এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  - ১৭ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ২৩ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  •                            ( ১৭ )

    দ্রৌপদি বিকেলবেলায় ফাঁকা মাঠের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।  মাঠ গেছে বহুদূর।  মাঠের শেষে জঙ্গল।  মাঠে কোন চাষবাস কিছু নেই ।  এমনি এমনি নিষ্ফলা পড়ে আছে।  সরকারি জমি।   দ্রৌপদি সেই ছোটবেলা থেকে শুনছে এখানে  অ্যালুমিনিয়ামের কারখানা হবে।  আজও কিছু হয়নি। মাঠের এ পারে দাঁড়িয়ে অনেক দূরের ওই জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে আছে দ্রৌপদি । খুব  চিন্তায় পড়ে গেছে সে। 
    আসলে শুধু সে না,  তার চেনাশোনা অনেকেই চিন্তায় পড়ে গেছে ।  তার বাড়ির লোকের মধ্যে
    একমাত্র তার বাবা ছাড়া সকলেই গভীর জলে গিয়ে পড়েছে।  ভোটের লিস্ট থেকে নাম কাটা গেছে।  সকলে বলছে বিডিও অফিসে গিয়ে কাগজপত্র দেখাতে হবে যে তারা বাইরের লোক না।  ওই পার্টির ছেলেগুলো খুব ছোটাছুটি করতে লেগেছে। বিডিও অফিসে সরকারি অফিসাররা
    টেবিল পেতে বসবে।  তাদের কাগজপত্র দেখাতে হবে।  ঠিকমতো সব না মিললে কী হবে কে জানে। 
    বদমায়েশগুলো কী মতলবে আছে বলা মুশ্কিল। 
    তেমন ঝামেলা কিছু হলে কী করে সামলানো যাবে সেটা ভেবে তার মতো ডাকাবুকো মেয়েরও বেশ দুশ্চিন্তা হতে লাগল।   বিজয় কাল কলকাতায় গেছে পার্টির কাজে।  কোন বড় নেতার সঙ্গে সংগঠনের ব্যাপারে পরামর্শ করতে।  আজকেই তো ফিরে আসার কথা।  এখনও ফেরেনি।  মনে হয় ফিরতে রাত হবে।  বিজয়ের বাবা সুভাষবাবুর সঙ্গে অবশ্য কথা বলা যায়।  কিন্তু তার এসব ব্যাপারে ভাল ধারণা নেই ।  এরকম বদখত    ব্যাপার তো কেউ কখনও দেখেনি, যদিও ভোটের লিস্টি তোয়ের করার কাজ আগেও হয়েছে।   গাঁ সুদ্ধু  লোকের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে একেবারে ।  যাদের নাম নেই তাদের কাগজপত্র নাকি কোথা থেকে জজসাহেবরা এসে পরীক্ষা করবে।  তারা যা বলবে তাই নাকি হবে।  এইসব কথা শুনে টুনে সকলের বুকে ঝড় বইছে।  শুকনো  মুখে ঘোরাঘুরি করছে তল্লাটের অসহায় গরীব গুর্বোরা।  মিথিলা পিসি বুকের মধ্যে প্রবল আশঙ্কার চাপ সামলাতে না পেরে মাঝে মাঝে ডুকরে কেঁদে উঠছে।  কনকনে ঠান্ডা ভয়ের চাদর জড়িয়ে ধরছে তাকে। মিথিলা  মুর্মুর মনে নিশ্চিত   বিশ্বাস গেড়ে বসেছে যে তাদের এ দেশে আর  থাকতে দেওয়া হবে না।  তার অপরাধটা কী সেটা তার জানা নেই।  ওসব জেনে তার লাভ কী ?  জানা টানা তাদের কাজ নয়।  তারা কি জানার জন্য জন্মেছে নাকি ? যা জানার,  তাদের হয়ে সব জানা, সব বোঝার দায়িত্ব তো রাজনীতির মহাপ্রভুদের।  তারা যদি তাদের মানুষ বলে বিবেচনা করে তবেই তারা মানুষ।  মহাপ্রভুরা যদি তাদের ভেড়া বা শূকর মনে করে তা'লে তারা তাই।  তাদের নিজেদের চিন্তা নিজেদের করবার নিয়ম নেই।  ওই দেবতারা তাদের হয়ে চিন্তা করবেন।   তারা নিজেরা আসলে মানুষ  কিনা সেটাই তো জানা নেই মিথিলা বুড়ির।  
    মাঠের একধারে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দ্রৌপদির মাথায় এই সব এলোমেলো নানা কথা পাক খেতে লাগল। 
       পিছন থেকে কে বলল, ' কিরে দ্রৌপদি এখানে দাঁড়িয়ে  কি করছিস ?  '
    দ্রৌপদি ঘুরে দেখল তারিক শেখ দাঁড়িয়ে আছে।  তার বন্ধু খাদিজার বাবা।  মাথায় একটা বড় ঝাঁকা । তাতে বড় বড় মাচার কুমড়ো দেখা যাচ্ছে।  বোধহয় চালতার হাটের দিকে যাচ্ছে। 
    দ্রৌপদি বলল, ' এই...  এমনি দাঁড়িয়ে আছি।  মনটা ভাল নেই।  আমাদের ওদিকের অনেকের নাম কাটা গেছে...  তোমাদের নাম আছে ?  '
    ----- ' কিসের ?  ভোটের লিস্টে ?  '
    ---- ' হ্যাঁ,  তাছাড়া আর কী ? 
    ---- ' নারে শুধু আমার নাম আছে।  বাড়ির আর কারও নাম নেই... 
    ---- ' খাদিজারও নাম নেই ?  '
    ----- ' নারে...  বড্ড চিন্তায় আছি ।  কি যে করি...  নাম তোলা না গেলে আমাদের অনেক ঝামেলা  আসতে পারে শুনছি।  কাকে যে ধরতে হবে বুঝতে  পারছি না।  এক একজন এক এক রকম বলছে।  এ বলছে এখানে যাও ও বলছে ওখানে যাও। এই বয়সে কী করে অত ছুটোছুটি করি বল দিকি।  আগে বলছিল বিডিও অফিসে গেলে হবে।  এখন বলছে সদরে এস ডি ও অফিসে গিয়ে কাগজ জমা করার লাইন লাগাতে হবে।  ওরে বাবারে... সেখানে তো মেলা লোকের ভিড়...  উঃ...  '
    তারিক চাচার শরীরের নড়াচড়ায় ঝাঁকার কুমড়োগুলো টলমল করতে লাগল। 
    দ্রৌপদি তাড়াতাড়ি বলল, ' দাঁড়াও দাঁড়াও  চাচা... কুমড়োগুলো পড়ে যাবে।  অত ভেব না।  সবাই একসঙ্গে আছি,  সবার নাম যদি না ওঠে ভোট  হতেই দেব না ... সব ছারখার করে দেব সবাই  মিলে...  '
    তারিক শেখ ভ্যাবলা চোখে দ্রৌপদির মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।  দ্রৌপদির কথাগুলো তার বোধহয় একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হল না।  বয়স তো কম হল না।  পার্টিওয়ালাদের সে হাড়ে হাড়ে চেনে, তা সে যে পার্টিই হোক।  জল থেকে তাদের কেউ কখনও তোলেনি।  জলের ধারে দাঁড়িয়ে হাত পা নাড়িয়ে চেঁচামেচি করে যে যার নৌকোয় উঠে  সময় বুঝে সরে গেছে।  তারিক মাথায় ধরা ঝাঁকার কুমড়ো সামলে মাঠের দিকে তাকিয়ে  চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল চিন্তালেপা মুখে।  ভাবছে, দ্রৌপদিরা ছেলেমানুষ,  এখন রক্ত গরম...  অনেক কিছু ভাবে।  কিন্তু তারিকের তো আর কিছু বুঝতে বাকি নেই ।  ষাট বছর বয়েস হয়ে গেল। তার এক ছেলে কামারুল দিল্লীর কাছে নয়ডায় থাকে।  রাজমিস্ত্রীর কাজ করে।  তার নাম কাটা গেছে।  সব কাজ ফেলে রেলের টিকিট কেটে  এখানে এসে লাইনে দাঁড়াতে হবে নাম তোলার জন্য।  রোজের কাজ।  যে ক'দিন ফাঁক যাবে রোজগার নেই।  তার মুখ চেয়েই তো বসে আছে বাড়ির লোকে।  আর তেমন রোজগার কোথায় ? কিন্তু আসতে তো হবেই।  নাম না তোলা গেলে কোথা দিয়ে কোন খতরা ছোবল মারবে কে জানে।  ছোবল মারলে কোন ওঝা খুঁজে পাওয়া যাবে না।  টিভি-র ক্যামেরাম্যান দেখলে তবেই ওরা সেজেগুজে এসে দেখা দেয়।  তারিক  আর কথা না বাড়িয়ে আস্তে আস্তে হাঁটতে আরম্ভ করল  কুমড়োর ঝাঁকা সামলে। 

        বিজয়ের ফিরতে রাত হল।  দ্রৌপদির মনে একটা চাপা উদ্বেগ ছিল। তাই ঘরে থাকতে না পেরে রাত দশটা নাগাদ একবার খোঁজ নিতে গেল ওদের বাড়ি।  গিয়ে শুনল বিজয় একটু আগে ফিরেছে। 
    দ্রৌপদি জিজ্ঞেস করল,  ' এত দেরি ?  '
    বিজয় গামছা দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে বলল, 'সজলদা কলকাতায় ছিল না।  দেখা করার দরকার ছিল। তাই এক রাত থেকে গেলাম শিয়ালদার একটা হোটেলে।  কিছু কথা না বললেই হচ্ছিল না এই ভোটের লিস্টে নাম কাটা নিয়ে। পার্টি কী করছে ব্যাপারটা নিয়ে।  ওই পার্টিগুলো কী করছে সেটা দেখে হিসেব করে প্রোগ্রাম ঠিক করা, এটা ঠিক হচ্ছে বলে মনে হয় না আমার।  আমরা মানুষের পাশে না থাকলে মানুষ আমাদের পাশে থাকবে কেন ? ভোটের ঠিক আগে এটা একটা ভাল সুযোগ ছিল মানুষের মন জেতার।  কিন্তু আমরা এটা হেলায় হারাচ্ছি...  ' 
    বিজয় এতটা গুরুত্ব দিয়ে এতগুলো কথা তাকে বলার জন্য দ্রৌপদি মনে মনে কৃতার্থবোধ করল।  তাকে আগে কখনও বলেনি এরকম ।  বুঝতে পারল বিজয় ভিতরে ভিতরে ফুটিফাটা হচ্ছে।  কিন্তু কিছু করতে পারছে না । 
    দ্রৌপদি বলল, ' সজলদা কী বলল ?  ' 
    ----- ' কিছুই না...  বলল যারা ট্রাইবুনালে যাবে পার্টি তাদের হয়ে লড়বে।  আরে বাবা,  খেলা শেষ হয়ে গেলে আর মাঠে নেমে লাভ কী ?  মানুষ কি বোকা... কেউ কিছু বোঝে না  ? বাঁচতে দিলে না দানাপানি,  মরলে পরে ছানাচিনি !   সজলদা  তারপর গুম হয়ে বলল, সবই তো জান...  এই মুহুর্তে আমাদের আর ক্ষমতা কতটুকু । সীমিত ক্ষমতার মধ্যে যেটুকু পারছি করছি।  ক্রাইসিস  এখন নানা দিক দিয়েই।  ফিনান্সিয়াল ক্রাইসিস তো আছেই ।  ফিনান্সিয়াল পাওয়ার ছাড়া এখন কিছু হয় না ।  সারা পৃথিবীতে অর্থোডক্স আদর্শবাদ বলে এখন আর কিছু নেই । এটা  তোমাকে বলেই বলছি...  এ ব্যাপারে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি ওই পার্টি দুটোর তুলনায়...  ' সুভাষ গিরি মশাই  মন দিয়ে ছেলের কথা শুনছিলেন। 
    তিনি এবার বললেন, ' তুই কী করতে চাইছিস...  মানে, তোর হাতে ক্ষমতা থাকলে তুই কী করতিস?'  বিজয় সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল, ' অসহায় মানুষের ওপর এ অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর আন্দোলনের ঝড়ে সারা রাজ্য ওলোটপালোট করে দিতাম।  বন্ধ করে দিতাম গনতন্ত্র রক্ষার নামে এ অন্যায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার মোচ্ছব যতদিন না মানুষকে মানুষ বলে বিবেচনা করা না হয়।  কোন দরকার নেই এ নারকীয় ব্যভিচারের...  '
    বিজয়ের চোখমুখ লাল হয়ে উঠেছে।  সে প্রবল আবেগে থরথর করে কাঁপতে লাগল।
    দ্রৌপদি নির্নিমেষে তাকিয়ে রইল বিজয়ের দিকে। 
    সুভাষবাবু ভাবতে লাগলেন,  কোথাও কি কিছু একটা পুড়ছে ধিকিধিকি করে ! 
     
    ( ক্রমশ ) 

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন