সরকারি ভাতা: নিছক অনুদান নাকি স্বনির্ভরতার সোপান?
অখিল রঞ্জন দে
রাজনৈতিক মহলে এই প্রকল্পগুলো নিয়ে নানা মত রয়েছে। বিরোধীদের কেউ কেউ একে ভিক্ষা, খয়রাতি বা ভোটের রাজনীতি হিসেবে সমালোচনা করলেও, সরকারি ভাষ্যে এগুলো মানুষের প্রাপ্য সামাজিক নিরাপত্তা। সুবিধাভোগীদের একাংশ মনে করেন, তাঁদের দেওয়া করের টাকা থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তাই এটি তাঁদের ন্যায্য অধিকার।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা যুবসাথী-র মতো প্রকল্পগুলো 'ভিক্ষা' না 'প্রাপ্য' — এই দ্বৈরথ মূলত রাষ্ট্রের ভূমিকা ও নাগরিকের মর্যাদাবোধের সংঘাত থেকে জন্ম নেয়। অর্থনৈতিকভাবে, একে কেবল অনুদান নয়, বরং 'তৃণমূল স্তরের অর্থনীতিতে তারল্য বৃদ্ধি' (Universal Basic Income-এর একটি রূপ) হিসেবে দেখা হয়, যা বাজারের চাহিদা বজায় রাখে। সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে, একজন প্রান্তিক নারী যখন হাতে নিশ্চিত নগদ পান, তখন তাঁর পারিবারিক দরকষাকষির ক্ষমতা বাড়ে এবং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসায় তিনি হীনম্মন্যতা কাটিয়ে সক্রিয় নাগরিকে রূপান্তরিত হন। দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, আধুনিক কল্যাণকামী রাষ্ট্রে সম্পদ বণ্টন কেবল দয়া নয়, বরং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত শ্রেণির প্রতি রাষ্ট্রের ক্ষতিপূরণমূলক বিচার। যখন আমরা একে 'ভিক্ষা' বলি, তখন নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকারকে খাটো করা হয়; আর যখন একে 'সামাজিক সুরক্ষা' বলি, তখন রাষ্ট্রের দায়িত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রকৃত বিচারে এটি কেবল টাকা নয়, বরং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মানুষ যে সমাজেরই একটি অংশ — এই সত্যটিকে মেনে নেওয়া। এর ফলে মানুষ আর করুণা বা দয়ার পাত্র থাকে না, বরং সে সমাজের একজন সমান অধিকার সম্পন্ন সদস্য বা অংশীদার হিসেবে গণ্য হয়।
রাষ্ট্রের কল্যাণকামী ভূমিকা এবং মুক্ত বাজারের এই দ্বন্দ্বটি আধুনিক অর্থনীতির সবথেকে রোমাঞ্চকর পাঠ। নিচে একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ দেওয়া হলো যা আমাদের বিষয়টি অন্যভাবে ভাবতে সাহায্য করবে:
কল্যাণকামী রাষ্ট্র বনাম মুক্ত বাজার: একটি দ্বান্দ্বিক লড়াই
একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র মূলত সামাজিক ন্যায়বিচার বা Social Justice-এর ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করে। এখানে রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি হলো — সম্পদ মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে কুক্ষিগত না রেখে তা প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার,যুবসাথী বা যুবশ্রীর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে যখন সরাসরি টাকা পাঠানো হয়, তখন রাষ্ট্র আসলে একটি 'সেফটি নেট' বা সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। এটি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখে এবং সামাজিক বৈষম্য কমাতে সাহায্য করে। এখানে রাষ্ট্র একজন অভিভাবকের মতো, যে নিশ্চিত করে যে কেউ যেন অভুক্ত না থাকে।
অন্যদিকে, মুক্ত বাজার অর্থনীতি বা ক্যাপিটালিজমের যুক্তি হলো 'দক্ষতা' । মুক্ত বাজারের সমর্থকদের মতে, সরাসরি টাকা দেওয়া বা 'সাবসিডি' দেওয়া আদতে অর্থনীতির গতিকে শ্লথ করে দেয়। তাঁদের দাবি, এই টাকা যদি পরিকাঠামো উন্নয়ন বা শিল্পায়নে বিনিয়োগ করা হতো, তবে দীর্ঘমেয়াদী কর্মসংস্থান তৈরি হতো। তাঁদের দর্শনে, মানুষকে ভাত খেতে দেওয়ার চেয়ে ধান চাষ করা শেখানো বেশি জরুরি। মুক্ত বাজার মনে করে, রাষ্ট্র যখন দান খয়রাত করে, তখন মানুষের মধ্যে কাজ করার অনীহা বা 'Dependence Syndrome' তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয়।
তবে আধুনিক অর্থনীতিবিদরা (যেমন অমর্ত্য সেন বা অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়) মনে করেন, এই দুই মেরুর মধ্যে একটি সেতু দরকার। কোনো মানুষ যদি চরম দারিদ্র্য বা অপুষ্টিতে ভোগেন, তবে তাঁর পক্ষে মুক্ত বাজারের প্রতিযোগিতায় নামা অসম্ভব। তাই কল্যাণকামী রাষ্ট্রের 'অনুদান' আসলে ব্যক্তিকে সেই প্রাথমিক শক্তিতুকু দেয়, যাতে সে ভবিষ্যতে মুক্ত বাজারের যোগ্য হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ, আজকের 'ভাতা' বা 'অনুদান' যদি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো স্থায়ী সম্পদে রূপান্তরিত না হয়, তবে তা কেবল সাময়িক স্বস্তি; কিন্তু এটি যদি কোনো নারীর আত্মবিশ্বাস বাড়ায় বা কোনো যুবকের প্রশিক্ষণের খরচ জোগায়, তবে তা একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ।
তাহলে মনের মধ্যে যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খায় তাহলো -- আর্থিক সহায়তা মানুষকে অলস করে নাকি তাঁদের কর্মস্পৃহা বাড়িয়ে দেয় ?
এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আধুনিক অর্থনীতি এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের এক গভীর সন্ধিক্ষণে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী একে অনেকে অলসতার কারণ মনে করলেও, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ বলছে ভিন্ন কথা। তাঁর মতে, দরিদ্র মানুষের পিছিয়ে থাকার প্রধান কারণ অলসতা নয়, বরং অভাবের তীব্র দুশ্চিন্তা বা স্কার্সিটি ট্র্যাপ। যখন একজন মানুষ অনবরত আগামীর অন্নের সংস্থান নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তখন তাঁর মস্তিষ্ক দীর্ঘমেয়াদী কোনো পরিকল্পনা বা সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে পারে না। মাসিক এই সামান্য আর্থিক সহায়তা আসলে সেই দুশ্চিন্তার পাহাড় সরিয়ে তাঁকে এক প্রকার মানসিক প্রশান্তি দান করে, যা তাঁকে নতুন করে কাজ করার বা ছোট কোনো ব্যবসায় হাত দেওয়ার সাহস জোগায়।
এই সহায়তার গুরুত্ব কেবল মানসিক শান্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি প্রান্তিক মানুষের কাছে একটি কার্যকর ‘বীজ পুঁজি’ হিসেবেও কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যুবসাথী বা যুবশ্রীর মতো প্রকল্পগুলি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে হয়তো বিশাল কোনো কারখানা গড়া সম্ভব নয়, কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। গবেষণায় দেখা গেছে, বহু মানুষ এই টাকা জমিয়ে হাঁস-মুরগি পালন করছেন, কিনছেন সেলাই মেশিন বা ছোট দোকানের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। অর্থাৎ, এই অর্থ তাঁদের পরনির্ভরশীলতার শৃঙ্খল ভেঙে এক একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার পথে প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করছে। এটি মানুষের মনে এই আত্মবিশ্বাস তৈরি করে যে, তাঁদের পেছনে একটি নূন্যতম আর্থিক রক্ষাকবচ রয়েছে।
সামষ্টিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে দেখলে, এই অর্থপ্রবাহ বাজারের গতিশীলতা রক্ষায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করে। এই টাকা কখনোই সিন্দুকে বন্দি থাকে না, বরং সরাসরি গ্রামীণ বাজারে পৌঁছায়। মানুষ যখন স্থানীয় দোকান থেকে কেনাকাটা করেন, তখন সেই এলাকায় পণ্যের চাহিদা বাড়ে। এই বর্ধিত চাহিদাই স্থানীয় দোকানদার ও উৎপাদনকারীদের ব্যবসার পরিধি বাড়াতে সাহায্য করে, যা পরোক্ষভাবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। অর্থনীতির ভাষায় একেই বলা হয় ‘মাল্টিপ্লায়ার ইফেক্ট’। পরিশেষে বলা যায়, নূন্যতম আর্থিক নিরাপত্তা মানুষকে কর্মবিমুখ করে না, বরং তাঁকে ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা দেয়। মানুষ যখন জানে যে তার নূন্যতম আহারের সংস্থান আছে, তখনই সে বড় স্বপ্ন দেখার সাহস পায়। তাই এই সহায়তা কোনো ‘ভিক্ষা’ নয়, বরং একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক বিনিয়োগ, যা নাগরিকদেরআরও সক্রিয় ও উৎপাদনশীল করে গড়ে তোলে।
আজকের অর্থনীতি ও সমাজনীতির চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে একটি প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে — রাষ্ট্রের কাজ কি কেবল নাগরিকের হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া, না কি তাঁকে উপার্জনের পথ দেখানো? প্রকৃত বিচারে, রাষ্ট্রকে কেবল 'দাতার' ভূমিকায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং ভাতার এই নিরাপত্তাকে একটি 'লঞ্চপ্যাড' হিসেবে ব্যবহার করে তাকে কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণের সাথে যুক্ত করতে হবে।
তাহলে এই প্রশ্নটি স্বাভাবিক ভাবেই উঠে আসে যে,সরকারের কি উচিত, ভাতার বদলে সরাসরি কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণ বা ঋণের ওপর বেশি জোর দেওয়া?
আসলে এই প্রশ্নের কোনো একটি নির্দিষ্ট উত্তর নেই, বরং উত্তরটি লুকিয়ে আছে একটি ভারসাম্য বা 'ব্যালেন্স'-এর মধ্যে। যদি কোনো প্রকল্প কেবল টাকা দিয়েই রাষ্ট্র নিজের দায়িত্ব শেষ করে, তবে দীর্ঘমেয়াদে তা অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। কিন্তু সেই ভাতাকে যদি একটি 'লঞ্চপ্যাড' হিসেবে ব্যবহার করা হয় — যেমন, ভাতার টাকা পাওয়ানোর শর্ত হিসেবে যদি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানো বা সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয় — তবে সেই টাকা ভিক্ষা নয় ভবিষ্যতের বিনিয়োগ। সবচেয়ে আদর্শ মডেল হতে পারে — ভাতা দিয়ে শুরু করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়ে শেষ করা। রাষ্ট্রকে প্রথমে হাত ধরতে হবে (ভাতা), তারপর হাঁটতে শেখাতে হবে (প্রশিক্ষণ) এবং সবশেষে দৌড়ানোর মাঠ তৈরি করে দিতে হবে (কর্মসংস্থান ও বাজার)। যখন একজন মানুষ ভাতার টাকা দিয়ে নিজের ছোট ব্যবসা গড়ে তুলবেন, তখন তিনি আর গ্রহীতা নন, বরং অর্থনীতির একজন সক্রিয় অংশীদার হয়ে উঠবেন।
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে মানুষ কি এই সরকারি সাহায্য পেয়ে সত্যিই স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে, নাকি পুরোপুরি সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে?
এ প্রশ্নের উত্তরও সরাসরি হ্যাঁ বা না-এ দেওয়া অসম্ভব। তবে নির্ভরশীলতা' বাড়বে যদি না রাষ্ট্র টাকার পাশাপাশি পরিকাঠামো ও বাজার নিশ্চিত করে, যাতে করে মানুষ সেই টাকাকে 'বীজ' হিসেবে ব্যবহার করে ফসল ফলাতে পারে।
এতো কিছুর পরেও একটি মৌলিক প্রশ্ন আমাদের বিবেককে তাড়িত করে — আমাদের সমাজের মানুষ কি কেবল অর্থের অভাবেই পিছিয়ে আছে? নাকি আমাদের জং ধরা শিক্ষাব্যবস্থা আর সংকীর্ণ সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিই এর জন্য দায়ী?
আসলে এই বিষয়গুলি আমাদের সমাজের এক গভীর সংকটের দিকে ইঙ্গিত করে। আমরা ঐতিহাসিকভাবে একটি নিরাপত্তা-সন্ধানী মানসিকতার মধ্যে বড় হয়েছি বা হচ্ছি। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো, শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যর্থতার ভয় এবং পরিকাঠামোগত বাধা।
আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা আজও ব্রিটিশ আমলের সেই 'কেরানি তৈরির' ছাঁচে বন্দি, যা কেবল চাকরিপ্রার্থী তৈরি করে, নতুন কিছু সৃষ্টি করার আত্মবিশ্বাস দেয় না। ফলে উচ্চশিক্ষিত যুবকও যখন কর্মসংস্থান পায় না, তখন সে স্বাবলম্বী হওয়ার বদলে 'যুবসাথী' বা 'যুবশ্রী'র মতো বিভিন্ন ভাতার ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে যোগ হয় সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি — যেখানে সামান্য বেতনের চাকুরে যে সম্মান পান, একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা পান কেবল ব্যর্থতার ভয়। আমরা আসলে এমন এক সমাজে বাস করি যেখানে "রিস্ক নেওয়া"-কে বাহবা দেওয়ার বদলে "নিরাপদ দাসত্ব"কে আভিজাত্যের প্রতীক মনে করা হয়। আমাদের সমাজ এখনো 'ঝুঁকি নেওয়া' মানুষের চেয়ে 'নিরাপদ খাঁচায়' থাকা মানুষকে সন্মান দেয়। যতক্ষণ এই মনস্তত্ত্ব না বদলাবে, ততক্ষণ উদ্যোক্তার বদলে আমরা 'সাহায্য-প্রার্থী'ই তৈরি করতে থাকব। যতক্ষণ না একজন সফল উদ্যোক্তা আর একজন উচ্চপদস্থ আমলাকে সমাজ সমান চোখে দেখবে, ততক্ষণ এই 'সাহায্য-প্রার্থী' মানসিকতা কাটানো কঠিন। অথচ ভাতার ক্ষুদ্র অর্থকে যদি অলসভাবে ব্যয় না করে ক্ষুদ্র শিল্পের কাঁচামাল বা আধুনিক যন্ত্রপাতির সংস্থানে কাজে লাগানো যেত, তবে তা অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত। মানুষ কেবলমাত্র টাকার অভাবে পিছিয়ে নেই, মানুষ পিছিয়ে আছে একটি 'সহায়ক পরিবেশ' এবং 'সৃজনশীল আত্মবিশ্বাসের' অভাবে। যখন রাষ্ট্র এবং সমাজ মিলে মানুষকে বিশ্বাস করাবে যে — "তুমি দয়া পাওয়ার যোগ্য নও, তুমি সৃষ্টির যোগ্য" — তখনই এই ভাতার সংস্কৃতি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক বিপ্লবে রূপান্তরিত হবে।
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।