এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  - ৩২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ আগস্ট ২০২৬ | ২১ বার পঠিত
  • ( ৩২)

    দিব্যেন্দুরা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কলকাতায় এসেছে কাল রাত্রে। দিব্যেন্দু, তার বউ সুস্মিতা আর পাঁচ বছরের ছেলে ঝিক্কু। ঝিক্কুর ভাল নাম সৌকর্ষ। কলকাতায় দমদম মতিঝিলের বাড়িতে শুধু মা আর বাবা থাকে। দিব্যেন্দুর এক বিবাহিতা বোন আছে। সে থাকে পুনেতে।

    আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের ঝাপটায় আই টি দুনিয়া টলমল। তাবড় সব কোম্পানির আই টি প্রকৌশলীকে ব্যাপক হারে ঝেড়ে ফেলা হচ্ছে, যার পোশাকি নাম হচ্ছে লে অফ। মানে কী, সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখা ? মানে পরে আবার ডেকে নেওয়া হবে ? যাদের দরজা দেখানো হচ্ছে সময় ফিরলে তাদের আবার ডেকে নেওয়া হবে। সকলেরই যথেষ্ট কান্ডজ্ঞান
    আছে। এরা ভালোমতো জানে সময় আর কখনও ফিরবে না। সবই এ আই- এর দখলে চলে গেছে।
    দিব্যেন্দু অরাকল-এ ছিল। লে অফ হয়েছে মাসখানেক। এখানে কেউ জানে না। ভারতে ফিরে এল কোন বিকল্প রোজগারের আশায়। আই টি সেক্টরে কিছু সুযোগ হয়ত এখানে এখনও আছে কারন এ আই এখানে অতটা জেঁকে বসেনি। কিছু হলেও হতে পারে, কিন্তু আমেরিকায় কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কনফিগারেশান সলিউশান থেকে কোডিং সব কিছু চ্যাট জিপিটি কিংবা জেমিনি করে দিচ্ছে। মানুষের আর কী করার আছে ?
    তবে দিব্যেন্দু ভালোভাবেই জানে চাকরি হলেও কলকাতায় হবে না। অন্য রাজ্যে যেতে হবে।
    দিব্যেন্দু পেশাগত ঝঞ্ঝাটে যতই কাবু থাক না কেন তার মা বাবা কিন্তু ছেলে, ছেলের বউ, নাতিকে কাছে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা।

    স্বরূপনগর বর্ডার থেকে রুকসানা নামের একটা মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্ডার পার করে বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওখানে আনন্দ মন্ডল নামে একজনের বাড়িতে রাখা হয়েছিল। দিন দুয়েক রাখার পর কলকাতা বা মুম্বাই কিংবা আগ্রা কোথাও পাচার করা হবে। পাচারের ব্যবস্থা এবং টাকা পয়সার লেনদেন পাকা করতে দুদিনের মতো সময় লাগছিল। কিন্তু হ্যান্ডলারের কপাল খারাপ, গ্রামের লোকের নজরে পড়ে গেল। এ ধরণের অভিজ্ঞতা নতুন কিছু না গ্রামবাসীদের কাছে। আগে সব জেনেও চুপচাপ থাকতে হত।
    মেয়ে উদ্ধার করতে গিয়ে গ্যাঙের হাতে প্রাণ খোয়াবার ঝুঁকি কেউ নিয়ে উঠতে পারেনি। সবাই ভালভাবেই জানত পাচার চক্র, পুলিশ আর প্রশাসন সব একই জোটে আছে। ঠিক গরু পাচারের মতো জুটিতে লুটি প্রক্রিয়া সব। প্রাণ হাতে নিয়ে বেঁচে থাকা। কে যাবে পাচার ধরতে। কিন্তু এখন আপাতত একটু আলাদা আলাদা মনে হচ্ছে। একটা অচেনা মেয়েকে বাড়ির জানলা দিয়ে দেখে ফেলল সনাতন আর সুধীর। মেয়েটার হাব ভাব দেখেই ব্যাপারটা ধরে নিল।
    অনেক দেখেছে তারা। এই আনন্দ মন্ডলকে ঘাঁটাবার ক্ষমতা তাদের ছিল না। কিন্তু এবার খবরটা গ্রামের আর পাঁচজনের কানে তুলে দিল। তারা ক'জন মিলে থানায় খবর দিল।
    হ্যাঁ, এবার আর আগের মতো হয়নি। ভয়ে আধমরা মেয়েটাকে ছাড়ানো হয়েছে আর আনন্দকে থানায় নিয়ে গিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে পেট থেকে কথা বার করার জন্য। অবশ্য জানা তো আর যাচ্ছে না ভিতরে কী হচ্ছে না হচ্ছে। তবে মেয়েটা যে উদ্ধার করা হয়েছে এটা স্পষ্ট দেখা গেল। লোকজন জানতে পারল মেয়েটার মা বাবাই তাকে বিক্রি করে দিয়েছে। এটা অবশ্য গ্রামের লোকের কাছে নতুন কোন কিস্যা নয়। হামেশাই দেখে দেখে অভ্যস্ত। দারিদ্র্য যে কী ভয়ঙ্কর বস্তু সেটা নতুন করে বোঝার দরকার নেই তাদের। সে এপারেই হোক আর ওপারেই হোক। হিন্দুই হোক আর মুসলমানই হোক।
    তাহলে নতুনটা কী হল এবার ? নতুন যেটা দেখল লোকে সেটা ওই আই সি সাহেব ময়ূখরঞ্জন পালের পাল্টি খাওয়া। যে ওই পঞ্চায়েত মেম্বার আনন্দ মন্ডলের সামনে হাত কচলে ছাড়া কথা বলত না সে আনন্দকে পাঁচজনের সামনে তুই তোকারি করতে লাগল। তাকে গায়ে জামা দেবার সময়ও দিল না। বলতে লাগল, ' চল চল... তোর আবার জামার দরকার কী ? চল... থানায় গিয়ে ওসব পরাব তোকে শান্তির ছেলে। এমন কেস খাওয়াব না... তোর বাবারাও বাঁচাতে পারবে না... '
    সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের বুঝতে অসুবিধে হল না ময়ূখরঞ্জন অনেকদিনের জমে থাকা অপমানের 'খার ' মেটাচ্ছে। আর এটাও আন্দাজ করতে পারল যে আই সি সাহেব নির্ঘাত কোন নতুন বাবার সন্ধান পেয়েছে।
    রুকসানা নামের মেয়েটাকেও জিপে তোলা হল। আপাতত মনে হয় বসিরহাটের কোন হোমে রাখা হবে। কতদিনে তাকে বর্ডারের ওপারে নিজের কুঁড়েতে পাঠানো হবে সেসব বলা মুশ্কিল ৷ আর পাঠাতে চাইলেই সে ওই অন্ধকার কাঁটার বনে আর ফিরতে চাইবে কিনা সন্দেহ আছে। ভাবলেশহীন মুখে জিপে উঠে বসে রইল মেয়েটা। কোলের ওপর দুহাত রেখে উদাস দৃষ্টিতে সামনের মাঠে নিশ্চিন্ত মনে খোঁটায় বাঁধা একটা গরুর ঘাস খাওয়া দেখতে লাগল। তার মনে পড়ে গেল গাঁয়ে তাদের কুঁড়ের একটু ও পাশে ছোট মাজারটার সামনের খোলা মাঠে এরকম খোঁটায় বাঁধা গরুগুলো নিশ্চিন্তমনে মাথা নামিয়ে ঘাস খায়। রুকসানা ভাবল এই গরুগুলোর মতো তারও যদি এরকম একটা নিশ্চিন্ত জীবন হত ! মাত্র সতের বছর বয়সের মধ্যেই দুনিয়ার পাঁক এবং বিষ্ঠাভরা খানাখন্দগুলো চিনে গেল অনেকখানি।
    সনাতন আর সুধীরের মতো আরও অনেকে ভাবল এরকম ' ঘরেও নহে পারেও নহে, যে জন আছে মাঝখানে ' টাইপের মনিষ্যি আরও কত আছে এ পৃথিবীতে তা কে জানে।

    আই সি ময়ূখরঞ্জন আনন্দ মন্ডলের পিঠে একটা জোরাল ঠেলা মেরে বলল, ' ওঠ শালা হারামির বাচ্চা... আগে চল থানায়, তারপর দেখাচ্ছি... ডাক তোর কোন বাবা আছে... ডাক শালা... '
    নিরুপায় আনন্দ ঠেলা খেয়ে জিপের ভিতরে সিটে গিয়ে পড়ল।
    ময়ূখবাবু রুকসানাকে বললেন, ' একটু সরে বস তো মা... '
    গাঁয়ের পাঁচজন বিলক্ষণ বুঝতে পারল যে দারোগাবাবুর বাবা বদলে গেছে বিলকুল।

    দিব্যেন্দু আই টি প্রফেশনাল। অরাকল এ ছিল। লে অফ হয়েছে সম্প্রতি, অবশ্যই এ আই এর ঝাপটায়। ব্যাপারটা এখানে কেউ জানে না, এমনকি দিব্যেন্দুর মা বাবাও নয়।
    বিকল্প রোজগারের রাস্তা খুঁজছে, তা সে চাকরিই হোক না কোন ব্যবসাই হোক। একটা চাকরি ইন্ডিয়ায় হলেও হতে পারে, আমেরিকায় কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কোডিং থেকে শুরু করে এক্জিকিউশান সব এ আই টুলস ব্যবহার করে চ্যাট জিপিটি কিংবা জেমিনি করে দিচ্ছে। কেম্পানিগুলো অত টাকা দিয়ে এক্জিকিউটর পুষবে কেন। ভারতের আই টি কোম্পানিগুলো ' ফুললি অটোমেটেড ' হতে এখনও কিছুটা সময় নেবে। তাই এদেশে চলে আসা।

    বিকেলবেলায় মনোময়বাবু একটু বেরোন পায়চারি করার জন্য। একটু হাঁটাহাঁটি না করলে এই বয়সে শরীর ঠিক থাকে না। রাস্তার ধারে আর এন গুহ রোডের কোনটায় একটা তেলেভাজার দোকান পড়ে। বিকেল চারটে থেকে জমজমাট। খুব বিক্রি। মনোময়বাবু বেশ কয়েকবার এখান থেকে আলুর চপ কিনে খেয়েছেন। অপূর্ব সোয়াদ। বাড়িতে বলেননি। জানলে আবার রাগারাগি করবে। এই বয়সে এসব নাকি খেতে নেই। কিছু হয়ে গেলে তো বাড়ির লোকেরই হ্যাপা। মনোময়বাবু সেটা অস্বীকার করেন না। সত্যিই তো তার কিছু হয়ে গেলে তো তার কিছু করার ক্ষমতা থাকবে না, ঝক্কি গিয়ে পড়বে বাড়ির লোকের ঘাড়ে। আর বাড়ির লোক বলতে আছেই বা কে। ছেলে আর তার পরিবার তো আজ দশ বছর হল বিদেশে। কী মনে করে তিন বছর পরে কলকাতায় এসেছে কে জানে। সে যাই হোক, তেলেভাজার দোকানের সামনে দিয়ে যেতে যেতে আলুর চপ ভাজার বাতাস ম ম করা গন্ধে তার পুনর্বার মন উচাটন হল। তার মনে হল আর কেউ না হোক তার নাতি ঝিক্কুকে চাঁদুর দোকানের গরম আলুর চপের এই প্রাণকাড়া সোয়াদের সঙ্গে পরিচয় করাবার দরকার আছে। তিনি চারটে আলুর চপ কিনলেন। একদম কড়া থেকে তোলা।

    ঘরে ঢুকে মনোময়বাবু দেখলেন পাঁচবছরের ঝিক্কু দুহাত দিয়ে একটা মোবাইলে ধরে একমনে কী দেখছে। তার মা সুস্মিতাও সেখানে আছে। বসে বসে কী একটা ম্যাগাজিনের পাতা উল্টোচ্ছে। দিব্যেন্দু ল্যাপটপে কিছু একটা কাজ করছিল।
    মনোময়বাবু বললেন, ' এই দেখ দাদু... তোমার জন্য কী এনেছি... '
    ঝিক্কু মোবাইল থেকে চোখ তুলে দাদুর দিকে তাকাল। মনোময় বললেন, ' এই দেখ... তোমার জন্য গরম গরম আলুর চপ এনেছি। খেয়েছ কোনদিন ? '
    বলে একটা আলুর চপ ঠোঙা থেকে বার করলেন।
    ঝিক্কু উৎসুক দৃষ্টিতে দাদুর দিকে তাকিয়ে আছে। চেয়ার থেকে উঠে ওনার দিকে আসছিল। এইসময়ে সুস্মিতার হাতের ম্যাগাজিন বন্ধ হয়ে গেল।
    বলল, ' ইশশ্... আপনি যে কী করেন না বাবা... ওসব আনহাইজিনিক ফুড ওকে দেবেন না। তাছাড়া আপনি তো জানেন ঝাল জিনিস ও খেতেই পারে না। একদম হ্যাবিচুয়েটেড নয় ... আমরা ওসব টাচ করতেই দিই না ঝিক্কুকে... '
    ঝিক্কু কী করবে ভেবে না পেয়ে আবার ফিরে গেল তার সিটে এবং মোবাইলে মন দিল।
    মনোময়বাবুর মুখটা কেমন হয়ে গেল। খুব বিব্রত বোধ করতে লাগলেন। দিব্যেন্দুর মা মৃদুলাদেবী সেইসময় সেখানে এসে পড়লেন কী একটা কাজে। সুস্মিতার কথাটা তার কানে গেছে। তিনি মনোময়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, ' আঃ, তোমার কান্ডজ্ঞান আর কবে হবে ... বয়েস তো কম হল না... ওসব কী ওরা খায় নাকি ? ' মনোময়বাবু আরও বিব্রত বোধ করতে লাগলেন।
    বিড়ম্বিত স্বরে বললেন, ' ঠিক বুঝতে পারিনি... মানে গরম গরম ভাজছিল। ভাবলাম... নিয়ে যাই... '
    ---- ' খুব ভাল... ভাবলে আর নিয়ে এলে... কী আর বলব... ', বলে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।
    কথাগুলো তার স্বামীর উদ্দেশ্যে বলা কিন্তু মায়ের চোখেমুখে অভিমানের তপ্ত আভার একটা ঝলক দিব্যেন্দুর চোখ এড়াল না। এ অভিমানের ঝলক তার চেনা। সে সুস্মিতার উদ্দেশ্যে বলল, ' তুমি এত বাড়াবাড়ি কর না
    ... '
    সুস্মিতা বলল, ' কী বললাম ? আমি তো জাস্ট ... '
    কথাবার্তা হয়ত আর একটু এগোত। এই সময়ে ঝিক্কু তার নিজস্ব মোবাইলটা বিছানায় ছুঁড়ে দিয়ে ছুটে এসে মনোময়বাবুর হাতের একটা আঙুল ধরে টানতে লাগল।
    ----- ' দাদু... চল আমরা ওই রুমে যাই।
    আলুর চপ বৃত্তান্ত এ ঘরে গুটিয়ে গেল। কিন্তু ও ঘরে গিয়ে খুলল।
    মনোময়বাবুকে বিছানায় বসিয়ে দিল ঝিক্কু। তারপর তার বুকের কাছ ঘেঁসে দাঁড়িয়ে নীচু গলায় বলল, ' দাদু দাদু... আমি আলুর চপ খেতে খুব ভালবাসি... '
    মনোময়বাবু নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন ক্ষুদে ঝিক্কুর দিকে। উপলব্ধি করলেন, মিথ্যাও কখনও কখনও সত্যের চেয়ে মহত্তর হয়।

    ( ক্রমশ )

    ******************************************

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন