কিছুদিন আগে আমার ব্লগে "ম্যাক্স ওয়েবার, প্রোটেস্ট্যান্ট নৈতিকতা এবং অ্যাড্যাম স্মিথ" শীর্ষক লেখা পোস্ট করেছিলাম। সেটি পড়ে পাঠকরা কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। এখানে তার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলাম। ... ...
এই প্রবন্ধটি লিখেছিলাম অ্যাডাম স্মিথকে নিয়ে একটি প্রবন্ধ সংকলনের জন্য। সম্ভবত সেটি আর বেরোবে না। লিখতে বেশ কিছুটা পরিশ্রমই হয়েছিল। অথচ লেখার পরে কেউ পড়বে না এটা মেনে নেওয়া যেকোন লেখকের পক্ষেই কষ্টকর। তাই নিজের ব্লগেই দিয়ে দিলাম। বিষয়বস্তুটি এমন যে বেশি লোকের আগ্রহ থাকার কথা না। তবুও যদি কেউ পড়েন ভালো লাগবে। ... ...
যদুবাবু একটি চমৎকার লেখা লিখেছেন গুরুচন্ডালির বুলবুলভাজা বিভাগে। না পড়ে থাকলে অবশ্যই পড়ে দেখুন। লিঙ্ক এইখানেঃ, লেখাটি পড়ে ভাবলাম লেখাতে অনুল্লেখিত দু-একটি বিষয়ের ওপর আলো ফেলার চেষ্টা করা যেতে পারে। ... ...
পাঁচ বছর আগে, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি তৈরির আবহে অনুপ্রবেশের ধূয়ো তুলে বাঙালিদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পোরার চেষ্টা হচ্ছিল যখন, তখন দুটি লেখা লিখেছিলাম বাংলা দৈনিক,এই সময়ে। সেখানে তথ্য দিয়ে দেখিয়েছিলাম এই অনুপ্রবেশের গল্পটা পুরোটাই তথ্যপ্রমাণহীন একটা ন্যারাটিভ তৈরির চেষ্টা। সেই পরিস্থিতি যখন আবার ফিরে এসেছে মনে হল সেই পুরোন লেখাটা আবার মনে করা দরকার। আমার তথ্যভিত্তি জাতীয় জনগ্ণনার ডেটা। যেহেতু ২০১১ এর পরে আর জনগণনা হয় নি,তাই লেখাটি আপডেট করার দরকার পড়ল না। খবরের কাগজের লেখা দুটির লিঙ্ক নিচে দিয়ে রাখলাম। ... ...
পহেলগাম হামলার পরে যেভাবে ধর্ম বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়েছিল আমারই চারপাশের লোকজনের মধ্যে তা দেখে সত্যি ভয় লাগছিল। তারই প্রতিক্রিয়ায় একটি প্রবন্ধ লিখি যা প্রকাশিত হয় এই সময় কাগজে, কয়েকদিন আগে। সেই লেখাটিই, কাগজের লিঙ্ক সহ, রাখলাম আমার গুরুর পাঠকদের জন্য। ... ...
আমার একটি গল্প সংকলন প্রকাশিত হয়েছে এবারের বইমেলায়। তারই বিজ্ঞাপন। শিরোনামে ৩ কারণ এটি আমার তৃতীয় বই-এর বিজ্ঞাপন। ... ...
একটি বাংলা কবিতার প্রায় প্রবাদে পরিণত হওয়া কিছু পংক্তি, একটি হোয়াটস্যাপ স্ট্যাটাস এবং সেই সূত্রে শিল্পে সমকালীনতা এবং চিরন্তনতার টানাপোড়েন নিয়ে কিছু ভাবনা। ... ...
নির্বাচনী বন্ডের যে ডেটা প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে আমি আর মৈত্রীশ-দা (মৈত্রীশ ঘটক, লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স) বেশ কিছুদিন ধরে নাড়াচাড়া করছি। ইতিমধ্যে আমরা এই ডেটা নিয়ে লিখে ফেলেছি তিনটি লেখা -- দুটি বাংলা, একটি ইংরিজি। বাংলা লেখাদুটি বেরিয়েছে এই সময় সংবাদপত্রে এবং অনুষ্টুপ শারদীয়াতে। ইংরিজি লেখাটি ইন্ডিয়া ফোরামে। এর মধ্যে অনুষ্টুপের প্রবন্ধটি দীর্ঘতম এবং আমাদের মতে তার বিশ্লেষণটি এই তিনটি প্রবন্ধের মধ্যে সবচেয়ে বিস্তারিত এবং গভীর। সেই প্রবন্ধটিই আমরা আরেকবার আমার এই ব্লগের মাধ্যমে আন্তর্জালে রাখলাম মূলত তাঁদের জন্য যাঁরা অনুষ্টুপের শারদীয় সংখ্যাটি সংগ্রহ করতে পারছেন না। লেখাটি বেশ দীর্ঘ, আমার অনুরোধ ধৈর্য ধরে পুরো লেখাটি পড়বেন। পড়লে, আমার বিশ্বাস, ভারতের অর্থনৈতিক রাজনীতি নিয়ে চিন্তার খোরাক পাবেন। ... ...
২০২৪ এর অর্থনীতির নোবেল নিয়ে আগের লেখাটায় দুটি বিষয় নিয়ে বিশদে লেখার ইচ্ছে থাকলেও লিখিনি লেখাটি বড় হয়ে যাচ্ছে বলে। তারওপর এই ধরণের লেখা আদৌ কেউ পড়বে কিনা এই নিয়ে একটু সংশয় ছিল। তাও কিছু পাঠক এই না লেখা অংশটা পড়তে চাইলেন বলে দ্বিতীয় পর্বটি লিখলাম। আশা করি পুরো ছবিটা আরেকটু পরিষ্কার হবে। ... ...
২০২৪ এ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন আচেমোগলু, জনসন এবং রবিনসন। তাঁদের নোবেল নিয়ে ইতি-উতি সমাজ এবং সংবাদমাধ্যমে অনেকগুলি লেখা চোখে পড়ল। তার বেশিরভাগই হয় ভ্রান্তিমূলক অথবা ধোঁয়াশাপূর্ণ। সেই ভ্রান্তি এবং বিভ্রান্তি কাটাবার প্রয়াস এই প্রবন্ধ। ... ...