এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৭ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৩ বার পঠিত
  •                             ( ৭ ) 

    অখিল অধিকারীর লাশ এখন লাশকাটা ঘরে।  পুলিশ মিশিরডাঙার মাঠ থেকে বডি তুলেছে খটখটে দিনের আলোয়।  সাদা চোখেই স্পষ্ট বোঝা গেছে দুটো মাথায়,  একটা গলায় গুলির ছেঁদা হয়েছে ।  তবু সুরতহাল এবং শবব্যবচ্ছেদের রুটিন মানা জরুরি ।  নইলে তদন্ত হবে কী করে ! 
       একটা কমিটি নাকি কাল পরশুর মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে বলে শোনা যাচ্ছে।  জনা চারেক সন্দেহভাজন গা ঢাকা দিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। 
    পুলিশ তাদের হন্যে হয়ে খুঁজছে কিন্তু পাচ্ছে না।  এদিক সেদিকে নাকি ফাঁদ পেতেছে কিন্তু পাখি এখনও জালে পড়েনি। 
    কেউ কেউ বলছে গুলির শব্দ পেয়েছে।  বেশির ভাগই বলছে কিছু কানে যায়নি।   অসম্ভব কিছু না, মাঠটার আশেপাশে ঘরবাড়ি  তো তেমন নেই।  তাছাড়া রাতের বেলায় সবাই  হয়ত ঘুমের মধ্যে ছিল।  কাঁসারিপাড়ার মাখনের চায়ের দোকানের বাইরে পাতা বেঞ্চে বসে ক'জন চায়ের গেলাস নিয়ে বসে ছিল গুরুগম্ভীর মুখ করে।  নিশীথ দাস বলল, ' দেখ,  সব খাওয়াখাওয়ির ব্যাপার।  বখরায় কম পড়লেই সব রক্ত গরম হয়ে যায়।  যতক্ষণ ঘি ঢালতে পারবে ততক্ষণ ঠিক  আছে...  '
    এসব কথা এত বস্তাপচা হয়ে গেছে যে অন্য খদ্দেরদের মধ্যে বিশেষ প্রতিক্রিয়া হল না।  গগনচাঁদ করন চায়ে একটা চুমুক দিয়ে ছোট করে  বলল, ' হুঁ...  '।  অন্য আর একজন অন্য দিকে তাকিয়ে নীচু গলায় বলল, ' পিছনে কে আছে তা অন্ধকারেই থাকবে বুঝলে তো...
    ----- ' হ্যাঃ,  সে আর বলতে।  দেখ না,  কত নাটক হয় এখন।  কলকাতা থেকে টি ভির লোক এল বলে ...  '
    নিতাই পাল বলল, ' অখিল কিন্তু এমনিতে লোক খারাপ ছিল না ...  '
    ---- ' ওসব বলে কী হবে ?  যেটা হবার সেটা হয়েছে...  '
    এই সময়ে দুজন এসে বেঞ্চের একধারে বসল।  একজন বলল, ' দুটো চা দাও...  '
    গগনচাঁদরা নিজেদের মধ্যে চোখাচোখি করল।  চুপচাপ বসে চায়ের গ্লাসে চুমুক দিতে লাগল। 

    নিতাই পাল তিন চুমুকে চা টা শেষ করে তড়িঘড়ি মাখনের কাছে গিয়ে বলল, ' এই নে...  একটা চা আর কালকের দুটো বিস্কুট...  '
    তারপর বলল, ' যাই তা'লে... ইস্কুল যেতে হবে একটু...  ' 
    গনা বলল, ' হ্যাঁ,  আমরাও উঠব...  ন'টা বেজে গেল...  '
       তারক আর কার্তিক চুপচাপ বসে রইল স্পষ্ট দিনের আলোয় খোলামেলা চায়ের দোকানে।  পুলিশ নাকি তাদের হন্যে হয়ে খুঁজছে ! 
    চা বিস্কুট খাওয়া হয়ে যাবার পরও আরও প্রায় পনের মিনিট ওখানে বসে নীচু স্বরে  কাটা কাটা শব্দে নিজেদের মধ্যে কী সব বলতে লাগল। বাকি
    খদ্দেররা আস্তে আস্তে পাতলা হয়ে গেল। 
    মাখনের দুহাত কাজে ব্যস্ত ছিল।  কিন্তু কান দুটো খাড়া করে রাখল,  যদি কোন কথা কানে এসে পৌঁছয়।  চেষ্টাটা সফল হল না।  ওরা নিজেদের মধ্যে কী গুজগুজ করছে কিছুই  বোঝা গেল না। 
    একটু পরে উঠে চলে গেল।
    মাখন নিজের দোকান নিয়েই ব্যস্ত থাকে । তবে  এটুকু জানে যে তারক কার্তিকরা সিদ্ধার্থবাবুর হয়ে কাজ করে।  সিদ্ধার্থ চন্দকে অনেকদিন দেখেনি মাখন। শুনতে পায় সে বিমল মাইতির শত্রু,  যদিও দুজনে একই পার্টির।  মাখনের মগজে এসব পয়জার ঢোকেনা ভাল।  মাখন এসব পলিটিক্সের  লোকদের নিয়ে একদম মাথা ঘামায় না।  ওসব ঘোরাল ব্যাপার তার মাথায় ঢোকেই না।  যে যা বোঝায় তাতেই হুঁ হুঁ  করে।  কে কোন দলের লোক সেটাও প্রায়ই গুলিয়ে ফেলে।  এই সেদিন যেমন  পার্টির এক মেজ নেতা সুশোভন বাগের উপস্থিতিতে নিজের  অজান্তে দুটো বাজে কথা  বলে ফেলেছিল।  তার বউ পাশে দাঁড়িয়ে চা ছাঁকতে ছাঁকতে তার পেটের কাছে  চিমটি কাটে।  তাতে সাবধান হয়ে গিয়ে মাখন ব্যাপারটা সামলে নেয়।  দুদিন পরে অবশ্য বিকেলবেলায় দোকানে আসার রাস্তায় দেখল ওই সুশোভন বাগ  অপোনেন্ট পার্টির প্রসাদ পাত্রর সঙ্গে হেসে হেসে খোসগল্প করছে।  মাখন ভাবল, হতে পারে দুজনে মিলে তাদের ভালমন্দ নিয়ে আলোচনা করছে।   কিন্তু তাই যখন করছে তখন এত হাসাহাসি করছে কেন।  তারপর ভাবল, যাকগে... এটাই হয়ত দস্তুর,  সে আর কী বুঝবে, তার আর কতটুকু বুদ্ধি। তার অত বুদ্ধিসুদ্ধি নেই। 

       রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ওষুধের দোকান লোকনাথ-এর কাছে পৌঁছল দেবাশিস ।  হঠাৎ প্রশান্ত দাসের কথা মনে পড়ে গেল।  সেদিনের কথাটা মনে পড়তে রাগে মাথা চিড়বিড় করে উঠল। আপনমনে বিড়বিড়  করে ' শা..ল্লা দুনম্বরি...  ' বলে একটা মুখখিস্তি দিল।  ' শা..ল্লা বলে কিনা দশলাখ...  হারামি...  '
    ভাবল, একটা মাটি কাটার কাজ পেলেও হত।  কিন্তু সেখানেও তো জব কার্ড লাগবে।  সেটা পেতে গেলেও তো ওই প্রশান্ত দাশের কাছেই যেতে হবে। আর ওর কাছে এমনি তো কিছু হবার নয়। টাকা খসাতে হবে।  দেবাশিস একবার বলেছিল,  ' এ তো সরকারি কাজ...  টাকা কিসের ?  '
    শুনে প্রশান্ত দাশ একটুও রাগ করেনি।  মিষ্টি হেসে বলেছিল,  ' বোকা ছেলে...  সরকারি কাজ তো কী হয়েছে...  সরকারের খরচা আছে না,  সেটা সবাই মিলে না দিলে চলবে কী করে ...  সরকারের কত খরচ বলতো...  '
    কথাগুলো ঠিকমতো বুঝতে পারেনি দেবাশিস।  বোঝার চেষ্টাও করেনি।  শুধু মনে মনে আর এক প্রস্থ গালাগালি দিয়েছিল।  তবে, জবকার্ড হলেও লাভ কিছু হত না,  কারণ এখন মাটিকাটা বন্ধ। টাকার সাপ্লাই নাকি কিছুদিন ধরে বন্ধ আছে। 

       সন্ধে সাতটা বাজে।  দেবাশিস হাঁটতে হাঁটতে মাখনের চায়ের দোকানের কাছে পৌঁছল।  এ জায়গাটা বেশ জমজমাট।  অনেক আলো টালো আছে ।  বেশ শহর শহর মনে হয়।  মনেই হয় না এটা জঙ্গলমহলের লাগোয়া এলাকা।  ছত্রধর মাহাতোকে নানা কাজে আগে প্রায়ই দেখা যেত এ অঞ্চলে ।
    দোকানের সামনের বেঞ্চে বসে বলল, ' একটা চা দিও কড়া করে।  পয়সাটা কিন্তু কাল নিও ...  ' 
    মাখন বলল, ' এই তো মুশ্কিল।  এরম করলে কী করে হয় ?  এই নিয়ে তিনজন হল ... না না বাকিতে দিতে পারব না...  ' 
    ---- ' আরে,  কালই দিয়ে যাব...  আমি কি তোমার পাঁচটা টাকা মেরে পালিয়ে যাব...  অচেনা লোক নাকি ? বাচ্চাটার জন্য একটা ওষুধ কিনতে হবে
    তাই ...  '
    মাখন তার অবস্থান থেকে একচুলও নড়ল না।  
    ----- ' না না...  আমার কী অবস্থা চিন্তা করতে পারবে না।  চিনি পঞ্চাশ টাকা হয়ে গেছে।  আর দুধ তো ছেড়েই দিলাম...  '
    দেবাশিসের পাশে এক যুবক বসে ছিল।  এ এলাকায় তেমন চেনা মুখ নয়।  মাখনও চেনে না। 
    হয়ত কোর্টের কোন কাজে এসেছে।  
    সে মাখনের কথায় বাধা দিয়ে বলল, ' আরে...  ঠিক আছে,  দিন দিন।  আমি খাওয়াচ্ছি।  দুটো বিস্কুটও দেবেন...  '
    দেবাশিস প্রবল সংকোচবশত বলে উঠল,  ' না না
    ... সেকি !  আপনি কেন...  '
    যুবকটি বলল, ' তাতে কী হয়েছে ?  এর পরের দিন না হয় আপনি খাওয়াবেন।  আমি এখানে মাঝে মাঝে আসি...  '
    ----- ' না...  সে ঠিক আছে...  খুব অসুবিধের মধ্যে আছি তো তাই ...  '
    ----- ' কোন ব্যাপার না...  আমরা সবাই অসুবিধের মধ্যে আছি।  এর থেকে আমাদের নিজেদের মুক্তি নিজেদেরই খুঁজতে হবে ভাই...  '
    কথাগুলো দেবাশিসের শরীরে কেমন একটা বৈদ্যুতিক সিরসিরানি বইয়ে দিয়ে গেল আপাদমস্তক।  সে নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রইল যুবকের মুখের দিকে।  মাখন কটকট কটকট করে চামচ দিয়ে চিনি গুলছে চায়ের গ্লাসে। 
    দেবাশিস বলল, ' হ্যাঁ  ইয়ে,  মানে...  তা ঠিক।  কিন্তু অনেক প্রবলেম...  '
    ----- ' বুঝেছি ।  অনেক প্রবলেম।  অনেক প্রবলেম
    যখন,  অনেকে মিলে সমাধান করতে হবে।  একা একা হবে না... একটা ধাক্কা লাগাতে হবে সবাই মিলে ...  ' 
    দেবাশিস আবার একবার নাড়া খেল ।  
    মাখন এসে চা আর বিস্কুট দিয়ে গেল।  যুবকটি চায়ে একটা আলতো চুমুক দিল।  সন্ধে নেমে এসেছে পুরোপুরি।  
    দেবাশিস বলল, ' আপনি কোথায় থাকেন ?  '
    ---- ' ওই ওদিকে...  '
    ---- ' মানে,  জঙ্গলমহলের দিকটায়  ? '
    ---- ' হ্যাঁ।  ওদিকে গেলে দেখা করতে পারেন। আমিও অবশ্য এখানে মাঝে মাঝে আসি...  '
    ----- ' আপনার নামটা...  '
    ----- ' বিজয় গিরি।  বাবার নাম সুভাষ গিরি...  '

      ( ক্রমশ )

    ********************************************

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন