এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  - ২১ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৬ মে ২০২৬ | ১৩ বার পঠিত
  • ( ২১ )

    বিজয় দুপুরবেলায় বাড়ির সামনের বারান্দায় বসে ছিল। এখন দুপুর দুটো। বাইরে গনগনে রোদ। বিজয়ের বেরনোর দরকার আছে। ভাবছে রোদটা
    একটু পড়লে বেরবে। ওর মনে একটা গভীর
    আক্ষেপ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের প্রচার সব জায়গায় জোরদার হচ্ছে। কিন্তু এখানে প্রচারের ঢেউ তেমনভাবে উঠল না। এ দিকটায় বোধহয় নির্বাচনী সম্ভাবনা তেমন কিছু নেই। নিষ্ফলা জমিতে কষ্ট করে বীজ ছড়িয়ে লাভ কী ? বিজয়ের মত হল কঠিন লড়াই সংগ্রাম দিলে পাথুরে জমিকেও উর্বর করা যায়। সংগঠনকে কখনও বসে যেতে দিতে নেই। বসে গেলে ঘুন ধরে যায় ভিতরে ভিতরে।
    সুভাষবাবুর বয়েস হয়েছে। দুপুরবেলা ভাত খাওয়ার পর শরীর এলিয়ে পড়ে বিছানায়। চোখ বুজে আসে কয়েক নিমেষে। ঘুম ভাঙে বেলা চারটে নাগাদ। ঘুমের ঘোরে প্রায়শই নানান স্বপ্ন দেখতে থাকুন। লাল সবুজ হলদে নানা রঙা স্বপ্ন। স্বপ্ন দেখেন, আক্ষরিক অর্থে দিনে দুপুরে স্বপ্ন দেখেন তার পার্টি জোয়ারের জলের মতো জেগে উঠেছে। ফুলে ফেঁপে মরা নদীর দুকূল ভাসিয়ে
    ছুটে আসছে লাল পতাকার প্লাবন। গভীর নিশ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গে তার ঘুমন্ত বুক ওঠা পড়া করতে থাকে। ঠোঁটের কোণে লেগে থাকে মৃদু হাসি। কখনও গম্ভীর বিষাদ। পার্টির ভাবনা ছাড়া তার আর কোন স্মৃতি, সত্তা বা ভবিষ্যভাবনা নেই। রাতের ঘুমের সময়ও তাই।
    অনেকেই তাকে বলে, এই পাগলামির মানে কী ? আপনার কী ধারণা আপনার পার্টি দেশের একমাত্র আদর্শ পার্টি, একেবারে নিখাদ নিষ্কলুষ পার্টি ? কোন অন্যায়ের সঙ্গে কোনদিন আপোস করেনি ? কেন ভুল কেনদিন করেনি ?
    এ কথায় সুভাষ গিরি মশাইয়ের উত্তর অতি সহজ সরল এবং সংক্ষিপ্ত।
    তিনি বলেন, ' না না.... তার পার্টি মোটেই আদর্শ পার্টি নয়। কিন্তু শরীরে নানান ঘা পাঁচড়া বদরক্ত আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এ হল ভারতের সেরা পার্টি।
    এ কথার পিঠে আবার নানা বাকবিতন্ডা হতে থাকে। সুভাষবাবু কিন্তু আর একটি কথাও বলেন না। অন্য ক'জন তুমুল তর্কাতর্কি করতে থাকে। নেতাজিকে তোজোর কুকুর বলা থেকে মরিচঝাঁপি, সাঁইবাড়ি, বানতলা কোন কথাই উঠতে বাকি থাকে না। কোনটাই অপরিচিত উল্লেখ নয়। বহুশ্রুত এবং বহু ব্যবহারে জীর্ণ।
    অনেকক্ষণ ধরে শোনার পর সুভাষ গিরি অবিচল ভঙ্গিতে আবার একটা সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেন --- ' পার্টি থেকে স্ব ইচ্ছায় বেরোন যায়, কিন্তু ইচ্ছা করলেই অন্য দল থেকে এসে ঢোকা যায় না... ' আবার তর্ক চাগিয়ে ওঠে। কেউ হয়ত বলল, ' কে আর আসবে এখন এই সহায় সম্বলহীন পার্টিতে ... '
    সুভাষবাবু কান চুলকোতে চুলকোতে বলেন,
    ' যখন ক্ষমতায় ছিল তখনও কাউকে নেওয়া হত না। আমার পার্টির লোকজন রাজনীতিকে জীবনের একটা লাভজনক পেশা হিসেবে দেখেনি কখনও। তফাৎটা এখানেই। ভাব ভাব... ভাবা প্র্যাকটিস কর। এই বস্তাপচা উক্তিটা ঢেলে দিয়ে তিনি সাধারণত বলেন, ' যাই অনেক কাজ আছে... আবার পরে কথা হবে। তোমরা তো টিভি চ্যানেলে সন্ধেবেলার কবির লড়াই শুরু করে দিলে।
    কায়দাটা ভালোই... সবাই একসঙ্গে চিল চিৎকার করব যাতে কেউ ওদের কোন কথা বুঝতে না পারে। এতে বোধহয় চ্যানেলের টি আর পি বাড়ে।
    আসলে এই ধুন্ধুমার ঝগড়াটাই লোকে উপভোগ করে। নিরামিষ তত্ত্ব কথা আর কাঁহাতক ভাল লাগে... তাতে কোন বিনোদন নেই।
    ----- ' আপনাকে ওখানে ডাকলে আপনি কী বলতেন ? '
    ----- ' ডেকেছিল তো... যাইনি। বলার প্রশ্নই ওঠে না। অর্থহীন ঝগড়া করে লাভ কী ? যে যা করে সব জেনে বুঝেই করে। তর্কাতর্কি করে কী তার মত বা নীতি বদলে দেওয়া যাবে ? অবশ্য যে যেটা বলে ওখানে বসে সে সেটা নিজেই বিশ্বাস করে কিনা সন্দেহ। ওগুলো বোধহয় বাধ্য হয়ে বলে। চাকরি বাঁচাতে হবে তো... এই আর কী... '

    এখন ভর দুপুর বেলা। সুভাষবাবুর ঘুম ভাঙতে দেরি আছে। বিজয় বারান্দায় বসে সামনের উঠোনের দিকে তাকিয়ে বসে ছিল। ভোটের আর তিনদিন বাকি। হাওয়া কোনদিকে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না এবারে। তবে পার্টির প্রচার এবারে কিন্তু একুশের মতো ছন্নছাড়া আলগা আলগা হয়নি। বেশ জমাট হয়েছে এবারে। শরীরে কিছুটা পুষ্টি হয়ত লাগবে এবারে। অবশ্য যতক্ষণ না আঁচানো
    যাচ্ছে বিশ্বাস নেই। বিজয় জানে কিছু পাল্টানো
    মুশ্কিল। বহুলোক নানাভাবে করে কম্মে খাচ্ছে
    এটাকে সামনে রেখে। তারা নিশ্চয়ই বদলাতে চাইবে না এটাকে। এগোনোর পথে সেটাই আসল পাঁচিল। তাছাড়া ধর্মীয় ভাগাভাগি তো আছেই। বঁড়শিতে গাঁথা ভাতা টাতা একমাত্র টোপ নয়। সুতরাং সামনে বিশাল পাহাড় খাড়া দাঁড়িয়ে আছে। টপকানো মুখের কথা না। তবু এত লোক পার্টির ডাকে নেমে আসছে রাস্তায়। এরা তাহলে কারা ? সব সত্যি লোক তো, নাকি সাজানো ? সাজানোই বা হবে কী করে। এই জনস্রোতের কি দায় পড়েছে নাটুকেপনা করার। তাদের কী লেনাদেনা আছে এই কাঠখড় পোড়ানোয়।

    তিনটে বাজল। বিজয় ভাবল, একবার সমবায় ব্যাঙ্কের সামনে যাবার দরকার। ওখানে একটা পথসভা আছে চারটে থেকে। সুধন্য মজুমদার আসছে খড়গপুর থেকে। সুধন্য জেলা কমিটির নেতা। দারুণ বক্তা। বিজয় উঠে দাঁড়াল জামা পরবার জন্য। দেখতে পেল দ্রৌপদী ঢুকছে দরমার গেট ঠেলে। দ্রৌপদীর হুঁশ তাল কম। গেটটা বন্ধ না করেই ঢুকে এল। একটা ছোটখাটো
    এঁড়ে গরু হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ল বোধহয় কিছু
    খাবার পাবার আশায়।
    বিজয় গায়ে জামা গলাতে গলাতে বলল, ' কিরে... এখন এলি ? বাবা তো ঘুমোচ্ছে... '
    ----- ' ঠিক আছে ... এমনি এলাম। আজ ব্যাঙ্কের সামনে মিটিং আছে না ? '
    ----- ' হ্যাঁ... ওখানেই যাচ্ছি। দেখতে হবে একটু... সুধন্য মজুমদার স্পীচ দেবে... '
    ----- ' তা'লে আমিও যাই...বাড়িতে বলে এসেছি... '
    ---- ' হুঁ... আচ্ছা... '
    ---- ' এবারে কী আমরা জিতব ? '
    বিজয় জামার বোতাম লাগাতে লাগাতে বলল, ' নাঃ.... তেমন কোন খবর নেই। এখন আমাদের লড়াইয়ের মধ্যে থাকতে হবে। যাতে মানুষ আমাদের বিশ্বাস ও ভরসা করে। ক্ষমতা দখলের
    চেয়েও সেটা বড় ব্যাপার এখন। মানে, লড়াইটা ধরে রাখতে হবে আর কি... '
    ----- ' হুঁ... নাও চল এবার। এখন যাবে তো ? '
    ---- ' হ্যাঁ যাব। দেবাশিস আসবে বলেছিল। এখনও তো এল না। ওখান থেকে ছুটি পায়নি বোধহয়। আর একটু দেখি। ছেলেটার কিন্তু খুব উৎসাহ আছে ... '
    ----- ' তা আছে... ' দ্রৌপদী একমত হয়।
    তারপর একটু চুপ করে থাকে বিজয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে।
    বিজয় ভ্রু কুঁচকে বলে, ' কী হল ? '
    দ্রৌপদী মৃদুস্বরে বলল, ' উৎসাহ তো আমারও আছে.... সেটা কি বোঝ ? '
    বিজয়ের ভ্রু কুঁচকেই থাকে।
    ----- ' সে আবার কী.... এটা নতুন করে বোঝার কী আছে ? আমরা সকলেই তো একই লড়াইয়ে শামিল ... '
    পাশের বাড়ির তরুন আমগাছের শরীর ভরে উঠেছে চিকন নিটোল আমে। ঠাসা ঝাঁকড়া পাতাগুচ্ছের একপাশে এসে পড়ল ভর দুপুরের এক আঁজলা রোদ্দুর।
    দ্রৌপদী কেমন যেন আনমনা হয়ে সেদিকে তাকিয়ে রইল।
    বলল, ' পার্টির লড়াই একরকম। সেটা সবাই মিলে লড়ে। আর মনের লড়াইটা আর একরকম... সেটা একা একা লড়তে হয়। কেউ সাথ দেবার নেই ... '
    বিজয় মনে মনে ভাবল, ' ঠিকমতো ম্যাপড হচ্ছে না। মানে লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি আর কি... ' আবার বলল, ' না না... তা করলে চলবে না... ক্ষমতা দখল তো আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়...'
    কথাটা থামিয়ে দিয়ে দ্রৌপদী বলল, ' থাক থাক...'
    বিজয় থতমত খেয়ে আবার ভাবল, ওর দুশ্চিন্তা পরিবারের ওপর এস আই আর- এর ধাক্কার ফলে নিশ্চিত। ওই লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি... খুব ভোগাচ্ছে। দ্রৌপদী নিশ্চয়ই সেটাই বলছে। আন্দোলন আরও জোরদার হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু কেমন যেন ফিকে হয়ে গেল। মোস্তারি বানু ভাগ্যিস সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল। তাই কিছুটা মান বাঁচল। মুখ্যমন্ত্রী তো দলবল নিয়ে সেখানে গিয়েও ঝাঁপিয়ে পড়লেন খাবলা মারার জন্য।
    আমের পাতায় পড়া রোদ্দুর ক্রমে ক্রমে হেলে পড়ে আমগাছ ছেড়ে নেমে যাচ্ছে মাটির দিকে।

    ব্যাঙ্কের সামনে ভাল লোক জমেছিল। তা হাজার দেড়েক তো হবেই। সুধন্য মজুমদার ফাটাফাটি বক্তৃতা দিলেন। বুকের রক্ত দুলিয়ে দেবার মতো বক্তৃতা। ওখানে জমা লোকজনের চোখমুখ আবেশে বুঁদ হয়ে গেল।
    জমায়েতের পিছন দিকে দেবাশিসের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল বিজয়ের সুধন্যবাবুর বক্তৃতা শেষ হয়ে যাবার পর।
    ------ ' আরে দেবাশিস, কোথায় ছিলে... দেখতে পাইনি তো.... '
    ------ ' এই তো ... এখানেই.... '
    ----- ' কাজটাজ ভাল চলছে তো ... '
    ----- ' হ্যাঁ... ঠিক আছে... বলছি যে খবর আছে...'
    ----- ' কীরকম ? '
    ------ ' এবারে কিন্তু হাওয়া একদম ঘুরে গেছে... '
    ----- ' কিসের... ইলেকশানের ? '
    ------ ' হ্যাঁ... ভিতরের খবর... '
    বিজয় বেশ অবাক হয়ে গেল। ভাবল, দেবাশিসও ভেতরের খবর আনছে ! দারুণ দারুণ ....

    ( ক্রমশ )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন