এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৬ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২ বার পঠিত
  •  

                                  (  ৬ )

    দুপুরবেলায় বাড়ির উঠোন শুনশান ।  বাইরের দিকের ঘরের জানলা বন্ধ ।  ভিতরে নিশ্চয়ই মা ঘুমোচ্ছে ।  ভিতরের দিকের ঘরে কী হচ্ছে সেটাই হল চিন্তা।  নিরূপমের বুক ঢিপঢিপ করতে লাগল।  সে ভাবল,  দূর ...  অফিসে হাফ সি এল না নিলেই হত।  এখান থেকে ফিরে যাই...  বউ কিছু করলে কি এইভাবে দেখিয়ে দেখিয়ে করবে নাকি। পলিটিক্স সবাই জানে। 
    উঠোনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে  ভাবছিল কী করা যায়।
    প্রিয়াঙ্কা যদি জিজ্ঞেস করে হঠাৎ এখন চলে এল কেন, কী বলবে...
    ঠিক এই সময়ে রাস্তার দিক থেকে কে বলল, '  আরে বাবলু যে...  অফিস যাওনি ?  '
    বাবলু, মানে নিরূপম অকারণেই চমকে উঠল। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল বুড়ো দীনবন্ধু পন্ডা দাঁড়িয়ে আছে ছাতা মাথায় দিয়ে । 
    ---- ' এই...  শরীরটা জুত লাগছে না তাই ...  '
    --- ' ও,  কী হল...  জ্বর নাকি ?  সাবধানে থেক।  রোদ্দুর লাগিও না মোট্টে।  ছাতা নিয়ে বেরোও না কেন ?  '
    ---- ' হ্যাঁ...  সেটাই  সেটাই ...  '
    ---- ' ঠিক আছে,  ভেতরে যাও...  দেখ বিকেলে কেমন থাক।  খবর নেব'খন...  '
    বলে দীনবন্ধু মাথার ওপরে ছাতা ধরে আস্তে আস্তে হাঁটতে লাগলেন ।  নিরূপম হাঁফ ছেড়ে বাঁচল । 
    ভর দুপুরে এই জ্বালানি রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে বেশ কষ্ট  হচ্ছে ।  কী করা যায় ভাবছে,  এমন সময়ে খুটুস করে সামনের দরজা খুলে গেল। 
    প্রিয়াঙ্কা বেরিয়ে এসে বলল, ' তুমি হঠাৎ ...  কী হল ?  তোমার গলা পেয়ে বেরিয়ে এলাম...  ' 
    নিরূপম কিরকম অপ্রস্তুত হয়ে হয়ে পড়ল  যেন নিজের বউয়ের সামনে।  থতমত খেয়ে বলল, ' এই...  চলে এলাম...  এই গরমে ভাল লাগছিল না।  ভাবলাম...  যাই বাড়ি গিয়ে শুয়ে থাকি...  '
    ---- ' ও... তা ভাল...  '
    নিরূপম বাড়িতে ঢুকে পড়ল।  প্রিয়াঙ্কা দরজা বন্ধ করে দিল। 
    ঘরে এসে প্রিয়াঙ্কা বলল, ' তাড়াতাড়ি এসে গেছ একরকম ভাল হয়েছে।  বিকেলে একবার পার্টি অফিসে যেও।  লোক এসেছিল...  দেখা করতে বলে গেল...  '
    নিরূপম চমকে উঠে প্রিয়াংকার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
    ---- ' কেন...  কেন ?  কিসের জন্য ? কী ব্যাপারে কিছু বলেছে ?  '
    বউয়ের বিপথগামীতায় নজরদারি করার চিন্তা মাথায় উঠেছে নিরূপমের । 
    ---- ' না...  কিছু তো বলল না।   দেখ না গিয়ে কী বলে...  অত ঘাবড়াচ্ছ কেন ?  '
    ----- ' না...  তবু,  আগে থেকে জানা থাকলে সুবিধা হয়...  কে এসেছিল কে ?  '
    ---- ' ওই তো...  কালো মতো, বেঁটে মতো...  নামটা জানি না...  '
    ---- ' মোটা না রোগা ?  '
    ---- ' মোটা মোটা ...  '
    ---- ' শ্যামল পাল...  নাকি ?  '
    ---- ' হবে হয়ত,  চিনি না ঠিক...  '
    ---- ' তা তো বটেই...  তুমি কি করেই বা চিনবে ওসব এলি তেলিদের ... চিন্তায় পড়া গেল...  '
    ---- ' আচ্ছা...  তুমি এত চিন্তায় পড়ে গেলে কেন ? তোমায় ডেকেছে, কী বলে শুনে এস না...  তারপর আমার ওপর ছেড়ে দাও না । তুমি এত ঘাবড়ে যাচ্ছ কেন...  আমি তো আছি...  টাইট দিয়ে দেব...  '
    শুনে নিরূপম বউয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল কিছু বুঝতে না পেরে। 
    ---- ' তুমি টাইট দেবে...  মানে ?  '
    ---- ' মানে টানে পরে বুঝবে । যস্মিন দেশে যদাচার  না কী একটা কথা আছে না...  এখন শুয়ে পড়।  ফ্যানটা একটু বাড়িয়ে দেব ?  '
    শুয়ে পড়বে কি,  প্রিয়াঙ্কার এসব কথা শুনে নিরূপমের বুকেের ধড়ফড়ানি আরও বেড়ে গেল। 
    সেটা বোধহয় তার বউ আন্দাজ করতে পারল। 
    সে খাটের ধারে নিরূপমের পাশে এসে বসল। 
    বলল, ' এত চিন্তা ক'র না।  আমার ওপর ভরসা রাখ...  '
    ---- ' মা...নে ?  '
    ---- ' মানে যার যেটা শক্তি সেটাই  তার অস্ত্র।  এরা সব ইয়ের বাচ্চা...  সব ক'টা।  কিসের বাচ্চা বলব ঠিক বুঝতে পারছি না... তবে, ওইরকম খাবারই ওদের খাওয়াতে হয়, যাতে নেতিয়ে থাকে...  '
    বউয়ের কথা নিরূপমের কাছে জটিল ধাঁধার মতো ঠেকতে লাগল।  প্রিয়াঙ্কার মুখে এ ধরণের কথা সে কোনদিন শোনেনি।  দেখল ওর চোখে কোন ঝিলিক নেই ।  শান্ত এবং স্থির।   নিরূপম আস্তে আস্তে শুয়ে পড়ল ।  ঘুম পাচ্ছে। 

        নিরূপমের ঘুম ভাঙল সন্ধে ছ'টার পরে।  নানা মানসিক অবসাদে তালগোল পাকানো নানা জটিল স্বপ্নের আবর্তে ভারাক্রান্ত থাকার ফলে বোধহয় এতক্ষণ ধরে ঘুমের ঘোরে চাপা পড়ে ছিল । 

       প্রিয়াঙ্কার গলা শুনে ঘুম ভাঙল নিরূপমের। 
    ---- ' নাও ওঠ...  চা হয়ে গেছে ...  '
    নিরূপম ঘুমের ঘোর কেটে গেল।  মুখের লালা মুছে ধড়মড় করে উঠে বসল।
    ---- ' এঃ...  ক'টা বাজে...  ক'টা ?  '
    ---- ' ছ'টা দশ...  '
    ----- ' এঃ...  ডাকনি আমায় !  কী হবে এখন ?  '
    ---- ' কেন কী হবে ? '
    ---- ' পার্টি অফিসে যেতে বলেছিল বললে যে...  '
    ---- ' সে আর কী করা যাবে,  ঘুমিয়ে পড়েছিলে... '
    ---- ' কিন্তু ওরা ডেকেছিল...  যদি আবার...  '
    ----- ' যদি আবার কী ? '
    ---- ' ঝামেলা করে ?  '
    ---- ' আরে দূর,  ছাড় তো...  ওসব আমি বুঝে নেব... '
    ---- ' তুমি বুঝে নেবে ?  '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ...  বাবারও বাবা আছে...  সব ব্যাটাই তো কলির কেষ্ট...  '
    ---- ' মানে ?  '
    ---- ' মানে,  ওই যে বললাম...  যার যা শক্তি সেটাই  তার অস্ত্র...  যাক ওসব ছাড়...  চা খাও এখন...  '
    ---- ' যদি লোক পাঠায় ?  '
    ---- ' ভাল তো পাঠাক না...  কলির কেষ্টরা কেউ লিডার,  কেউ আমচা চামচা বেলচা গামলা হয়েছে সব...  সব শালাকে চিনি... চুয়াল্লিশ পার্টের মেয়ে আমি...  '
    নিরূপম কী বলবে ভেবে না পেয়ে চুপ করে বসে রইল । 

         বিজয় রাত্তিরে ভাত খেতে বসে  বলল, ' বাবা,  কাল সকালে কলকাতায় যাব।  কালই ফিরে আসার চেষ্টা করব...  '
    সুভাষ গিরি বললেন, ' কেন,  ডেকেছে নাকি ?  '
    ---- ' না,  আমি মিজেই যাব সংগঠন নিয়ে একটু কথা বলতে...  '
    ----- ' কার সঙ্গে ?  '
    ----- ' সজল পাত্রের সঙ্গে...  '
    ---- ' ও,  সবংয়ের সজল...  '
    ----- ' হ্যাঁ,  এখন পলিট ব্যুরোর ওয়ার্কিং কমিটিতে আছে... '
    সুভাষবাবু মাছের কাঁটা বাছতে বাছতে বললেন, ' হমম্...  দেখ...  দিনকাল তো বদলে গেছে।  লোকে এখন যে যার নিজের মতো আছে।  অধিকাংশই কিছু শুনতে বা বুঝতে চায় না...  '
    ----- ' এই বোঝানোর কাজটাই আমাদের করার দরকার...  '
    সুভাষবাবু আবার বললেন,  ' হমম্...  দেখ... দিনকাল বদলে গেছে ...  '  
    তার কথার স্বরে আশা ও সংশয়ের মিশ্রিত দোলা ।   
      

         মিশিরডাঙার মাঠ প্রায় কুড়ি বিঘে জুড়ে।  সন্ধের পরেই ঘুরঘুট্টি অন্ধকার হয়ে যায়।  এদিক ওদিক মিলিয়ে গোটা চারেক উঁচু উঁচু ল্যাম্পপোস্টের  আলো ছিল।  তার তিনটে এখন মৃত।  কবে পুনর্জীবিত  হবে জানা নেই ।  যেটা আলো ছড়াচ্ছে তার তলায় নেশার আসর বসে।  টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে অশ্রাব্য মুখখিস্তি চলে ।   পুবদিকের রাস্তার পাশে একটা  প্রাইমারী স্কুল আছে।  আছে বলা ঠিক না।  বলা ভাল,  ছিল।  এখন রাস্তার ওই তিনটে আলোর  মতোই  মৃত।  প্লাস্টার খসা ইঁটের পাঁজর বার করা দীর্ঘ অবহেলিত স্কুলঘরের দেয়াল।  বোশেখ মাসের শুখা মরশুমে আঁধার রাতে দমকা হাওয়ায়  এলোমোলো ধুলোর ঝড় ওঠে।  বনমালি মাইতি  প্রাইমারি  শিক্ষায়তনের ছোট বারান্দায় একমাত্র সজীব ল্যাম্পপোস্টটার আলো এসে পড়ে।  আট দশ জন মিলে ওখানে বসে মদের ঘোরে বিভিন্ন অপছন্দের লোকের নাম ধরে তাদের পিতৃ মাতৃ সম্পর্ক জড়িয়ে কুৎসিততম গালিগালাজ করে । অস্বাভাবিক কিছু  না । ভাগ না পেলে এত ধমক চমক পয়দা করে ফায়দা কী ?  মিনি মাগনায়  সমাজসেবা হয় না।  নাখুশ হবার আসল কারণ বখরার অসম বাটোয়ারা।  
    তারক পয়রা হঠাৎ বলে উঠল,  ' আমরা কি শালা  আঙুল চুষব নাকি বাঁ... ,  হারামে খাবে বোকা...রা ...  বাবার তবিল নাকি শালা...   '  
    কার্তিক জানা নেশার ঘোরে থাকলেও তারকের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে ভুল করল না।
    ----- ' লাইট আর শিব মন্দিরের হিস্যা অখিল অধিকারী  কী  করে খায় দেখব শালা...  আমরা শুধু মিটিং ম্যানেজ করার নাট বল্টু বাঁ... ?  নেতাগিরি মাড়াচ্ছে বোকা....দা...' 
    আর একজন বলল,  ' হুঁ...  বাঁ..টা,  কনটাকটার শালা... '  
    সবাই নেশায় জরজর।  নেশার ঘোরে আর্থিক বখরা সম্পর্কিত মনের তলার ক্ষোভ নিজস্ব পরিভাষা ও ভঙ্গীতে উগরে চলেছে থেকে থেকে ।  
        নতুন চারটে লাইট পোস্ট লাগানো এবং ভাঙাচোরা প্রাইমারি স্কুলটার জায়গা ফাঁকা করে একটা শিব মন্দির তৈরির জন্য টেন্ডার ডাকা হবে শোনা যাচ্ছে খুব শীগগির ।  'অ্যাপ্পুভাল' টা   কিভাবে আসবে  এবং কার পকেটে যাবে সেটা নিয়েই এদের দুশ্চিন্তা ফিলহাল।    

      মিনিট দশেক পরে একটু দূরে বাজারের দিক  থেকে একটা চলন্ত  বাইকের গুড়গুড় আওয়াজ পাওয়া গেল।  বাইকের হেডলাইট পড়ছে রাস্তায়।  রাস্তা দিয়ে ক্রমশ গড়িয়ে আসছে আলো । 
    কার্তিক বলল, ' কে দেখতো শালা...  অখিল হলে ওড়াব কিন্তু ...  বহুৎ সহ্য করেছি...  ' 
    গুড়গুড় করতে করতে মিশিরডাঙার মাঠের ধারের রাস্তা দিয়ে এগিয়ে আসছে বাইক। 

       ( ক্রমশ)
    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন