এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বড় গল্প - সেকেন্ড হ্যান্ড অস্তিত্ব

    Ayan Mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ২৭৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • সেকেন্ড হ্যান্ড অস্তিত্ব
    ​অয়ন মুখোপাধ্যায়

    কলকাতায় শীত খুব বেশি নামে না, তবু কিছু কিছু সন্ধ্যা আছে, যেগুলোকে শীত বলতেই হয়। বাতাসে নয়, মানুষের গলায়। জানলার কাচে নয়, চোখের নীচে। সেই রকম এক সন্ধ্যায় মেঘলা আমাকে প্রথম বলেছিল, “দেখো, এসব সম্পর্ক আমাদের মধ্যে না রাখাই ভালো।”

    আমরা তখন কলেজ স্ট্রিটের ভিড় এড়িয়ে একটা পুরোনো কফিশপের দোতলায় বসে আছি। নীচে বইয়ের দোকান গুটোচ্ছে, ভাঙা রিকশার ঘণ্টা কাঁপছে, আর টেবিলের ওপর রাখা দুটো চায়ের কাপ অনেকক্ষণ আগেই ঠান্ডা হয়ে গেছে। আমাদের কথাবার্তাও সেই চায়ের মতোই—গরম থাকতে যতটা সহজ, ঠান্ডা হলে ততটাই তিক্ত।

    আমি চুপ করে ছিলাম। কারণ, আমি জানতাম, মেঘলা ঠিক কথাই বলছে। আমরা দুজনেই বিবাহিত, আমাদের সন্তান আছে। আমরা এতটাই সাধারণ, এতটাই ভদ্রলোক-ভদ্রমহিলা ধরনের দাম্পত্যের ঘেরাটোপে বন্দী যে, আমাদের নিয়ে কারও সন্দেহ হওয়ার কথা নয়। আমার স্ত্রী শ্রেয়া স্কুলে পড়ায়, বাড়ি ফিরেই বাচ্চার পড়া দেখে। মেঘলার স্বামী সায়ন সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করে, ফেসবুকে খুব কম লেখে, কিন্তু মেঘলার জন্মদিনে প্রতি বছর একই ক্যাপশন দেয়— Still grateful for you. আমাদের এই পরিপাটি জীবনে সব ঠিকঠাক ছিল, কেবল ছিল না এক ফালি আকাশ।

    শূন্যতা শব্দটা আজকাল বড্ড সস্তা। কিন্তু আমি যে শূন্যতার কথা বলছি, তার আলাদা রং আছে। সেটা খুব জোরে চিৎকার করে না। যেমন খুব সুন্দর একটা দেওয়ালে চোখে পড়ার মতো কোনো দাগ নেই, তবু সেখানে একটা পেরেক ছিল, খুলে নেওয়া হয়েছে, আর সেখানেই সামান্য একটা গর্ত রয়ে গেছে। দূর থেকে দেখা যায় না, কিন্তু চোখ একবার পড়লে বারবার সেখানেই যায়।

    আমাদের আলাপ এক সাহিত্য আড্ডায়। প্রথম দিকে সব স্বাভাবিকই ছিল—ইনবক্সে লেখা নিয়ে কথা, বইয়ের ছবি, হঠাৎ কোনো এক লাইনের ওপর দীর্ঘ মন্তব্য। একদিন দেখি, যে কথাগুলো আমরা নিজেদের ঘরে বলি না, সেগুলো একে অপরকে বলে ফেলছি। আর যে কথাগুলো সবাইকে বলা যায়, সেগুলো আমাদের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। প্রেম এখন আর বজ্রপাতের মতো আসে না, প্রেম আসে নোটিফিকেশনের মতো। খুব হালকা শব্দ করে। তুমি প্রথমে তাকাও না। তারপর আবার শব্দ হয়। তারপর একসময় তুমি নিজেই অপেক্ষা করো, কখন ফোনটা জ্বলে উঠবে।

    মেঘলা একদিন লিখেছিল, “আজ খুব অকারণে খারাপ লাগছে।” সেই দিনই মনে হয়েছিল, আমরা একটা বিপজ্জনক সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে আছি। নীচে জল নেই, আগুনও নেই—শুধু ফিরে যাওয়ার রাস্তা আর সামনের পথ, দুটোই সমান অনিশ্চিত। আমরা ঝগড়া করেছি, দূরত্ব রেখে বসেছি, নিজেরই হৃদয়ের কাছে পুলিশগিরি করেছি। কিন্তু হৃদয় যে দুর্নীতিগ্রস্ত দপ্তর! সেখানে নিয়ম ভাঙা খুব সহজ।

    যেদিন মেঘলা বলল, “এটা না-ই থাক,” সেদিন ওর চোখে নাটক ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত সততা। ও বলেছিল, “বাড়ি ফিরে আমি সায়নের দিকে তাকাতে পারি না কিছু কিছু দিন। তোমারও নিশ্চয়ই তেমন লাগে।” আমি বলেছিলাম, “হ্যাঁ।” আমার গলায় ছিল এক নির্বোধ পুরুষালি ভান, যেন আমি খুব সহজেই সরে যেতে পারি। আমরা সেদিন আলাদা রাস্তায় হাঁটলাম।

    তারপর কয়েক মাস কেটে গেল। এই সমস্ত বিষয়ে পৃথিবীর কিছু যায় আসে না শহরের মেট্রো ঠিক সময়ে ঢোকে, অটোচালক ভাড়া নিয়ে তর্ক করে, স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা হয়। শুধু সন্ধে নামলে মাঝে মাঝে মনে হয়, পৃথিবীর কোথাও একটা জানলা বন্ধ হয়ে গেছে, আর বদলে গেছে হাওয়া চলাচল। আমি চেষ্টা করেছি ভালো স্বামী হতে। শ্রেয়াকে বলেছি, “বুড়ো হচ্ছি।” শ্রেয়া হেসে বলেছিল, “তা হলে তাড়াতাড়ি বুড়ো হয়ো না। এখনও অনেক EMI বাকি।” দাম্পত্যের বড় শক্তি এই—সে ভাঙাচোরা কথার ভেতরেও সংসার চালিয়ে নিতে পারে।

    তারপর একদিন দুপুরে হঠাৎ মেঘলার মেসেজ এল— আজ কথা বলতে পারবে? সেই একটি বাক্যে পুরোনো সব কিছু এমনভাবে ফিরে এল, যেন কোনো ঘরে অনেকদিন পর আলো জ্বালাতেই দেখা গেল—আসবাবপত্র সরেনি, শুধু ধুলো জমেছে। ও বলল, “জেঠু মারা গেছেন। কাল শ্রাদ্ধ।” পরদিন বিকেলে আমি ওদের পাড়ার মোড় পর্যন্ত গিয়েছিলাম। নিজেকে বুঝিয়েছিলাম—কাজ ছিল কাছে। বাড়ির বারান্দায় সাদা কাপড় শুকোচ্ছে, গেটের বাইরে চটি, ভেতরে ক্ষীণ ভিড়ের শব্দ। মেঘলা বেরোল। সাদা-ধূসর শাড়ি। চোখ ফুলে আছে। হঠাৎ চোখাচোখি হতেই ও থেমে গেল। আমি বুঝলাম, ওর এই কান্না শুধু মৃত্যুর জন্য নয়, এই কান্না সেই প্রত্যাখ্যানের শূন্যতা আর বেঁচে থেকেও হারিয়ে যাওয়া কোনো সংযোগের জন্য।

    রাত সাড়ে এগারোটায় ওর মেসেজ এল— আজ তোমাকে দেখে খুব কাঁদতে ইচ্ছে করছিল। আমি লিখলাম, আমি জানি। ও লিখল, না, তুমি জানো না। আমি লিখলাম, তা হলে বলো। দশ মিনিট পর উত্তর এল: সবাই ভাবছিল আমি মৃত মানুষটার জন্য কাঁদছি। কিন্তু আমি কাঁদছিলাম অন্য কারনে যেটাকে আমি খুব জোর করে মেরে ফেলতে চেয়েছিলাম, সেটা মরেনি। বরং আজ বুঝলাম, সেটা এখনো বেঁচে আছে মনের ভেতরে। আমি লিখলাম— আমারও।

    এরপর আমাদের সম্পর্ক আবার শুরু হল। কিন্তু এবার আবেগের নয়, সচেতন বিপদের দিকে। আমরা জানি, প্রেম অনেক সময় সংসার ভাঙে না, শুধু মানুষের ভেতরে একটা গোপন ঘর বানিয়ে নেয়। যেখানে কেউ থাকে না, শুধু দু-একটা কথার আলো জ্বলে। সেই আলো খুব বেশি উজ্জ্বল নয়, তবু নিভে গেলেই বোঝা যায়, কী অন্ধকার।

    এক সন্ধ্যায় মেঘলা বলল, “জানো, আমি সায়নকে এখনও ভালোবাসি।” আমি বললাম, “আমিও শ্রেয়াকে অসম্মান করি না।” ও বলল, “তা হলে এটা কী?” আমি বললাম, “সম্ভবত মানুষের জীবনে একটাই সত্যি থাকে না।” সে কথা শুনে মেঘলা জানলার বাইরে তাকাল। আমি আর মেঘলা দুজনই জানি আজকাল কোন কিছুই গোপন নয় সব কিছুই একদিন না একদিন ফাঁস হয়ে যাবে—ফোন, চ্যাট, ক্লাউড, স্ক্রিনশট। প্রেম এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রযুক্তি নির্ভর, তাই অনেক বেশি তাড়াতাড়ি ভেঙে যায়। তবুও আমরা যতদিন পারি, সত্যিটাকে অন্তত নিজেদের কাছে মিথ্যে বলব না—এটাই ছিল আমাদের ভেতর একটা অলিখিত চুক্তি।

    এখন বর্ষার দুপুরে, কিংবা কুয়াশাচ্ছন্ন বিকেলে, আমরা আমাদের পুরনো ক্যাফেতে বসি। এইতো সেদিন মুখোমুখি বসে ছিলাম আর ক্যাফের স্পিকারে তখন খুব নিচু স্বরে বেজে উঠল দেবব্রত বিশ্বাসের কণ্ঠ—“যদি কিছু আমারে শুধাও, কি যে তোমারে কব? নীরবে চাহিয়া রব, না বলা কথা বুঝিয়া নাও।”

    মেঘলা জানলার কাচে আঙুল দিয়ে একটা অসম্পূর্ণ বৃত্ত আঁকে। আমি বুঝি, আমাদের এই গোপন ঘরটা কোনো দিনই আস্ত ইট-পাথরের বাড়ি হয়ে উঠবে না। এটা শুধু একটা স্মৃতি, যার নাম দিতে গেলে আইন লাগে, সমাজ লাগে, মিথ্যা লাগে। ওইদিকে ক্যাফের বেজে চলে—“অন্তরে অন্তরে, যদি কোন মন্তরে বোবা এ প্রাণের ব্যাথা বোঝানো যেত গো তারে।” আমরা কাউকে ভাঙতে চাইনি, আবার নিজেদেরকে অস্বীকার ও করিনি আবার নিজেদের মধ্যে মিথ্যে বলতে চাইনি। পৃথিবীর সব সত্যি প্রকাশ্যে আসার ও নয়। কিছু কিছু সত্যি কেবল লুকিয়ে বাঁচতে ভালোবাসে। আমাদের সেই লুকোনো সত্যটুকু বেঁচে থাকে অচেনা ছুটির দিনে কফির গন্ধে, আর সেই কান্নায় সীমাবদ্ধতায়—যার অন্য নাম সম্ভবত ভালোবাসা নয়, মুক্তি।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Lopamudra Seth | 2409:40e1:106f:a892:8000::***:*** | ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৩739901
  • Classical story
  • সরস্বতী মুখোপাধ্যায় | 2401:4900:b91:a6bf:8094:215d:6c70:***:*** | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০৯739920
  • ভালো লাগা জানালাম,,, আরো পড়তে চাই
  • সমরেশ মুখার্জী | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৬739931
  • টান টান নির্মেদ লেখা। ভালো লাগলো।
     
    এই প্রসঙ্গে একটু পাশকথার অবতারণা করতে ইচ্ছা হচ্ছে।
     
    সলিল চৌধুরীর কথায় ও সুরে আমার খুব প্রিয় “যদি কিছু আমারে শুধাও” - গানটি শ্যামল মিত্রর কণ্ঠে‌ই শুনেছি। আজ এই লেখা পড়ে YT করে দেখলাম দেবব্রত বিশ্বাস‌ও গেয়েছেন। মন্তব্যে জনৈক আশিষ সান্যাল লিখেছেন - "সলিলবাবুরে কইলাম এ গানটা আমারে দ্যান।...উনি শোনলেন না.....শ্যামলরে দিয়া দিলেন !!" ....একান্ত স্মৃতিচারণায় দেবব্রত বিশ্বাস!
     
    এই প্রসঙ্গে একটি কথা মনে হচ্ছে যা হয়তো এই লেখাটি‌র দুটি চরিত্রে‌র মানসিক টানাপোড়েন প্রসঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক নাও লাগতে পারে।
     
    সলিলবাবাবুর প্রথমা স্ত্রী জ্যোতি চ্যাটার্জী‌‌ ছিলেন ওনার ছাত্রী। বাড়ির অমতে জ্যোতি সলিলকে ১৯৫২ সালে বিয়ে করেন। ওনাদের তিনটি কন্যা হয়। বিয়ের বেশ কয়েক বছর পরে সলিল তাঁর থেকে ২২ বছরের ছোট গানের ছাত্রী সবিতার প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েন। প্রথমা স্ত্রীর সাথে প্রথাগত বিচ্ছেদ ছাড়াই সবিতাকে বিয়ে করে চলে আসেন কলকাতায়। জ্যোতি তিনটি মেয়েকে নিয়ে একা থেকে যান বোম্বাই। সলিল-সবিতার প্রথমা কন্যা অন্তরার জন্ম হয় ১৯৭০ সালে।
     
    এই প্রেক্ষিতে সলিলের কথায় ও সুরে শ্যামলের কণ্ঠে যদি কিছু আমারে শুধাও এবং যা, যারে যা, যা পাখি অথবা সবিতার কণ্ঠে ঢেউ লেগেছে মনে বেদনায় - এই ধরনের গানগুলি শুনলে যেন (সলিলে‌র) অব্যক্ত হাহাকারের‌ মতো লাগে। আমার মনে হ‌ওয়া ভুল‌ও হতে পারে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন