চালুক্যদের সময় এই ছোট গ্রামের মন্দিরগোষ্ঠীগুলি ব্যবহার হত রাজ অভিষেকের সময়। টলেমির ভূগোলে এর নাম আছে - পেট্রিগাল। জায়গাটা বাসে বাদামি থেকে আধঘন্টা দূরে। গ্রামে আছে মূলত বাসস্টপ আর বড় জায়গা জুড়ে এএসআই ঘেরা এই মন্দিরগুলো। মন্দিরগুলোকে মূলত দুভাগে ভাগ করা যায় - প্রথমদিকে তৈরি পুরোনো শিখর স্টাইল আর পরের দিকে তৈরী দ্রাবিড় বিমান ঘরানা। ... ...
মোট এই চারটিই গুহা। এবার পাহাড় থেকে নেমে উল্টোদিকে যেতে যেতে ভাবছিলাম এই হ্রদের নাম অগস্ত্য হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ জায়গার নাম বাতাপী। বাতাপী আর ইল্বল সেই দুই রাক্ষস ভাই ছিল। বাতাপী ছাগল হয়ে যেত আর ইল্বল পথিকদের তার মাংস রান্না করে খাওয়াত। খাওয়া শেষ হয়ে গেলে বাতাপীর নাম ধরে ডাকলেই বাতাপী বেরিয়ে আসত পথিকদের পেট চিরে। একদিন অগস্ত্য যাচ্ছিলেন সে রাস্তায় [সম্ভবত বিন্ধ্য পেরিয়ে অগস্ত্য যাত্রায়]। বাতাপীকে খেয়ে হজম করে ফেললেন। দুই ভাইয়ের গল্পের ঐখানেই ইতি। ... ...
বিজাপুরের সেনার প্রধান সম্পদই ছিল বিরাট আকারের সব কামান। তুরস্ক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের অফিসাররা এসে এখানে কামান বানাতেন , সেনাকে শেখাতেন কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। ... ...
হরিহর আর বুক্ক রায় বলে দুই ভাই বানিয়েছিলেন এই বিজয়নগর সাম্রাজ্য। ~১৫০০ সালে কৃষ্ণদেবরায়ের আমলে সেটা শীর্ষে পৌঁছয়। তার কিছুদিন আগেই ভাস্কো দ্য গামা নেমেছেন কালিকুটে। ডমিংগো পেজের মত পর্তুগিজ, অন্যান্য ইতালিয়ান পর্যটকরা বিজয়নগরের কথা লিখে গেছেন। তাদের লেখায় বিজয়নগর রোমের চেয়েও বড় শহর ছিল। ... ...
ত্রয়ী হয়সালা মন্দির - বেলুর , হালেবিদু , সোমনাথপুরা ... ...
"লোকে যাকে সাহিত্য করাটরা বলে তেমন কোন-কিছুতে আমার কোন আস্থা নেই চিন্তার মধ্যবিত্ততাকে ঘৃণা করি আমি, যে চিন্তা বৌয়ের ঠোঁটের লিপস্টিক দেখে রক্ত প্রত্যক্ষ করে। রবিঠাকুর-টাকুরদের মতো সাহিত্য-করিয়েদের লাইনে থাকতে নিজেকে রীতিমত অসম্মানিত মনে হয় আমার। আমি তেমন কোনো লেখা লিখতে চাই না যা পড়ে লোকে আমার পিঠ চাপড়ে বললে বাহা বেড়ে সাহিত্য করেছো তো হে ছোকরা, আমি চাই লোকে আমার লেখা পড়ে আমার মুখে থুথু দিক, আঙুল দেখিয়ে বলুক, - এই সেই লোক যে উপদংশ-সর্বস্ব এই সভ্যতার ঘাগুলো খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে দিনের আলোর মত খোলাখুলি করে দিয়েছে।" ... ...
ইউরোপীয় কোম্পানিগুলি বাংলার রফতানি পণ্য কেনার জন্য ইউরোপ থেকে যেসব সোনা-রুপো নিয়ে আসত (প্রায় সবটাই রুপো) সেগুলোর বেশিরভাগই জগৎশেঠদের কাছে বিক্রি করতে হত কারণ এগুলোর বিনিময়ে তাদের স্থানীয় মুদ্রা সংগ্রহ করতে হত এবং তা দিয়েই রফতানি পণ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হত। আর যেহেতু জগৎশেঠদের হাতেই টাঁকশালের কর্তৃত্ব, তাদের আমদানি করা রুপো জগৎশেঠদের কাছে বিক্রি করা ছাড়া কোনও উপায় তাদের ছিল না। শুধু তাই নয়, জগৎশেঠরা যে দাম দিতেন, সেটাই তাদের নিতে হত। বলা বাহুল্য সে দাম বাজারের দামের চেয়ে কমই হত। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলির পক্ষে এ ব্যবস্থা মেনে নিতেই হত কারণ তারা এ দেশে পণ্য কেনার জন্য যে রুপো নিয়ে আসত, জগৎশেঠদের ছলচাতুরির জন্য তারা সেগুলি দিয়ে টাঁকশালে মুদ্রা তৈরি করতে পারত না। অথচ দাদনি বণিকদের মাধ্যমে রফতানি পণ্য সংগ্রহ করার জন্য তাদের নগদ টাকার খুবই প্রয়োজন হত। ... ...
সূত্র : যতীন্দ্রমোহন চট্টোপাধ্যায় দ্বারা মূল জেন্দ থেকে বাংলায় অনূদিত জরথুস্ত্র উপনিষদ ... ...
নতুন পুঁজিবাদ আসলে প্রাচীন পৃথিবীর অরোবরোস , সেই সাপ যা অনবরত ল্যাজ থেকে নিজেকেই খেয়ে চলেছে ... ...
কোন দেশ কাকে কত অস্ত্র বিক্রী করছে সেই তথ্য জানা যায় সুইডেনের সিপ্রির ( SIPRI - স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট [1] ) তথ্যভান্ডার থেকে। ১৯৬৬ সালে তৈরী এই স্বাধীন সংস্থাটি ১৯৫০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক স্তরে যাবতীয় অস্ত্র কেনাবেচার হিসেব রাখতে চেষ্টা করে এবং প্রতিবছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ... ...