এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ১০

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ মার্চ ২০২৬ | ১১১ বার পঠিত
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০
    ( ১০ )

    বাড়ি ফেরার সময়ে গাড়িতে বাবা ছেলে দুজনের মধ্যে কোন কথা হল না। গড়িয়াহাটের মোড় আসতে অনুমিত বলল, ' একটু দাঁড়াও... আমি এখানে নামব... '
    অনিন্দ্যবাবু বললেন, ' ঠিক আছে। বাট লেট মি নো ইয়োর ডিসিশান কুইকলি। ডোন্ট হ্যাঙ্গ অন উইথ ইট ফর টু লঙ... '
    অনুমিত ' হুঁ... ' বলে দরজা খুলে নেমে গেল।

    অনুমিত ওখান থেকে একটা ক্যাব ধরে পার্ক স্ট্রিটে পৌঁছল। পার্ক হোটেলের পাশে একটা বারে গিয়ে ঢুকল। পকেটে তেমন টাকা না থাকলেও ক্রেডিট কার্ড আছে। ক্রেডিট কার্ডের দেনা ক্রমশ স্ফীত হয়ে উঠছে। বাবা টাকা না দিলে সমস্যার ফাঁস আরও শক্ত হয়ে বসবে গলায়। অনুমিত এর থেকে বেরোবার রাস্তা খুঁজে চলেছে দিনরাত। ব্যাঙ্ক থেকে গত সপ্তাহে দুটো এত্তেলা এসে গেছে মোবাইলে। অনুমিত ভেবে রেখেছে তার দাদাদের ফোন করবে টাকা চেয়ে। দাদারা শান্ত, সুশীল পড়াশোনায় মনোযোগী ছেলে ছিল। অনুমিতের বাঁধন ছেঁড়া জীবন প্রণালীর কোন খবর তারা রাখে না। তারা টাকা দেবে কিনা নিশ্চিত নয় অনুমিত। টাকা পাঠাতে অস্বীকার করলে বিরাট সমস্যায় পড়তে হবে কিন্তু। টাকার প্রয়োজনের কারণ জিজ্ঞাসা করলে সত্যি কথাটা বলা যাবে না। কিন্তু রাস্তা একটা বার করতেই হবে। হালের ঋণের বোঝা হাল্কা করার ব্যাপার তো আছেই, তাছাড়া পরবর্তী খরচাপাতির বন্দোবস্তও তো করার দরকার কারণ জীবনের এই ধাঁচ বদলানো তার পক্ষে সম্ভব না। এই তীব্র নেশার টান কাটানো মুশ্কিল। নেশা যখন টানে সে ভুলে যায় যে সে জাস্টিস অনিন্দ্য বোসের ছেলে।

    বারে ঢুকে দেখল যে পবন বসে আছে। পবন মালহোত্রা ভবানীপুরের এক ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে। ফূর্তিতে মন থাকলেও ব্যবসাটা বোঝে ষোল আনা। করেও গুছিয়ে। সে ব্যাপারে তার কোন ফাঁকি নেই। অনুমিতের মতো দিশাহারা নেশাগ্রস্ত জীবন নয়।

    এর মধ্যেই দু পেগ চড়ানো হয়ে গেছে পবনের।
    প্রচুর টানতে পারে। সবাই নেতিয়ে গেলেও সে নেতায় না। একদম ঠিকঠাক থাকে। জিনগত দক্ষতা বলা যেতে পারে। অনুমিত ওর টেবিলে গিয়ে উল্টোদিকের চেয়ারে বসল।
    পবন নতুন আর এক রাউন্ডে স্টার্ট দিয়েছে।
    অনুমিতকে দেখে বলল, ' ও ... এসে গেছিস ? রাস্তায় বহুৎ জ্যাম ইয়ার। চিফ মিনিস্টার স্পীচ দিচ্ছে ওখানে। পাবলিক জমেছে অনেক। কী চিল্লাচ্ছে সব, কী বলব ... বেকার মাইরি... নে স্টার্ট কর। কী নিবি রাম না ওয়াইন ? '
    --- ' দেখছি দাঁড়া। একটু বসতে দে। বহুৎ লাফড়া ফেস করতে হচ্ছে... কিছু ভাল লাগছে না... '
    --- ' কেন কী হল বস ? শায়েদ ব্যাঙ্কওয়ালে পিছে পড়ে হোঙ্গে... '
    --- ' ও তো আছেই ... কিন্তু এখন অন্য প্রবলেম... '
    --- ' কী ? '
    --- ' আরে... রবীন্দ্রসরোবরের ওই মেয়েটা.... '
    --- ' হাঁ হাঁ.... কী হল ? তুই তো ভাল টাকা অফার করেছিলি... থার্টি থাউজ্যান্ড, নট এ ব্যাড ডিল। পার্টি অফিসে গিয়ে লাগিয়েছে নিশ্চয়ই ... আমার কিন্তু ডাউট লাগছিল মেয়েটাকে বসস্... '
    --- ' আরে না না .... পার্টি অফিসে গেলে তো ম্যানেজ হয়ে যেত। ওটা কোন ব্যাপার না ... অরূপদা আছে না... চিনিস তো ? '
    --- ' হাঁ হাঁ... কিন্তু কেসটা কী হল ? '
    --- ' আরে ... মেয়েটার বাবা আমাদের বাড়িতে গিয়ে বাবাকে সব বলে দিয়েছে... '
    --- ' আর্... রে কী কেলো ! তারপর ? '
    --- এই একটু আগে বাবা আমাকে নিয়ে মেয়েটার বাড়ি গিয়েছিল ... '
    --- ' ও শিট ... তারপর ? '
    --- ' তারপর আর কী... আমাকে মুজরিম হিসেবে হাজির করালো বাবা। তারপর ওখানে বসে চা খেতে বাধ্য হলাম... '
    --- ' আরি ব্বাস্ ... ওরা কী বলল ? '
    --- ' ওরা কিছু বলার চান্স পেল কোথায়, যা বলার তো জজসাহেবই বললেন। তিনিই অ্যালিগেশান তুললেন, আবার তিনিই ভার্ডিক্ট দিলেন.... '
    --- ' কী ভার্ডিক্ট? '
    --- ' ওই তো বললাম... কনফেশান অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশান... '
    --- ' মানে ? কী সব বলছিস উকিলদের মতো... তোর বাবার হাওয়া গায়ে লেগেছে দেখছি... '
    --- ' কী আর বলব... মটকা গরম হয়ে গেছে। অথচ কিছু করার নেই ... '
    --- ' মেয়েটা বাড়িতে ছিল ? '
    --- ' না না... বলল কলেজে গেছে ... '
    --- ' আচ্ছা... ক'দিন যাচ্ছিল না তো ... পিনিক খেয়ে গিয়েছিল মনে হয়। মালটা কিন্তু চামর ছিল। তোমার চয়েস আছে বস... ', বলে কপালে বেঁকানো আঙুল ঠেকাল পবন।
    কী কারণে কে জানে অনুমিত হঠাৎ ক্ষেপে উঠল, ' আরে চুপ কর তো... ডোন্ট টক রাবিশ ... '
    --- ' কেন ? '
    --- 'চুপ কর তো, ফালতু ভাট বকিস না ... '
    পবনের মদ্য পানের দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ। তৃতীয় রাউন্ডের জন্য তৈরি হচ্ছে। একটু একটু ঘোর আসছে। অনুমিতের কথার প্রতিক্রিয়া দেবার আগ্রহ বোধ করল না সে। ওয়েটারকে কাছে ডাকল, তারপর একটা আঙুল তুলে দেখাল। মানে, ' আর একটা... '
    এই সময়ে আর এক কমরেড এসে ঢুকল। সেন্টু সিনহা। সেন্টু একই কথা বলল, ' ও সাইডে বহুৎ জ্যাম। মিটিং চলছে। সিগন্যালে গাড়ি লটকে থাকল অনেকক্ষণ। স্পীচ চলছে গরম গরম। ফালতু বেকারকা বাত সব ... অনুমিত কখন এলি... ওদিকের খবর কী ? '
    পবন সামান্য জড়ানো গলায় বলল, ' বেশি সওয়াল করিস না এখন... বসের মুড ভাল নেই...'
    সেন্টু বলল, ' কেন কেন... কী কেস ? '
    পবনই আবার জড়ানো গলায় বলল, ' হেব্বি ক্যাঁচাল... ওই মেয়েটা... '
    --- ' কোন মেয়েটা... মুদিয়ালির ? ওটা হবে আমি জানতাম... আমি এ সবের মধ্যে নেই... '
    --- ' আরে না না... লেকের মেয়েটা। লেডি ব্রেবোর্নে পড়ে ... বহুৎ সেয়ানা আছে... ' পবনই জবাব দিয়ে যায় এলোমেলো টুকরো কথায়।
    অনুমিত আচমকা উত্তেজিত হয়ে উঠল, কেন কে জানে।
    --- ' অ্যাই অ্যাই, ফালতু কথা একদম বলবি না। মাল খাচ্ছিস মাল খা... বো**দা... '
    সেন্টু ভীষণ অবাক হয়ে বলল, ' কী হল... হঠাৎ ! কিছু হয়েছে নাকি ? '
    সে একবার এর মুখের দিকে, আর একবার ওর মুখের দিকে তাকাতে লাগল।
    অনুমিত ছিটকে দাঁড়িয়ে উঠল।
    --- ' ফাক ইউ অল... ', বলে ছিটকে বেরিয়ে গেল ওখান থেকে।
    পবন মালহোত্রা ঢুলুঢুলু চোখে আর একটা চমুক দিল গ্লাসে। সেন্টু সিনহা কী বুঝল কে জানে। বিড়বিড় করে বলল, ' গাঁ... মারি... ছে ! '

    ভ্যানরিক্শা এসে দাঁড়াল ভাঙাচোরা রাস্তার একধারে। রিক্শাওয়ালা বলল, ' আর যাবে না... এখানে নেমে যান। ওইদিকে দশ পনের মিনিট হাঁটা রাস্তা... ওখানে গিয়ে খোঁজ করুন... '

    দেবাশিস কিছুটা হেঁটে গ্রামের মধ্যে গিয়ে পৌঁছল। গ্রাম মানে, ক্ষয়ে যাওয়া, ছেঁড়াখোঁড়া বেঁকাচোরা রুগ্ন শুকনো পাতা ছাওয়া কিছু কুঁড়ে।
    বোধহয় কুঁড়েও বলা যায় না একে। বুনো লতাপাতা, গাছগাছালিতে এক আরণ্যক পরিবেশ। টুকটুক করে মুরগি ঘুরে বেড়াচ্ছে আপনমনে। দু জায়গায় ছাগল বাঁধা রয়েছে। কোথাও বসে আছে দাগধরা শুকনো মরচে পড়া বুড়োবুড়ি। কেউ চালের খুদ বাছছে, কেউ গাছের ডাল টুকরো টুকরো করছে। কেউ কেউ এমনি ঘোরাঘুরি করছে।
    বিজয় এগিয়ে গেল একজনের দিকে। সে খালি গায়ে একটা ছেঁড়া পাজামা পরে দাঁড়িয়ে একটা বাঁশের ফালি চাঁচছিল।
    --- ' আচ্ছা দাদা, ওই ইয়ে... বলছিলাম যে বিজয়বাবুকে এখানে পাওয়া যাবে ? '
    --- ' হ... ওই দিকটায় আছে, ওই বাঁশঝাড়ের পিছে। সুখিরামের ঘরের সামনে হবে... ', সে জ্বালানির কাঠ কাটা না থামিয়েই বলল।
    --- ' ও আচ্ছা... ঠিক আছে, দেখছি ... '

    দেবাশিস বিজয়কে সুখির ঘরের সামনে পেয়ে গেল। বিজয় একটা কাঠের গুঁড়ির ওপর বসে মাথা নীচু করে কী একটা পড়ছিল। কোন একটা খবরের কাগজ। বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা এখন।
    দেবাশিস শুকনো পাতা মাড়িয়ে মাড়িয়ে বিজয়ের কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়াল।
    --- ' দাদা... '
    বিজয় মুখ তুলে ডানদিকে ঘাড় ঘোরাল।
    --- ' আরে ... তুমি... '
    --- ' এই একটু এলাম। সেদিন ওই চায়ের দোকানে আপনার কথাগুলো শুনে বুকে বেশ জোর পেয়েছিলাম ... '
    --- ' তোমায় দেখে ভাল লাগছে। তোমাকে বাবার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেব। বাবার কথা শুনলে তোমার মনে হয় ভাল লাগবে... '
    --- ' হ্যাঁ, ঠিক আছে। আপনাদের কাজে সাহায্য করতে পারলে ভাল হয়। আমার তো এমনি কোন কাজ নেই... '
    বিজয় চুপ করে কী ভাবতে লাগল। একটু পরে বলল, ' কিন্তু কাজ একটা দরকার। রোজগার ছাড়া চলবে কী করে। পার্টি পরে, আগে তো বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে... '
    --- ' সেটাই তো... সেটাই তো, আপনাকে আর কী বলব, বুঝতেই তো পারছেন... খুব কষ্টে আছি... বুঝলেন দাদা... একটা ছোটখাট কিছু যদি হয়ে যেত। কিন্তু অনেক টাকা চাইছে... '
    --- ' বুঝতে পেরেছি। সবই জানি। আসলে এ সিস্টেমটাকে ভাঙার দরকার। যাক, ওসব কথা পরে হবে। চল... আমি এখন বাড়ির দিকে যাব।
    রাস্তায় কথা হবে। চলি সুখি... আবার রবিবার আসব... এখন তো ভালই আছিস... '
    --- ' হ বাবু... '

    বিজয় দাঁড়িয়ে উঠল। দেবাশিসের কাঁধে হাত রেখে বলল, ' চল যাই... '

    ( ক্রমশ )

    ****************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন