

ফ্যাসিবাদ যখন আসে, সে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ওপর কবজা নিয়ন্ত্রণ করেই আসে। বাবরিভাঙা উন্মত্ত মব যেমন সে রাস্তায় নামায়, তেমনি প্রশাসনিক কাঠামো, আইনসভা এগুলিকেও নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলে। এবং, ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রতিটি পদক্ষেপই এই নিয়ন্ত্রণ নজায় রাখার লক্ষ্যে নির্ধারিত হয়। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের কয়েকটি কাঠামোগত সমস্যা আছে, বস্তুত এমন কোন ব্যবস্থাই বা হয় যেখানে এইরকম কিছু সমস্যা থাকে না? ফ্যাসিবাদের আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রয়াসে তারা এই গলতাগুলির পূর্ণ সুযোগ নেয়। যেমন ধরুন, বহুদলীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের একটা মৌলিক বিচ্যুতি হল নির্বাচিত প্রতিনিধি পরের পাঁচবছর নির্বাচকদের প্রতি দায়বদ্ধ না থাকলে তার কোনও প্রতিবিধান নেই। আপনারা এমন একজন প্রতিনিধি নির্বাচন করলেন যিনি বললেন কঠোর পরিবেশ আইন আনতে চান, কিন্তু নির্বাচিত হয়ে তিনি বা তাঁর দল নির্বাচনে জিতে সংসদে পরিবেশ আইন শিথিল করার কোনও বিলে সমর্থন দিলেন, আপনাদের তখন আর কিছুই করার নেই। আমরা তো এই রাজ্যেই দেখছি, যাঁরা সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ইস্তেহার দেখিয়ে ভোটে জিতেছিলেন, তাঁরা দল ভেঙে সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে, আর ভোটারদের হাতে রয়েছে লবডঙ্কা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আইনকাঠামোর এই ফাঁকগুলিকে ফ্যাসিস্টরা প্রতিটি সুযোগেই ব্যবহার করে।
সেরকমই হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের শীর্ষের আমলা বাছাই নিয়ে। প্রথাগত ভাবে নির্বাচন কমিশনাররা নিযুক্ত হতেন কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শতেই। এই নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট আইন ছিল না। পরবর্তী নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী বা তার দলটিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, সেইখানে নির্বাচন কমিশনের মাথারাই যদি তাঁর দ্বারা মনোনীত হন, তাহলে স্বার্থসঙ্ঘাতের সমস্যা ঘটতে পারে। এই বিষয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের আইনজীবী অনুপ বারানোয়াল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে একটি তিনজনের কমিটির হাতে নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নের ভার রাখেন। অতি দ্রুততায় কেন্দ্র সরকার একটি আইন পাশ করে, যে আইনে এই মনোনয়নের ভার আসে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধানমন্ত্রী মনোনীত একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর হাতে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বাদ পড়েন এই প্যানেল থেকে। এই আইন পাশ করানো হয় ২০২৩-এর শীতকালীন অধিবেশনে এবং সেই অধিবেশনে অভূতপূর্ব ভাবে ১৪৬ জন বিরোধী সাংসদকে সংসদ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। অর্থাৎ, সংসদকে বিরোধীশূন্য রেখেই এই আইন পাশ করা হয় এবং এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের কার্যকরী ক্ষমতা বস্তুত শাসক দলের হাতেই চলে আসে। আমরা এরপর দু-বার এই আইন মেনে নির্বাচন কমিশনার ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হতে দেখি। দুবারই এই নিয়োগ ২-১ ভোটে হয়, বিরোধী দলনেতার একটি ভোট বিপক্ষে পরে নিয়োগের। এবং দুবারই নিয়োগ হয়েছিলেন শ্রী জ্ঞানেশ কুমার।
জ্ঞানেশ কুমার ভারত সরকারের এক বরিষ্ঠ আমলা ছিলেন। অবসরের পরে তিনি নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত হন (অবসরপ্রাপ্ত আমলারা ৬৫ বছরের অনুর্ধ্বে নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত হতেই পারেন)। অবসরের কিছু আগে তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজে যুক্ত ছিলেন, যার মধ্যে অন্যতম হল রামমন্দির ট্রাস্ট নির্মাণ ও কাশ্মীরের রাজ্যসত্ত্বা বিলোপ করে সেখানে ৩৭০ ধারা জারি করা। জ্ঞানেশ কুমারের কার্যকালে নির্বাচন কমিশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছে, যার মধ্যে অবশ্যই ছিল ভোটার লিস্টের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এস আই আর। এখানে একটা জিনিস খেয়াল করবার, বিরোধী দলনেতা রাহ্লল গান্ধী হরিয়ানা নির্বাচনের পরে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রায় একলক্ষ ভুয়ো ভোটারের তথ্য তুলে ধরেন। নির্বাচন কমিশন সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন, কিন্তু প্রায় একই সময়ে ভোটার লিস্টের সংশোধনীর কাজ শুরু করেন। এর মধ্যমে প্রথমটি হয় বিহারে। বিহারে প্রথম দফায় প্রায় ৬৫ লক্ষ লোকের নাম বাদ যায়। খেয়াল করার, এদের মধ্যে ৬০% মহিলা এবং প্রায় ২৫% মুসলিম। এইখানে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে এই সংশোধনে বাদ পড়ার হার কিছু গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বেশি। একটা যুক্তি আসতে পারে সামাজিক এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা লোকের কাছে যথাক্সথ তথ্য এবং পরিচিতির প্রমাণপ্ত্র নেই। প্রমানপত্র হিসাবে কী গ্রাহ্য হবে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনামার উপর বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপও করতে হয়। এর পরে আসে পশ্চিমবঙ্গে নিবিড় সংশোধনের প্রসঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন শাসকদলের নিজস্ব ভোটব্যাংক ছিলেন মুসলিম এবং মহিলারা। ফলে, তাঁদের নাম যাতে ভোটার লিস্ট থেকে কাটা না যায়, সেই দলটি সংশোধনের প্রথম পর্যায়ে এই নিয়ে যত্নবান ছিল। প্রথম পর্যায়ে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ যায়, যা নিয়ে বিশেষ সমালোচনা হয় না, ধরে নেওয়া হয় মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটার ছিলেন এঁরা। কিন্তু এর পর পাইলট প্রোজেক্ট হিসাবে এখানে ‘লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সি’ ধরে ভোটারের নাম বাদ দেওয়া শুরু হয়। এই বিতর্ক আমরা সকলেই অবহিত। যেটা খেয়াল করবার, যে এর আগে অবধি ভোটার লিস্টে নাম রাখা বা বাদ দেওয়ার আইনি অধিকার ছিল ইলেক্টরাল রোল অফিসারদের, যাঁরা জেলাশাসক বা অতিরিক্ত জেলাশাসক গোছের আমলা। এইবার একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে এই কাজটা হতে তাকে, যার নামে ইআরওনেট। লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সির বিভিন্ন প্যারামিটার কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত হয়, যার কিছু কিছু হাস্যকরও। কিন্তু, এর মধ্যে একটা বড়ো সমস্যা লুকিয়ে থাকে। এই সফটওয়ারের কাট অফ মানকগুলি নির্ধারণ করা হচ্ছে ভোটার লিস্টের ড্রাফট হাতে আসার পর। অর্থাৎ, প্রাপ্ত ড্রাফট দেখে এবং সেই বুথের ভোটিং প্যাটার্নের ইতিহাস দেখে কাকে বা কাদেরকে বাদ দেওয়া যাবে তার অ্যালগোরিদম তৈরি করা হতে পারে। এবং এই পদ্ধতিটি ইলেকশন কমিশনের নিজস্ব, সাধারণের কাছে স্বচ্ছ নয়। এই নিয়ে বহু কোর্ট কাছারি হয়। কোর্ট একে বাতিল করে না, কিন্তু বলে এই ভাবে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের আপিল বিচারবিভাগীওয়াই প্রতিনিধিরা পুনর্বিচার করেন। প্রথমে ৬০ লক্ষ লোক বাদ পড়েছিলেন, এই পুনর্বিচারে সেই সংখ্যা কমে ২৭ লক্ষ হয়। খেয়াল করার যে ঐ ৬০ লক্ষ বাদ পড়া হয়েছিল ইআরওনেটের মাধ্যমে। ইআরওরা নিজস্ব বিবেচনায় সেগুলিকে বিচার করতে পারেননি। এই বিচারও হয়েছিল নাম বাদ যাওয়া লোকটিকে সরাসরি না ডেকে, শুধু তার সিস্টেমে জমা থাকা নথি বিচার করেই। এবং এই বিশালসংখ্যক বাদ পড়া লোকের মধ্যে গোষ্ঠীগত প্যাটার্ন ছিল। এর পরের রাউন্ডে ২৭ লক্ষ বাদ পড়া নামের প্রায় ৭০% পুনরায় আবেদন করেন। বলা হয় এঁদের ভবিষ্যৎ বিচারপতিরা শুনানির মাধ্যমে ঠিক করবেন। এইবারে হিয়ারিং হবে সামনাসামনি, সঙ্গে আনা নথি বিচার অরে। মোট ২৭ লক্ষ যাঁরা বাদ পড়েছিলেন, তাঁদের বাদ দিয়েই নির্বাচন হয় এবং তাতে সরকার পরিবর্তন হয়। এখন অবধি ৮২০০০ লোকের হিয়ারিং হয়েছে যাতে প্রায় ৭৫০০০ লোকের নাম আবার ভোটার লিস্টে বাদ গেছে। যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গেছে তার মধ্যে একটা বড়ো অংশের নামই ফের লিস্টে উঠবে এমন আশা করা যেতেই পারে। আর, এই নির্বাচনে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ভোটের ফারাক ছিল ৩২ লক্ষ! এবং এর পরেই পশ্চিমবঙ্গে এস আই আর এবং নির্বাচনের প্রত্যক্ষ দায়িত্বে থাকা দুজন অফিসারকে নতুন রকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ করেন।
অন্যান্য রাজ্যেও এস আই আর নিয়ে প্রভূত বিতর্ক হয়েছে। শাসকদল তাদের নির্মিত রাষ্ট্রবাদী রেটরিকে বলে আসছেন যারা বাদ পড়ছে তারা ভুয়ো, অন্যদেশের অনুপ্রবেশকারী। নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ এবং শাসকদলের রাজনৈতিক জঙ্গিপনা একসূত্রে মিলে গেছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা জানতে পারছি যে নির্বাচন কমিশনের মধ্যেও এই পদক্ষেপগুলি নিয়ে বিরোধিতা তৈরি হয়েছিল। ইআরওনেট, সীমা খান্নার অ্যালগোরিদম এবং এস আই আরের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে অন্য দুজন নির্বাচন কমিশনার বিরোধিতা করেছিলেন, কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একার সিদ্ধান্তে এই পদক্ষেপগুলি নিয়েছেন। আইনমতে, তিনজন নির্বাচন কমিশনারের সমান ভোটাধিকার। ফলে নিয়ম অনুযায়ী বাকি দুজন নির্বাচন কমিশনারের বিরোধিতা থাকলে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার সেই সিদ্ধান্ত বলবৎ করতে পারেন না। কিন্তু সেটাই হয়েছে।
সুতরাং, ভোটও হয়েছে- অবাধ শান্তিপূর্ণ। ভোটের ফলও বেরিয়েছে- কিন্তু নির্ণায়ক সংখ্যার ভোটারকে আগেই বাদ দিয়ে ফেলা হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে শাসক রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশমতন, বাকি দুজন নির্বাচন কমিশনারের মতামত অগ্রাহ্য করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সম্পূর্ণ ডেটা আগে নির্বাচন কমিশন সংগ্রহ করেছে এবং তারপর নিজস্ব অ্যালগোরিদমে কাদের বাদ দেবে সেই বায়াসও তৈরি করেছে। স্থানীয় স্তরে ই আর ও দের হাত থেকে ক্ষমতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্রের বিভিন্ন গলতা ব্যবহার করে ভোটের ফলাফল পূর্বনির্ধারণ করা হচ্ছে। এরপর বাকি যা দরকার, তা রাজনৈতিক শক্তি এবং নিজের তাঁবে থাকা প্রশাসনকে ব্যবহার করে করে ফেলা গেছে। ভোট পড়েছে এক, কাউন্টিং হয়েছে আরেকটু ভিন্ন। এবং সবার শেষে গণমতকে সরিয়ে রেখে গণতন্ত্র চলেছে। এই পরিণতি শুধু পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের এরকম নয়। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে কিন্তু আরও কিছু ফ্যাক্টর ছিল- অ্যান্টি ইনকম্বেন্সি, ধর্মীয় মেরুকরণ ইত্যাদি। তো এই সব ফ্যাক্টর পক্ষে-বিপক্ষে সব নির্বাচনেই থাকে। এর পাশাপাশি থাকে ফ্যাসিস্টের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তিও। কিন্তু হেরফের ঘটানোর জায়গায় তারা সঙ্গে পেয়ে যায় নির্বাচন কমিশনকে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রেফারি সেট করা বাঁশি বাজিয়ে দেয়- আর, সেইটা গণতান্ত্রিকতার অবকাঠামোর মধ্যেই হয়। ফলে সেই কাঠামোর মধ্যে থেকে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে হারানোর সম্ভাবনাটা বাতিল হয়ে যায়। বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম হয়ে ক্রমশঃ শক্তিশালী হচ্ছে এই রেফারি-সেটিং এর খেলা।
আমরা পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র বলে যাকে নিয়ে গর্ব করি, তার উনআশি বছরের জীবনে সে বৃহত্তর বিপর্যয়ের সম্মুখীন। এই বিপর্যয় কোনও এক আপদকালীন সংকট হিসেবে আসেনি, বরং এসেছে গণতান্ত্রিক কাঠামোটাকে সম্পূর্ণ ঝাঁঝরা করে, তার খোলের মধ্যে ফ্যাসিবাদের আত্মা প্রবেশ করানোর আশঙ্কা নিয়ে। আশঙ্কা হয় আমার আপনার ভোটের অছিলায় বৈধতা দেওয়া হবে এক দুষ্টচক্রের ক্ষমতায়নকেই। এই বিপর্যয় এড়াতে না পারলে বহু শতাব্দীর অর্জন, এই রাষ্ট্র, ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই, দৃষ্টান্তমূলক প্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় এখন। এই পরিস্থিতিতে যে যে দাবি আশু কর্তব্য বলে মনে হয়, সেগুলি নিম্নরূপ-
এক) মুখ্য নির্বাচন কমিশনকে জবাব দিতে বাধ্য করা-
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা করা। নির্বাচন ব্যবস্থাকে কলুষিত করতে তাঁকে কে নির্দেশ দিচ্ছিল তা তদন্তের মাধ্যমে বের করা
দুই) এস আই আর প্রক্রিয়া স্থগিত করা
- চালু এস আই আর প্রক্রিয়া স্থগিত করে জানুয়ারি ২০২৫-এর ভোটার লিস্ট পুনর্বহাল করতে হবে। ততদিন পর্যন্ত আসন্ন সব নির্বাচন স্থগিত হবে। এস আই আর ও তার বিভিন্ন ধাপের সিদ্ধান্তগ্রহণ কীভাবে কার নির্দেশে হল, তার তদন্ত একটি নিরপেক্ষ কমিশন করুক। এস আই আরের সমস্ত নথি আদালতের হেফাজতে রাখা হোক
তিন) ২০২৩-এর নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বাতিল করা
- নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ সংক্রান্ত এই পক্ষপাতমূলক আইন বাতিল করা হোক। নতুন আইন এনে নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নের কমিটিতে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরও নেওয়া হোক।
ককরোচ জনতা পার্টি আজকের (২৪/০৯/২৬)-এর সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবিগুলিই রেখেছে।