এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  প্রবন্ধ

  • পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কী করে? 

    Anirban M লেখকের গ্রাহক হোন
    প্রবন্ধ | ০৬ মার্চ ২০২৬ | ১২৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • প্রস্তাবনা

    চিন্তাটা আমার মাথায় এসেছিল কয়েকবছর আগে। সেদিন ট্রেনে করে দমদম থেকে কল্যাণী যাচ্ছিলাম। বেলা প্রায় দশটা, কলকাতা থেকে উলটো দিকের ট্রেন। আমার ধারণা ছিল ভিড় সেরকম হবে না, লোক থাকলেও অফিসযাত্রীর ভিড় সেরকম হবে না। কিন্তু আমি দেখলাম প্রায় প্রতি স্টেশনেই এমন যাত্রী উঠছেন যাদের দেখলেই মনে হয় এনারা পেশার কারণে ট্রেনে করে একজায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছেন। কিন্তু খুব বেশিদূর যাচ্ছেন না কেউই। হয়ত দমদমে যিনি উঠলেন, তিনি নেমে গেলেন খড়দায়। আবার সোদপুর থেকে উঠে নেমে গেলেন পলতা বা ইছাপুরে। মানুষের এই যাওয়া আসার স্রোত যেন জলের ছোট ছোট ঘুর্ণির মত – বড় ঢেউ-এর মত বেশি দূরে যায় না তারা, ভেঙ্গে পড়ে কেন্দ্রের কাছেই। এই লাইনে একসময় সার বেঁধে চটকল ছিল। কিন্তু পাটশিল্পের সেই সোনালি সুদিন আজ অন্তর্হিত। তাহলে কোথায় যায় এইসব মানুষ জীবিকার সন্ধানে? এই প্রশ্নটা মনে ছিল। মনের নিচে তলিয়ে থাকা সেই ভাবনায় ধোঁয়া দিল সংবাদপত্রের বেশ কিছু রিপোর্ট যার মূল প্রতিপাদ্য যে কলেজে আর সেভাবে ভর্তি হচ্ছে না ছেলেমেয়েরা। সাধারণভাবে এই সব রিপোর্টের সুরটা এরকম যে উচ্চশিক্ষার বেহাল অবস্থার জন্যই কলেজে সেভাবে পড়ছে না কেউ। সেটা যদিও আমার ঠিক বলে মনে হয় নি কখনও কারণ কলেজে যাওয়া বা না যাওয়া অনেকটাই নির্ভর করে সেই ডিগ্রির উপার্জনের ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা আছে কিনা সেটার ওপর। যদি আগের থেকে কলেজ যাওয়া কমে যায় তার দুটো কারণ থাকতে পারে। এক হতে পারে যে সত্যি কলেজে শিক্ষার মান এত কমে গেছে যে তা দিয়ে আর চাকরি জুটছে না। আবার এটাও হতে পারে যে কলেজ ডিগ্রি দিয়ে কোন কালেও চাকরি পাওয়া যেত না। কিন্তু আগে চাকরি কম ছিল এবং কলেজ শিক্ষা খুব সস্তার ছিল বলে লোকে কলেজে নাম লিখিয়ে রাখত বেকার তকমা থেকে বাঁচার জন্য। আগেই বলে নেওয়া ভাল কলেজে ভর্তি আগের থেকে কমেছে কিনা বা কমলে তা কেন সেটার নির্ধারণ এই প্রবন্ধের সীমার বাইরে। আমি শুধুই বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে কোন মানের শিক্ষা থাকলে কী ধরণের চাকরি পাওয়া যায় তার একটা আলোচনা করে বোঝার চেষ্টা করব রোজগার বাড়ানোর জন্য উচ্চতর শিক্ষায় যাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত। এই প্রবন্ধে “৩৪ বছরের বাম বনাম ১৫ বছরের তৃণমূল” বা “পশ্চিমবঙ্গ বনাম অন্য রাজ্য” জাতীয় উত্তপ্ত বিতর্কের কোন উপাদানই নেই। আমার আলোচনার তথ্যসুত্র শুধুই ২০২৩ এর পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে (পিএলএফএস)।

    মানুষ কী করে?

     প্রথমেই আসি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রাপ্ত গ্রুপের মানুষ কী ধরণের পেশায় আছেন এবং কোন ধরণের শিল্পে। পেশা মাপার যে কোড হয় তাকে বলে NCO আর শিল্প নির্দেশ করা হয় NIC কোড দিয়ে। এখন কোন এক ধরণের শিক্ষাগত যোগ্যতার মানুষ বিভিন্ন পেশা ও শিল্পে থাকতে পারেন। আমি নিয়েছি মোডাল ক্লাস অর্থাৎ, কোন একটি শিক্ষাগত যোগ্যতার মানুষ সবচেয়ে বেশি যে পেশা এবং শিল্পে থাকেন সেইটি। সারণী ১ এ, আমি এই বিবরণীটি রাখলামঃ

    Table 1: Labour Market Outcomes by Education Level, West Bengal PLFS 2023–24 (Survey-Weighted)

    Source: PLFS 2023–24 microdata (cperv1.csv), authors' calculations. Age 15+. UR = Unemployment Rate; LFPR = Labour Force Participation Rate.

    এখানে যেটা দেখা যাচ্ছে সেটা হল উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত মানুষ মুলত কৃষিভিত্তিক কাজেই নিযুক্ত থাকে। ডিপ্লোমা বা বিএ (বা বিএসসি বা বিকম) পাশ করলে তারা কাজ করছে খুচরো ব্যবসায়। মনে রাখতে হবে এর মধ্যে কিন্তু সেলফ এমপ্লয়েডও আছে। অর্থাৎ, এই সব খুচরো ব্যবসায় নিযুক্ত লোকেরা আসলে ছোট কোন দোকানের মালিক। পোস্ট গ্রাজুয়েট হলে তারা মূলত স্কুল শিক্ষকতার কাজ করেন। এর মধ্যে সরকারি, বেসরকারি সব রকমের স্কুলের চাকরি আছে। এই যে পেশার কথা লিখলাম তা কিন্তু ইউসুয়াল স্টেটাস বা মূল পেশার ভিত্তিতে। এছাড়া অনেকেরই কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় পেশা আছে। কিন্তু সেখানে মূলত এই সব শিল্প বা পেশা পাচ্ছি তার মধ্যে নির্মাণশিল্প অন্যতম। এই সারণীতে তা আর উল্লেখ করলাম না।
    এখানে যে পেশা বা শিল্পের উল্লেখ রয়েছে তা হল মোডাল ক্লাস। যেমন, নিরক্ষর মানুষেরা বিভিন্ন পেশায় ছড়িয়ে রয়েছেন। কিন্তু সব থেকে বেশি তাঁরা রয়েছেন কৃষিভিত্তিক পেশায়। কিন্তু সেই শতাংশটি ২৬.১%। অর্থাৎ, প্রায় ৭৪% নিরক্ষর অন্য পেশায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সেরকমই প্রায় ১৩% গ্র্যাজুয়েট খুচরো ব্যবসায় যুক্ত থাকলেও, বাকি ৮৭% অন্য কিছু করেন। কিন্তু খুচরো ব্যবসাই মোডাল ক্লাস, অর্থাৎ, অন্য কোন পেশাতেই ১৩% এর বেশি গ্র্যাজুয়েট কাজ করেন না। খেয়াল করুন, পেশার তুলনায়, শিল্পে কেন্দ্রীভবন বেশী। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় নিরক্ষরদের ৫৭% শতাংশই কৃষিতে আছেন। অর্থাৎ, শিল্পের ভেতরে পেশা যত সহজে পালটায়, শিল্প তত সহজে পালটাইয় না।

    এবার আসা যাক তিন এবং চার নম্বর কলামের কথায়। তিনে রয়েছে বেকারির হার (Uemployment Rate -- UR). খেয়াল করে দেখুন শিক্ষার হার যত বাড়ছে, বেকারির হার তত বাড়ছে। এর দুটো কারণ থাকতে পারে। প্রথমতঃ যে পড়াশুনো করেছে সে আশা করে ভাল কাজ। সেটা যতক্ষণ না পাচ্ছে সে বেকার থাকতে রাজি। দ্বিতীয়তঃ, অনেকদিন ধরে পড়াশুনো চালানো সহজ কাজ নয়। স্কুল, কলেজের মাইনে কম হলেও ছেলে মেয়েকে ঘরে বসিয়ে পড়াশুনো করানো গরিব লোকের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই উচ্চশিক্ষায় যান তুলনামূলক ভাবে ধনী ঘরের ছেলেমেয়েরা। তাঁরা তাই মনের মত্ন চাকরি না পেলে বেশিদিন বেকারও থাকতে পারেন। চার নম্বর কলামে আছে কর্মীবাহিনির শতকরা হিসেব (Labor Force Participation Rate – LR)। খেয়াল করুন, LR এর সাথে  UR যোগ করলে ১০০ হয় না। তার কারণ, বেকারির হার নির্ধারণ করা হয় বেকারের সংখ্যাকে কাজ করতে ইচ্ছুক লোকজনের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে। কর্মীবাহিনির শতকরা হিসেবে যতজন কাজ করছেন তাকে ১৫ বছরের ঊর্ধে সবার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে যার মধ্যে কর্মী, বেকার ছাড়াও, অবসরপ্রাপ্ত বা ছাত্ররাও রয়েছে যারা কাজ করতে ইচ্ছুক নয়।

    রোজগার কত?

    এবার আসা যাক রোজগারের কথায়। নিচের সারণী থেকে এই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

    Table 2: Wage Returns and Employment Status by Education Level, West Bengal PLFS 2023–24 (Survey-Weighted)

    Source: PLFS 2023–24 microdata, survey-weighted estimates. Monthly wage: salaried = CWS_Earnings_Salaried; self-employed = CWS_Earnings_SelfEmployed; casual = avg daily wage × 26. Zero-wage earners excluded.

    উপরের সারণীতে বিভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার গড় আয় এবং কাজের ধরনের হিসেব (স্বনিযুক্ত, নিয়মিত চাকরি না অনিয়মিত চাকরি) দেওয়া হয়েছে। এখানে তিন রকমের গড় ব্যবহৃত হয়েছে – গড়, মধ্যমান এবং মোডাল ব্যান্ড। আমরা মোডাল ব্যান্ডের দিকেই মন দেব। নিরক্ষরদের মোডাল ব্যান্ড ৫০০০-৯৯৯৯, অর্থাৎ, বেশিরভাগ নিরক্ষরের মাসিক রোজগার এই ব্যান্ডের মধ্যে পড়ে। নিরক্ষরদের বেশিরভাগ, প্রত্যাশিত ভাবেই, স্বনিযুক্ত বা অনিয়মিত ভাবে নিযুক্ত। শিক্ষা যত বাড়ে রোজগার তত বাড়ে, কিন্তু মাধ্যমিক পাশ থেকে গ্র্যাজুয়েট সবারই মোডাল ব্যান্ড কিন্তু একই। মাইনে অনেকটা বাড়ে কেউ পোস্টগ্রাজুয়েট করলে। নিরক্ষর থেকে গ্র্যাজুয়েট পর্যন্ত, স্বনিযুক্ত লোকেদের শতাংশও মোটামুটি একই রকম। পোস্টগ্র্যাজুয়েট করলে আবার চাকরির দিকে যাওয়ার শতাংশ বেশি। কিন্তু নিরক্ষর থেকে গ্রাজুয়েট এই সারণীতে, যেটা পালটায় সেটা হল, নিয়মিত চাকরির শতাংশ – শিক্ষা যত বাড়ে, লোকে তত অনিয়মিত চাকরি থেকে নিয়মিত চাকরির দিকে আসতে থাকে। পোস্টগ্র্যাজুয়েটে এসে নিয়মিত চাকরি অনেক বেড়ে ৭৭% হয়ে যায়।

    বেকারত্বঃ কোথায় কেমন?

    নিচের ছবিতে পশ্চিমবঙ্গের কোথায় বেকারত্বের হার (বাঁদিকের ছবিতে সার্বিক বেকারত্বের হার এবং ডান দিকে গ্র্যাজুয়েট বেকারত্বের হার) কত তার একটা হিসেব রইলঃ

    Figures 1 & 2: Overall Unemployment Rate (left) and Graduate Unemployment Rate (right), West Bengal PLFS 2023–24, Survey-Weighted. Source: PLFS 2023–24 microdata; boundaries: GADM 4.1.

    সবুজ মানে বেকারত্বের হার তুলনায় কম। মোটের ওপর গঙ্গার পূর্বপাড়ে বেকারত্বের হার তুলনামুলক ভাবে কম। সেটা কলকাতার থেকে দুরত্ব দিয়ে খানিকটা ব্যাখ্যা করা গেলেও পুরোটা যায় না। কয়েকটি জেলা সার্বিক বেকারত্বের হারে সবচেয়ে এগিয়ে। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, মালদা (৭.৮%), জলপাইগুড়ি (৭.৪%), পুর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান (৬.৫%) এবং দক্ষিণ দিনাজপুর (৬%)। গ্র্যাজুয়েট বেকারত্বের হারেও এগিয়ে আছে মালদা (২২%), অবিভক্ত বর্ধমান (২১%), বীরভুম (১৮%) এবং হুগলি (১৪.৯%)। কলকাতায় গ্র্যাজুয়েট বেকারের হার শূন্যের কাছাকাছি।

    এবার আসি জেলাওয়াড়ি গড় মজুরির প্রশ্নে। এক্ষেত্রেও এগিয়ে আছে দক্ষিণবঙ্গ – বিশেষ করে পূর্ব বাঁকুড়া (মাসিক ২২০০০ টাকা), মেদিনীপুর (মাসিক ২১০০০ টাকা), এবং উত্তর চব্বিশ পরগণা (মাসিক ১৮০০০ টাকা)। নিচের মানচিত্রে গাঢ় রঙ বেশি গড় (মধ্যমান) মজুরি নির্দেশ করে।


    Figures 3: Graduate Median Monthly Wage, Rs. (right), West Bengal PLFS 2023–24, Survey-Weighted. Source: PLFS 2023–24 microdata; boundaries: GADM 4.1.

    শেষের কথা

    এই প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কী কাজ করে কী রকম টাকা পায় সেটা জানা। সেটা খানিকটা বোঝা গেল আশা করি। তবে সেটা আগের তুলনায় ভাল না খারাপ, সর্বভারতীয় গড়ের তুলনায় ভাল না খারাপ সেটা বুঝতে গেলে যে তথ্যের দিকে তাকাতে হবে সেটা এখানে দেখা হয় নি। একাডেমিক লেখায় অবদান বা কন্ট্রিবিউশন বলে একটা জিনিস লিখতে হয়। এক, ভারতীয় শ্রমের বাজারের উপরে বেশিরভাগ লেখাই মূলতঃ ফর্মাল-ইনফর্মাল বাইনারি নিয়ে আলোচনা করে। অর্থাৎ, সবাই দেখতে চায় কত শতাংশ লোক ফর্মালে আছে না ইনফর্মালে। তার গুরুত্ব নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কোন শিল্প এবং কোন পেশায় আছেন সেটা বুঝতে। সেটার খানিকটা আভাস দেওয়া গেল আশা করি। দুই, এই প্রবন্ধের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন ছিল, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পড়াশুনো শিখে কী ধরনের কাজ করেন এবং কীরকম মাইনে পান। দেখা যাচ্ছে, মাধ্যমিক পাশ করলে মাইনে বাড়ে ঠিকই, কিন্তু তারপর একেবারে এমএ/এমএসসি না করলে মাইনে আর বাড়ে না। সুতরাং, যিনি এমএ/এমএসসি করবেন না, তাঁর জন্য কিন্তু কলেজে যাওয়ার খুব কিছু মানে নেই। এই যে কলেজে কলেজে আসন খালি থাকছে, সেটা ছাত্রদের দিক থেকে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নয়। পোস্টগ্র্যাজুয়েট শিক্ষায় খুব কম লোকই যায়। কিন্তু সেটা যারা যাবে না তাদের জন্য বিএ/বিএসসি না করা খুব ভুল কিছু না। এই প্রবণতা কিন্তু খুব নতুন কিছু না। এটা অর্থনীতিবিদরা সাধারণ ভাবে জানেন এবং এমনকি উন্নত দেশের ক্ষেত্রেও এটা সত্যি। সেখানে কলেজ শিক্ষার একটা বড় প্রিমিয়াম আছে। আমাদের ক্ষেত্রে সেটা এমএ/এমএসসি। এবার এই প্রবণতা পশ্চিমবঙ্গে আগেও ছিল কিনা বা অন্য রাজ্যে আছে কিনা তা দেখা খুবই সম্ভব এবং প্রয়োজনীয়। কিন্তু আপাতত এই লেখার আওতায় সেই প্রশ্ন নেই। তিন, এই প্রবন্ধে চাকরি এবং রোজগারের একটা ভৌগোলিক দিক আমরা দেখলাম। আমাদের মাথায় একটা প্যাটার্ন আছে। আমরা মনে করি সব উন্নয়ন দক্ষিণে, উত্তর এবং পশ্চিমে কিছু হচ্ছে না। সেটা আংশিক ভাবে ঠিক হলেও পুরোটা ঠিক নয়। যেমন, মজুরির হিসেবে পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, দক্ষিণের জেলা দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার থেকে এগিয়ে আছে। পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির চরিত্র বুঝতে আরো গবেষণার প্রয়োজন, বিশেষ করে তুলনামূলক অনুসন্ধান। এই প্রবন্ধ সেই পথে একটা ছোট্ট পা।

    (কৃতজ্ঞতাঃ এই প্রবন্ধের যাবতীয় পরিসংখ্যানমূলক কাজ আমি করেছি ক্লড এআই দিয়ে। দারুণ অভিজ্ঞতা। সুতরাং এআই কে ধন্যবাদ)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • প্রবন্ধ | ০৬ মার্চ ২০২৬ | ১২৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন