এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  •  রক্তগন্ধা

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ এপ্রিল ২০২৬ | ৬৮ বার পঠিত
  • কাঁটার বাগানে হাঁটি, পা ফুলে যায়, ফোসকা পড়ে, রাত জেগে ওঠে আমার পায়ের তলায়, লাল ফোঁটা ফেলে যায় পথ চিহ্নিত করে, যেন কেউ সেই পথ ধরে এসে বলবে, “এইখানে সে গেছে, এইখানে থেমেছে, এইখানে কাঁদেছে, এইখানে হেসেছে, এইখানে নিজের নাম ডেকেছে কিন্তু কেউ শোনেনি,” কাঁটা আমাকে চেনে, কাঁটা আমার বোন, কাঁটা জন্মেছিল আমার মায়ের পোড়া বুকে, যে মা আমাকে দুধ দেয়নি, দিয়েছে কাঁটার মুকুট, আমি সেই মুকুট পরে রাজ্ঞী হয়েছি, পাঁচ রাজার রাজ্ঞী, কিন্তু আমার রাজ্য এই কাঁটার বাগান, যেখানে পা রাখলে রক্ত বেরোয়, যেখানে বসলে উরুতে ফুটে কাঁটা, যেখানে শুতে চাইলে পিঠে বিঁধে কাঁটা, আর সেই ব্যথায় চিৎকার করি, চিৎকারটা শব্দ করে না, শুধু গলা ফুলিয়ে তোলে, চোখ থেকে জল বের করে, জল পড়ে কাঁটায়, কাঁটা সেদ্ধ হয়, নরম হয়, ফুল ফোটে, ফুলের নাম কী? রক্তগন্ধা, সে ফুল গন্ধ পায় না রক্তের মতো, রক্তই তার সার, রক্তই তার খাদ্য, রক্তই তার জল

    সে হাঁটে আমার পাশে, কে? সে, যার নাম নেই, যার চোখে সূর্য ডুবে যায় প্রতিদিন, যার কানে স্বর্ণের বোঝা, বুকে বর্ম, হাতে ধনুক, মনে প্রশ্ন, যার প্রশ্নের উত্তর আমি। আমি উত্তর। আমি সেই নারী যে বলে, “তুমি কে?” আর বলে, “আমি কে তা তুমি জানো,” আমি জানি, আমি সব জানি, আমি জানি সে নদীর শিশু, সে সূর্যের পুত্র, সে প্রত্যাখ্যাত, অপমানিত, ক্ষুধার্ত, একা, আমি সেই একা চিনি, আমার একা তার একার সাথে মিলে যায়, মিলেমিশে একাকার, দুই নিঃসঙ্গ আগুন একসঙ্গে জ্বলে, জ্বলতে জ্বলতে তৈরি করে শিখা, যার নাম ভালোবাসা, কিন্তু ভালোবাসা বললে ছোট হয়, ভালোবাসা একটি শব্দ, আর এটা শব্দের বাইরে, এটা রক্তের গুঞ্জন, হাড়ের কম্পন, ত্বকের নিচে জমে থাকা লাবণ্য, যা ফেটে বেরোতে চায়, দেয়াল আছে, দেয়াল আছে পুরুষের কর্তৃত্বের, সমাজের, দেয়াল আছে ধর্মের, দেয়াল আছে তার নিজের শপথের, যে শপথ তাকে বাঁধে আমার শত্রুর সাথে, যে শপথ তাকে বলে, “সে তোমার পাওনা নয়, সে পরের, সে পাঁচজনের, সে আগুনের মেয়ে, কিন্তু সেই আগুন তোমার জন্য জ্বলে না, সে জ্বলে তার স্বামীদের চুলায়, তুমি শুধু দর্শক, তুমি শুধু সেই যে সভায় হেসেছিল, যখন তার কেশ খোলা হচ্ছিল, যখন তার বস্ত্র খসে পড়ছিল, তুমি, সেই কান্না, আমি একা শুনেছি, অন্যরা হাসির শব্দে ডুবেছিল, আমি ডুবিনি, সাঁতার কেটে বেরিয়েছি, কান্না জড়ো করেছি, সেই গলায়, সেই মালার গন্ধ আমার নিঃশ্বাসে, সেই গন্ধে চিনি তোমাকে,তুমি এসেছ, তুমি এখানে, এই কাঁটার বাগানে, আমার পাশে হাঁটছ, কিন্তু হাত বাড়ালে ছোঁয়া যায় না, হাতের মাঝে দূরত্ব, জন্মের, শপথের, মাঝে জমে থাকা নীরবতার, যা ফাটে না প্রসারিত হয়, ফাঁক হয়ে যায়, খাদ হয়ে যায়, সেই খাদের ওপার থেকে সে হাত বাড়ায়, আমি হাত বাড়াই, আমাদের আঙ্গুল প্রায় ছোঁয়, কিন্তু ছোঁয়া হয় না, ছোঁয়া মানে পতন, আমরা প্রস্তুত নই. শুধু প্রস্তুত স্বপ্ন দেখার, রাত জেগে, চোখ মেলে, বাতাসে তার নাম লেখার, নাম নেই, শুধু আকার, ব্যঞ্জনা, শুধু একটি ক্ষীণ কম্পন, যা কেউ দেখে না, কেউ শোনে না, শুধু আমি, শুধু সে, শুধু এই কাঁটার বাগান, যা আমাদের সাক্ষী, যা আমাদের কবর দেবে একদিন, যখন আমরা মরব, তখন এই কাঁটার নিচে পুঁতে দেবে আমাদের হাড়, আর কাঁটায় ফুটবে রক্তগন্ধা, সেই ফুলের গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে বনে, বনের পশুরা গন্ধ পেয়ে আসবে, তারা ফুল খাবে, তাদের রক্তে মেশাবে আমাদের, তারা বংশবিস্তার করবে, তাদের শাবকরা জানবে না তারা খেয়েছে দুই প্রেমিকের মাংস, যারা কখনো মিলিত হয়নি, যারা কেবল হাত বাড়িয়েছিল, ছোঁয়ার অপেক্ষায়, চিরকাল

    আমি থামি, সে থামে, আমরা দাঁড়িয়ে থাকি, মুখোমুখি, চোখ নামানো, চোখে চোখ পড়লে আগুন ধরে যায়, আগুন নেভানো কঠিন, আগুন ছড়িয়ে পড়ে, পুড়িয়ে দেয় কাঁটা, পুড়িয়ে দেয় বাগান, পুড়িয়ে দেয় প্রাসাদ, পুড়িয়ে দেয় স্বামীর শয্যা, পুড়িয়ে দেয় তার রথ, পুড়িয়ে দেয় সারথির ছলনা, পুড়িয়ে দেয় সব নিয়ম, ধর্ম, শপথ, শুধু থাকে ছাই, আর ছাই উড়ে যায় বাতাসে, আর সেই বাতাসে ভাসে দুই প্রেত, যারা কখনো বাঁচেনি, কিন্তু মরেওনি, তারা শুধু আছে, একটি সম্ভাবনা হয়ে, একটি গল্প হয়ে, যা কেউ বলবে না, বললে পাপ, শুনলে পাপ, মনে রাখলে পাপ, সবাই ভুলে যায়, শুধু কাঁটা মনে রাখে, কাঁটার ফোঁটা রক্ত মনে রাখে, সেই রক্তে লেখা আছে গল্প, শুধু উপজাতিরা জানে, যারা বনে থাকে, যারা পায়ে কাঁটা ফোটায়, যারা রক্ত দিয়ে মাটি সিক্ত করে, যারা জানে রক্তই একমাত্র কালি, যা কখনো মুছে যায় না, শুধু শুকায়, কিন্তু শুকিয়েও লেখা থাকে, অপঠিত, অনূদিত, অনন্ত

    আমি ফিসফিস করি। “তোমার হাত বাড়াও,”

    বাড়ায়, তার হাত রুক্ষ, কলস, তীর ধরার দাগ, ধনুকের ছিলার চিহ্ন, তালুতে রেখা, যেখানে লেখা আছে তার জন্ম, তার মৃত্যু, তার পুনর্জন্ম, আমি সেই রেখা পড়তে চাই, কিন্তু আলো কম, চাঁদ ঢেকেছে মেঘে, শুধু তার হাতের উপর আমার হাতের ছায়া, ছায়া স্পর্শ করে, কিন্তু ছায়ার স্পর্শে তো আগুন ধরে না, ছায়া তো শুধু অন্ধকারের খেলা, আমি চাই আলো, চাই সূর্য, সেই আগুন যা আমাকে গড়েছে, তাকে গড়েছে, যা আমাদের গড়বে একসাথে, পুড়িয়ে, গলিয়ে, ঢেলে দেবে নতুন মূর্তিতে, যে মূর্তির কোনো নাম নেই, কোনো পরিচয় নেই, শুধু আছে দহনের গর্ব, পোড়ার সৌন্দর্য, ছাইয়ের সম্ভাবনা

    তার হাত সরিয়ে নেয়, আমি শূন্যতা স্পর্শ করি, শূন্যতা কেমন? শূন্যতা গরম, তার হাত সেখানে ছিল, তাপ লেগে আছে বাতাসে,তাপ আমার গালে লাগে, চোখ পুড়ে যায়, কাঁদি, অগ্নিকণা ঝরে, কাঁটায় পড়ে, কাঁটা জ্বলে ওঠে, ছোট ছোট শিখা, বাগান আলোকিত হয়, দেখি পরস্পরকে, তার মুখ ক্লান্ত, তার চোখ লাল, তার কপালে ঘাম, তার ঠোঁট ফাটা, তার গালে দাগ, তীরের দাগ, সম্ভবত আমার নাম লেখা ছিল, কিন্তু তিনি মুছে দিয়েছেন, নাম রাখা বিপজ্জনক, নাম ডাকা মানে তাকে ডাকা, আর তাকে ডাকলে সে আসে, সে এখানে, সে আমার সামনে, দাঁড়িয়ে, নিঃশব্দ, একটি মূর্তির মতো, মূর্তি নড়ে, তার বুক ওঠানামা করে, আমি একা পড়ে থাকি, এই কাঁটার বাগানে, এই শূন্য খাঁচায়, যেখানে পাখির পালক পড়ে আছে, আর সেই পালকে লেখা ছিল একটি গান, যা আমি গাইতে পারি না, গান গাইলে পাখি ফিরে আসে, আর পাখি ফিরলে আবার বন্দী, আবার খাঁচা, আবার চাবি, আবার দ্বিধা, আবার যন্ত্রণা

    “যাও,” আমি বলি। “যাও এখন, খুব দেরি হয়ে যাচ্ছে, সকাল হবে, তারা জাগবে, তারা দেখবে আমি নেই, তারা খুঁজবে, তারা পাবে, তারা জানবে, শাস্তি দেবে। তুমি যাও।”

    সে নড়ে না, সে তাকিয়ে থাকে, তার চোখে প্রশ্ন: “কেন? কেন আমি যাব? কেন তুমি থাকবে? কেন আমরা পালাই না? কেন আমরা ছুটে না বনের দিকে, যেখানে কেউ খুঁজে পাবে না, যেখানে আমরা তৈরি করব নতুন প্রাসাদ, কাঁঠাল পাতার, বাঁশের, কাদার, যেখানে রাজা হবে না, রানি হবে না, শুধু থাকবে দুই মানুষ, দুই আগুন, দুই কাঁটা, দুই রক্তের ফোঁটা, মিলেমিশে, এক?”

    আমি উত্তর দিই না, কারণ উত্তর জানি, কিন্তু বলতে পারি না, বললে সত্যি হয়ে যায়, সত্যি হলে পালাতে হবে, পালাতে গেলে পথ দেখাতে হবে, পথ দেখালে সে ধরবে আমার হাত, হাত ধরলে ছোঁয়া হবে, ছোঁয়া হলে পুড়ব, পুড়লে ছাই হব, ছাই হলে বাতাসে মিশব, বাতাসে মিশলে তাকে আর দেখতে পাব না, তাকে ছাড়া বাঁচব কী করে? বাঁচব না, তাই আমি থাকি, আমি কাঁটার বাগানে, আমি পুড়ি, আমি রক্ত ঝরাই, আমি ফুল ফোটাই, আমি অপেক্ষা করি, সেই দিনের, যখন আর অপেক্ষা করব না, যখন সে এসে বলবে, “আজ আর নয়। আজ যেতে হবে। আজ সময় শেষ। আজ পাঁচজন ঘুমিয়ে আছে, চিরঘুমে, তাদের জাগানোর কেউ নেই, কারণ আমি তাদের ঘুম পাড়িয়েছি, আমার তীরে, আমার ছলনায়, আমার ভালোবাসায়। এখন তুমি মুক্ত। এসো,”

    কিন্তু সে তীর ছোঁড়ে না, সে ছলনা করে না, সে ভালোবাসে, তার ভালোবাসা বন্দী, শপথের কারাগারে, বন্ধুত্বের শিকলে, সে পারে না তার বন্ধুকে ছেড়ে দিতে, যে বন্ধু তাকে প্রথম সম্মান দিয়েছিল, তাকে ডেকেছিল “ভাই”,তার পাশে দাঁড়িয়েছিল যখন সবাই দাঁড়ায়নি। সেই বন্ধুই আমার শত্রু, সেই বন্ধুই পাঁচজনের মধ্যে একজন, আমার স্বামী? না, সে নয়, সে অন্য, সে তার বন্ধু, যে রাজা, যে জুয়াড়ি, যে আমার কেশ উন্মোচন করেছিল সভায়, যে আমার বস্ত্র খসিয়েছিল, যে আমার চিৎকার শুনেছিল, হেসেছিল, পান করেছিল, উপভোগ করেছিল। তাকে সে “ভাই” বলে, তার জন্য সে লড়ে, তার জন্য সে মরতে পারে, আর আমি? আমি অপেক্ষা করি, প্রাসাদের বারান্দায়, কাঁটার বাগানে, রক্তগন্ধার ফুলের গন্ধে মাতাল হয়ে, ভাবি, কী হত যদি সে সেই সভায় হাত বাড়াত, যদি সে আমার বস্ত্র টেনে ধরত, যদি সে বলত, “থামো। এ নারী আমার।” তাহলে কী হত? তাহলে আমি হয়তো তার হাত ধরে দৌড়াতাম, চিৎকার করে বলতাম, “আমি তার, আমি কেবল তার, আর কাউকে না।” আর সুখে থাকত? সুখে থাকার কোনো নিশ্চয়তা নেই, সুখ মানে শান্তি, আগুন শান্তি পায় না, আগুন শান্তি পায় যখন নিভে যায়, আমি নিভতে চাই না, আমি জ্বলতে চাই, চিরকাল, তার পাশে, তার আগুনের পাশে, দুই আগুন, এক শিখা, আকাশ ছুঁয়ে যায়, তারাদের জ্বালিয়ে দেয়, চাঁদকে লাল করে, সূর্যকে লজ্জা দেয়, দেবতাদের চোখ ধাঁধায়, অসুরদের ভয় দেখায়, যা সবাই দেখে, কিন্তু কেউ নাম দেয় না, নাম দিলে তাকে পুজো করতে হয়,পুজো মানে বন্দি, বন্দি হতে চায় না আগুন, আগুন চায় মুক্তি, চায় ছড়িয়ে পড়া, চায় সব পোড়ানো, সব আলোকিত করা, সব শেষ করে দেওয়া, যাতে নতুন করে শুরু করা যায়।

    সে পা ফেলে, পিছিয়ে যায়, এক পা, দুই পা, কাঁটা তার পা কাটে, সে টের পায় না, কারণ সে অভ্যস্ত ব্যথায়, সে ব্যথার বন্ধু, সে ব্যথাকে আলিঙ্গন করে, ব্যথাকে খাওয়ায়, ব্যথাকে শোয়ায়, ব্যথার সাথে স্বপ্ন দেখে, ব্যথা তার পথ দেখায়, ব্যথা তাকে নিয়ে যায় আমার কাছে, আবার, বারবার, প্রতিরাতে, প্রতিসন্ধ্যায়, প্রতিপ্রভাতে, যখন আমি জেগে থাকি, চোখ মেলে, দিগন্তের দিকে তাকিয়ে, যেখানে সে আসে, একটি ধূলির মেঘ হয়ে, একটি রথের শব্দ হয়ে, একটি তীরের শিস হয়ে, একটি দীর্ঘশ্বাস হয়ে, যে দীর্ঘশ্বাস আমার কানে এসে লাগে, “আমি আছি। এখনও আছি। যতদিন তুমি আছ, ততদিন আমি থাকব।”

    সে চলে যায়, আমি একা, কাঁটার বাগান আবার অন্ধকার, শিখা নিভে গেছে,শুধু রক্তের গন্ধ, আমার পায়ের রক্ত, তার পায়ের রক্ত, মিশে গেছে মাটিতে, মাটি লাল হয়েছে, সেই লাল কালি দিয়ে লিখি আমি তার নাম, নাম নেই, তাই লিখি একটি চিহ্ন, একটি বৃত্ত, যার শুরু আর শেষ এক, যার ভিতরে শূন্যতা, যার বাইরে অনন্ত, সেই বৃত্তে দাঁড়িয়ে আমি নাচি, উপজাতীয় নাচ, পায়ে কাঁটা, হাতে ফুল, চোখে আগুন, মুখে গান, ভাষা কেউ বোঝে না, শুধু বনের পশুরা বোঝে, গাছেরা বোঝে, মাটি বোঝে, সে বোঝে, যে দূরে দাঁড়িয়ে, শুনছে, তার চোখ বন্ধ, হৃদয় খোলা, রক্ত গরম, আগুন জ্বলছে, আমার আগুনের তালে তালে, আমরা দুই আগুন, এক নৃত্য, এক ছন্দ, এক ব্যথা, এক ভালোবাসা, যার কোনো নাম নেই, কোনো শেষ নেই, কোনো শুরু নেই, শুধু আছে, চিরকাল, এই কাঁটার বাগানে, এই পোড়া মাটিতে, এই রক্তাক্ত সন্ধ্যায়, এই নিঃশব্দ রাতে, এই অনন্ত প্রহরে

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন