

বন দেবতা আর দেবীর থান দেখা হল, এবারে গাইড বাবুর নেতৃত্বে পাহাড়ে চড়ার পালা। আমরা সরু লাইন করে একে একে সেই বন্ধুর জঙ্গলের পথে পা বাড়ালাম। শাল, সেগুন, মহুয়া গাছগুলো আমার আন্দাজে তিন সাড়ে তিন ফুট দূরত্বে রয়েছে। মানে চারা যখন লাগানো হয়েছিল তখন ছয় সাড়ে ছয় ফুট দূরে দূরে হয়তো পোঁতা হয়েছিল। এখন গাছ বড় হয়ে গুঁড়ির বেড়গুলো বেড়ে গেছে, তাই কাছে মনে হচ্ছে। আর লম্বা গাছের মাঝে নিজে থেকেই ঝোপ ঝাড় লতানে গাছ গজিয়ে উঠে বনটাকে বেশ গহন করে তুলেছে। আর একটা জিনিস নতুন দেখলাম - প্রতি দু সারি গাছের মাঝে আড়াআড়ি লম্বা লম্বা খাঁজ কেটে রাখা হয়েছে। ঢাল বেয়ে মুষলধারে বৃষ্টি যখন নামবে, তার সঙ্গে ধেয়ে আসবে নুড়ি পাথর, হু হু করে ধুয়ে যাবে জমে ওঠা পাতলা মাটির স্তর, আর তার সঙ্গে সটান উলটে পড়া শিকড় ওপড়ানো গাছ - পাথরে তো আর গাছ গজাবেনা, ঘাসটিরও চিহ্ন থাকবেনা। কিন্তু না - এসব কিছুই হবেনা। ঢাল বরাবর প্রতি সারি গাছের নিচে ওই যে মাঝারি গভীর খাত, সেখানে আটকে যাবে, ওপর থেকে নামার সময়ে প্রথমটায় যদি না আটকায়,তবে দ্বিতীয়টায়, নইলে তৃতীয়টায় - পাহাড়ের ধন পাহাড়েই থাকবে, সমতলে যাবেনা। চমৎকার ব্যবস্থা। ঐ কৃত্রিম খাতগুলো ঢালের দিকের সঙ্গে সমকোণে আছে। তবে খুব লম্বা নয়। একটা নির্দিষ্ট উচ্চতায় কাটা খাতগুলো আবার পর পর অনুভূমিকভাবে এক সরলরেখায় নেই। তাহলে তো কাটা থাকার জন্য পাহাড়ে ওঠাই যাবেনা। খাতগুলো বেশ কায়দা করে আগে পরে উঁচুনিচু করা আছে। তার মধ্যে দিয়ে ডজ করে এগিয়ে যাওয়া যায়। কখনও অবশ্য ঝোপঝাড়ে এমন দশা যে খাতের ওপর দিয়েই লাফ দিয়ে পেরোতে হবে। অপরিসর, আমি পেরেছি মানে কোন কঠিন ব্যাপার কিছু নয়। আমার স্টুডেন্টরা অনেক সময়ে আমাকে বলে, ‘ম্যাম আপনি কেমন পাহাড়ে ওঠেন, আমার মা পারেনা জানেন!, বাড়িতে থাকে তো, বাইরে বেরোলে একটু হাঁটতে হলেই হাঁপায়।’ আমি বলি - বাড়িতে থেকে রান্না বান্না, গোছান গাছান, কাচাকুচি এসব করতে গেলে আমিও হাঁপাই গো, পিঠ ধরে যায়। যার যা কাজ। কথাটা তো আর ভুল নয়। নিজের কমফর্ট জোন থেকে বেরিয়ে অন্য ধরণের পরিশ্রম করতে হলে যে কেউই হাঁপাবে। যাক গে, খানিকটা এগোতেই আক্কেল গুড়ুম। এবারে আর ঢালু পথে হাঁটা নয়, সামনে খাড়া চড়াই। গাছ জড়িয়ে, ডালে ভর দিয়ে, শক্ত লতা আঁকড়ে হাঁচড় পাঁচড় করে সবাই উঠতে লাগলাম। একটু উঠি, তো একটু জিরোই। পা টনটনিয়ে ভারি হয়ে গেলে পাথরের গায়ে হেলান দিই। বসার জায়গা খুঁজে পাবার মত পরিসর অমিল। উঠতে উঠতে যখন জিভ বেরিয়ে গেছে প্রায়, অপ্রত্যাশিত ভাবে একটা ঢালের খাঁজ পেরোতেই সামান্য একটু প্রশস্ত প্রাকৃতিক চত্বর। ওই সময়ে ঐটুকু পেয়ে যেন হাতে স্বর্গ পেলাম সকলে। জায়গাটা সমতল নয় মোটেই, তবে ঢাল কম। ওখানেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে সেবারের গ্রুপ ছবিটা তোলা হয়ে গেল। যে ব্যাচ ঝাড়বাগদা গিয়েছিল, তারা ফেয়ার ওয়েলের দিন সেই ছবিটাই বাঁধিয়ে ডিপার্টমেন্টে দিয়ে গেছে। যাক, শেষ পর্যন্ত আমরা মাকিনো রঘুনাথ হিলের তিনটে শৃঙ্গের মধ্যে একটার মাথায় পৌঁছতে পারলাম। অন্য দুটো মাথা কোনদিকে সেটারও আন্দাজ করা গেল। পাহাড় চূড়া তীক্ষ্ণ বা সূচালো নয়, গোল ধরণের - গ্রানাইটে যেমন হয়। সেখানে আবার কিছুটা সময় জিরিয়ে নিয়ে ফেরার পথে পা বাড়ালাম। ওঠার থেকে নামা কঠিন, ওঠার সময় লোকে সতর্ক থাকে, হাত ধরে, গাছ ধরে সাপোর্ট নিয়ে ওঠে। কিন্তু নামার সময়ে পা পিছলোনোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। খুব ধীরে ধীরে ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য নিয়ে আমি নেমে এলাম। মানে সকলেই নেমে এল।
এবার চারপাশটা একটু ঘুরে দেখতে সাধ যায়। পাহাড় ডিঙোতে পেরে সবার উৎসাহ একেবারে টগবগিয়ে উঠেছে। এই জায়গাটা আসলে গ্রাম থেকে একটু দূরে তো, ফাঁকা ফাঁকা। সেই যে একটা পুরনো গান ছিল না, ‘পাহাড়ি আঁকা বাঁকা, মেঘেরও ছায়া ঢাকা, পথ যে ডাকে নিরালায়, যেখানে পথ মেশে, রূপকথারই দেশে ……’ ইত্যাদি - সামনের পথটা অনেকটা সেইরকম। শুধু মেঘটা বাদ দিতে হবে। আমরা গ্রামের উলটো দিকে মুখ করে পায়ে পায়ে হাঁটতে শুরু করলাম। পাহাড়তলিতে বেশ বড় লম্বাটে জলাশয় - খাল নয়, বিল। জানতে পারলাম, ঝাড়বাগদার সাফল্য দেখে পাশের কুমারডিহি, বীরসিংডিহি, রাধামাধবপুর এই সব গ্রামও - এই বন তৈরির নেশায় মেতেছে। খুবই স্বাভাবিক। যে কোন ভালো কাজ এইভাবেই আরও বেশি বেশি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের গাইড ভদ্রলোক বললেন আরও একটু এগিয়ে চলুন, ডানদিকে একটা গেট পাবেন, বাগানের গেট, ভেতরটা দেখে আসবেন। বলা মাত্রই দ্বিগুণ উৎসাহে এগিয়ে চললাম হনহনিয়ে। লোহার গেট তো পেলাম, তবে সেখানে তালা দেওয়া। কিন্তু না, পাশে একটা ছক আছে, মানে পাশ দিয়ে গলে বাগানে ঢোকার ফাঁক আছে। আহা! যেন বসন্তের ডাকে স্বার্থপর দৈত্যের বাগানে ঢুকছি, এমনভাবে এক এক করে গলে পড়লাম সেই ফাঁক দিয়ে। সময়টা শীতকাল হলে কী হবে, বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর, মাথায় খর রোদ্দুর। তাকিয়ে দেখি - বাগান বলে বাগান - বাগান নয় নন্দন কানন। যে দিকে তাকাই চোখ জুড়িয়ে যায়। বিশাল অঞ্চল, এলাকা ভাগ করে করে নানা প্রজাতির ফল, সব্জির চাষ করা হয়েছে। বৃক্ষ আছে, ঝোপ আছে, আদা, ওল প্রভৃতির ক্ষেত আছে। লতানে গাছের মাচা আছে। মাঝে মাঝে আছে সবুজ, বাদামী, সোনালি ঘাসের প্রান্তর। গাছের সারির মাঝে পথ কোথাও প্রশস্ত, কোথাও সংকীর্ণ, সর্পিল। মাঝে মাঝে বাঁশ আর খড় দিয়ে বসার জন্য মাচা করা। তলায় ঢুকলে শীতল শান্তি। আমাদের দু তিন বার বসতে হয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি চাষ করে। মধ্যে মধ্যে মাটির চেক ড্যাম দিয়ে জলাশয় তৈরি করা হয়েছে। পুরুলিয়ার একটা ব্যাপার আছে। গত একশো বছরে রাজ্যের জেলাগুলোর বৃষ্টির পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, পুরুলিয়াতে কলকাতার চেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়। অথচ কলকাতা জলে ডোবে আর পুরুলিয়া থেকে যায় রুখুশুখু। পুরুলিয়ার এই শুকনো ভাব, বৃষ্টির অভাবের জন্য মোটেই নয়। গড়ানে আর পাথুরে ভূপ্রকৃতির জন্য যে জল আসে, তা সমতলের দিকে বয়ে যায়, নিজে ধরে রাখতে পারেনা। এখানকার শুষ্কতা জলবায়ুগত নয়, জিওমরফোলজিকাল, ঠিক সেই চেরাপুঞ্জির মত। আমরা সমতলে যেমন এঁটেল মাটি কেটে পুকুর বানাই, ওখানে তো সেটি হবার জো নেই। তাই যে পথে জল নামে সেই পথে একটা ছোটখাটো বাধা খাড়া করতে পারলে কিছুদিন জলটা আটকে যায়। কিন্তু সারাবছর তো হবেনা বাপু। বৃষ্টি পড়বে, ঢাল বেয়ে হড়পা বান নামবে - সে তো মাস তিন চারেকের ব্যাপার। তারপর খর রোদে সব বাষ্প হয়ে যাবে। তখন সেই ফুটিফাটা। তবু যে কদিন চলে, তাই বা কম কী! এখন পোস্ট মনসুন, তাই চেক ড্যামে জল আছে। যাই হোক, হাঁটতে হাঁটতে বাগানের এক কোণে চলে এসেছি আমরা। মানে গাইড ভদ্রলোক নিয়ে এসেছেন। সামনে ঘাসের মধ্যে একটু নিচু মত জায়গা, হয়তো কোন ডোবা আছে। আমি সামনেই ছিলাম। গাইড বাবু ইশারায় ডাকছেন, বললেন এখানে এগিয়ে এসে সাবধানে একটু দূর থেকে জলটা দেখুন। ভেজা ঘাসের মধ্যে খানিকটা অপরিসর জল জমে আছে। বিশেষত্ব কিছু বুঝিনি। গাইড বললেন, এটি একটি প্রাচীন কুয়ো, এখন আর সংস্কার করা হয়না। কিন্তু একদিন এটা ছিল রাজবাড়ির সম্পত্তি। বর্গী আক্রমণের সময়ে এই কুয়োতে ঝাঁপ দিয়ে একাধিক রানী তাঁদের সেবিকাদের সঙ্গে নিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত আকাশ বাতাস দুলে উঠলো আমার। বাংলায় জহর ব্রত? - কোথাও তো শুনিনি। হ্যাঁ, সতী হত্যা হত…। আমার মামার বাড়ির পরিবারেই মাতামহের প্রপিতামহী সতী হয়েছিলেন - মানে স্বামী মারা যাবার পর হত্যা করা হয়েছিল। দাদুর ঠাকুরদা এই হত্যা আটকাতে পারেননি বলে মাতৃশোকে গৃহত্যাগ করেছিলেন। জানার পর থেকে সেই মায়ের জন্য খুবই খারাপ লাগে আমার। কিন্তু এখানে ঘটনাটা কী? একি সত্যি নাকি গল্প কথা?
ঘটনা যা শুনলাম, সেখানে কতটা প্রামাণ্য তথ্য আর কতটা কল্পনা সেটা তো বোঝার কোন উপায় এখন নেই। তবে ভূগোলের সার্ভের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে স্থানীয়ভাবে মুখে মুখে চলে আসা কাহিনীকে গুরুত্ব দিতে হয়। কারণ তার মাঝে লুকিয়ে থাকে কোন না কোন সত্যের আভাস। কাহিনী বলতে ইতিহাসের এক বিষাদমাখা আখ্যান। আঠারো শতকের সেই উত্তাল দিনগুলোতে, যখন 'বর্গি' বা মারাঠা দস্যুদের ঘোড়ার খুরে কেঁপে উঠছিল বাংলার জনপদ সেই সময়ে পঞ্চকোট রাজবংশের কোন রাজপুরুষ এখানে থাকতেন। যখন যুদ্ধে যাবার পালা এলো, রওনা হবার আগে তিনি অন্তঃপুরবাসিনীদের একটি সংকেত দিয়ে গিয়েছিলেন— যদি বিজয়ী হই, তবে জয়ের বার্তা নিয়ে ফিরবে 'কালো ঘোড়া', আর যদি পরাজয় আসে, তবে সেই গ্লানি নিয়ে ফিরবে 'লাল ঘোড়া'। সেবারের যুদ্ধে বর্গীরা হেরে গেল, কিন্তু নিয়তির পরিহাসে তাড়াহুড়োয় এক মারাত্মক ভুল হয়ে যায়। কালো ঘোড়ার বদলে প্রাসাদের আঙিনায় এসে দাঁড়ায় লাল ঘোড়া। সেই অলক্ষুণে রঙ দেখে অন্তঃপুরিকারা ধরে নেন সব শেষ — এবার রাজপুরী লুণ্ঠিত হবে। দেশে দেশে কে না জানে বিজিতের প্রতি বিজয়ীর বীরত্ব প্রকাশের সবচেয়ে সহজ আর তীব্র পথ হল সবলে নারী অধিকার অথবা নারী ক্ষেত্র বিনাশ। মানুষের সভ্যতা কয়েক হাজার বছর পেরোলেও এই পথটির কোন ব্যতিক্রম কখনও হয়নি। সম্ভ্রম আর মর্যাদা রক্ষায় বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে রানীরা ঝাঁপ দিলেন প্রাসাদের গভীর কূপে। মুহূর্তেই এক ঝাঁক উজ্জ্বল জীবনের ইতিহাস বিলীন হয়ে গেল মৃত্যুর অন্ধকার গহ্বরে।
আমরা বাসে করে ফিরে চললাম হোটেলে, কিন্তু এই ধাক্কাটা বোধহয় না লাগলেই ভালো ছিল। ছেলেমেয়েগুলো কত আনন্দ উৎসাহে ফুটছিল, এখন কেমন থম মেরে গেছে। আমি চুপচাপ জানলার বাইরে না তাকিয়ে ফোনে মুখ গুঁজে বসে রইলাম। আসলে আন্তর্জালে খুঁজে দেখছিলাম, যদি কিছু জানা যায়। পঞ্চকোট রাজবংশে রানীদের কুয়োতে ঝাঁপ দেবার কথা রয়েছে দেখলাম। কিন্তু গড় পঞ্চকোট তো ঝাড়বাগদা থেকে অনেকটাই দূর। এখানে ঐ ঘটনা ঘটল কী করে? নাকি ওখানে নয়, এই ট্র্যাজেডিটা ঝাড়বাগদাতেই ঘটেছিল? যাই হয়ে থাক - একটা ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। বর্গী আক্রমণে চরম কিছু এখানে ঘটেছিল - যা রয়ে গেছে সামাজিক স্মৃতিতে। সম্ভ্রান্ত মহিলারা আত্মহত্যা করলেন - সেটা একটা আঘাত। আবার আদিবাসী মহিলারা লুন্ঠিতা হলেন, জীবন তাঁরাও দিলেন। তার সঙ্গে সম্পদ, টাকা পয়সা যার যা ছিল তাও গেল। ঘরের লক্ষ্মী হারানোর এই কমন ট্রমা সম্ভ্রান্ত মাহান্তি আর অন্ত্যেবাসী উপজাতি সমাজ একসঙ্গে এক ভাবে অনুভব করেছে এবং অবশ্যই মোকাবিলা করেছে। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ট্রমা যখন আসে, তখন বেশিরভাগ সময়ে দুপক্ষ স্বার্থের দুদিকে থাকে - এতে বিভেদ বাড়ে। এখানে হয়েছে উল্টো। ভালোবাসার মৃত্যু আর লোকসানের স্মৃতি মাহান্তি আর আদিবাসীদের এক করেছে। উভয়ে মিলে ঐ মৃত্যু উপত্যকায় এক জীবিত বনভূমি রচনা করেছে।
আমাদের সার্ভেগুলো এমন সব অবিশ্বাস্য পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে দাঁড় করায়, তার অভিঘাত সামলানো মুশকিল হয়ে যায়।
এসেছিলাম এক ভেবে, ফিরে যাচ্ছি সম্পূর্ণ অন্য চিন্তা মাথায় নিয়ে। ঘটনাটা মামুলিভাবে শুধু মৃত্তিকা ভূগোল, উদ্ভিদ ভূগোল, জীব ভূগোল, মানব ভূগোল এসবের বিষয় তো আর রইলনা। পরিত্যক্ত কুয়োর সামনে যে মুহূর্তে আমাদের মাথা ঘুরে পা টলে উঠলো, সেই স্মৃতিটা বা সেই ক্ষণটা বেঁচে থাকতে তো কেউ আর ভুলতে পারবোনা। lived experience দিয়ে সাজানো প্রাকৃতিক বা মানব ভূগোল হয়ে ওঠে ক্রিটিকাল ধারার ফেনোমেনলজিকাল জিওগ্রাফি। আর ঝাড়বাগদার তৈরি করা বন কেবল একটা বাস্তুতন্ত্র মাত্র নয়, ও হল এলাকার অধিবাসীদের প্রজন্ম প্রাচীন মানসিক আঘাতের আরোগ্য নিকেতন। বাংলা মা - তোমাকে প্রণাম। জিওগ্রাফিকাল থটের ক্লাসে existentialism বোঝাতে আমার আর কোনদিন উদাহরণের অভাব হবেনা।
kk | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ মে ২০২৬ ১৮:০৯740678