এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • একজন নাস্তিকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশী নতুন সরকারের প্রতি খোলা চিঠি

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৪৬ বার পঠিত
  • প্রাপক: মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তারিক রহমান ও নবগঠিত সরকারের সদস্যগণ
    তারিখ: [১4 ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

    প্রিয় তারিক রহমান সাহেব এবং আপনার সরকারের সদস্যবৃন্দ,

    আমি একজন নাস্তিক লিখছি। শুধু একজন নাস্তিক হিসেবে নই, বরং সেই বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে লিখছি, যার জন্ম ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, যে বাংলাদেশে ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার এই নীতিতে বিশ্বাস করে বড় হয়েছে। আমি লিখছি সেই জুলাই বিপ্লবের একজন সাক্ষীর পক্ষ থেকে, যে ২০২৪-এর রাস্তায় দেখেছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, শোষণমুক্ত সোনার বাংলার স্বপ্ন। আজ, ২০২৬ সালের প্রথম প্রহরে, আপনাদের সরকার গঠনের কয়েক মাসের মাথায়, আমি আপনাদের জিজ্ঞেস করছি: সেই স্বপ্নটার কী করলেন আপনারা?

    আপনারা হয়তো এই চিঠি পড়বেন না, পড়লেও আমলে আনবেন না। কারণ আপনাদের চোখে আমি হয়তো অস্তিত্বহীন, একজন ‘ধর্মহীন’ বিচ্যুত সত্তা, যার মত প্রকাশের কোনো অধিকার নেই। কিন্তু তবুও লিখছি, কারণ আমার অস্তিত্ব অস্বীকার করার অধিকার কারও নেই।

    ১. ধর্মনিরপেক্ষতার কবর খনন: ‘জুলাই চার্টার’ থেকে যে শব্দটি মুছে ফেলা হলো

    আপনাদের সরকারের প্রথম কাজগুলোর মধ্যে একটি ছিল ‘জুলাই চার্টার’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা প্রস্তুত করা। সেই দলিল দেখে আমি শিউরে উঠেছিলাম। সেখান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দটি সম্পূর্ণ মুছে ফেলে আপনি বসিয়েছেন ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি’। সাহেব, এই দুটোর মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। ধর্মীয় স্বাধীনতা মানে হলো ব্যক্তির নিজস্ব ধর্মচর্চার অধিকার, কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতা মানে হলো রাষ্ট্রের ধর্মে নিরপেক্ষ থাকার অঙ্গীকার। আপনারা ‘সম্প্রীতি’ শব্দের আবরণে মূল নীতিটাকেই গিলে খেয়েছেন। এটা কি ১৯৭২-এর সংবিধানের মূল চেতনার ওপর থুথু নিক্ষেপ নয়? মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বঙ্গবন্ধু ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের মূল চার নীতির একটি হিসেবে রেখেছিলেন ধর্ম যেন রাজনীতির হাতিয়ার না হয়, সংখ্যালঘুরা যেন সুরক্ষিত থাকে, আর নাস্তিকেরাও যেন মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে। আপনারা সেই চেতনাকে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজতের জোটবদ্ধ কফিনে শুইয়ে দিয়েছেন। এই ‘নতুন বাংলাদেশ’ আসলে পুরোনো সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের পুনর্জন্ম, যেখানে রাষ্ট্র নিজেই ধর্মের পৃষ্ঠপোষক—সেটা ইসলাম হোক বা অন্য কিছু।

    ২. ইসলামিস্টদের সঙ্গে আঁতাত: ক্ষমতার ভাগাভাগি আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন

    আপনারা সরকার গঠনের পর থেকেই হেফাজত-জামায়াতের দাবির কাছে মাথা নত করে আসছেন। নারী সংস্কার কমিশনকে দুর্বল করে দেওয়া, যৌন সহিংসতার শিকার নারীদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার পথ তৈরি করা—এগুলো কি তাদের তুষ্ট করার অংশ? ব্লাসফেমি আইনকে আরও কঠোর করার যে আলোচনা, তা তো সরাসরি মুক্তচিন্তার গলা টিপে ধরার নামান্তর। গাজীপুরে একটি আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হয়েছে, কুমিল্লায় একটি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর হয়েছে, খ্রিস্টান ধর্মযাজকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আর আপনার সরকার নীরব। শুধু নীরব নয়, অনেক সময় আপনি বলেছেন ‘উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত চলছে’। কোন উস্কানি? ওদের অপরাধ শুধু এই যে ওরা সংখ্যালঘু? আপনারা কি শুধু মুসলমানদের সরকার, নাকি ‘ইসলাম রক্ষা সরকার’? জনগণের সরকার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দেখছি এটা একটা ধর্মীয় জোট সরকার, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকেও যারা ধর্মে বিশ্বাস করে না, তাদের কোনো স্থান নেই।

    ৩. নাস্তিকদের অস্তিত্ব স্বীকারে অন্ধত্ব

    আপনারা সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু আমরা নাস্তিক? আমাদের তো কোনো অস্তিত্বই নেই। সংস্কার কমিশনে, উপদেষ্টা পরিষদে, কোনো আলোচনায় নাস্তিক, মানবতাবাদী বা মুক্তচিন্তকদের ডাক পড়েনি। আপনারা কি মনে করেন বাংলাদেশে কোনো নাস্তিক নেই? নাকি আমাদের ‘আল্লাহর রহমতে’ মুখ বন্ধ করে থাকতে হবে? আমরা কি ভোট দিতে পারি না? কর দিই না? দেশের জন্য মরতে পারি না? জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমরা কি রাস্তায় ছিলাম না? আমরা কি ওই সময় গুলিবিদ্ধ হইনি? তাহলে কেন এই রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়া থেকে আমাদের সরিয়ে রাখা হলো? কারণ আমাদের অস্তিত্ব স্বীকার করলে আপনাদের ইসলামিস্ট মিত্ররা অস্বস্তিতে পড়বে—এই ভয়? এই ভয়ই প্রমাণ করে আপনার সরকার ধর্মনিরপেক্ষ নয়, বরং ধর্মীয় দলগুলোর একটি পুতুল।

    ৪. ব্লাসফেমি আইনের ভয়: ২৯৫এ আর সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের দানব

    আপনারা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন ‘কালাকানুন বাতিল করব’। কিন্তু এখন ক্ষমতায় এসে জামায়াত-হেফাজতের চাপে পেনাল কোডের ২৯৫এ ধারা এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের নব্য সংস্করণকে আরও শক্তিশালী করার পথে হাঁটছেন। ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ দেওয়ার অপরিচ্ছন্ন সংজ্ঞা দিয়ে একজন নাস্তিক বা মুক্তচিন্তককে যেকোনো সময় জেলে পুরে দেওয়া যায়। আমি যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখি ‘আমি আল্লাহতে বিশ্বাস করি না’, সেটা কি অপরাধ হবে? আপনার আইনের চোখে হবে। কারণ আপনারা ধর্মকে রাষ্ট্রের এত কাছে নিয়ে এসেছেন যে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যাওয়া আর ধর্মের বিরুদ্ধে যাওয়া একই কথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা কী গণতন্ত্র? এটা তো স্পষ্ট ধর্মীয় ফ্যাসিজম, যেখানে চিন্তার স্বাধীনতা বলতে কিছু নেই।

    ৫. নারী-এলজিবিটি-সমতার ওপর হামলা: মধ্যযুগের অন্ধকারে ফিরে যাওয়া

    হেফাজতের মিছিলে নারী সংস্কার কমিশনকে ‘বেশ্যা’ বলে গালি দেওয়া হয়েছে, ইউনিফর্ম সিভিল কোডকে ‘ইসলামবিরোধী’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। আর আপনারা দাঁত খিঁচেছেন, কখনো নিন্দার কঠোর ভাষা ব্যবহার করেননি, বরং তাদের দাবির সঙ্গে আপস করেছেন। নারী, নাস্তিক, এলজিবিটি সম্প্রদায়—সবাই আজ একই হুমকির সম্মুখীন। জুলাই বিপ্লবের সময় দেয়ালে দেয়ালে লেখা ছিল ‘সমতা, মানবাধিকার, সাম্য’। সেই শব্দগুলো আজ মুছে ফেলা হচ্ছে ‘ইসলামী আইন’ আর ‘হুদুদ’ এর প্রলেপ দিয়ে। আপনারা কি সেই সমাজ গড়তে চান, যেখানে নারী দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক, যেখানে কেউ যদি ভিন্ন যৌনতার অধিকারী হয়, তাহলে তার অস্তিত্বই অবৈধ, আর কেউ যদি নাস্তিক হয়, তাহলে তার কথা বলার অধিকার নেই?

    ৬. বিএনপির ইসলামীকরণের ঐতিহ্য: একটা পুনরাবৃত্তি

    আপনার দলের ইতিহাস আমরা জানি। জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম’ ঢুকিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার গায়ে প্রথম কোপ বসান। এরশাদ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম বানিয়ে দ্বিতীয় কোপ বসান। এখন আপনারা ক্ষমতায় এসে সেই ঐতিহ্যকে আরও শানিত করছেন। উন্নয়নের নামে আপনারা শুধু অবকাঠামোর কথা বলেন, কিন্তু সেই উন্নয়নের পথে চলতে গিয়ে মানুষের মৌলিক অধিকার, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, সংখ্যালঘু সুরক্ষা—এসব কিছুই বিসর্জন দিচ্ছেন। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার যতটুকু ব্যর্থ ছিল, আপনারা তার চেয়েও বেশি ব্যর্থ হচ্ছেন। কারণ তাদের ব্যর্থতা ছিল নিষ্ক্রিয়তার, আর আপনাদের ব্যর্থতা সক্রিয়ভাবে ধর্মান্ধতার পৃষ্ঠপোষকতা করার।

    ৭. জুলাই বিপ্লবের স্বপ্নের হত্যা

    ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা[বাঙ্গালাদেশি নাস্তিকরা ] রাস্তায় নেমেছিলাম শুধু একটি সরকারের পতনের জন্য নয়, বরং একটি রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য। আমরা চেয়েছিলাম একটি ধর্মনিরপেক্ষ, সামাজিক ন্যায়ভিত্তিক, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ। আমরা চেয়েছিলাম শোষণমুক্ত সমাজ। কিন্তু আপনারা সেই স্বপ্নকে ইসলামী মৌলবাদের পায়ে বলি দিয়েছেন। এখন গড়ে উঠছে এমন এক ‘মধ্যযুগীয় ইসলামী রাষ্ট্র’, যেখানে একজন নাস্তিকের জন্য তিনটিই পথ খোলা—হয় ধর্মান্তরিত হও, না হয় চুপ করে থাকো, নয়তো মৃত্যুর মুখোমুখি হও। অথবা দেশ ছেড়ে পালাও।

    আমি জানি, আমার এই চিঠি আপনাদের কাছে মূল্যহীন। আপনারা ব্যস্ত থাকবেন নতুন ইসলামী আইন প্রণয়নে, মিত্রদের তুষ্ট করতে, বিদেশি সাহায্যের ফাইল খুলতে। কিন্তু জেনে রাখুন, আমি এবং আমার মতো অসংখ্য নাস্তিক, মুক্তচিন্তক, ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী মানুষ চুপ করে নেই। আমরা দেখছি, আমরা হিসাব রাখছি। এই ফ্যাসিবাদী পথ যদি আপনি বন্ধ না করেন, তাহলে ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না। তাদের রক্তের দাম আপনাকে একদিন দিতে হবে।

    আমি একজন নাস্তিক বাংলাদেশীর হয়ে বলছি। আমার দেশে আমার মত প্রকাশের অধিকার আপনারা দেননি, কিন্তু আমার অস্তিত্ব অস্বীকার করার অধিকারও কারও নেই। ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে না আনলে, নারী, সংখ্যালঘু ও মুক্তচিন্তকদের নিরাপত্তা না দিলে, আপনারা শুধু একটা ধর্মীয় ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের জন্ম দিচ্ছেন—যেখানে আমরা, যারা আপনাদের মতো ভাবে না, তারা চিরদিন শত্রু হয়ে থাকব। আর শত্রুতে ভরা রাষ্ট্র কখনো টেকসই হয় না।

    একজন ক্ষুব্ধ নাস্তিক
    আলবার্ট সিরাজ ব্যানার্জি 
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন