এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া -- ২৩ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ মে ২০২৬ | ৪২ বার পঠিত
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩
    ( ২৩ )

    ভোটের খেলায় শুধু দুটো দলেই টক্কর চলছিল। বাকিরা আছে শুধু ভোট কাটাকুটির খেলায়। সেটাও বেলা এগারোটা পর্যন্ত। তারপর দেবাশিসের কথামতো হাওয়ায় টান লাগল সড়সড় করে। ঘূর্ণি পাকিয়ে উঠতে লাগল আচমকা। হাওয়া ঘুরে যেতে লাগল অস্থির দ্রুততায়। তারপর ভর দুপুরে, বেলা দুটো নাগাদ জনমতের প্রবল সাইক্লোন ধেয়ে এসে চুরমার করে ভাসিয়ে নিয়ে গেল রাজ্য শাসন করা দলের সাধের ইমারত আর সাজানো বাগান। টিভি চ্যানেলের তুরতুরে ফিটফাট সঞ্চালকরা ঠান্ডা ঘরে বসেও প্রবল উত্তেজনার ধাক্কায় কপালের ঘাম মুছতে লাগলেন। সাড়ে তিনটের সময় তোলপাড় করা ঝড় থিতিয়ে গেল। টিভি চ্যানেলে স্থিতাবস্থা ফিরে এল। রাজ্যজুড়ে গেরুয়া আবির উড়তে লাগল হাওয়ায়। দেবাশিসের পূর্বাভাস ছবির মতো মিলে গেল।

    কেলাবের হাতযশে নাকি অন্য কোন কিসিমের কলকাঠি নেড়ে এসব হল সেসব কিস্যা ক্রমে ক্রমে বোঝা যাবে। আপাতত দেখা যাচ্ছে পাঁচজন সাধারণ লোকের চোখেমুখে নিজের ছেলে সসম্মানে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার পরের স্বস্তি ও পরিতৃপ্তি চকচক করছে। সবার মধ্যেেই বেশ হাঁফ ছেড়ে বাঁচার মতো খুশি খুশি ভাব। ফাঁড়ির সামনে দিয়ে যাবার সময় দেবাশিসের চোখে পড়ল তিনটে কনস্টেবল বারান্দায় চেয়ারে বসে আই সি সুমন্ত্র চাকির সঙ্গে হাসাহাসি করতে করতে খোসগল্প করছে। সুমন্ত্র চাকিকে কখনও হাসতে দেখেনি দেবাশিস। সবসময়ে ভ্রু কুঁচকে থাকত, বোধহয় মনের মধ্যে একটা লড়াই চলত সবসময়। চাপে ছিল মনে হয়। ব্লক প্রেসিডেন্ট অসিত সোমের কথা ছেড়েই দেওয়া গেল প্রশান্ত দাসের মতো ফড়ে দালালরাও থানায় ঢুকলে বুক ঢিপঢিপ করত। চেয়ার ছেড়ে দাঁড়াতে হত। মনে হত, কি জানি কাকে বাঁশ দেবার ফরমাশ নিয়ে হাজির হল। আর মুখে তো খিস্তি লেগেই আছে তার জুনিয়রদের সামনেই।
    ঘটনাক্রমে ফাঁড়ির সামনেই প্রশান্ত দাসের মুখোমুখি হয়ে গেল দেবাশিস। হন্তদন্ত হয়ে হেঁটে যাচ্ছিল উল্টোদিকে। দেবাশিসের দিকে হাত তুলে
    একবার ঘাড় কাত করে হাঁটা না থামিয়ে তড়িঘড়ি বেরিয়ে যাচ্ছিল দেবাশিস কিছু বলার আগেই।
    দেবাশিস মনে মনে বলল, ' লে হালুয়া... কড়ায় তেল পড়তে না পড়তেই ... '
    হঠাৎ ফাঁড়ির বারান্দা থেকে আওয়াজ এল, ' আরে ওই ... এদিকে এদিকে... এদিকে দেখ বাবা...দা, পালাচ্ছিস কোথায়... শালা চামচা? '
    প্রশান্ত দাস জোরপায়ে হেঁটে যেতে লাগল কোনদিকে ঘাড় না ঘুরিয়ে, যেন কিছু শুনতেই পায়নি। দেবাশিস ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল আই সি সাহেব দাঁত করে হাসছে।
    দেবাশিস আবার ভাবল, এত হাই স্পীডে বদলে গেল আশপাশ। একদিন আগেও চিন্তার বাইরে ছিল। কলকাতায় কী হচ্ছে কে জানে....

    নিরূপমের বউ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ঝিঙে কিনছিল। হাতে একটা ঠোঙা। দেবাশিসকে দেখে একগাল হেসে বলল, ' কি খবর ঠাকুরপো ... কেমন লাগছে? এই নাও... '
    বলে হাতের ঠোঙাটা থেকে একটা দরবেশ বার করে দেবাশিসের হাতে দিয়ে বলল, ' নাও, সবাইকেই দিচ্ছি... হি হি হি... কি আনন্দ লাগছে কী বলব... '
    দেবাশিস প্রশ্ন করল না, কেন। সে বরং মিষ্টিটা খেতে খেতে ভাবল, ' আরও অনেকে দরবেশ খাওয়াবে মনে হচ্ছে আজকে। হাওয়া এভাবেও ঘোরে ! '

    পবন মালহোত্রা একা বসে আছে ট্রিঙ্কার্সে। এক পেগ হুইস্কি নিয়েছে। বরফের তিনটে টুকরো ফেলে দুটো ছোট চুমুক দিয়ে চুপচাপ বসে আছে। অনুমিত এসে ঢুকল।
    --- ' কিরে.... হঠাৎ হাওয়া হয়ে গেলি? গেরুয়া আবির খেলছিলি নাকি? ', পবন বলে।
    --- ' দূর... আমি ওসব লাইনে নেই। বুঝি না কিছু... ফালতু হুজ্জুতি ... '
    --- ' সে কিরে... এরকম একটা হিউজ চেঞ্জ... '
    --- ' হবে হয়ত ... জানি না ওসব... '
    --- ' তা'লে কী করছিলি? সাম নিউ বার্ড চেজিং... নাকি দ্যাট ওল্ড ওয়ান? হাঃ হাঃ হাঃ... '
    --- ' চুপ কর তো... ফালতু বকিসনা। আবার সেদিনের মতো কাওতালি শুরু করেছিস। মটকা গরম করাসনি... '
    পবন কোন জবাব না দিয়ে গ্লাসে আর একটা চুমুক দিল।
    মিনিটখানেক চুপচাপ থেকে পবন বলল, ' কী নিবি, ভদকা? '
    --- ' না না... কিছু না। শুধু চিকেন স্টু... '
    --- ' ইজ ইট? ঠিক আছে ... দ্যাটস নাইস... বলে দে ... '
    ওয়েটার চিকেন স্টু আনতে গেল।
    অনুমিত একটা টিস্যু পেপার নিয়ে নানাভাবে ভাঁজ করতে লাগল। কী যেন চিন্তা করছে।
    হঠাৎ বলল, ' দুৎ... ভাল্লাগছে না ... যাচ্ছি আমি... '
    বলে দাঁড়িয়ে উঠল।
    পবন বলে উঠল, ' আরে ... কী হল ! '
    --- ' কিছু না... এমনি... '
    --- ' অর্ডারটা ... '
    --- ' ওটা পারিস তো তুই খেয়ে নিস... না চাইলে খেতে হবে না... পেমেন্টটা আমি করে দিয়ে যাচ্ছি... '
    --- ' আরে পেমেন্টকি বাত নেহি... ফটাকসে কেয়া হো গ্যয়া ! '
    --- ' কিছু না, এমনি। ভালো লাগছে না... '
    অনুমিত সোজা হেঁটে গেট দিয়ে বেরিয়ে গেল।
    পবন ঠোঁট উল্টে আপনমনে বলল, ' আজব ছেলে তো... খোঁজ করতে হচ্ছে... '

    বিচারক শিশিরবিন্দু নিয়োগীর অবসর গ্রহণের আর ছ'মাস বাকি। তিনি অনিন্দ্য বসুর সঙ্গে পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠ অন্তত পনের বছর ধরে। দুজনেই দুজনকে খুব পছন্দ করেন, হয়ত দুজনের চিন্তাতরঙ্গ একে অপরের সঙ্গে মিলে যায় বলে।
    অনেকদিন পরে শিশিরবিন্দুবাবুর ফোন এল অনিন্দ্যবাবুর কাছে।
    --- ' আরে কী খবর... কেমন আছেন শিশিরবাবু? --- ' আছি একরকম। অনেকদিন দেখা হয়নি। সন্ধেবেলায় বাড়ি আছেন? '
    --- ' আছি আছি। কোথায় আর যাব? জানেন তো আমি ঘরকুনো লোক। চলে আসুন, চলে আসুন ... '

    শিশিরবিন্দুবাবু চা কফি কিছুই খান না। শুধু এক গ্লাস লেবুর জল খেলেন খুব তৃপ্তি করে।
    অনিন্দ্যবাবু বললেন, ' আর এক গ্লাস নেবেন নাকি? '
    --- ' তা হলে হয় ... গরমকালে এটা বড্ড আরাম দেয় ... '
    --- ' ঠিক ঠিক... বলছি... '
    একটু চুপ করে থেকে বললেন, ' তারপর... কেমন বুঝছেন ? '
    --- ' কী ব্যাপারে? '
    --- ' এই যে ড্রাস্টিক অ্যান্ড অ্যাবরাপ্ট চেঞ্জ ইন পলিটিকাল সিনারিও ... '
    --- ' হমম্... অবভিয়াসলি ড্রাস্টিক... '
    --- ' কী মনে হচ্ছে... আউটকাম কী হতে পারে? '
    শিশিরবিন্দুবাবুর জন্য আর এক গ্লাস লেবুর সরবত এসে গেল। তিনি বিন্দুমাত্র দেরি না করে তাতে একটা চুমুক দিয়ে বললেন, ' আ... আঃ... '
    তারপর বললেন, ' আউটকাম ইনিশিয়ালি ভালই হবে মনে হয়। কিন্তু আমাদের এই ইলেক্টোরাল সিস্টেমে সব কিছুই পাওয়ার ওরিয়েন্টেড। পাওয়ার কেউ হাতছাড়া করতে চায় না। সব সিস্টেমেই অবশ্য তাই। তবে অটোক্রেটিক সিস্টেমে ভাণ বা ভনিতার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমাদের মতো আধা সোশ্যালিজম আধা ডেমোক্র্যাটিক ক্যাপিটালিস্ট কাঠামোয় পপিউলিস্ট পলিটিক্সের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করতে হয়। তবে সেটা যে রুলার যতটা মাত্রা বজায় রেখে চলতে পারে তারা তত বেশিদিন স্থায়ী হয়। যারা এবারে রিমুভড হল তাদের সেই মাত্রাজ্ঞানটা ছিল না। অতিরিক্ত লালসায় বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিল। সেন্স অফ প্রোপোরশানটা থাকার দরকার। আমাদের এই সংবিধান, সেটা যিনিই ফ্রেম করুন, মোটেই ফুলপ্রুফ নয়। সেজন্যই আমাদের সোশ্যাল সিস্টেমও ফুলপ্রুফ নয়। তার সারা গায়ে ফুটো। এই কনস্টিটিউশান হ্যাবিচুয়াল অফেন্ডারদের নানাভাবে বোলস্টার করে। সকালে এ দলের হয়ে ভোটে জিতে বিকেলে আর এক দলের পতাকা হাতে নিয়ে নাড়ানো আমাদের আলগা পলকা সংবিধানই অ্যালাও করে, বিনা বিচারে নিরপরাধিদের কয়েক যুগ ধরে জেলে আটকে থাকা তো আমাদের সিস্টেমই অ্যালাউ করে... শুধু পলিটিশিয়ানদের দোষ দিয়ে আর কী হবে? '
    --- ' কিন্তু বাবাসাহেব আম্বেদকার তো.... '
    --- ' আপনি কি শিয়োর আমাদের কনস্টিটিউশানটা ডক্টর আম্বেদকারের আনএডিটেড ভার্সান? আমার একটু ডাউট আছে... '
    --- ' সে যাক... ক'দিন ধরে এক্স সি এম এবং তার লেফটেন্যান্ট জেনারেল যেভাবে মব জিয়ারিং ফেস করছে... বিশেষ করে হাইকোর্টে কাল যেটা হল... '
    --- ' কোয়াইট ন্যাচারাল। নিউটনের থার্ড ল অফ মোশান... বুঝলেন তো... হার্ডকোর ফ্যাসিস্ট বা অটোক্র্যাটদের সব জায়গায় একই পরিণতি হয়। মুসোলিনিকে তার দেশের লোক মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছিল। হিটলারের পরিণতি তো সবাই জানে। সিরাজদ্দৌল্লা, নেপোলিয়ন, চসেস্কু, মুজিবর রহমান, শেখ হাসিনা... আরও কত বলব.... '
    --- ' আর অফ লেট... এই মমতা... তাই তো? '
    --- ' এগ্জ্যাক্টলি এগ্জ্যাক্টলি... শি ইজ ফরচুনেট এনাফ যে পিপল হিয়ার আর সো সফট ইন দেয়ার রিঅ্যাকশান... অ্যাম আই ক্লিয়ার? '
    --- ' অ্যাবসোলিউটলি। যা করেছে তার কিছুই রিটার্ন পায়নি এখনও। হয়ত ভবিষ্যতের জন্য জমা আছে সব আমানত। কী মনে হচ্ছে আর জি কর ইস্যুটা রিওপেন হবে? '
    --- ' হ্যাঁ, ওপেন ডেফিনিটলি হবে। ইট সিমস টু বি মোস্ট লাইকলি ম্যাথামেটিক্যালি। বাট দ্যাটস অল। নাথিং মোর আই ভিসুয়ালাইজ আউট অফ দ্যাট ... '
    --- ' রাইট রাইট। কনভিকশান অফ দ্য অ্যাকচুয়াল পারপিট্রেটর্স লুকস টু বি আ ফার ক্রাই। প্রপার ইনভেস্টিগেশান যদি এখন হতে পারে আগে হয়নি কেন? এ প্রশ্ন তো উঠবেই ... '
    --- ' একদম। আই অ্যাম ভেরি রিমোটলি হোপফুল অ্যাবাউট দা কেস। স্ট্রং ইনটেনশান ইজ ফার মোর ইম্পরট্যান্ট দ্যান স্ট্রং এভিডেন্স। ইট ইজ ইনটেনশান দ্যাট ফেচেস এভিডেন্স ... '
    --- ' নো ডিনায়াল... নো ডিনায়াল। হোয়াট অ্যাবাউট দা জুডিশিয়ারি? '
    শিশিরবিন্দুবাবু বাকি সরবতটুকু একচুমুকে শেষ করলেন।
    তারপর বললেন, ' আচ্ছা, একটা কথা বলুন তো অনিন্দ্যবাবু... হুইচ ইচ মোর প্রেফারেবল, ইলেকটোরাল অটোক্রেসি না ডায়রেক্ট সিঙ্গল পার্টি রুল? সেটা যে কোন ইজম ওরিয়েন্টেড হতে পারে... '
    --- ' কিছু বলতে পারব না, শুধু বলতে পারি এইসব করাপ্ট পলিটিশিয়ানস আর দা বাইপ্রোডাক্টস অফ আওয়ার পোরাস কনস্টিটিউশানাল সেট আপ। এটাকে পারলামেন্টারি ডেমোক্রেসি না বলে ইলেকটোরাল অটোক্রেসি বলা যায়, মানে কোনরকমে ভোটে জিতে নাও, তারপর যা খুশি তাই কর। শুধু পুলিশ ফোর্সটাকে হাতে আসতে দাও। ব্যস কেল্লা ফতে। কিন্তু সেই সাইকলও তো একসময়ে, সুনার অর লেটার উইল কাম টু এন এন্ড। হোয়াট উইল হ্যাপন দেয়ারআফটার.... যেটা এখন মমতা অ্যান্ড কোম্পানি ফেস করছে... '
    শিশিরবিন্দুবাবু বললেন, ' ভেরি ট্রু... '
    --- ' আচ্ছা... সি জে পি নিয়ে কিছু ভেবেছেন নাকি? '
    --- ' সি জে পি ! সেটা কী? '
    --- ' ওই যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেের জাস্ট রিসেন্টলি ফর্মড জেন জি-র রেবেল আউটফিট... কক্রোচ জনতা পার্টি.... '
    --- ' ও আচ্ছা... কালকেই শুনলাম। ওরা নাকি হিউজ রেসপন্স পাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও ভাবিনি কিছু। অবজার্ভ করতে হবে। এ ধরণের অ্যাক্টিভিটির হিস্টোরিকাল প্রিসিডেন্স আছে কিন্তু। একদম ইউনিক কিছু না। ডিপ স্টেট পসিবিলিটিও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। রিসেন্টলি বাংলাদেশের এগজাম্পল আছে। এনিওয়ে ওটা নিয়ে এখনও ডিপলি ভাবিনি কিছু...'

    এই সময়ে ঘরের দরজায় গৌরীশঙ্কর চক্রবর্তী আবির্ভূত হলেন। নীচু গলায় বললেন, ' আসব স্যার? '

    ( ক্রমশ )

    **************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন