এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  - ৩৬

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ আগস্ট ২০২৬ | ১০ বার পঠিত
  • ( ৩৬ )

    সোমনাথ বসে বসে একটা পুরনো ট্রানজিস্টর মেরামতিতে ব্যস্ত ছিল। সে এসব কাজ টুকটাক জানে।
    ----- ' অন্য কোথাও কী ফর্মূলায় চলে অত জানি না। অত জ্ঞান বুদ্ধি নেই। তবে ভারতে গনতন্ত্রের মশলাটা ভালরকম জানি। জন্ম ইস্তক দেখছি তো... '
    ----- ' কিরকম কিরকম ? '
    ----- ' অধিকার শুধু ভোটের লাইনে খাড়া হওয়ার. … ঠা ঠা পড়া রোদ্দুরে। কী জন্য ? না, কিছু মার্কামারা বজ্জাত লোককে ভোটে জিতিয়ে গদিতে বসিয়ে পুজো করা আমাদেরই লুটপাট করার জন্য... '
    ----- ' সেটাও তো এখন বেছে বেছে হচ্ছে। মানে, সবাইকে ঠা ঠা পড়া রোদ্দুরে লাইনে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না... '
    ------ ' ওগুলো বেঁচে গেছে বেঁচে গেছে.... পাপের ভাগীদার তো হতে হচ্ছে না... আরে দূর দূর ... '
    ----- ' কিন্তু ভোট দিতে না পারলে তো এ দেশে রাখবে না বলছে। দেশ ছাড়া করবে বলছে.... '
    ----- ' সেটাই মুশ্কিল .... সেটাই মুশ্কিল ... ', মাথা নাড়ে পলাশ। পলাশ দাস। মিউনিসিপ্যালিটি অফিসে চাকরি করে।
    সোমনাথের পাড়াতেই থাকে। অতীশের মতো সন্ধের পর প্রায়ই এসে হাজির হয় সোমনাথের বাড়ি। পলাশ সাধারণ স্তরের মানুষ হলেও তার কথাবার্তায় কিন্তু ওজন আছে। সে মোটেই অতীশের মতো সাদামাটা নিপাট গোছের নয়। চিন্তায় ধার আছে। এ ব্যাপারে সোমনাথের সঙ্গে মিল আছে তার।
    সোমনাথ বলল, ' অফিসের হালচাল কী বুঝছ ? '
    ----- ' আমাদের অফিসের ? সব অফিসের মতোই রাতারাতি সব রঙ বদলে নিয়েছে। ডিপার্টমেন্টের দুনম্বরী মালগুলো সব ফটাফট জার্সি পাল্টে নিয়েছে... '
    ------ ' জামার ওপর আলখাল্লা...নাকি শুধুই আলখাল্লা? ',
    সোমনাথ জিজ্ঞাসা করে।
    এ ধরণের কথার গিঁট খুলতে পলাশের বিশেষ অসুবিধে হয় না।
    বলল, ' না না নীচে সব আগের জামা আছে। আলখাল্লাটা খোলস। দরকার হলে খোলসটা খসিয়ে ফেলবে। খসিয়ে ফেলে আগের আশ্রমে ফিরে যাবে দিদিমণির প্রণামীর বাক্স গার্ড দিতে। অবশ্য এ জন্মে আর সে সুযোগ হবে কিনা জানি না। ব্যাটন তাদেরই কোম্পানির অন্য শেয়ারহোল্ডারদের হাতে চলে গেছে... '
    ------ ' সেটাই মনে হচ্ছে... ' সোমনাথ বলে ট্রানজিস্টরের পিছনে স্ক্রু ঘোরাতে ঘোরাতে।
    ----- ' সেটাই সেটাই। রঙ বদলানো দালালগুলোকে মনে হয় শেষ পর্যন্ত হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেবে ... '
    ------ ' সেটা জানি না। কী বন্দোবস্ত হয়েছে সেটা বলা মুশ্কিল। সবই তো বন্দোবস্তের ব্যাপার। ইলেকশানের আগে থেকেই ছক তৈরি আছে। বলা মুশ্কিল … '
    ----- ' তা ঠিক, আমরা হলাম বিশ্ব ভেড়ুয়ার দল। শুধু ভোট দেওয়া আমাদের কাজ। আমাদের কাজ হল লাথখোরগুলোর পোঁদের কাপড় হয়ে ঝুলে থাকা... যাকগে ... ' পলাশকে বেশ উত্তেজিত মনে হয়।
    সোমনাথ স্ক্রু ডাইভার সরিয়ে রেখে ফটাফট করে দুহাত ঝেড়ে নিয়ে বলল, ' তুমি যেখানে সেখানে মুখ খোল না তো ? '
    ------ ' চেষ্টা করি চুপচাপ থাকার। কিন্তু সবসময় পারা যায় না। এই তো পরশুদিন একটা বাওয়াল হয়ে গেল অফিসে... '
    ----- ' কিরকম ? '
    ----- ' কিছু না, ওই স্বাধীনতা দিবসের দিন পোস্টার লাগানো আর জাতীয় পতাকা তোলা নিয়ে... '
    ---- ' অ বুঝেছি... দুই কূলে দুই ফুলে না ভাল মন্দে বগলের গন্ধে ? '
    ----- ' কি বলব বল তো... ঝাড়াই বাছাই করা মুশ্কিল। ধরা কঠিন। তবে শ্যামাপ্রসাদের ছবিওয়ালা পোস্টার লাগানো নিয়ে যখন গন্ডগোল একটা সাইড নিশ্চয়ই গেরুয়া... ' পলাশ দাস একটা সিগারেট বার করে ধরিয়ে ধোঁয়া ছাড়ল ।
    সোমনাথ বলল, ' চা খাবে তো ? '
    ----- ' তা... হয় যদি... '
    সোমনাথ ভিতরের দিকে তাকিয়ে বলল, ' একটু চা করবে নাকি ? '
    ভিতর থেকে প্রসন্ন কন্ঠে সাড়া পাওয়া গেল, ' হ্যাঁ করছি ... '
    সোমনাথ বলল, ' এর মধ্যে আর কোন রঙ নেই ? '
    ----- ' মানে লালের কথা বলছ ? '
    ----- ' হ্যাঁ, ওই আর কী... '
    ------ ' না, আমাদের অফিসে নেই আপাতত। তবে অন্যান্য জায়গায় ভালরকমই চাগাড় দিচ্ছে। খেলা কোনদিকে যাচ্ছে বোঝা মুশ্কিল। তবে নতুন জামা পরা লোকগুলো বড্ড তোলাবাজি শুরু করেছে আমাদের ওদিকে... '
    ------ ' শুধু নতুন জামা পরা, না পুরনো জামারাও আছে?'
    ----- ' আছে, তবে কম ... ঠিক কল্কে পাচ্ছে না আর কি... নতুনগুলো বলছে, তোরা এতদিন অনেক খেয়েছিস... এবার রেস্ট নে। এবার আমাদের খেতে দে।
    তবে ব্যাপারটা বেশিদিন চলবে না। পাবলিকের হাতে রামক্যালানি খাবে... আমি বলে দিলাম, মিলিয়ে নিও। ডিমের কুসুম এরপর কারা খায় সেটা দেখতে পাবে ... '
    সোমনাথ কোন কথা না বলে শুধু বলল, ' হমম্.... কই হল ? '
    ভিতর থেকে আবার সাড়া এল, ' এ...ই হয়ে গেছে। দিচ্ছি.... '

    চা আসার আগেই কলিং বেল বেজে উঠল। সোমনাথ ভিতর থেকে বলল, ' কে.... ? '
    বাইরে থেকে মোটা গলায় জবাব এল, ' পার্টি অফিস থেকে এসেছিলাম.... '
    সোমনাথ এবং পলাশ সচকিত হয়ে দুজনে দুজনের মুখের দিকে তাকাল।
    পলাশ সোমনাথের দিকে তাকিয়ে হাতের তেলো ওল্টালো জিজ্ঞাসাবোধকভাবে।
    প্রতিক্রিয়ায় সোমনাথ হাত উল্টে ঠোঁট ওল্টালো। তারপর বলল, ' আসছি ... '
    দরজা খুলতে দেখা গেল চারজন দাঁড়িয়ে আছে। সকলেই খুব পরিচিত না হলেও অল্পবিস্তর চেনা মুখ। আগে দেখেছে। সকলেরই বয়স পঁচিশ ছাব্বিশের মতো হবে। আগে কোন রঙের ঝান্ডা ধরত সোমনাথের জানা নেই। এখনকার রঙ অনুমান করতে অসুবিধা হবার কথা নয় কারণ চারজনেরই কপালে লাল ফোঁটা কাটা।
    সোমনাথ কোন কথা বলে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে চারজনের সঙ্গেই চোখাচোখি করল।
    হলুদ জামা পরা একজন, খুব সম্ভবত ওর নাম পাঁচুগোপাল, বলল, ' বলছি যে আপনার বাইরের বারান্দায় যে মহাদেবের মূর্তিটা রেখেছেন ঘেরা জায়গায়... '
    ----- ' মহাদেব... ও হ্যাঁ.... ওটা ওখানে প্রায় তিরিশ বছর ধরে আছে। আমার বাবা একবার... '
    হলুদ জামা সোমনাথকে থামিয়ে দিয়ে বলল, ' জানেন তো এভাবে কোন হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রাখা যায় না। শিবের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করলে সনাতনী ধর্ম মেনে পূজা করতে হয় শিবস্তোত্র পাঠ করে সকাল আর সন্ধেবেলা... জানেন তো?'
    ও পাড়ার পাঁচুগোপালকে শাস্ত্রপারদর্শী বিজ্ঞ লোকের ভঙ্গীতে কথা বলতে দেখে সোমনাথের বেশ মজা লাগছিল। তবে এখন কোন মজা করা যাবে না। কপালে লাল ফোঁটার সিগন্যাল জ্বালিয়ে রেখেছে। গাড়ি দাঁড়াতে বাধ্য।
    সে বলল, ' ও... তা হতে পারে ... '
    ----- ' হতে পারে না, যা বলছি জেনে বুঝেই বলছি... ' পাঁচু জোর গলায় বলল।
    ---- ' হ্যাঁ... তাও তো বটে। না জেনে বুঝে বলতেই বা আসবে কেন। তা কী করতে হবে এখন ? '
    ----- ' আপনাকে কোন ট্রাবল দেব না। আপনাকে কিছু করতে হবে না। পাড়ার পুরনো লোক ... '
    সোমনাথ অভিজ্ঞ লোক। জানে, আসল বাঁশটা এবার আসছে। সে সরল নিষ্পাপ মুখে বলল, ' তা'লে ? '
    পাঁচু বলল, ' সনাতনী ধর্ম মেনে যা ব্যবস্থা করার আমরা সব করে নেব। আপনি শুধু মূল্য ধরে দেবেন। আপনাকে আর কোন ট্রাবল দেব না ... '
    তারপর উদার স্বরে বলল, 'ভুল মানুষমাত্রেই হয় .... কোন ব্যাপার না ... '
    ------ ' কিরকম শুনি ... '
    ----- ' এককালিন তিরিশ হাজার দিলেই হবে। পরে যদি কিছু লাগে বলব'খন ... '
    সোমনাথ মনে মনে এটাই আন্দাজ করছিল সনাতনী চিন্তাধারা অনুসরণ করে।
    সে নির্বিকার কন্ঠে বলল, ' সুভাষদা জানে ? '
    ------ ' কী ? '
    ----- ' শিবস্তোত্রের তিরিশহাজারি প্রনামীর ছক.... '
    হলুদ জামা পরা পাঁচুগোপাল এরকম সরাসরি চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে অভ্যস্ত নয় চৌঠা মে-র পর থেকে। সে একটু থতমত খেয়ে গেল।
    বলল, ' আরে এ তো সবাই জানে। সাধারণ নিয়ম। এর মধ্যে সুভাষদা আসছে কোথা থেকে। ওনার কি অত সময় আছে নাকি ? কাল সকালে দিল্লী যাবার কথা ... '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে আমি ফোন লাগাচ্ছি। দেখি উনি কী বলেন।। দাঁড়াও মোবাইলটা নিয়ে আসছি... '
    পাঁচুগোপাল রে রে করে উঠল, ' আরে কী করছেন ! এ তো মহা মুশ্কিল... আগেই বললে হত আপনি সুভাষদার চেনা... আমরা কি কোন জোরজবরদস্তি করেছি ? '
    সোমনাথ হেসে বলল, ' না না তা কখনই করনি। জবরদস্তির দরকারটা কী, এমনিই তো সব এসে যাচ্ছে। তবে একটু সামলে খেল ভাই। খেলা এখনও অনেক বাকি... '
    ছেলেগুলো চলে যাবার পর পলাশ সোমনাথকে জিজ্ঞেস করল, ' তোমার সঙ্গে কি সত্যিই সুভাষ দত্তর খাতির আছে ? '
    ----- ' আরে দূর, তুমিও যেমন... '
    ---- ' কিন্তু ওরা তো সুভাষবাবুকে জিজ্ঞেস করলেই সত্যটা জেনে যাবে। তখন তো আবার.... '
    ------ ' কোন চিন্তা ক'র না। ওরা সুভাষ দত্তের সঙ্গে কেসটা নিয়ে রগড়াতেই যাবে না। লস্ট কেসে রগড়ারগড়ি এসব চামচিকেরা জেনারেলি অ্যাভয়েড করে চলে ... '
    ------ ' তুমি পলিটিক্যাল লাইন ধরলে তো ভাল বাজার করতে দেখছি ... ', পলাশ দাস বলে হাসতে হাসতে।
    ------ ' না ভাই, কোন দরকার নেই। আবহাওয়া খুব খারাপ হতে চলেছে। যা আছি ঠিক আছি। দুর্যোগ এড়িয়ে চলাই ভাল। যারা বানে ভাসতে চায় ভাসুক। তারা নিশ্চয়ই যত্ন করে সাঁতার শিখেছে। কিন্তু ঝড়ের ঝাপটায় অনেক পাল্টিপাখি লাট খেয়ে ফাঁদে পড়বে মন বলছে ... '

    ( ক্রমশ )

    ************************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন