এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  পরিবেশ

  • দারিদ্র্য, দহন, দূষণ

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | পরিবেশ | ০২ মার্চ ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  • দারিদ্র্য, দহন, দূষণ

    উমার উষ্মা

    উমা। উমা দাস। একজন অতি ব্যস্ত কর্ম সহায়িকা। আজ বছর পাঁচেক ধরে আমাদের বাড়িতে কাজ করছে। এ পাড়ায় অনেক বাড়িতেই তার ও তার সহযোগী কন্যাদের অবাধ গতায়াত ওই কাজের সূত্রে। তার কথায় সে নাকি সবসময়ই রানিং এ থাকে, বিলম্ব স‌ইতে পারেনা। এহেন উমার হঠাৎ করে উষ্মা প্রকাশের হেতু কী?

    হেতু অবশ্য আমি। বাড়ির যত বাতিল প্লাস্টিকের বোতল, প্লাস্টিকের প্যাকেট, বিভিন্ন সময়ে আমাদের প্রশ্রয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়া নানান চেহারার কৌটো, ফিনফিনে পাতলা সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ – সব‌ই যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে না ফেলে একটা বস্তায় ভরে রাখি, যাতে এইসব কাবারিওয়ালারা সহজেই নিয়ে যেতে পারে। অনেক দিন ধরে একটা দুটো করে জমিয়ে জমিয়ে প্রায় এক বস্তা হতেই বিশ্বস্ত কাবারিওয়ালা রতনদার খোঁজ করি। বস্তাটা বারান্দায় রাখা ছিল। উমার নজর সে দিকে পড়তেই সে তার বৌদির কাছে আবদার করে – আমাকে ওই পেলাস্টিকের বস্তাটা দেবে? ওটা নিয়ে কী করবে?-- আমার গিন্নির প্রশ্ন। উনান ধরাবো। খুব ভালো জ্বলে ওগুলা। – উমার ঝটিতি জবাব। এই মুহূর্তে অকুস্থলে আমার আগমন এবং উমার আবেদন তৎক্ষণাৎ খারিজ করি। উমার উষ্মার এই হলো হেতু।

    উমাকে বারণ করলেও প্লাস্টিক পুড়িয়ে রান্না করার ব্যাপারে অন্যদের ওপর কোনো রকম বিধিনিষেধ আরোপ করা আমার সাধ্যের বাইরে। অথচ এই কাজ অবাধে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলছে গ্লোবাল সাউথের বাসিন্দা হাজার হাজার দারিদ্রপীড়িত সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে ঘরে। এসব কেবল অনুমান থেকে বলা হচ্ছে এমনটা কখনোই নয়। খুব সম্প্রতি Curtin Institute for Energy Transition এর বিজ্ঞানী গবেষক ডঃ বিশাল ভরদ্বাজের নেতৃত্বে সারা দুনিয়ার মোট ২৬ টি দেশের ১০১৮ জন নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে এক সমীক্ষা চালানো হয়। এই সমীক্ষার মূল লক্ষ্যই ছিল সমাজের নিম্ন আয়ের শহরবাসী মানুষদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বর্জ্য প্লাস্টিক ঠিক কী কাজে লাগে। বিশ্বের দক্ষিণ দুনিয়ার অন্তর্ভুক্ত এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে চালানো হয়েছিল এই সমীক্ষা।

    Nature Communications পত্রিকায় প্রকাশিত এই গবেষণামূলক সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বিপুল সংখ্যক গরীব, নিম্ন আয়ের শহরবাসী মানুষ তাদের রান্না, শরীর গরম করা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্লাস্টিক ব্যবহার করে থাকে। বিষয়টি এইসব দেশের দুর্বল জ্বালানি পরিষেবা ও অসংগঠিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতি গভীর ইঙ্গিত করে। ডঃ ভরদ্বাজের মতে – বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের কেননা সমাজের বৃহত্তর অংশের নজরের আড়ালে এই দহনের কাজটি করা হচ্ছে অনৈতিকভাবে যা সাধারণ নজরদারিতে বোঝা এককথায় অসম্ভব এবং এই সমীক্ষায় উঠে আসছে বাস্তব জীবনের গভীর সমস্যাগুলো।

    পরিসংখ্যান বলছে যে গ্লোবাল সাউথের বিস্তির্ণ অংশে এখন নগরায়নের ঢেউ এসে আছড়ে পড়েছে। শহর বা নগরগুলোতে বাড়ছে বিভিন্ন পরিষেবামূলক কাজের সুযোগ। জলবায়ুর অনিশ্চয়তা বেড়ে যাবার ফলে গ্রামীণ এলাকায় কৃষি কেন্দ্রিক কাজকর্মের সুযোগ ক্রমশই কমছে। শহরের চকচকে জীবনের হাতছানি নিয়ত‌ই আলেয়ার আলোর মতো তাদের আকৃষ্ট করছে।আর তাই দলে দলে মানুষ এসে ভিড় জমায় শহরের প্রান্তিক এলাকায়। বেছে নিতে বাধ্য হয় এক অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। এরাই তাদের বেঁচে থাকার লড়াইটাকে নামিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে একেবারেই তৃণমূল স্তরে। এসবে একটু উঁচুতে থাকা মানুষের তেমন একটা হুঁশ নেই। সংবেদন‌ও সেভাবে নেই। এদের নিয়েই আমাদের আজকের আলোচনা।

    প্রশ্ন উঠবেই যে এক অর্থে নগরবাসী হয়েও কেন এই সব মানুষের পক্ষে উন্নত জ্বালানির ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না? আসলে শহরে থাকাটা এই সব মানুষের পক্ষে একরকম বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এইসব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষেরা তুলনায় পরিচ্ছন্ন ও জ্বালানি যেমন ইলেক্ট্রিসিটি, বা লিক্যুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস ব্যবহারের সুযোগ পায়না তাদের অত্যন্ত সামান্য আয়ের জন্য। এরফলে এই সমস্ত মানুষকে বাধ্য হয়ে কাঠ, কাঠকয়লা, ফসলের অবশিষ্টাংশ বা গোবর থেকে তৈরি ঘুঁটের মতো প্রচুর ধোঁয়া নির্গমনকারী জ্বালানির ওপর। এগুলোও যে খুব সহজলভ্য তা মোটেই নয়। এদের মধ্যে যারা একটু ভাগ্যবান, কোনোক্রমে শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে বসবাসের সুযোগ পেয়েছে তারা কাঠ কুটোর সংস্থান করবে কী করে? তাদের অবস্থা অনেকটাই না ঘর কা, না ঘাট কা। আমাদের বাড়ির বাগানের কাঠ কুটো নিয়ে যাবার জন্য নিয়মিত ব্যবধানে হাজির হয়ে যায় প্রতিবেশী আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের একাংশ। এদের কার‌ও কার‌ও বাড়িতে গ্যাসের চুলা থাকলেও নশো টাকা দিয়ে নিয়মিত গ্যাস সিলিন্ডার কেনা এককথায় অসম্ভব। শহরের প্রান্তে থাকা স্বল্প আয়ের মানুষদের কাছে কাঠ কুটোর সংস্থান করাও খুব সহজ নয় – ওইসব সংগ্রহ করার জন্য প্রতিযোগীদের সংখ্যা বাড়ছে, নগরের বিস্তৃতির কারণে পিছু হটছে বনাঞ্চল। মোদ্দা কথা হলো এই যে, এইসব মানুষদের কাছে জ্বালানির চেনা উৎসগুলো রীতিমতো অধরাই থেকে যাচ্ছে।

    তাহলে উপায়? এই সময়ের শহর বা নগরগুলোতে সবথেকে সহজলভ্য জ্বালানি উপকরণ হলো বর্জ্য প্লাস্টিক ,যা অন্যান্য উপকরণের তুলনায় অনেক অনেক সুলভ। জোগান‌ও পর্যাপ্ত।
    কেবল মূল শহুরে এলাকায় নয়, সুসভ্য শহরবাসীর বদান্যতায় এই আধুনিক উপকরণটির দেখা মিলবে সর্বত্রই – জলে স্থলে অন্তরীক্ষে। বৈচিত্র্যময় এই প্লাস্টিক উপকরণের তালিকায় কে নেই – একবার ব্যবহার্য ফিনফিনে শরীরের ক্যারিব্যাগ থেকে শুরু করে, বিভিন্ন উপকরণের মোড়ক, বিভিন্ন ধরনের প্যাকেট, নানান ধরনের বোতল….. এই তালিকা শেষ হবার নয়। যত্রতত্র ফেলে দেওয়া এইসব প্লাস্টিকের উপকরণের কারণে সবকিছু বিগড়ে যাবার জোগাড়। এদিকে এদের হাত থেকে মুক্তি পেতে উদগ্রীব সবাই। মাথায় রাখতে হবে যে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আধুনিক প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাঠামো এখনও পর্যন্ত তেমন সুগঠিত নয়। ইদানিং রাস্তা তৈরির সময় এই বর্জ্য প্লাস্টিকের একাংশ পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করা হলেও তার পরিমাণ সামান্য। প্লাস্টিকের অঢেল, অনিয়ন্ত্রিত জোগান সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই অসহনীয় অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো তাকে পুড়িয়ে ফেলা। এতে একদিকে জমি পরিষ্কার হবে, অন্যদিকে তাপ শক্তি উৎপন্ন হবে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, প্লাস্টিক পোড়ানো ছাড়া তাদের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। আমার বাড়ির কর্মসহায়িকা উমাও এই এক‌ই কথা আমাকে জানিয়েছিল। আমার কাছে বাধা পেয়ে সে খুব অবাক হয়ে রাগত কন্ঠে বলেছিল – কেন দিবা না? আমি পয়সা দেবা নে। অন্য সব বাড়ি থেকে তো আমি এমনি এমনিই পাই। ক‌ই তাঁরা তো বারণ কিছু করে না !

    কেন বারণ করেছিলাম?

    দাহ্য পদার্থের দহনের ফলে উৎপন্ন হয় বিভিন্ন ধরনের গ্যাস যা আমাদের শরীরের ওপর ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলে। সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে কেবলমাত্র ফিনফিনে পাতলা ক্যারিব্যাগ‌ এবং প্যাকেজিং উপকরণ‌ই পোড়ানো হয়না, এসবের সঙ্গে জলের বোতল এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের বাতিল পাত্রগুলোকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো পলিভিনাইল ক্লোরাইড বা PVC । সাধারণত বিভিন্ন ধরনের পাইপ এবং কিছু কিছু প্যাকেজিং সামগ্রীতে এই পদার্থটি ব্যবহৃত হয় যা দহনের ফলে উৎপন্ন হয় বিভিন্ন ধরনের ডায়োক্সিন এবং furans.

    Curtin University‘র অধ্যাপক ফরিদ ভুথালুরু আমাদের সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন যে এই ক্ষতিকর যৌগগুলো পরিবেশে থেকে যায় এবং খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে। ক্যান্সারের সাথে সাথে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং প্রজনন ক্ষমতার ওপর‌ও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

    এই সমীক্ষা রিপোর্টের সহকারী লেখক ডঃ প্রমেশ ধুংগানার মতে দহনের ফলে যে ধোঁয়া ও ছাই তৈরি হয় তা জমির ওপরে, জমিতে বেড়ে ওঠা ফসলের ওপরে এবং কাছাকাছি থাকা জলের মধ্যে পড়তে পারে।এই ক্ষতিকারক টক্সিন জাতীয় পদার্থ পরবর্তীতে হাঁস মুরগির ডিম, শাকসবজি, দুধ থেকে তৈরি পনীর বা টোফুর মধ্যে জমা হয়। পূর্ববর্তী সমীক্ষায় মুরগির ডিম ও মাংসের মধ্যে ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। যে সব এলাকায় নিয়মিতভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য পোড়ানো হয় তার কাছাকাছি এলাকায় সমস্ত খাবারের মধ্যেও প্লাস্টিকের দূষিত রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে। ইন্দোনেশিয়ায় রান্না করা টোফুর মধ্যে মিলেছে দূষক পদার্থ।

    সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকেই জানেন যে এভাবে প্লাস্টিক পোড়ানো তাদের স্বাস্থ্যের সাথেসাথে পরিবেশের স্বাস্থ্যকেও ভীষণভাবে নষ্ট করে ফেলছে। কিন্তু জেনেশুনেই তারা বাধ্য হচ্ছেন হলাহল গ্রহণ করতে। যারা ঘুপচি ঘরে জ্বলন্ত উনুনকে ঘিরে সারাদিন কাটাতে বাধ্য হন সেইসব মানুষেরা যেমন মহিলা,শিশু, বয়স্ক এবং অশক্ত মানুষেরা সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। সমস্যা বাড়ছে অথচ সদর্থক বিকল্প এখনও মেলেনি।

    সম্প্রতি গাজা ভূখণ্ডে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থী শিবিরেও এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে বহু সংখ্যক বিপন্ন মানুষ। সমাজের একেবারে নীচের স্তরে থাকা মানুষজন এভাবেই নিজেদের বিপদকে নিজেরাই ডেকে আনতে বাধ্য হচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে বাধ্য হ‌ওয়া এমন মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বিশেষ করে দক্ষিণী বিশ্বে।

    বাঁচিবার পথ বুঝিবা নাইকো আর?

    বর্জ্য প্লাস্টিককে দৈনন্দিন জীবনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করাটা যে মোটেই বিধিসম্মত নয় সেই বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ভুক্তভোগী দেশের সাধারণ মানুষ‌ও একথা বোঝেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো যে সমাজের একেবারে নিম্নতম বর্গের হতভাগ্য মানুষদের কাছে কার্যকর এবং গ্রহণীয় বিকল্প কিছু নেই। আর নেই বলেই এইসব মানুষেরা নিজেদের জীবনকে বিপন্ন করে অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ জ্বালানি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    এই প্রসঙ্গে সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘের মুখপাত্র অধ্যাপক পেটা এ্যাশ‌ওয়ার্থ বলেছেন যেসব মানুষের কাছে ব্যবহারযোগ্য বিকল্প কোনো জ্বালানি নেই তারাও জেনেশুনে এই বিষাক্ত পদার্থকে জ্বালানি রূপে কাজে লাগাতে বাধ্য হচ্ছেন। এর মানে এই নয় যে এই মানুষেরা ব্যবহৃত জ্বালানির বিপদ সম্পর্কে অজ্ঞ, বরং বলা ভালো যে তাদের কাছে অন্য কোনো জ্বালানি নেই। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল যে এই অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কী কী? শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি যে তাদের অনেকেই উত্তর দিয়েছে আরও বেশি বেশি করে বর্জ্য প্লাস্টিক সংগ্রহ করে রাখাই হলো সবথেকে ফলপ্রসূ বিকল্প! তাদের আশা যে আগামী দিনে প্লাস্টিকজাত বর্জ্যের কোনো ঘাটতি হবে না। ভাবতে বসলে রীতিমতো চমকে উঠতে হয়।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০২ মার্চ ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন