এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • বহ্নি মধুময় অথবা মধু বহ্নিময় ঃ (উপন্যাসিকা ঃ পর্ব - ৬) 

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৭৭ বার পঠিত
  • | | | | | | |
    পুজো এসে গেছে। পাড়ায় সাজ সাজ রব। এবারে নতুন একটা থিম ভাবা হয়েছে, তাই নিয়ে সব মশগুল। পুরুতমশাই এর পোয়াবারো তেরো। বেশি টাকার পুজো বলে ওনার দক্ষিনাটাও বেশি, সংগে তিন-চারদিন বিনা পয়সার খ্যাটন তো আছেই। অন্যরাও হয়ে আছে উত্তেজিত। পাশের অন্যান্য পুজোগুলোকে ম্লান করে দিতে হবে। মংকা, ফচকা, ভুতো, পকাই এবং আরো অনেকে দলবেঁধে বিভিন্ন দিকে সন্ধ্যে হলেই চাঁদা কাটতে বেরিয়ে পড়ছে। ব্যস্ত পাড়ার বড়রাও। ঘন ঘন বসছে মিটিং। কে কী কাজ করবে চলছে তার ভাগ বাঁটোয়ারা।

    চারুবাবু এবার প্রেসিডেন্ট। মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। কোন কোন অতিথি আসবে, কীভাবে তাদের আপ্যায়ন করা হবে, পুজোয় কী কী অনুষ্ঠান হবে ইত্যাদি নিয়ে বসে গেছে খাতাকলম নিয়ে। অনেক মেয়ে এবার পাড়ায় চাঁদাও তুলছে।

    মধুর এ সময়টায় নিজেকে বড় একা লাগে, এবারে আরও বেশি করে লাগছে। এক, বহ্নিকে না পাওয়ার জন্য। দুই, পুজোর এই আনুষ্ঠানিকতা, এই প্রতিযোগীতার সাথে মানিয়ে নিতে পারেনা নিজেকে। পুজোটা যদি শুধুমাত্র একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিণত হত তাহলে বড় ভালো হত। একদিকে কৃষি চেতনা এবং অপর দিকে সাংস্কৃতিক চেতনার মেলবন্ধনে অনন্য হয়ে উঠত এই উৎসব। এই যে ফুল-বেলপাতা দিয়ে অঞ্জলি দেওয়া, এই যে পুরুত লাগিয়ে পুজো করা ......, এইগুলো ভালো লাগে না। তার ওপর আছে মাইক চালিয়ে অমায়িক বাঁদরামো। কে যে এইসব করবার কথা বলেছিল কে জানে?

    এমনিতেই দিনকে দিন কমে যাচ্ছে সবুজের সমারোহ। তার মধ্যে কোথায় গাছ লাগাবে তা না। সবুজ ধ্বংসের এই সমারোহে কোথাও অজুহাত অপ্রয়োজনীয় মাত্রাতিরিক্ত বেশি জমি নিয়ে দানব দানব ফ্যাক্টরি তৈরি, জলাজমি বুজিয়ে, পুরনো ফ্যাক্টরি নষ্ট করে করে বেআইনি প্রোমোটারি বা বিঘের পর বিঘে জমি দখল বা লুঠ করে সবুজ ধ্বংস, কোথাও বা পুজোর অঞ্জলির জন্য পাতা, কোথাও .......। এলাকা ও দেশের সবুজ বাঁচিয়ে উন্নয়ণের রাস্তায় হাঁটার স্বভাব বোধহয় নেতাদের রাজনৈতিক অভিধানে লেখা নেই। আর বেশিরভাগ জনগণেরও চেতনায় তেমন একটা হোলদোল নেই। তবে সঙ্গী বলতে মধুর আছে কেবল একটা সরোদ। খুব নি:সঙ্গ লাগলে ওটাকে বুকে ধরে বাজাতে থাকে, বাজাতেই থাকে। বাজাতে বাজাতে চোখ বুজে আসে মধুর। মনে হয় সে যেন এক রেইন ফরেস্টের কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছে। মা যেন তার স্নেহের হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন গায়ে, মাথায়। মধুর মাঝে মধ্যে মনে হয় যদি সুর না থাকত, পৃথিবীটাই বুঝি ‘অ-সুর’ হয়ে যেত।

    সেদিন ছিল নবমী। পুজোর ফাংশনে প্রথমে পাড়ার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কৃতিদের পুরস্কার দেওয়া হল। এরপর আবৃত্তি। তারপর তিন-চার জন গান গাইবে আর শেষে আছে নাটক। অনাদিবাবু মাইক্রোফোন হাতে অ্যানাউন্স করছেন। মধু বসে আছে দর্শকাসনে। মন খুঁজে বেড়াচ্ছে, সাথে চোখও। হঠাৎ দেখল বহ্নি বন্ধুদের সাথে হাসতে হাসতে এগিয়ে আসছে, পারমিতাও রয়েছে। কালো রঙের জারদৌসী শাড়িতে বহ্নিকে যেন সত্যিই বহ্নির মতো লাগছে। এই বোধহয় চারপাশে আগুণ লেগে যাবে। অনেকেই টেরিয়ে টেরিয়ে দেখছে। মধুও দেখল, তবে সোজাসুজি। বহ্নিও দেখল মধুকে, চোখ জুড়ে আছে একটা লজ্জা। বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে কাকীমাদের পাশে গিয়ে বসল বহ্নি। কথা বলতে বলতে টেরিয়ে টেরিয়ে দেখে নিচ্ছিল মধু দেখছে কীনা।

    মধু সোজা হয়ে স্টেজের দিকে তাকিয়ে আছে। কষ্ট করে চেষ্টা করছে যেন বহ্নির দিকে চোখ না যায়। খুব অভিমান হয়েছে মধুর। ভাবছে, “কই এতো কিছু হল। কিছুই বুঝতে পারেনি ও? আর যদি বুঝতে পারে কেন কথা বলল না...., কেন?। দেমাক? আভিজাত্য?” চোখে অল্প জল চলে এল মধুর। মুখ ঘুরিয়ে নিল মুছে। অনুষ্ঠান চলছে। এবার অনাদিবাবু বহ্নির নাম অ্যানাউন্স করলেন।

    চেয়ার থেকে উঠতে গিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে নিল মধু দেখছে কী না। না। মুখ শক্ত করে স্টেজে উঠল বহ্নি। বহ্নি গান ধরল, “ভালোবাসি, ভালোবাসি / এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি.....”। মুখ তুলল মধু। চোখ রাখল বহ্নির চোখে। সঙ্গে সঙ্গে কে যেন সুইচ অফ করে দিল চারপাশের। নিভে গেল আশেপাশের আলো আর তার রোশনাই। আশেপাশের মানুষ আর তার কলরব। পৃথিবীতে শুধু মধু আর মধুর বহ্নি। আর কেউ নেই, আর যেন কেউ থাকতে পারে না। কতক্ষণ যে এমনভাবে তাকিয়েছিল কে জানে। ফচকা এসে মারল এক ঠেলা। মানসিকভাবে সুরোলোকের শান্তিতে থাকা কোনো মানুষকে কোলাহলের অশান্তিতে থাকা কোনও মানুষ এসে ঠেলা মারলে যেমন লাগে, মধুরও তেমনই অনুভুতি হল। বহ্নির গান, তার সুর এবং তার মোহে এমনভাবে সে মিশে গেছিল যেমন কাদার মধ্যে মিশে থাকে মাটি আর জল।

    সম্বিৎ ফিরে পেয়ে দেখল বহ্নি স্টেজ থেকে নেমে গেছে, চলছে নাটকের আয়োজন। দর্শকদের হাততালি যেন এখনও বেজে চলেছে মধুর ভেতর। চোখ তুলে একটু দূরে দেখল বহ্নিকে ছেঁকে ধরেছে অনেকে।

    ফচকা কানে কানে বলল, “শালা, মেয়েরা এবারেও বেরিয়ে গেল”। হাতের মুঠো শূণ্যে তুলে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল একটা।

    বিষয়টা হল অন্যান্য পুরস্কারের মতো একটা দলগত পুরস্কারও আছে যা গতবার পেয়েছিল মেয়েরা। এবারও পাবে, আর ফচকারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে। হঠাৎ সিট থেকে উঠে মধু সটান হাঁটা দিল বাড়ির দিকে। ফচকা ছুটে এসে ধরল। এমন জোরে মধু হাঁটতে শুরু করেছিল যে হাঁফ ধরে গেল ফচকার। হাঁফাতে হাঁফাতে বলল, “কীরে, চললি কোথায়? শালা পালাচ্ছিস না কি? মুখ দেখাবি না?”

    মধু বিরক্ত হয়ে হাত ছাড়িয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করল। ফচকা বলে চলল, “যাওয়া চলবে না। হারলে সবাই মিলে একসাথে হারব। আর তুমি ব্যাটা বাড়ি গিয়ে খিল দিয়ে বসে থাকবে? কভ্ভী নেহী....”।

    মধু জামাকাপড় ঠিক করে নিতে নিতে বলল, “দূর, পালাচ্ছি কোথায়? বাড়ি থেকে সরোদটা আনতে যাচ্ছি। আর অনাদিকাকুকে অ্যানাউন্স করতে বল; আমি বাজাব”।

    “সত্যি!”, নিজের গালের থেকেও চওড়া হাসি হেসে অনাদিবাবুর দিকে দৌড়ে গেল ফচকা।

    নাটক শেষ হওয়ার পর উঠে যাচ্ছিলেন কেউ কেউ। আর কতক্ষণ? রাত প্রায় ১২টা বাজে। বাড়িতে গিয়ে রাতের খাবারদাবার গরম করতে হবে। কেউ কেউ অবশ্য আড্ডার মেজাজে রয়েছেন। জাড্যের মতো লেগে আছে চেয়ারের সাথে। আজই তো সব শেষ। আজ নবমী নিশি। হঠাৎ ‘সাবধান’ বললে সবাই যেমন প্রস্তুত হয়ে যায়, অনাদিবাবুর ঘোষনা শুনেও সেইরকম হল, “আপনারা কেউ যাবেন না। আরও একটি বিশেষ অনুষ্ঠান বাকী আছে। হ্যাঁ”। গলাটা ঝেড়ে নিলেন অনাদি। বললেন, “এখন আপনাদের সামনে সরোদ বাজিয়ে শোনাবে মধু, আমাদের মধুময় সরখেল”।

    বহ্নিরা ক্যাটক্যাট করে কথা বলছিল। ছেলেদের দেখে কাঁচকলা দেখাচ্ছিল কেউ কেউ। কিন্তু ঘোষনার সাথে সাথেই সব চুপ। বহ্নির মুখে আলতো লজ্জা। চোখ খুঁজছে মধুকে। পারমিতা এক নাক কোঁচকাল; দু’বার মুখ ভ্যাংচালো।


    কালো রঙের পাঞ্জাবীটা এবারই কিনেছে মধু। সংগে ধবধবে সাদা পায়জামা। সরোদটা আনার সময় জামা পাল্টে এসেছে। হ্যালোজেনের আলো সরোদের গায়ে লেগে ঠিকরে পড়ছে দর্শকদের চোখে। চোখ বুজে গুরুকে স্মরণ করে মালকোষ রাগ ধরল মধু। রাগের মূর্চ্ছনা মধুর হাত থেকে সরোদের তারে যে কম্পন তুলছিল তার অনুরণন সামনে উপস্থিত দর্শকদের হৃদয়ে রক্তের পরিমান বাড়িয়ে বয়ে যেতে থাকল আশেপাশের আলোতে, আলোর গায়ে লেগে থাকা ছায়াতে। ধীর, শান্ত অথচ বলিষ্ঠভাবে যেমন বৃষ্টি পড়তে থাকে মাঠ থেকে অন্য মাঠে, খাল থেকে বিলে, পুকুরে ......, মনে, মাথার সালকাস-জাইরাসে, ঠিক সেই ভাবে নবমী নিশি যেন মধুর মালকোষ রাগে ভর করে ছড়িয়ে পড়ছিল দিক থেকে দিকান্তরে, আকাশ থেকে মহাকাশে, জাগতিক বাস্তব থেকে মহাজাগতিক পরাবাস্তবে। সদ্য ফুল ফুটলে যেমন তার গন্ধে ম ম করে চারপাশ, সেইভাবে আধটি ঘন্টা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে থাকল পাড়ার মানুষজন।

    গা ঘেমে গেছে, চুল কিছুটা অবিন্যস্ত, চোখ বন্ধ। ঝালায় চলে গেছে মধু। মধুর চোখে সেই দৃশ্য। যেখানে পারমিতা লোক ডেকে অপমান করছে মধুকে। অপমান করছে মধুর চেতনাকে, মধুর ভাবনাকে। অপমান করছে মধুর ভালোবাসাকে; মধুর অস্তিত্বকে। শরীর বেঁকিয়ে ঝালায় শীর্ষে পৌছে হাতটাকে উড়িয়ে দিল মধু; এ যেন জয়ের ভংগী। ভংগীটা যেন বলছে, “দেখ, আমার ভালোবাসার উত্তাপ..”।

    তারপর সরোদ থামতেই সবাই উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে অভিবাদন জানাচ্ছিল মধুকে। বহ্নি হাততালি দিতে ভুলে গেছে। ভুলে গেছে কে ওকে দেখছে, কে ওকে লক্ষ্য করছে। এই কিছুক্ষণ আগে যে সমস্ত দম্ভ, দেমাক এবং অহংকারের তেতো শিরায় শিরায় খেলা করছিল, তাতে যেন মধু তার সুরের মধু ঢেলে দিয়েছে। এতো মিষ্টি হয়ে গেছে যে চোখ বুজে আসছে স্বাদে। মাথার মধ্যে সুরের মৌমাছি গুনগুণ গুনগুণ করছে। চোখ দিয়ে বেরিয়ে এসেছে জল। ভালো করে দেখলে দেখা যেত গালের চামড়ায় এসেছে লাল রং।

    পলতেদা একবার মধুকে দেখছে, একবার বহ্নিকে। দৌড়ে অনাদিবাবুর কাছে চলে গেল। ফিসফিস করে কী যেন বলল শোনা গেল না। কিন্তু দুজনের মুখের অবয়বে বহুদিনের জমে থাকা উৎকন্ঠা মধুর ভালোবাসা আর উত্তাপে গলে গলে পড়তে থাকল। মুখের হাসিটা ক্রমেই চওড়া হতে হতে শরীর কাঁপাতে থাকল অনাদিবাবুর।

    সরোদটা প্যাক করে সবে হাতে নিয়েছে মধু। চারুবাবু উঠে এসে শুধু বললেন, “দারুন; দারুন বাজিয়েছ ..”। চারুবাবুর আবেগঘন বন্ধন থেকে মুখ তুলে বহ্নিকে দেখল মধু। বহ্নিও তাকে দেখছে। অপলক; অনিমিখ; অনিমেষ।

    ফচকা শুধু মংকাকে ডেকে বলল, “চল, কাল থেকে আমরা কোথাও বাজনা শিখি”।

    (চলবে)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | |
  • ধারাবাহিক | ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন