“ডাকঘরের কথা
… ডাকঘরের বন্দোবস্তই বা কি কম আশ্চর্যরকম! তুমি হয়ত কলকাতায় বসে একটা পোস্টকার্ডে চিঠি লিখে ডাকঘরে সেটাকে ফেলে দিলে। কিছুক্ষণ পরে ডাকঘরের লোক এসে ডাকবাকসের চাবি খুলে চিঠিগুলি ডাকঘরে নিয়ে গেল। সেখানে অনেকগুলি লোকে মিলে চিঠির উপর ডাকঘরের ছাপ মারে, আর এক একটা থলিতে এক একটা রেলে পাঠাবার চিঠিগুলি ভরে ফেলে-যেমন দার্জিলিং মেলে দার্জিলিং, খরসান জলপাইগুড়ি, কুচবিহার, এইসব জায়গার চিঠি; পঞ্জাব মেলে বর্ধমান, মধুপুর পাটনা, বাঁকিপুর, এলাহাবাদ, দিল্লী, এইসব জায়গার চিঠি। তারপর সব ছোট ডাকঘর থেকে বড় ডাকঘরে থলেগুলি পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে স্টেশনে চলে যায়। রেলের গাড়ির মধ্যে আবার ডাকঘরের বন্দোবস্ত আছে। সেখান থলিগুলো খুলে প্রত্যেক জায়গাকার চিঠি আলাদা করে এক একটা খোপে ভরে রাখে। তারপর সব চিঠি বাছা হয়ে গেল এক-এক জায়গার চিঠি এক একটা আলগা থলিতে ভরে ফেলে। সেখানে যখন রেল পৌঁছায় তখন রেলের ডাকঘর থেকে সেই সেই জায়গার চিঠিগুলি নামিয়ে দেয়। তারপর আবার ডাকঘরে সেই থলি নিয়ে গিয়ে, তার থেকে
চিঠি বের করে, বেছে, পিয়ন দিয়ে বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় |”
(সুকুমার রায়, “ডাকঘরের কথা”, ১৯১৭ সাল)
এই লেখাটি আজ থেকে একশো বছরেরও বেশী আগে সুকুমার রায় লিখেছিলেন | সেই সময়েই দেখা যায় যে একটি দেশের মধ্যে (ভারতের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে) চিঠি পাঠানোতে কত রকমের কাণ্ড কারখানা জড়িত ছিল| চিঠিপত্র পাঠানোর ব্যাপারে রেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল সে সময়ে, যার জন্য ট্রেনের নাম অবধি দেওয়া হত চিঠিপত্র পাঠানোর মত করে, যেমন পাঞ্জাব মেল, বা তুফান মেল | জগৎবিখ্যাত ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস যা একসময় ইউরোপের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে পাড়ি দিত, সেই বিলাসবহুল রেলগাড়িও চিঠিপত্র নিয়ে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে পৌঁছত, যে উপলক্ষে ২০২৩ সালে ১৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওরিয়েন্ট একসপ্রেসের ডাকবাহকের ভূমিকা নিয়ে ফরাসী দেশ থেকে ডাকটিকিট অবধি প্রকাশিত হয়েছিল।
চিঠি এক দেশের মধ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানো এক রকম, আর এক দেশ থেকে দেশান্তরে পাঠানো আরেক ব্যাপার | ১৮৭৪ সালের আগে পর্যন্ত এই ব্যাপারটি বেশ গোলমেলে ছিল, কারণ একেক দেশ একেক রকমের ট্যাকস চাপাত, ফলে ব্যাপারটি শুধু সময়সাপেক্ষ নয়, বেশ ব্যয়সাপেক্ষও ছিল বটে | ১৮৭৪ সালে UPU (Universal Postal Union) প্রতিষ্ঠিত হয়ে বেশ খানিক সুরাহা হয়েছে।
ফেডিভারসের বা বিশেষ করে ActivityPub এর কথা লিখতে গিয়ে কেন পোস্টাল সারভিসের কথার “ধান ভানতে শিবের গীত” গাইছি তার একটি কারণ ডাক ব্যবস্থার যে প্রোটোকল, পরবর্তীকালে ইমেল ও ওয়েবে কাজে লাগবে, এবং প্রথম দিককার সমাজ মাধ্যমগুলোতে প্রচলিত ছিল, পরে ফেসবুকের আর টুইটারে তাকে অন্যভাবে তৈরী করা হয়। আজকের দিনে আবার অ্যাকটিভিটিপাবে তার পুনর্জাগরণ হয়েছে। শুধু তাই নয়, পোস্টাল সারভিসের যে কোড আমরা ব্যবহার করি (যেমন আমেরিকায় জিপ কোড, অস্ট্রেলিয়া/নিউজিল্যাণ্ডে/বিলেতে পোস্ট কোড, ভারতে পিন কোড), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিশেষ করে কমপিউটার ভিশন (কমপিউটারকে “দৃষ্টি দেবার”) কাজে তার একটি অপরিসীম অবদান রয়েছে: আমেরিকার পোস্টাল সারভিসের জিপ কোডে যে গাণিতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে নিয়ে কমপিউটারকে বা কৃত্রিম বুদ্ধির যন্ত্রকে “ছবি” চেনানোর প্রাথমিক প্রয়োগ করা হয়েছিল। সে বিষয় আজ আলোচনা করার নয়, অতএব বিষয়ে ফেরা যাক |
অরুণবাবু বন্ধু বরুণবাবুকে চিঠি পাঠাতে চান। অরুণবাবু সকালবেলা চিঠি লিখে বাড়ির কাছে ডাকবাকসে ফেলে এলেন, কিছুক্ষণ পরে ডাকবিভাগের কর্মী এসে বাকসো খুলে চিঠি নিয়ে পোস্টাপিসে নিয়ে গেল, বিকেলের দিকে সে চিঠি অরুণবাবুর বাড়ির কাছের ডাকঘর থেকে বেরিয়ে বরুণবাবুর বাড়ির কাছের ডাকঘরের দিকে পাড়ি দেবে, এবং যথাসময়ে বরুণবাবুর বাড়ির চিঠির বাকসে চিঠি পৌঁছবে।
এই যে ব্যাপারটি, এটি হতে গেলে, অরুণবাবুর বা বরুণবাবুর বাড়িতে একটি পোস্টবাকস থাকতে হবে, আমরা তাকে ইনবক্স বলব | অরুণবাবু যে পোস্টবাক্সয় চিঠি ফেলে এলেন, তাকে আমরা আউবক্স বলব, কারণ ঐ বাকস থেকে চিঠি বাইরের দিকে চলে যাবে | চিঠি কি করে বা কোন পথে অরুণবাবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বরুণবাবুর বাড়িতে পৌঁছচ্ছে, অরুণবাবুর তার বিশদ না জানলেও কিছু আসে যায় না, শুধু অরুণবাবুর বরুণবাবুর বাড়ির ঠিকানাটুকু জানলেই কাজ চলবে। ডাকঘরের পোস্টমাস্টার মশাই বা যিনি চিঠি সর্ট করছেন তিনি জানেন কোথায় পাঠাতে হবে, আর তারপর যে অঞ্চলে চিঠি পৌঁছবে, সেখানে গন্তব্যস্থলে কে কিভাবে চিঠি ফেলে আসবেন তাঁরা জানেন। এ পারস্পরিক লেনদেন অরুণবাবু বরুণবাবুর না জানলেও চলবে।
ইমেল চালাচালির সময় সময়েও সেই একই ব্যাপার | মানে অরুণবাবু যখন বরুণবাবুকে ইমেল করছেন তিনি তখন Actor, তিনি তাঁর কমপিউটারের মাধ্যমে নিজের সারভারের কাছে তাঁর আউটবাকসো থেকে মেসেজ পাঠালেন, সেই সার্ভার খুঁজে বার করল কোন সারভারে বরুণবাবু রয়েছেন, সেই সারভারে অরুণবাবুর বার্তা পাঠিয়ে দিল | অরুণবাবুর শুধু বরুণবাবুর ইমেল অ্যাড্রেসটুকু জানলেই চলবে, বাদবাকী কাজ সারভারের |

য়েব ব্রাউজার দিয়ে ওয়েব দেখার কাজটিও প্রায় ঐরকম, যদিও এ সবই অতিসরলীকরণ করে দেখানো হচ্ছে, কিন্তু মোটামুটি একই রকম, মানে এক্ষেত্রে অরুণবাবু তাঁর কমপিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন সারভার থেকে নানান রকমের তথ্য অনুসন্ধান করে দেখতে পান

ইমেল বা ওয়েব সারফিং, অরুণবাবুর বা বরুণবাবুর কোথাও কোন বাধা নেই, সেরকম ভাবে কোন বিধিনিষেধ নেই। নিজেরা ইচ্ছ করলে সারভার ভাড়া নিয়ে নাম ভাড়া নিয়ে দিব্যি নিজের মতন করে যে ধরণের লেখালিখি, ছবি, চলচ্চিত্র, ইত্যাদি যা প্রকাশ করতে চান করতে পারবেন। কেউ বলবে না যে আপনি যদি অমুক ইমেল সারভিস ব্যবহার করেন তাহলে তমুক ইমেল সারভিসে আপনার মেল পাঠাতে পারবেন না, কারণ যে যাই করুক, তাদের একটিই প্রোটোকল অনুসরণ করে কাজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে অরুণবাবু না বরুণবাবু গৌণ |
সমাজ মাধ্যম আসবার পরে ব্যাপারটি আর ঠিক সেরকম রইল না। তখন অরুণবাবু বা বরুণবাবু আর শুধুই ডকুমেন্ট পাঠাচ্ছেন না, তাঁরা তাঁদের ব্যক্তিগত “তথ্য” তাঁদের কমপিউটারের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। আগের পর্বে AT Proto প্রোটোকল নিয়ে লিখেছিলাম, সেখানে বলেছিলাম ধরুন অরুণবাবু বরুণবাবুকে সমাজ মাধ্যমে “অনুসরণ” করেন, বদ্ধ সমাজমাধ্যমে অনুসরণ করতে গেলে শুধু সেই সার্ভারটুকুতেই তাঁদের পারস্পরিক আলাপচারিতা সীমাবদ্ধ থাকবে, কিন্তু মুক্ত, স্বাধীন, সার্বজনীন সমাজমাধ্যমে যোগাযোগ মুক্ত, স্বাধীন, সার্বজনীন, যে কেউ যে কোন সার্ভার থেকে অরুণবাবুকে বরুণবাবুকে, আপনি থাকলে আপনাকেও অনুসরণ করতে পারেন (যদি অবশ্য আপনার পরিচয় তাঁর জানা থাকে) |
ফেডিভারস ও প্রোটো
এই যে বিকেন্দ্রিক সমাজ মাধ্যম, এর প্রাণকেন্দ্রে এক ধরণের তথ্য প্রচারের ব্যাপার রয়েছে, যাকে বলা হয় JSON (javascript object notation), সমস্ত তথ্য একাধিক টেকস্ট স্ট্রিং (লেখার সুতোয়) জড়ানো থাকে। এবং এই json সুতো তুলে রাখা থাকে সার্ভারে। সারভারের সঙ্গে যুক্ত রিলে (relay) পর পর তথ্য গুলোকে আপনার কমপিউটারে সাজিয়ে দেয় | এই সাজিয়ে দেওয়া ব্যাপারটিকে আপনি ফিড নামে চেনেন, প্রতিদিন আপনার ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, ম্যাসটোডন, ব্লুস্কাই,ইউটিউব, যে ধরণের সমাজ মাধ্যম বলুন, আপনাকে নিপুণ করে তথ্য সাজিয়ে পরিবেশন করেন। যেহেতু সবকিছু তথ্যের ওপর নির্ভর, অতএব সেই রিলে কে নিয়ন্ত্রণ করলে আপনি কখন কি দেখতে পাবেন, সবকিছুই যদি কেউ চায় তো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
যেহেতু সমস্ত কিছু মুক্ত ও অবাধ, তাই আপনি যে কোন লোকের, যার ধরুণ প্রোটো আইডি জানেন, তিনি কখন কি দেখছেন বা পোস্ট করছেন, নিজের ইচ্ছে মতন দেখতে পাবেন। যেমন নীচে আমি আমার ফিড এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে দেখছি (এটি অবশ্য প্রোটোর সারভারে কি তোলা আছে)
তেমনি দেখুন নীচে আমার mastodon.social এ আমি সম্প্রতি কি পোস্ট করেছি তার একটি তালিকা:

তাহলে কি দাঁড়াল?
আধুনিক ওয়েব বা বিশেষ করে সমাজ মাধ্যমের সূত্রে আমরা যা দেখি তার মূল চালিকা শক্তি তথ্য → সারভার → রিলে → ফিড
আপনার যাবতীয় তথ্য (আপনার নাম, ঠিকানা, বয়স, কান কটকট করে কি না, ই: প্র:) সমস্ত সারভারে তোলা রইল, শুধু তাই নয়, আপনি কাকে ফলো করেন, কোন ছবি দেখে ভাল লেগেছে, কি দেখে খারাপ লেগেছে, পছন্দ, অপছন্দ, সব সারভারে তোলা রয়েছে। সারভারে যা রয়েছে তার ভিত্তিতে আপনার সমাজ মাধ্যম আপনার রিলে তৈরী করে, আর রিলে আপনাকে দেখায় আপনার ফিড | আপনি ইচ্ছে করলে আপনার সারভারে কি তথ্য আছে দেখতে পারেন, তবে যে সমাজ মাধ্যম বন্ধ (যেমন ফেসবুক আর টুইটার, ইত্যাদি, তাদের কাছ থেকে আপনার সারভারে কি তোলা আছে সহজে দেখতে পাবেন না) | যে সমাজ মাধ্যম মুক্ত ও অবাধ, সেখানে অবশ্যই আপনার তথ্য আপনার সারভারে আপনার নাগালের মধ্যে রইল |
এবার আশা করি বোঝা যাচছে যে বদ্ধ সমাজ মাধ্যমের সমস্যাটি ঠিক কোথায় | সে প্রসঙ্গে পরে আসছি। তার আগে কেন ActivityPub protocol, তাই নিয়ে কিছু লিখি |
যেহেতু সব কিছুর নিয়ন্ত্রক সারভারে কি তথ্য রয়েছে, তাই মনে রাখা যেতে পারে যে আমার তথ্য আমার সারভারের নিয়ন্ত্রণে থাকুক | দুই, প্রচুর সার্ভার যদি থাকে, তাহলে এক রকমের নিরাপত্তার ব্যাপার থাকে। যেমন ধরুন, আপনি নিজের সারভার ভাড়া নিয়ে আপনার তথ্য রেখে দিলেন | তাতে আপনার নিজের কাছে নিজের তথ্য রইল | সে তুলনায় যদি অন্য কোন বাণিজ্যিক সংস্থার নিয়ন্ত্রণে রাখা সারভারে আপনার তথ্য থাকে, সে ব্যাপারটি অন্যরকম |
এই জায়গাটিতে মেটা (ফেসবুক) বা একস বনাম মুক্ত ও অবাধ সমাজ মাধ্যমের প্রশ্নটি আসছে। এখন তার মধ্যেও একটি ব্যাপার রয়েছে। ধরুন প্রোটো | প্রোটো যেভাবে সারভারে তথ্য রেখে দেয় তার তাকে বলা হয় Personal Data Server, ব্যাপারটি এমনিতে ভাল, তবে তাতে কিন্তু জগতে যেখানে যারা at protocol এ আছে, তাদের সকলের সমস্ত রকমের তথ্য ভরা থাকে, তাকে স্বাভাবিক কারণেই এরা firehose বলে, মনে করুন দমকলের জলের পাইপ থেকে তৃষ্ণা নিবারণ করার চেষ্টা | যার জন্য সাধারণ মানুষের পক্ষে সার্ভার ভাড়া নিয়ে তথ্য সংরক্ষণ অন্যায্য রকমের ব্যয়সাপেক্ষ | Christine Lemmer-Weber, যিনি W3C র তরফে ActivityPub protocol লিখেছিলেন, তাঁর কথায় যেহেতু ব্লুস্কাইয়ের কাছে সবচেয়ে অধিক সংখ্যক ব্যবহারকারী রযেছে, তাদের সার্ভারও বিশাল | এর সমস্যা হচ্ছে বহু মানুষের তথ্য এক বা অল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকার কিছু সমস্যা রয়েছে |
যে সমস্যাটি ফেডিভারস বা ActivityPub protocol এ নেই | সেখানে সারভার নানান জায়গায় বিভক্ত |

শুরু করব কিভাবে?
ফেডিভারস যেভাবে সংগঠিত সেটি এইরকম:

খেয়াল রাখবেন ভিডিও মেকার হিসেবে যোগ দিন, তাতে আপনার ভিডিও আপনার দর্শকদের দেখাতে পারবেন। পরে এই সিরিজে এ নিয়ে বিশদে আলোচনা করা যাবে | ইউটিউবের থেকে অনেক নিরাপদ, এবং স্বচ্ছ | পয়সা দিতে হবে না, সব মিলিয়ে বহু ভিডিও আপনি শেয়ার করতে পারবেন।
Lemmy র জন্য
https://lemmy.ml/ এ যোগ দিতে পারেন। বাংলা ভাষায় আলাপ আলোচনা আড্ডা মারার ইচ্ছে হলে @bengali_convo@lemmy.ml এই গ্রুপ কে ফলো করতে পারেন। পরিবর্তে piefed এ যোগ দিতে পারেন, তার ঠিকানা
https://piefed.social/এখন আপনি বলতেই পারেন, কেউ কোথাও নেই, কাউকে চিনি না, লোক খুঁজে বার করব কি করে? তার উত্তর এর পরের বারের পর্বে আসছে | এর মধ্যে যদি ম্যাসটোডনে একাউন্ট খোলেন, আমাকে ফলো করতে পারেন, সার্চ বাক্সয় @arin_basu@mastodon.social দিয়ে সার্চ করলেই আমার প্রোফাইল দেখতে পাবেন।
আপাতত এই টুকুই থাক এ পর্বে | কেমন লাগছে কমেন্টে জানান, আমি জানতে আগ্রহী, আর একাউন্ট খুললে কমেন্ট বাকসে লিঙ্ক দিন, আমিও না হয় আপনাকে ফলো করি | এ এক আজব সমাজ মাধ্যম, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের বিষাক্ত দুনিয়ার থেকে এক অন্য দুনিয়ায় পা বাড়ান।
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।