এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • এসআইআর এর বিচারাধীন তালিকা - ঠিক কী বিপদ হতে পারে 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৪ মার্চ ২০২৬ | ৫৮৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • এখানে ব্যবহৃত সমস্ত তথ্য বাংলা গবেষণা কেন্দ্রের অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরি। অন্য কারো কোনো তথ্য ব্যবহার করা হয়নি।  

    এসআইআর কোনো পাগলামি নয়
    এসআইআর এআই এর কোনো পাগলামি নয়, কী নিপুণ কায়দায় কাজটা হচ্ছে, সঙ্গের ছবিটা দেখলেই পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।

    ছবিতে দুটো পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র। দেখলে মনে হয়, একই ছবি। আসলে কিন্তু নয়। বাঁদিকেরটা জেলাভিত্তিক মুসলমান শতাংশ আর ডানদিকের টা জেলাভিত্তিক "বিবেচনাধীন" এর হার। দেখলে প্রায় একই রকম লাগছে, তার খুব স্পষ্ট কারণ হচ্ছে, যেখানে যত মুসলমান সেখানে তত "বিবেচনাধীন" - একদম এই পরিষ্কার প্যাটার্ন মেনে কাজটা হয়েছে। বিশদ সংখ্যাগুলো কেউ যদি জানতে চান, পাবেন নিচের ছবিতে।

    পরিসংখ্যানের ভাষায় একে বলে আন্তঃসম্পর্ক বা কোরিলেশন। আপাতত কোরিলেশন হচ্ছে, যত মুসলমান, তত বিবেচনাধীন। আমার ব্যক্তিগত ধারণা গরীব মেয়েদের নিয়ে অনুসন্ধান করলেও একই রকম চিত্র পাওয়া যাবে, কিন্তু সেটা আমরা করে উঠিনি। ছবি এই প্যাটার্নের কারণ বলে দেয়না। কিন্তু সেটা আমরা আন্দাজই করতে পারি। যে জনগোষ্ঠী যত বেশি হিন্দুত্ববাদ-বিরোধী - তাদের তত বেশি বাদ দাও। সঠিক তালিকায় ভোট হলে কখনই ওরা জিতবেনা, তাই তালিকাটাই বদলে দাও। ঠিকঠাক শতাংশে বদলাতে পারলে, জয় হবেই। 

    এসআইআর - একটি সম্ভাব্য চক্রান্ত 
    যা দেখা গেল, যে জেলায় যত মুসলমান শতাংশ বেশি, সেখানে তত "বিচারাধীন"। কিন্তু তার চেয়েও একটা ভয়ঙ্কর তথ্য বেরিয়ে আসবে আরেকটু খুঁড়লে। সবচেয়ে বেশি মুসলমান জনসংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের দুটো জেলায়, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ, সেখানে "বিচারাধীন"ও সবচেয়ে বেশি। কোনো কোনো বিধানসভায় তো ৪০-৫০%। মুর্শিদাবাদ- মালদার কিছু বিধানসভার চিত্র এইরকমঃ
    Sujapur - Total: 256208 - Under adjudication: 134518
    Samserganj - Total: 235944 - Under adjudication: 119901
    Suti - Total: 267204 - Under adjudication: 111616
    Raghunathganj - Total: 250727 - Under adjudication: 109824
    Ratua - Total: 279570 - Under adjudication: 104485
    Raninagar - Total: 261293 - Under adjudication: 101888

    মোটামুটি আড়াই লাখ সম্ভাব্য ভোটারের মধ্যে, এর সর্বত্রই "বিচারাধীন" এক লক্ষ ছাড়িয়েছে। সুজাপুর সামসেরগঞ্জ, এই দুটো জায়গায় সংখ্যাটা ৫০% এর বেশি। একটা বিধানসভার ৪০- ৫০-৬০% লোক কীকরে সন্দেহজনক বা বিচারাধীন হয়, সেটা সাধারণবুদ্ধিতে বোঝা অগম্য।
    এর রহস্যটা বুঝতে গেলে আপনাকে ২০২১ সালের ভোটের ফলাফল দেখতে হবে। এই সবকটা জায়গাতেই তৃণমূল জিতেছিল ২০২১ সালে। মার্জিন ছিল এরকমঃ
    Sujapur - 130163
    Samserganj - 26379
    Suti - 70701
    Raghunathganj - 98313
    Ratua - 75650
    Raninagar - 79702

    সামসেরগঞ্জ বাদ দিলে, এর সবকটাতেই মার্জিন বিপুল। ৭০-৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ। এবং মজা হচ্ছে, প্রতিটা জায়গাতেই "বিচারাধীন" ভোটার সংখ্যা এই বিপুল মার্জিনকেও ছাপিয়ে গেছে। এবং শুধু এই কটা জায়গায় না। দুটো জেলা জুড়েই একই চিত্র। এটার গ্রাফ আঁকলে যা দাঁড়ায়, সেই চিত্রটা লেখার নিচে দিয়েছি। দেখবেন, যেখানে ২০২১ এর মার্জিন যত বেশি, সেখানে তত বেশি "বিচারাধীন"। এবং সংখ্যাটা অতি বহু ক্ষেত্রেই ওই বিপুল মার্জিনকে ছাপিয়ে চলে গেছে (ছবিতে নীল রংটা তৃণ মার্জিন। যেখানে নীল শেষ হচ্ছে, সেখান থেকে শুরু করে সবুজটা পুরোটা হল "বিচারাধীন") । এবং নিঃসন্দেহে এই দুই জেলায়, যাঁরা বাদ গেছেন, বেশিরভাগটাই মুসলমান। অর্থাৎ, এবার ভোট হলে এরা যদি আর ভোট দিতেই না পারে, সেক্ষেত্রে বিজেপির জয় মোটামুটি সুনিশ্চিত। এই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায়ও।

     
    আরও কিছু তথ্য
    তিনটে জেলা, মালদা, মুর্শিদাবাদ, এবং দক্ষিণ দিনাজপুর। দুটো মুসলমান অধ্যুষিত, একটা কম, কিন্তু চিত্রটা একদমই এক। তিনটের জন্যই তিনটে লেখচিত্র রইল।  

    লেখচিত্রের এক্স অক্ষ, অর্থাৎ কিনা বাঁ দিক থেকে ডানদিকে আছে তৃণমূলের ২১ সালের জয়ের ব্যবধান। আর ওয়াই অক্ষ, অর্থাৎ নিচ থেকে উপরে আছে ২৬ সালের বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা। এবং একদম নির্ভুলভাবে, তিনটে জেলা জুড়ে, যেখানে যত মার্জিন বেশি সেখানে তত "বিচারাধীন"।
    এর অর্থ কী? যেখানে তৃণমূল যত বেশি ভোটে জিতছে, সেখান থেকে তত বেশি ভোটার কমাও। এবার, ভোটার কমালেই যে তৃণমূলের ভোট কমবে তা তো নাও হতে পারে। অতএব সংখ্যালঘু ভোটার কমাও, সবাই জানে, ওই এলাকগুলোতে অন্তত ৭০% সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলে যায়। এক লাখ সংখ্যালঘু বাদ দিলে অন্তত সত্তর হাজার তৃণমূলের ভোট কমবে। ঠিকঠাক অনুপাতে কমাতে পারলে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায়ও তৃণমূল হারবে। এইটা হল ছক।
    সংখ্যালঘু এলাকায় ছকটা সোজা। যেখানে সংখ্যালঘু কম, সেই বাকি এলাকায় এই ছক চলবেনা। সেখানে সহজ হল আরেকটা বর্গকে টার্গেট করা। মহিলা। এছাড়াও গরীব, প্রান্তিকদেরও লক্ষ্যবস্তু করা যেতে পারে। সেই হিসেবটা একটু জটিল। কিন্তু চিন্তার কিছু নেই। বাঘা বাঘা পরিসংখ্যানবিদরা বসে আছেন ওদের আইটি সেলে। তুড়ি মেরে এই বিশ্লেষণ করে ফেলবেন।
    লেখচিত্রটা ভালো করে দেখুন। পশ্চিমবঙ্গের ৫০% বিধানসভায়ও এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে তৃণমূলের জেতার আশা ক্ষীণ, সে যতই জনসমর্থন থাক না কেন। শুধু তৃণমূল কেন, মহম্মদ সেলিমও যতই জোট করে মুর্শিদাবাদ থেকে লড়ুন, জিতবেন তো নাই, জামানতও বাজেয়াপ্ত হবে, এতই নিখুঁত এই ডিজাইন। আর ওই ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন হলেন যুদ্ধের কোল্যাটারাল ড্যামেজ। তাঁরা বাংলাদেশ বা ডিটেনশন যেখানে খুশি যাবেন।

    সব মিলিয়ে লক্ষ্যটা কী
    যে, মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে "বিচারাধীন"এর সংখ্যা এমন নিখুঁত হিসেবে তৈরি, যে, যেখানে ২০২১ এ তৃণমূলের যত ব্যবধান, সেখানে তত বিচারাধীন। সংখ্যাতত্ত্ব দিয়ে রাজ্যব্যাপীই এই প্রবণতাটা লক্ষ্য করা গেছে। অঙ্কের মোটামুটি হিসেবে যেকোনো বিধানসভায় ১% করে তৃণমূলের ব্যবধান বাড়লে .৫% করে "বিচারাধীন" বাড়ার প্রবণতা। এই সরলরৈখিক প্রবণতা খুব সহজ-সরল এমনি-এমনি হয়না। কোনো একটা গভীর ছক না থাকলে এ হওয়া প্রায় অসম্ভব।
    কিন্তু প্রবণতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও, কথাটা শুধু প্রবণতার নয়, কারণ এটা সংখ্যাতত্ত্বের অনুশীলন না। এর একটা প্রত্যক্ষ প্রভাব আছে। রাজ্যজুড়ে এই "বিচারাধীন" প্রক্রিয়াটার ফলাফল ঠিক কী হতে পারে, কতগুলো সিট ওল্টাতে পারে, সেইটা হিসেব করা দরকার। তা, এর মোটামুটি একটা মাপ নেবার জন্য আমরা সহজ একটা পন্থা নিয়েছি। প্রথম তৃণমূলের জেতা আসনগুলোতে ২০২১ এর জয়ের ব্যবধান দেখেছি। তারপর সেই আসনে "বিচারাধীন"এর সংখ্যা দেখেছি। যদি বিচারাধীন এর সংখ্যা ব্যবধানের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে সেই আসন ওল্টাবে ধরে নিয়েছি।
    এই পদ্ধতিটা অনুসরণ করে রাজ্যজুড়ে আমরা কী পেয়েছি? এই পদ্ধতির হিসেবে রাজ্যজুড়ে ৫৯ টা আসন ওল্টাবে। অর্থাৎ ৫৯টা আসনে বিচারাধীনের সখ্যা তৃণমূলের মার্জিনের চেয়ে বেশি। সবচেয়ে বেশি ওল্টাচ্ছে মুর্শিদাবাদ, মালদা, পূর্ব বর্ধমান এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে। সমস্ত জেলাগুলোর চিত্র ছবি হিসেবে দেওয়া আছে।

    এর ফলে বিধানভার ফলাফল কী হতে পারে? তৃণমূলের আসনসংখ্যা হতে পারে, ১৫৬ ( সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে সামান্য বেশি)। বিজেপির ১৩৩ (সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে সামান্য কম)। সেই ছবিও দেওয়া আছে। (খেয়াল করে দেখবেন, তৃণমূল কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ধারেকাছেই থাকছে, এবার দল ভেঙে সরকার গড়লে কারো কিছু বলার থাকেনা - মেটিকিউলাস ডিজাইন একেই বলে)
    অবশ্য এটা প্রোজেকশন, নিখুঁত হিসেব না। এর মধ্যে পূর্বানুমান আছে, ১। ভোটের প্যাটার্ন ২১ থেকে অক্ষত আছে। ২। "বিচারাধীন"রা সবাই তৃণমূলের ভোটার। দুটোই হিসেবের স্বার্থে করা। কিন্তু খুব অকেজো পূর্বানুমান নয়। বিচরাধীনরা মুর্শিদাবাদ-মালদা-দিনাজপুরে মোটামুটিভাবে তৃণমূল ভোটার, এটা আন্দাজ করা যায়। কারণ সেখানে যাঁরা বাদ গেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠই সংখ্যালঘু। সেখানে সোজাসাপ্টা হিসেব। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণে এলে বর্ধমান ছাড়ালেই প্যাটার্ন বদলাচ্ছে, লিস্টি থেকেই দেখতে পাবেন। সেটা কী, এই নিয়ে কাজ চলছে। হলে আবার লিখব। কিন্তু কোন ছকে কাজ চলছে, এটা এই তালিকা থেকে পরিষ্কার। এবং, মনে রাখতে হবে, "বিচারাধীন" এদের তূণে একটা অস্ত্র মাত্র। এছাড়াও "বাদ" আছে, বহিরাগত ভোটার "যোগ" আছে, অনাবিষ্কৃত আরও নানা পন্থা আছে। সেগুলো এই হিসেবে ধরা হয়নি। কিন্তু সেগুলো ভুলে গেলে হবেনা।

    অতএব পুরোটাই ঝুলে আছে ষাট লক্ষ বিবেচনাধীনের উপরে। সব মিলিয়ে বাদ + বিচারাধীন এক কোটি কুড়ি লাখ। বাদ যাওয়া ষাট লাখের মধ্যেও খেলা আছে। নতুন ভোটার যারা যোগ হবেন, তাঁদের মধ্যেও খেলা আছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় খেলা এই বিবেচনাধীনদের নিয়ে। এই ষাট লক্ষ ভোট দিতে পারলে বিজেপি মুছে যাবে। না পারলে, ওদের হিসেবে, জিতে বেরিয়ে যাবে। কাজেই, নেতা নেত্রীরা, এই ষাট লাখকে ভোটার তালিকায় রাখা দরকার। কী করে করবেন, আদালতে ভরসা রাখবেন, রাস্তায় নামবেন, নাকি দুটোই করবেন, সে আপনারা ঠিক করুন। 

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৪ মার্চ ২০২৬ | ৫৮৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Debanjan Banerjee | ০৫ মার্চ ২০২৬ ১৫:২৬738982
  • পুরোপুরি প্রাসঙ্গিক বক্তব্য |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন