এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • এগিয়ে বাংলাদেশ 

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৫৬ বার পঠিত
  • জুলাইয়ের হাসিনা-আওয়ামী লিগ বিরোধী ন্যারেটিভকে দাঁড় করানোর চেষ্টা হচ্ছিল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ন্যারেটিভে। দেখা গেল দেড় বছরে, নির্বাচনের পর, সেটা বহুলাংশে ঘুরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে রক্ষার ন্যারেটিভে রূপান্তরিত হয়েছে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:3a80:198d:e19d:778:5634:1232:***:*** | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪২738665
  • কোনও ইসলামিস্ট কখনো বাংলাদেশপন্থী হতে পারে না। বাংলাদেশপন্থার আড়ালে তারা ধারণ করে সাম্প্রদায়িক আধিপত্যবাদ। বঙ্গভঙ্গকে সামনে রেখে তাদের যত ন্যাকামো, তা মূলত সেই আধিপত্যবাদের সুযোগ হারানোর বিলাপ ছাড়া কিছু নয়, ৪৭ এর পাকিস্তান ছিল সেই বিলাপের ক্ষতিপূরণ, ৭১ এর বাংলাদেশ ছিল সেই ক্ষতিপূরণ তাদের থেকে কেড়ে নেওয়ার ঘটনা, আর ২৪ এর আন্দোলন হল সেই কেড়ে নেওয়া ক্ষতিপূরণ অর্জনের পুনঃচেষ্টা। এই স্বঘোষিত মুখোশধারী বাংলাদেশপন্থীরা মূলত ভারতপন্থী, তবে সেই ভারত ইসলামি শরীয়ায় পরিচালিত গাজওয়ায়ে হিন্দ পরবর্তী ভারত। সেই ভারতে “বাংলাদেশ” নামক কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই, তাই কোন বাংলাদেশপন্থীও নেই।
     
    রাজিবুর রহমান,
    ২৭ মাঘ ১৪৩২ (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
  • দীপ | 2402:3a80:1979:783d:778:5634:1232:***:*** | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:২৪738684
  • জামায়াতের আমির ধপাস-উর-রহমান জিজিয়া কর নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছে, "মুসলিমদের জন্য যেমন যাকাত, তেমনি অমুসলিমদের জন্য জিজিয়া কর।" আমি আগেও অনেকবার বলেছি, মুসলিমদের একটি ভণ্ডামি হলো—এরা কখনো পুরো কথা বলে না, পরিস্থিতি অনুযায়ী যতটুকু সুবিধা, ততটুকুই বলে।
     
    জিজিয়া হলো অমুসলিমরা যে ইসলামি রাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে, তার চিহ্ন। জিজিয়া মানে অমুসলিম জিম্মিদের ওপর ইসলামি চাঁদাবাজি। যে মানুষ কখনো তার নিজ ধর্ম পালন করার জন্য রাষ্ট্রকে কোনো চাঁদা দেয়নি, সেই লোকের দেশ যদি মুসলিমরা দখল করে, তবে তার ওপর এই চাঁদা আরোপিত হবে। মুসলিমরা বলবে, এই চাঁদার বিনিময়ে অমুসলিমদের বাধ্যতামূলক সৈন্য হওয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, যুদ্ধের সময় তাদের যুদ্ধের দায়িত্ব থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া হয়। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশ আছে, যেখানে কয়েক শত বছর ধরে কোনো বিদেশি শত্রু আক্রমণ করেনি; অনেক দেশ আছে যেখানে ভবিষ্যতেও যুদ্ধ লাগার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। সেই সব শান্তিপূর্ণ দেশ দখল করে সেখানে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করে যদি মুসলিমরা অমুসলিমদের বলে যে, জিজিয়ার বিনিময়ে যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার দরকার নেই—তাহলে এর কোনো মানে দাঁড়ায় না। শান্তিপ্রিয় মানুষদের দেশে ভবিষ্যতে কবে না কবে যুদ্ধ হবে, সেই মুলা দেখিয়ে তাদের হাজার বছর ধরে বসবাসরত স্থানে তাদের ধর্ম পালনের জন্য তাদেরকেই আবার মুসলিমদের কাছে নতজানু হয়ে জিজিয়া দিতে হবে! এর চেয়ে জঘন্য মস্করা আর কী হতে পারে?
     
    কোনো অমুসলিম যদি জিজিয়া হিসেবে তার চৌদ্দ পুরুষের সম্পত্তিও দিয়ে দেয়, তাহলেও সে কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেট হতে পারবে না। এর কারণ—ইসলামি রাষ্ট্রে তার নাগরিক মর্যাদা হলো 'জিম্মি'-র মর্যাদা; সে প্রথম শ্রেণির নাগরিক নয়। সকল ধরনের প্রশাসনিক পদ ইসলামি রাষ্ট্রে থাকবে মুসলিমদের অধীনে। আদিবাসী, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ সব ধরনের অমুসলিম যদি জিজিয়া হিসেবে তাদের জীবনও দিয়ে দেয়, তারপরেও তাদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ার কোনো অধিকার নেই। ধপাস-উর-রহমান সবাইকে ধোঁকা দিচ্ছে! ধোঁকা! ধোঁকা!
     
    রাজিবুর রহমান,
     
  • দীপ | 2402:3a80:1989:82ae:578:5634:1232:***:*** | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩২738739
  • আশিটি বছর ধরে পথ হাঁটিতেছি আমি ধান্ধার পথে। 
    শৈশবে শুকতারা সাময়িকী চুরি, কর্ণফুলি পাড় থেকে 
    শিক্ষার অজুহাতে আটলান্টিক পাড়ে, অনেক ঘুরেছি আমি। 
    সত্তর দশকে, জিয়ার গ্রাম সরকারের ধূসর জগতে, সেখানে ছিলাম আমি। আরও দূর অন্ধকারে, 
    টাঙাইলের খিলদা-কালিহাতী গ্রামে, আমি ব্যস্ত প্রাণ এক, 
    সুযোগের উপকূলে সাঁতরাতেছিলাম আমি পাতকূয়া ব্যাঙ,
    আমারে দু দণ্ড শান্তি দিয়েছিল জোবরার গ্রামীণ ব্যাংক।
     
    সুদ নিই কবেকার গ্রামীণ মহাজন-সম চক্রবৃদ্ধি হারে, 
    ব্যর্থ হলে ঋণ পরিশোধে, কেড়ে নিই হাঁস-গরু-ঢেউটিন সব; 
    কোটি টাকা মূলধন জমে গেলে,পায়ে ধরে শেখের বেটির
    রেলওয়ের ওয়ারলেস লাইন জুড়ে গড়ে তুলি গ্রামীণ ফোন;
    গ্রামীণ শক্তি দই, গ্রামীণ চেক, গ্রামীণ হাবিজাবি, আরও কত কী...
    ইউনুস ফাউন্ডেশনে আমিই কর্মকর্তা, আমিই নিয়োগকর্তা!
    অনুষ্ঠানে আমি আয়োজক, প্রধান অতিথি, সভাপতিও আমিই
    আমি, আমি, আমি, আমিময় আমার পৃথিবী!
    ধান্দার ঢেউয়ে ভেসে সাফল্যের দ্বীপে আমি এক সফল নাবিক,
    নোবেল যদি না পাই, এই জীবনেরে মোর ধিক শত ধিক।
     
    দিতে মোর কোষ্ঠকাঠিন্য, শুধু নিতে জানি আমি।
    আমারে গিলিবে মাছ? মাছেরই গিলে ফেলি আমি বোয়াল রাঘব।
    দান? নিশ্চয়ই করি, ক্লিন্টন ফাউন্ডেশনে, ভবিষ্যতে লাভের আশায়!
    দু হাতে পাচার করি গরীবের টাকা। অবসর? এ কী অলুক্ষুণে কথা! 
    ফুসফুসে যতক্ষণ আছে শ্বাস, যত পারি, দিয়ে যাবো বাঁশ!
    মহাভণ্ড আমি, মিথ্যা বই সত্য বলি না! বিশ্বাস করি না পরকালে, 
    খাবো চুষে, নেবো শুষে ইহকালে সঅব! আয়কর? শোনামাত্র 
    গাত্রদাহ শুরু হয় মোর। দেশের যা কিছু ভালো: পদ্মাসেতু, ঢাকা মেট্রো, 
    একুশের বইমেলা, বিজয়দিবস... সব মোর দু’চোখের বিষ!
    দেশের সপক্ষে যারা, হাসিনা যেমন, গলা দাবাইতে করে হাত নিশপিশ।
    নববর্ষ, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধে বিবমিষা, পাকিস্তান হ্যায় মেরা বহুত পেয়ারা — 
    রাজাকারে ডেকে বলে: ‘আভি তক থে কাঁহা, ভাই মেরা ইয়ারা?’  
     
    দশক দেড়েক পরে, মেটিকুলাস ডিজাইনে হাসিনাকে 
    চেকমেট করে জুলাই জঙ্গীরা মোরে ডেকে আনে প্রভুর ইঙ্গিতে।
    গ্র্যাফিটি, ট্র্যাফিক করে মূর্খ জেঞ্জি ঘরে ফিরে গেলে শুরু হলো আসল নাটক। শত কোটি আয়কর মাফ, 
    পত্রপাঠ মিটে গেলো মামলা ছিল যত। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে 
    ছিল যত লোক, ঢুকালাম সব কারাগারে মিথ্যা মামলায়। 
    বার বার ভাঙা হলো ৩২ নম্বর, হাজারো মাজার, সংখ্যালঘু-নিপীড়ন! 
    সংখ্যালঘু? আরে না না, আওয়ামি দোসর সব!
    খুন হলো হাজারে হাজার, নির্বাসিত বেশুমার, রাস্তায় বেরুলেই মব!
     
    তারপর শুরু হলো সিংহাসন রক্ষার সংগ্রাম: ভারতের বিরোধিতা,
    সাত বোন ধর্ষণ, পূর্ণিমা শীলের মতো, মুরগীর গলা, হাসিনার নাটুকে বিচার, জলকর্তা ইউনুস, আক্রান্ত ছায়ানট, ভষ্মীভূত দু’দুটি পত্রিকা।
    মবের হাতে জীয়ন্তে পুড়ে মরে মালাউন দীপু চন্দ্র দাশ!
    খেলারাম খেলিলাম, প্রভুর ইঙ্গিতে, ক্ষমতার ছিল যত তাস।
    মাত্র তিন মাসের মেয়াদে কেটে গেলো ভয়াবহ অষ্টাদশ মাস।
    ক্ষীণ সূঁচ হয়ে ঢুকে বেরোলাম হয়ে মহা ফাল!
    আশ্চর্য! আমার পা চাটে তবু, এমন রয়েছে কত হাজার আবাল!  
     
    ফারুকীর সিনেমার মতো, শনিবার সন্ধ্যায় বাঙালিরও মুক্তি মেলে না।
    শার্টের গোটানো হাতায় হারানো ক্ষমতার গন্ধ শোঁকে শকুন আসিফ।
    এক খলিল ছাড়া সবাই বিদায় হলো। দুরারোগ্য রোগের মতন 
    বিদায়ে বিশ্বাসী নই, ভাইরাস আমি সওদাগর লেদু মিয়া সূত,
    নিতম্বে বিনা পদাঘাতে রাষ্ট্রদেহ ছেড়ে যাবো!’ আব্দার অদ্ভুত! 
    ‘ক্ষমতার সর্বোচ্চ আসনে, ভাতিজা! আমাদের কবে হবে স্থান?’ 
    ফোন করেছিল চিমসানো নিতম্ব-যুগল, ক্ষীণ স্বরে, তারেকের ঠাঁই।
    নাক চেপে তারেক বলেছে: ‘ওস্তাদ কী কহিলেন, কিছু বুঝি নাই!’
     
    ফেসবুক 
  • দীপ | 2402:3a80:197f:456f:878:5634:1232:***:*** | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২৭738804
  • মহামানব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের বিরোধিতা করতে গিয়ে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের আহমদুল্লাহ হুজুর বলেছিলেন, "যে গানে 'বাংলাদেশ' শব্দটাই নাই, তা আবার বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত কীভাবে হয়?" আহমদুল্লাহ এই গানে শিরকের গন্ধ পান। অথচ তাঁর ধর্ম যে দেশে উৎপত্তি লাভ করেছিল, সেই দেশ সৌদি আরবের জাতীয় সঙ্গীতে 'সৌদি আরব' শব্দটি একবারও আসে নাই। সেই সঙ্গীতে ঘুরে ফিরে হারাম রাজতন্ত্রের প্রশংসা, ঘুরে ফিরে বাদশার প্রশংসা। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে মায়ের রূপকে দেশের প্রশংসা শুনলে আহমদুল্লাহদের যে গাত্রদাহ শুরু হয়, তা সৌদির জাতীয় সঙ্গীতে বাদশার প্রশংসা শুনে হয় না কেন? কোন দিন তো এই সব অর্বাচীন আহমদুল্লাহদের মুখে এই প্রতিবাদ শুনলাম না যে, "সৌদি আরবের জাতীয় সঙ্গীতে হারাম রাজতন্ত্রের প্রতিনিধি বাদশার প্রশংসা বাদ দেওয়া হোক।"

    সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করার ক্ষমতা আহমদুল্লাহদের নেই, কারণ সৌদির বিরুদ্ধে টু শব্দ করলেই আহমদুল্লাহদের কাছে আর ঐ দেশ থেকে ফান্ডিং আসবে না। তার আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ও মাদ্রাসাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তাই আহমদুল্লাহদের কাছে 'মা' শব্দ হারাম আর 'বাদশা' শব্দ আরাম।

    রাজিবুর রহমান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন