(নিমতনামা বইয়ের প্রচ্ছদ)
নিমতনামা লেখা হয়েছে, ১৪৯৫ থেকে ১৫০৫ এর মধ্যে, আজ পাঁচশো বছর পরে তাকে ফিরে দেখতে গিয়ে মনে হয় সমকালীন ভারতবর্ষে বইটি শুধু আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে তাই নয়,বইটিকে নিয়ে খুব সামান্যই চর্চা হয়েছে। গিয়াস শাহ বইটি শুরু করেছিলেন, সমাপ্তি দেখে যেতে পারেননি, বইটি সমাপ্ত করেন তাঁর উত্তরসূরী নাসির শাহ, যে কারণে বইটির পুরো না নিমতনামা-ই-নাসির-আল-দিন-শাহী। বইটিতে শুধু খাবারের বর্ণনা বা রেসিপিই দেওয়া নেই, আতর, ওষুধ, পান খাওয়া নানা রকম বিষয় নিয়ে আলোচনা করা আছে।
বইটিতে অন্তত পাঁচ-ছ-শো রেসিপি, এবং নানারকম খাবারের কথা লেখা। খাবারের রান্না পারসিক রান্নার ঘরাণায় প্রভাবিত, তার মধ্যে প্রচুর "সামোসা"র রেসিপি, মাংসের, মাংসের কিমার, ডালের, নানান রকমের ভাত আর রুটির বর্ণনা দেওয়া। বিরিয়ানির বর্ণনা। তবে আলাদা করে পোলাও বা পরোটার কোন বর্ণনা নেই।
প্রচুর খাবারের মধ্যে "দুঘ" নামে একটি খাবারের কথা লেখা আছে, বইটির ইংরেজী অনুবাদ যিনি করেছেন তিনি "দুঘ" কথাটির স্পষ্ট বর্ণনা দেন নি। কারণ দুঘ একটি পারসিক খাবার, খাবারটি দই ফেটিয়ে তৈরী করতে হয়। ইরাণে আজও দুঘ জনপ্রিয়, দুঘ অনেকটা আমাদের ঘোলের মত একটি পানীয়। নিমতনামা বইতে প্রচুর রেসিপি জলের জায়গায় দুঘে মশলা দিয়ে রান্না করার কথা বলা আছে।
দুঘ তৈরীর রেসিপি
দুঘ বানানোর প্রক্রিয়া (রেসিপি শিখতে চাইলে দেখুন, আধুনিক কায়দায়, ১৫০০ সালে ওরা কীভাবে তৈরী করত জানা যায় না, নিমতনামাতেও লেখা নেই)
- উপকরণ:
- আড়াই কাপ টক দই
- দু চামচ নুন
- দু চামচ শুকনো পুদিনা পাতার গুঁড়ো, শুকনো পুদিনা পাতা নিলে হামানদিস্তায় গুঁড়ো করে নেবেন
- ৪ কাপ জল (মোটামুটি যতটা দই নেবেন তার দেড়গুণ জল নিন)
- সব একসঙ্গে মিক্সিতে ঢেলে দিয়ে মিশিয়ে নিন
বহু রান্নায় এনারা হিং ব্যবহার করতেন। আমার সাধারণত ধারণা ছিল যে হিং এর ব্যবহার কাশ্মীর এবং হিন্দু বাড়িতে যেখানে রসুন পেঁয়াজের পরিবর্ত হিসেবে রান্নায় স্বাদ ও ফ্লেভার আনার জন্য ব্যবহৃত হত, যদিও হিং অতি প্রাচীন কাল থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে পাচকরা ব্যবহার করে আসছেন। এখানে কিছু রান্নায় অবশ্যই পেঁয়াজ রসুন দেবার কথা বলা আছে, তথাপি অধিকাংশ রান্নায় গরম ঘি (বেশীর ভাগ রান্না ঘি দিয়ে করার কথা লেখা আছে) তে ক্রিস্টালাইজড হিং গুঁড়ো করে যতক্ষণ না সুগন্ধ বেরোচ্ছে, দিয়ে কষার কথা বলা আছে। বাড়িতে করে দেখেছি এতে অপূর্ব স্বাদ হয়।
আর একটা ব্যাপার সবিশেষ প্রণিধানযোগ্য। বহু রান্নাতে এঁরা "বড়া" বা বড়ি ব্যবহার করতেন। তার মধ্যে একটি বিশেষ করে লেখার যোগ্য। মধ্য ও উত্তর ভারতে গরম কালে ভাতের সঙ্গে "কঢ়ি" নামে ডালের বড়া, দই, আর মশলা দিয়ে রান্না করা জনপ্রিয একটি খাবারের চল রয়েছে, বিশেষ করে চড়া গরমে, যখন লু বয়, তখন "কঢ়ি চাওল" অতীব উপাদেয়। নিমতনামায় কঢ়ি রান্নার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে । একটি ব্যাপার লক্ষণীয়, নিমতনামায় ভাতকে দেখছি ওনারা "ভাত" বলেই উল্লেখ করেছেন, "চাওল" বলে অভিহিত করেন নি, এই ব্যাপারটি পড়ে অবাক হয়েছি।
রাজার বাড়ির রান্না বলে কথা। মিষ্টির বর্ণনা থাকবে না তাও কি হয়? যদিও মিষ্টি নিয়ে খুব বেশী কিছু লেখেননি। মিষ্টির মধ্যে মুগডালের লাড্ডু, ফিরনি আর খাজার বর্ণনা পাওয়া যায়।
সে আমলের খাজা রান্নার বর্ণনা বা রেসিপি দেখুন:
"এক সের (৯৩৩ গ্রাম, ১ কিলোগ্রামের একটু কম) ঘিয়ে পাঁচ রকমের শস্য য়োগ করুন (কি কি শস্য অবশ্য লেখা নেই)। হাত দিয়ে ভালো করে মাখুন, এরপর শস্যগুলো ভালো করে পিষে নিন, (?জল, আমার যোগ, না হলে খাজার মণ্ড কি করে হবে?) এবং অল্প অল্প করে ঘি মেশাতে থাকুন। রুটি বেলার বেলুন দিয়ে বেলে নিন। চালের গুঁড়োর সঙ্গে টাটকা মাখন মিশিয়ে মেখে নিন এবং মণ্ডটিকে পরতে পরতে ভাঁজ করুন। খাজার প্রতিটি টুকরোর সমপরিমাণ মণ্ড নিয়ে সেগুলো বেলে নিন এবং খাজাগুলো পাতলা করে তৈরি করুন। এরপর চিমটে বা নখ দিয়ে তার ওপর ইচ্ছামত নকশা তৈরি করুন এবং ঘিয়ে ভাজুন। এর পর চিনির শিরা তৈরি করে তার ওপর ঢেলে দিন এবং ফুলের নির্য্যাস দিয়ে সুবাসিত করুন।"
এঁরা প্রায় প্রতিটি খাবারে যতটা পারতেন বিভিন্ন রকমের "ভেষজ" মেশাতেন, সে কি অনুবাদক লেখেন নি, "পট-হার্ব" বলে কাজ সেরেছেন। সুবাসিত করার জন্য ফুলের নির্য্যাস দিতেন।
মাংসের বহুবিধ পদের কথা লেখা আছে, একটি হুবহু তুলে দিচ্ছি, পড়ে দেখুন, করে দেখুন:
"Another recipe, for meat (with) potherbs: put a round spoonful of sweet-smelling rūghan ghee into a cooking pot and when it has become hot, flavour it with cumin, onions and fenugreek. When it has become well-flavoured, put in dry ground turmeric, when (f.14a, with a miniature) the turmeric has turned red, put the meat into the cooking pot. When the meat is well-roasted, add water, sūnf, coriander, cumin, fenugreek, and potherbs. When they are well-soaked, squeeze out the water and throw it away. Put the potherbs with the meat and add salt. When it has become well-cooked, put in large pieces of dried ginger and the juice of ginger and lime with a little salt, then serve it."
রুহান ঘি বলতে হয়ত রোগনি জর্দ (ফারসি তে ঘি এর নাম) বোঝাতে চেয়েছেন, সেক্ষেত্রে গাওয়া ঘি চলতে পারে নিশ্চয়ই। ঘি দিয়ে রান্নাটিতে মাংসের সঙ্গে মৌরীর ব্যবহার চোখে পড়ে।
আরেকটি রান্না দেখুন, সেটি আমি বলব লুচি। এঁরা অবশ্য "পুরী"র বর্ণনা বা আখ্যান দিয়েছেন, যাকে আবার ইংরেজ অনুবাদক "balloon bread" বলেছেন। পুরীও ঘিয়ে ভাজা হয়, তবুও আমার বাঙালীর "মন" একে লুচিই বলবে। রেসিপিটি তুলে দেবার লোভ সংবরণ করতে পারলাম না। ইংরেজের অনুবাদেই পড়ুন,
"prepare the pūrī and, having mixed together roasted and peeled sesame seeds, potherbs, camphor, musk, cardamoms and cloves, put them in (to the pūrī). Make the edges of the pūrī strong and fry it in ghee and flavour it with the perfume of roses"
এখানে তরিবত লক্ষণীয়, লুচির পুরের মধ্যে তিল রোস্ট করে যোগ করা, "ভেষজ" ( শুকনো মেথিপাতা, ধনেপাতা, পারসলি দেওয়া যেতে পারে নিশ্চয়ই), তার সঙ্গে কর্পুর, ছোট এলাচের গুঁড়ো, দিলে অন্যরকমের স্বাদ হবার কথা এবং তারপর তাকে গাওয়া ঘিয়ে ভাজলে অপূর্ব সুবাসিত সৌরভে ঘর ম'ম' করতে বাধ্য, রাজকীয় পুরীই বটে । লুচি যদি এরকম হত, রসরাজ অমৃতলাল বসু আনন্দ পেতেন যে তাঁর বর্ণিত লুচি "পার্বণে পূজায় রাজায় প্রজায় আনে তোমায় ভবনে" অতি সার্থক, তাঁর ১৮৫৩ সালে লেখা এ গানের সাড়ে তিনশো বছর আগে লুচি (পুরী নামে হলই বা) মাণ্ডুতে রীতিমতন রাজানুগ্রহ পেয়ে নিমৎনামায় নাম তুলেছে। এ যেন রামকুমার চট্টোপাধ্যায় যেমন লুচিকে গানে অমর করে গেছেন,
দরকা মাংস
নিমতনামায় পড়ছি মাটিতে তন্দুর নির্মাণ করে মাংস রান্না করার কথা। লিখছেন,
"মাটিতে দু গজ গভীর আর আধ গজ চওড়া গর্ত খুঁড়তে। তাতে মাটি দিয়ে চারপাশ lining করার পর কাঠ দিয়ে আগুন ধরিয়ে তাতে গরম পাথর ফেলতে হবে। এর পর লিখছেন মাংসকে কলাপাতায় মুড়ে পাথর গরম করে চারপাশে পাথর আর কলাপাতা বিছিয়ে দিতে, এইরকম করে নানা স্তর তৈরী করে মাংস আর কলাপাতা দিয়ে সাজিয়ে দিতে হবে।তারপর কলাপাতা বিছিয়ে ভাল করে seal করে সারারাত ধিকিধিকি আগুনে সে মাংস রান্না করার কথা। অনুবাদক লিখছেন "burn two or three bundles of firewood on the oven and when it is time to eat the meat, take it out and eat it"
মাছ ও ভাত রান্না
এরা মাছ রান্না করতেন মূলত পাতুরী বা কাবাব করে। মাছ নিয়ে প্রচুর রেসিপি নেই, ঠিক কি ধরণের মাছ খেতেন সে কথাও লেখা নেই তবে আন্দাজ করা যেতে নদী বা দীঘির মিষ্টি জলের মাছই হয়ত খেতেন, সামুদ্রিক মাছ বা চিংড়ি জাতীয় মাছের বর্ণনা নেই । একটি পদের বর্ণনায় দেখা যাচ্ছে মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে দুঘ, হলুদ, আর হিং এ ভিজিয়ে রাখার পর, গরম তেলে হিং দিয়ে সম্বর তৈরী করা আর তার সঙ্গে মাছকে টুকরো করে পিষে নিতে বলা হচ্ছে।এরপর সেই মাছের mince এ জিরে, শুকনো খোলায় ভাজা মেথি, হলুদ, মরীচ, ধনে, ভাজা তিল মাখাতে হবে। আদা পেঁয়াজ দিয়ে হিং এর সম্বরা দেওয়া তেলে ঘি দিয়ে মাছের টুকরোগুলো ভেজে তুলে কমলালেবুর পাতায় সুতো দিয়ে বেঁধে জলে লবঙ্গ ফেলে সুগন্ধী জলে স্টীম করে পরিবেশন করতে বলা আছে। এ খাবার নিঃসন্দেহে জটিল এবং একে ঠিকমত রান্না করা সহজ নয়, যদিও বর্ণনা পড়ে মনে হয়, খেতে মন্দ হবার কথা নয়। মাছের আরো কয়েকটি পদের বর্ণনায় ঐ একই পদ্ধতিতে মাছের শিক কাবাব করার কথা লেখা আছে। মানসোল্লাসের মতন এরাও মাছ ভাজার আগে মাছকে ম্যারিনেড করতেন, তবে এঁরা মাছ দুঘ দিয়ে ম্যারিনেড করে তাতে শুকনো শাক পাতা ("pot herbs") মেশাতেন। মোটের ওপর আজকের দিনের নিরিখে দেখলে সে সব রান্নাকে modernise করে চমৎকার রান্না হতে পারে।
নিমতনামায় বিবিধ প্রকারের "ভাত" রান্নার কথা লেখা আছে, সে যুগে ভাতে এঁরা গোলাপজল দিয়ে খেতেন। এক জায়গায় শালিধানের ভাত রান্নার কথা লেখা আছে। আলাদা করে অন্য কোন ধানের কথা লেখা নেই। পোলাওয়ের উল্লেখ নেই, কিন্তু নানান জায়গায় দমে বসিয়ে বিরিয়ানি ধরণের ভাত রান্নার বর্ণনা পাওয়া যায়। সোনার তবক দেওয়া ভাতের কথা লেখা আছে। একটি রান্নায় দেখা যাচ্ছে যে পাত্রে ঘি গরম করে তাতে কর্পূর, গোলাপজল, এবং "অম্বর" দেবার কথা বলা আছে। অম্বর তিমির শরীর থেকে পাওয়া যেত, এখন সে জিনিস শুধু দুষ্প্রাপ্যই নয়, অসম্ভব। আজকালকার দিনে এ জিনিস রান্না করে খেতে গেলে অম্বর বাদ দিতে হবে। তারপর চালে নুন আর জাফরান মিশিয়ে সেই ঘিতে ভাল করে ভেজে তাতে জল, চিলগোজা বাদাম (pine nut নামে পাবেন), পেস্তা,খোসা ছাড়ানো কাঠবাদাম, এলাচ, লবঙ্গ, আর ছোট করে কাটা নারকেল দিয়ে রান্না করতে বলা আছে। পরিবেশন করার সময় তুলসীপাতা বা কমলালবুর পাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
কালিয়া ভাত
আরো একটি ভাতের পদের বর্ণনা দিই, এই ভাতটির নাম দেয়া হয়েছে "কালিয়া ভাত", এই দিয়ে আজকের পর্ব শেষ করব | রান্না করার পাত্রে ঘি গরম করে রসুন ও হিং দিয়ে সম্বরা দেবার কথা বলা হয়েছে। যখন বেশ সুগন্ধ বেরোবে তাতে মাংস এবং সঙ্গে Pot Herbs (শুকনো মেথিপাতা, শুকনো ধনেপাতা ইত্যাদি) সেই ঘিতে দিতে হবে। তারপর জল এবং এক সের গরুর দুধ দিতে হবে । দিয়ে যখন এই মিশ্রণটি ফূটে উঠবে, তাতে চাল দিতে হবে। ভাত হয়ে যাবার নামিয়ে ফেলতে হবে। আরেকটি পাত্রে ভাত আর মাংস একই রকম ভাবে রান্না করতে হবে শুধু তাতে দুধ দেয়া হবে না, চার সের রসুন আর মরিচ (খুব সম্ভবত পিপুল মরীচের কথা বলা হচ্ছে, বা গোলমরীচও হতে পারে) |
রান্নাটি নজর করার মতন, কারণ, আমাদের ভারতীয় রান্নায় সচরাচর milk braising বা মাংস রান্নার সময় দুধ দিয়ে রান্না করার কায়দা বিশেষ দেখা যায় না। যদিও পাশ্চাত্যে মাংস কে দুধ দিয়ে braise করা অনেক ক্ষেত্রে হয়। আমরা ভাবতে পারি এ কি রকম ব্যাপার, এতে তো দুধ কেটে যেতে পারে, তবে এও ঠিক যে দুধের lactic acid মাংসকে নরম করে দেয় । Harold McGee On Food and Cooking বইতে লিখেছিলেন যে রাঁধুনিরা অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে রান্নায় দুধ কাটিয়ে দেন যাতে মাংসের প্রোটিন জমাট বেঁধে যায়, যাতে texture ভাল হয়। ম্যাকগি লিখছেন যে ইংরেজরা syllabub (৩) রান্নার সময় দুধ কাটাবার জন্য ওয়াইন বা লেবুর রসে গরুর বাঁট থেকে দুধ দুয়ে ঢেলে দিত (৪)।
নিমতনামা এবং বিশেষ করে প্রাক মোগল আমলের রান্নাখাওয়া নিয়ে আরো বলা যেতে পারে। বিশেষ করে রান্নাগুলো যে খুব জটিল তা নয়। আমরা দেখছি যে তখনকার দিনে আলু বা টম্যাটো দিয়ে ও আজকের যুগে যেমন আমরা লঙ্কা দিয়ে ভারতীয় রান্না করে খাই, সে সবের সুযোগ ছিল না কারণ তখনো ভারতে আলু বা টম্যাটো প্রবেশ করেনি। একই ধরণের স্হানীয় শাক সব্জি মাছ মাংস দিয়ে সুস্বাদু রান্না করে খাওয়া বাংলায় সমকালীন লেখাতেও দেখা যায়। ঘি বাদ দিলে এও রান্নাগুলো খুব যে গুরুপাক তাও মনে হয় না । তবে নিমকনামায় শুধু খাবার নয়, পানীয়, আতর, এবং অন্যান্য আরো কিছু আলোচিত হয়েছে। এ নিয়ে পরের বার। নিমকনামায় সমকালীন ভারতীয় রান্না, অন্তত প্রাক ইউরোপীয় প্রাক-মোগল যুগের ভারতের খাবার রান্না ও জীবনযাপনের কেতা কায়দার এক বিচিত্র ছবি ফুটে উঠেছে।
(এর পরের অংশ পরের পর্বে)
তথ্যপঞ্জী- (১)
Titley, N.M. (2004). The Ni'matnama Manuscript of the Sultans of Mandu: The Sultan's Book of Delights (1st ed.). Routledge. https://doi.org/10.4324/9780203330920 , pp5 - (২) "ওগো লুচি তোমার মান্য ত্রিভুবনে", রসরাজ অমৃতলাল বসু,
- (৩) https://en.wikipedia.org/wiki/Syllabub
- (৪) McGee, H. (2004). On food and cooking: the science and lore of the kitchen. Completely rev. and updated. Scribner.page 25