, নিজের থেকে দূর, দিদিমার আদরের ঘেরাটোপেই রাখে সে। কিন্তু এবারটা সব ওলটপালট! সোনার দোকানে চুরির দিন ছেলেটা তার সঙ্গে পড়ে গেছে।
     "খিদে পেয়েছে বাবা?" গুড্ডুর  ছোট্ট নরম কপালের উপর এসে পড়া চুলগুলো সরিয়ে দিতে দিতে সিধু শুধোলো। 'হ্যাঁ', গুড্ডু জানালো মাথা হেলিয়ে। তাড়াতাড়ি বোতলে রাখা জলে হাত ধুয়ে ছেলেকে আগে খাওয়াতে বসলো সিধু। পুরনো, নীচু টিপয়ে রাখা বিশুদার জ্বালিয়ে দিয়ে যাওয়া কম উজ্জ্বলতার লেড ল্যাম্পের নরম আলো এসে পড়ছে গুড্ডুর মিষ্টি কচি মুখে, গালে, ঠিক যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা কোনো দেবদূত! মুগ্ধ চোখে ছেলেকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে সিধু। পিতৃস্নেহ উথলে ওঠে তার।
    ইলেকট্রিক লাইন আছে বাড়িতে। কিন্তু বিশুদা ব্ল্যাক-আউট করে রাখতে বলেছে। পাছে আলো জ্বাললে পাড়ার লোকের চোখে পড়ে। খুব দরকার পড়লে এই আলো,  আর সিধুর মোবাইল ফোনের জোরালো টর্চ, ব্যস, যথেষ্ট। 
    খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘরের দরজা এঁটে, বিশুদার দেওয়া বেডিং-পাতি দিয়ে বাপ-ছেলের বিছানা দিব্যি পেতে ফেললো সিধু। তারপর মাথার কাছে রাখা পুরনো দিনের টিপয়ে লেড লাইট জ্বালিয়ে পাশে গুড্ডুকে আগে যত্ন করে চাদর ঢেকে শুইয়ে তারপর তার মাথার চুলে বিলি কাটতে কাটতে, ঘুম পাড়াতে পাড়াতে নিজেও ঘুমিয়ে পড়লো সিধু।
    পাশে শোয়া ছোট্ট গুড্ডু তো আগেই ঘুমিয়ে পড়েছিলো। আজ বাবার হাত ধরে, কখনো কোলে চড়ে, ট্রেনে-বাসে, অনেক রাস্তা সফর করেছে সে। আধখোলা জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢোকা চাঁদের আলো তার গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে যাচ্ছিলো মায়ের মমতায়। 
    কিন্তু ঘুমটা হঠাৎ তার ভেঙে গেলো। তার কেমন মনে হলো তার নাম ধরে কে বা কারা যেন ডাকলো বা ডেকেছিলো একটু আগেই। 
    অচেনা পরিবেশে, অন্ধকার ঘরে যেন স্বচ্ছন্দে খাট থেকে নেমে পড়লো সে যেন স্বপ্নের মধ্যেই। পাশে অঘোরে ঘুমিয়ে তার বাবা। গুড্ডু দরজা অবধি গিয়ে থমকে গেলো। ঘর জুড়ে হাল্কা লেড লাইটে আধো আলো-আঁধার। তারা শোবার সময় দরজাতে আটকানো ছিল কাঠের খিল। ছিল কিনা তা অবশ্য গুড্ডুর অত মনে ছিলনা। মনে করার চেষ্টাও করলনা। একবার টানতেই প্রায় বিনা শব্দেই সহজেই দরজা খুলে গেলো। ঘুম জড়ানো চোখে গুড্ডু আস্তে আস্তে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল কেমন এক আচ্ছন্ন ভাবে। তাকে যে ডেকেছে কারা।
    ভোররাতে এবার কি একটা অস্বস্তিকর স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙ্গলো সিধুর। কিন্তু ঘুম ভেঙ্গেই আর একটা নতুন অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হ'ল তাকে। একটা শব্দ তার কানে এলো, যেটা শুনেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুম কেটে গিয়ে দারুন ভয়ে তার সমস্ত গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো। বিছানায় সটান উঠে বসলো সিধু। কোথায় যেন কচি বাচ্চারা হাসাহাসি, আমোদ করছে, না! মোবাইলের ঘড়িতে রাত তিনটে! 
    কিন্তু এ নিয়ে আর কিছু ভাবার আগেই আসল ভয়টা এবার পেলো সে, পাশে শোয়া ছেলের দিকে তাকাতে গিয়ে। গুড্ডুর জায়গাটা খালি। লেড ল্যাম্পের মৃদু আলোয় দেখল গুড্ডু নেই সেখানে! ভীত চকিত সিধু তাড়াতাড়ি উঠে মোবাইলের টর্চটাও জ্বালিয়ে ঘরময় চারিদিকে আলো ফেলে খুঁজতে লাগল ছেলেকে। ব্যস, তখনই চোখে পড়ল দরজাটা হাঁ হাঁ করছে খোলা। একি, সেতো খিল লাগিয়ে শুয়েছিল। খুলল কে? গুড্ডু? অসম্ভব! 
     "ও গুড্ডু, কোথায় গেলি" বলে জোরগলায় ডাকাডাকি চেঁচামেচি করতে করতে, মোবাইলের টর্চ অন রেখে ছেলেকে খুঁজতে ঘর থেকে ছুটে বেরোল সিধু। ঘরের ঠিক পাশেই বাথরুম। সেখানেও আলো ফেলে খুঁজতে যাবে, হঠাৎ থমকে গেলো সিধু। বাগানের দিক থেকে আবার সেই বাচ্চাদের হাসাহাসির শব্দটা আসছে। আরে, তার সাথে গুড্ডুর গলা না? 
    সর্বনাশ! কোথায় গুড্ডু? কাদের সাথে হাসছে, কীসব বলছে ছেলেটা?এক দৌড়ে ঘোরানো মার্বেলের অন্ধকার বারান্দা হোঁচট খেতে খেতে পার হয়ে বাগানে পৌঁছলো সিধু। উত্তেজনা আর ভয়ে হাত থেকে ছিটকে পড়েছে তার মোবাইল। তবে কোনোমতো বাগানে পৌঁছেই যে দৃশ্যটা সে দেখতে পেলো, তার জন্য অবশ্য মোবাইলের আলোর কোনো দরকার হলো না। 
    কারণ আকাশে সেদিন শুক্লা দ্বাদশীর উজ্জ্বল চাঁদ। তার ফুটফুটে সাদা আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে সমস্ত বাগান। সেই আলোয়, প্রচণ্ড আতঙ্কে বিস্ফারিত চোখে কয়েক পলক বিহ্বল হয়ে সিদ্ধেশ্বর দেখলো সাবেক কালের পোড়ো ফোয়ারায় জলের অবিরত ঝর্ণা, এবং তাকে ঘিরে হাসছে, খেলছে, লাফালাফি ও আমোদ করছে পাঁচটি শিশু। এর মধ্যে শুধু একজন মানুষ- সে গুড্ডু। বাকি চারজন হ'ল বাড়িতে ঢোকার সময় দেখা ফোয়ারার ধারের সেই চার মার্বেলের দেবশিশুরা। শুধুই শুভ্র মর্মর। চাঁদের আলোয় স্নান করে তাদের রঙ এখন লাগছে ধবধবে সাদা। গা থেকে যেন ঠিকরে বেরোচ্ছে আলো। পাথরের হাত পা নিয়ে অদ্ভুত, বিকট এক ভঙ্গিতে নাচছে, খেলছে তারা। 
    কেমন আচ্ছন্ন অবস্থায় সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়েই হঠাৎ মাথায় যেন বিদ্যুৎ খেলে গেলো,  ঘোর কেটে গেল সিধুর। "গুড্ডুউউ" আর্তনাদ করে উঠলো সিধু।  ভয়কে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে জেগে উঠল তার পিতৃসত্ত্বা।
     তীরবেগে ছুটে গিয়ে ওখান থেকে মরিয়া হয়ে ছেলেকে ছিনিয়ে নিল সিধু। মর্মরবালকেরা ততক্ষণে যেন  কোনো যাদুমন্ত্রে গুড্ডুকে ছেড়ে ফিরে গেছে তাদের আগের নড়চড়হীন,  স্থবির জড়জীবনে। ফোয়ারাটা আগের মতোই শুকনো, জলহীন। সবকিছু আগের মতো, যেন কিছুই হয়নি। কোলে গুড্ডু যেন সদ্য ঘুম ভেঙে ভ্যাবাচ্যাকা, থম মেরে গেছে। কিন্তু না, সিধু কিন্তু আর থামেনি। 
    গুড্ডুকে কোলে নিয়ে বাড়ির সামনের বড় লোহার গেটটা সমস্ত শক্তি দিয়ে কোনোমতে ঠেলে খুলে জোছনার আলোয় সামনের পথ ধরে শুধু দৌড়, দৌড়, দৌড়। তারপর যে কিভাবে আমলাগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে শিয়ালদহগামী সকালের প্রথম গাড়িতে উঠে বসেছিল তারা, সে আর এক গল্প। জামাকাপড়ের ব্যাগ আর মোবাইলটা ফেলে এলেও মানিপার্সটা ফতুয়ার পকেটেই ছিল। এখন সিধুর কাছে পুলিশের হাতে ধরা পড়াটাই দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ভয় নয়।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৫৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 2607:fb90:bd58:1f16:4452:6faa:815d:***:*** | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:১১738798
  • ভালো লাগলো। 
    আগেও আপনার লেখা ভূতের গল্প পড়েছি, নয়? সেই এক প্যারানর্মাল ক্যারেকটার নন্দিনী বা কিছু নাম ছিলো।সেটিও ভালো লেগেছিলো। কাহিনীটির নাম মনে পড়ছে না বলে ধারাবাহিকের লিঙ্ক খুঁজে পাওয়া ...।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন