এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • রাহুল গান্ধির বক্তব্য

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ১৬ জুন ২০২৬ | ৮৮ বার পঠিত
  • ইন্ডিয়া জোটে রাহুল গান্ধি যে বক্তব্য রেখেছিলেন, তার বঙ্গানুবাদ এখানে দিলাম। অবশ্যই পড়ুন এবং শেয়ার করুন। পড়া দরকার মনে করছি বলেই দিলাম।




    আজ এখানে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি, আসার জন্য ধন্যবাদ। অনেক বছর আগে আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে একটা তর্ক হয়েছিল। আমি তাকে বলেছিলাম, "তুমি যেটা করছ সেটা সম্পূর্ণ অন্যায়।" সে আমাকে উত্তর দিয়েছিল, "পৃথিবীটাই অন্যায়ে ভরা, এটার সাথেই মানিয়ে নাও।"

    আজ এখানে কংগ্রেস পার্টি সম্পর্কে যা যা বলা হয়েছে, সেগুলোর উত্তর দেওয়া আমার কাজ নয়। আমার কাজ হলো শৈব ঐতিহ্যে সবকিছু গিলে নেওয়া— নীলকণ্ঠ শিবের মতো, যিনি সমস্ত বিষ পান করেন। আপনারা আমার বা কংগ্রেস পার্টির যত খুশি সমালোচনা করুন, যা কিছু বলতে চান বলুন, আমরা তা সানন্দে এবং হাসিমুখে মেনে নেব। আমরা আপনাদের খুশি করার চেষ্টা করব, কারণ আমাদের ভূমিকা আপনাদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। এটা অহংকার না; আপনাদের অনেকেই যেমনটা বলেছেন, আমাদের ভূমিকা হলো আপনাদের সবাইকে ভালোবাসা ও স্নেহের বন্ধনে একসাথে ঐক্যবদ্ধ করা।

    ২০০৪ সালে যখন আমি আমার প্রথম নির্বাচনে লড়াই করি, তখন থেকেই আমি কংগ্রেস পার্টির একজন সাংসদ। আমাদের দল ভারতের অন্যান্য সমস্ত দলের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে সংগঠিত, এবং আমি অত্যন্ত নম্রভাবে এই কথাটা বলছি। কেন? কারণ এই দলটা একটা প্রতিরোধ আন্দোলন হিসেবে শুরু হয়েছিল, যখন আধুনিক ভারতের (রাষ্ট্র হিসেবে) কোনো অস্তিত্বই ছিল না। অন্য সব দলের মতো এটা ভারত রাষ্ট্রের পরিকাঠামো বা সুরক্ষাকে ব্যবহার করে গড়ে ওঠেনি। কংগ্রেস পার্টি হলো এমন একটি প্রতিরোধ আন্দোলন যা 'সব ভারতীয় সমান'—এই ধারণাকে রক্ষা করে। আমরা আরএসএস-এর আদর্শের সম্পূর্ণ বিরোধী। আমরা কংগ্রেস পার্টির জন্য দরকার হলে মরে যাব, তাও বিজেপি বা আরএসএস-এর পাশে দাঁড়াব না বা তাদের সাথে কোনো আপস করব না। এটা করাতে হলে আপনাদের আমাদের মাথা কেটে ফেলতে হবে। আমি এই দেশের লক্ষ লক্ষ কংগ্রেস কর্মীকে চিনি যারা বলবেন, "আমাদের মাথা কেটে ফেলুন, তাও আমরা আরএসএস-এর সামনে মাথা নত করব না।"

    আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এই জোটের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি রয়েছে। বিভ্রান্তিটা হলো—আপনারা, অর্থাৎ এসপি (SP), তৃণমূল (TMC) বা আরজেডি (RJD), মনে করছেন যে এতদিন আপনারা যে রাজনৈতিক হাতিয়ারগুলো ব্যবহার করে এসেছেন, সেগুলো এখনো কাজ করবে। এই হাতিয়ারগুলো তখনই কাজ করত যখন ভারতরাষ্ট্র কাজ করার জন্য একটি নিরপেক্ষ ময়দান (fair field) তৈরি করে দিত। কিন্তু সেই ময়দান এখন আর নেই। বিজেপি রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করছে। বিজেপি বিচার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে, আমলাতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করছে, এমনকি বিজেপি নির্বাচন কমিশনকেও নিয়ন্ত্রণ করছে। তৃণমূলে আমার অনেক বন্ধু আছেন, তারা নিশ্চিত ছিলেন যে তারা বাংলায় নির্বাচনে একচেটিয়া জয় পাবেন। আমি ওঁদের বারবার বলতাম যে আপনারা স্বপ্নের দুনিয়ায় বাস করছেন। আমি দেখেছি কী ঘটে; আমি গুজরাটে দেখেছি, মধ্যপ্রদেশে দেখেছি, ছত্তিশগড়ে দেখেছি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্রেও দেখেছি। তা সত্ত্বেও আপনাদের অনেকেই এখনো নিশ্চিত হতে পারছেন না।

    কংগ্রেস পার্টি হলো প্রতিরোধের দল। টিকে থাকার জন্য বা কাজ করার জন্য ভারত রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতার ওপর আমাদের দল নির্ভর করে না। প্রকৃতপক্ষে, ভারত রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে যত বেশি শ্বাসরোধ করা হবে, যত বেশি সেগুলোকে কব্জা করা হবে, কংগ্রেস পার্টি ভারতের সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য তত বেশি আক্রমণাত্মকভাবে লড়াই করবে। আমরা সবাই কংগ্রেস পার্টির আদর্শে বিশ্বাসী। সেই আদর্শগুলো কী কী? সত্য, অহিংসা এবং করুণা (compassion)। এখানে মূল বিষয়টি কী? আপনাদের সাথে লড়াই করার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। হঠাৎ করে উঠে দাঁড়িয়ে আপনাদের সাথে লড়াই করার কথা বললে তো আমি পাগল প্রমাণিত হব, কারণ আপনারা আমাদের সহযোগী, আমাদের বন্ধু, আপনারা আমাদের ভালোবাসার মানুষ। দয়া করে বুঝুন, ২০২৪ সালের গত নির্বাচনে আমরা জিতেছি, আমরা ২০২৪-এর নির্বাচনে হারিনি। আপনারা জিজ্ঞেস করেছিলেন নীতিশ জি কেন চলে গেলেন—সেটা আমার জন্য বা কংগ্রেস পার্টির কারণে হয়নি। আর আমি আপনাদের বলছি যে নিকট ভবিষ্যতে যে সামান্য কিছু হাতিয়ার কাজ করছিল, সেগুলোও কাজ করা বন্ধ করে দেবে, কারণ বিজেপি এবং আরএসএস ভারত রাষ্ট্রের ওপর তাদের দখল আরও শক্ত করছে।

    কংগ্রেস পার্টি ১০০ বছরেরও বেশি আগে ঠিক এই একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। ১৯২৭ সালের আগে আমরা একটি রাজনৈতিক সংগঠন ছিলাম। যেদিন গান্ধীজি বললেন যে আমরা স্বাধীনতা চাই, সেদিন থেকে আমরা একটি প্রতিরোধ আন্দোলনে পরিণত হলাম। রাজনৈতিক দলগুলো যদি কাজ করতে নাই পারে, তাহলে কী করতে পারে? প্রতিরোধ কাজ করতে পারে। আমরা যেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলব, সেখানেই তা সফল হবে। আমি নিজের চোখে তা দেখেছি, আমি এই দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ৪,০০০ কিলোমিটার হেঁটেছি। প্রতিরোধ কাজ করে। এর জন্য আপনার কোনো রাজনৈতিক পরিকাঠামোর প্রয়োজন নেই, আমলাতন্ত্রের প্রয়োজন নেই, কোনো গোয়েন্দা সংস্থার প্রয়োজন নেই; আপনার প্রয়োজন কেবল প্রতিরোধের পদক্ষেপ। এর অর্থ হলো—আমি প্রতিরোধ করব, আমি অন্যায় হতে দেব না, ব্যস, এখানেই শেষ। এটা একটা চেতনা (spirit), কোনো সংগঠন নয়। এটা চিন্তা করার একটা পদ্ধতি। আর আমরা পছন্দ করি বা না করি, আমাদের এই পথেই যেতে হবে।

    মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। মানসিকতা এখন এমন হওয়া উচিত যে আমরা একে অপরের সাথে লড়াই করব না, আমরা সংবাদমাধ্যমকে আমাদের আক্রমণ করার কোনো সুযোগ দেব না, আমরা প্রতিরোধ করব। আপনারা ভাবছেন যে চ্যালেঞ্জটা হলো পরবর্তী নির্বাচনে জেতা। পরবর্তী নির্বাচন ইতিমধ্যেই জেতা হয়ে গেছে। দয়া করে বুঝুন, ভারতের মানুষের মধ্যে এত ক্ষোভ রয়েছে যে পরবর্তী নির্বাচন ইতিমধ্যেই শেষ। আসল সমস্যা হলো আরএসএস কর্তৃক ভারত রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে কব্জা করা। সমস্যা হলো, জেতার জন্য আপনারা কোনো অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পাবেন না। তাই আমাদের প্রতিরোধের পথে চলে যেতে হবে। প্রতিরোধ মানে সিবিএসই (CBSE), প্রতিরোধ মানে নিট (NEET), প্রতিরোধ মানে অগ্নিবীরের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, প্রতিরোধ মানে ভারত জোড়ো যাত্রা। আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে বলবেন, আমি কীভাবে প্রতিরোধ করতে পারি, এবং আপনি প্রতিরোধ করবেন। এটা সফল হবে, আমি আপনাদের গ্যারান্টি দিচ্ছি এটা কাজ করবে। আর আমার দৃষ্টিকোণ থেকে, যেকোনো পক্ষ থেকে আসা যেকোনো সমালোচনা মেনে নিতে আমি অত্যন্ত আনন্দ সহকারে রাজি, কারণ আমার কাছে এটি একটি ধর্মীয় কর্তব্য, এটি একটি আধ্যাত্মিক কর্তব্য, এটি এখন আর কেবল রাজনীতি নয়। আর সেই কারণেই আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এই জোটকে একসাথে বেঁধে রাখার জন্য এবং একে সফল করার জন্য আমাকে যত অপমানই সহ্য করতে হোক না কেন, আমি তা সহ্য করব।

    কীভাবে এগোতে হবে তা খুব সহজ। আমাদের একটি নির্দিষ্ট ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মমতা দি ১০০% নিশ্চিত নন, তবে তিনি প্রায় ৯০% নিশ্চিত যে তাঁর নির্বাচন চুরি করা হয়েছে। উদ্ধব জি ৪০% নিশ্চিত যে তাঁর নির্বাচন চুরি করা হয়েছে, আমার ভাই তেজস্বী ৪০% নিশ্চিত। শুনুন, ১০০% নিশ্চিত থাকুন যে নির্বাচনগুলো চুরি করা হচ্ছে। দয়া করে আপনাদের মন থেকে সমস্ত সন্দেহ দূর করুন। আর দয়া করে এটা বুঝুন যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের উপস্থিতি তৈরি করতে বছরের পর বছর সময় লাগে, এটা এক সপ্তাহে এমনি এমনি হয়ে যায় না। আমার ১০ মিলিয়নেরও বেশি ইউটিউব ফলোয়ার আছে, কিন্তু আমার অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ চেপে রাখা (suppress) হচ্ছে। তাই আপনারা যদি এই ধারণায় থাকেন যে সোশ্যাল মিডিয়া নিরপেক্ষ এবং এটি বিরোধী দলকে সমর্থন করছে, তাহলে আপনারা অন্য এক বাস্তবতায় বাস করছেন। সমগ্র পরিকাঠামো—মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, বিচার ব্যবস্থা, আমলাতন্ত্র, গোয়েন্দা সংস্থা—সবকিছু এই সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করছে। কিন্তু এই সরকার টিকবে না। এটি টিকবে না কারণ এটি আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, এটি ভারতীয় জনগণের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করেছে। ইরানে যা ঘটেছে তার পর এখন যা আসতে চলেছে তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়। এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয় এবং এটি আমাদের জন্য জনগণকে একত্রিত করার একটি সুযোগ তৈরি করবে।

    এছাড়াও দয়া করে এই ধারণাটি মাথা থেকে বের করে দিন যে আমাদের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই এবং আমরা একসাথে কাজ করি না। এগুলো সবই বিজেপি এবং মিডিয়াতে তাদের বন্ধুদের ছড়িয়ে দেওয়া ধারণা। সত্য নয়। আমি ১০০% নিশ্চিত এবং আমি এই মুহূর্তে ডিএমকে (DMK)-র হয়েও গ্যারান্টি দিতে পারি। যখন ভারতের মূল ধারণাকে (idea of India) রক্ষা করার বিষয় আসবে, তখন এই ঘরের প্রতিটি মানুষ একসাথে থাকবে। আমাদের মধ্যে নিজস্ব লড়াই থাকতে পারে, আপনারা যদি আমাকে কেরালার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে গিয়ে জড়িয়ে ধরতে বলেন, আমি তা পারব না এবং আমি তা করব না, কারণ তাঁর সাথে আমার একটি রাজনৈতিক লড়াই চলছে। তাই আমাদের নমনীয় হতে হবে এবং আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদের ওপর একটি সর্বাত্মক আক্রমণ চলছে, যার উদ্দেশ্য হলো বিরোধী দলকে দুর্বল ও বিশৃঙ্খল প্রমাণ করা।

    সবশেষে, আমি লক্ষ্য করেছি যে আমাদের আলোচনায় প্রায়শই হতাশার একটা ছোঁয়া থাকে। মানুষ ভাবেন, "হে ঈশ্বর, আমরা কীভাবে বিজেপিকে হারাব?" আমি আপনাদের বলছি, আমরা যদি একসাথে দাঁড়াই এবং প্রতিরোধ করি, তবে ওদের হারানো সহজ। গত নির্বাচনে আমি ছাড়া এই ঘরের আর কেউই বিশ্বাস করেননি যে আমরা বিজেপিকে হারাতে পারি। এখন এই ঘরের সবাইকে বিশ্বাস করতে হবে যে আমরা ওদের হারাব। এই বিশ্বাস নিয়ে শুরু করুন, এবং আমি আপনাদের গ্যারান্টি দিচ্ছি—রাজ্যের পর রাজ্য, নির্বাচনের পর নির্বাচন, তারা জালিয়াতি করুক বা না করুক, তারা ভেঙে পড়বেই। আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ১১:৪৪741263
  • ওদিকে ডিএমকে রাহুল গান্ধীকে নিয়ে কিছু বক্তব্য রেখেছে, যা আমার যথাযথ মনে হয়েছেঃ
     
     
    "A Big Joke, Politically Immature": DMK's All-Out Attack On Rahul Gandhi
     
    DMK mouthpiece 'Murasoli' has accused Rahul Gandhi of weakening opposition unity with his actions both within the INDIA bloc and in Tamil Nadu
     
    Chennai: The DMK has launched a scathing two-pronged attack on Leader of Opposition and former ally Rahul Gandhi. While the party's IT wing mocked the Congress leader as "a massive joke", the DMK's official mouthpiece Murasoli has accused him of weakening opposition unity, questioning the Congress party's political conduct both within the INDIA bloc and in Tamil Nadu.
    Referring to Congress' break up post poll, the DMK IT wing posted: "We carried the INC on our shoulders when they were fighting for their political survival, only for them to jump ship the second they saw a shiny new toy." The post ended with calling Rahul Gandhi "a massive joke."
    In a simultaneous attack an editorial published on Monday in the DMK mouthpiece, Murasoli, took exception to Rahul Gandhi's recent remarks following the INDIA bloc meeting and alleged that it was the Congress leader himself who had contributed to divisions among opposition parties.
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ১১:৪৫741264
  • এই হলো মুরাসোলির সেই এডিটোরিয়াল, গুগলে কাকু ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করেছেঃ
     
     
    Isn't Rahul the one who disrupted unity?

    Rahul has taken a lesson in unity. This is an overdue enlightenment. Isn't Rahul the one who has ruined this unity in every state?
    Rahul Gandhi has released the speech he gave at the India Alliance Party meeting a few days later. Rahul has released what he said at the meeting held on June 8 on June 11. Rahul has been forced to release his speech as the allegations made by the parties that participated in the India Alliance Party meeting against the Congress have become more public.
    The Left and the Samajwadi Party have been criticizing how Rahul has behaved in a way that has disrupted the unity of the opposition parties.
    The Rashtriya Janata Dal has also made harsh criticisms.
    The speech delivered by CPI(M) Rajya Sabha member John Brittas was very important. In Kerala, the Congress Party and the CPI(M) contested against each other. Both are parties of equal influence. No one criticized the fact that they clashed head-on. But the accusation made by Rahul Gandhi is absurd. 'Why didn't Modi arrest Pinarayi Vijayan? Both of them have a secret agreement,' said Rahul. This is what the CPI(M) is making as a serious accusation.
    "There is a secret agreement between the Left and the BJP," Rahul Gandhi said during a campaign rally in the Kerala state assembly.
    "He spoke blatant lies. He said that there was an agreement between the Left and the BJP. The Left's anti-BJP stance does not need a certificate from the Congress," Marxist MP John Brittas alleged in the presence of Rahul.
    Communist Party of India General Secretary refers to Rahul Gandhi's statement that "Leftists are no longer Leftists"
    T. Raja criticized, saying, 'This shows Rahul's political immaturity.' Rahul said, 'No, I said that based on facts,' and added, 'Adani
    "It was the Left government that brought it to Kerala," he argued.
    Left-wing organizations have responded by saying, "It was the Congress government that brought Adani to Kerala."
    Samajwadi Party leader Akhilesh while speaking said, "India
    "The DMK and Aam Aadmi Party's withdrawal from the alliance is a huge setback. India should seriously consider whether the alliance should continue on this path," he stressed.
    "I have doubts about whether there were secret agreements between Congress leaders and BJP leaders on many issues in Bihar. Despite mentioning this to the Congress leadership several times, they have not taken any steps to rectify the situation," said Rashtriya Janata Dal leader Tejashwi.
    Rahul Gandhi has said, 'I can't hug Pinarayi Vijayan. He was the one who hugged Prime Minister Modi in Parliament! Let's not forget that scene.
    முடி­யுமா?
    "No one asked Rahul Gandhi to arrest Pinarayi Vijayan. Instead, we are asking him to stop acting as an assistant to the Enforcement Directorate and the Modi government by demanding the arrest of Pinarayi Vijayan and other opposition leaders. That is not the job of the opposition leader," said Marxist General Secretary Baby again. What is Rahul's response to this?
    The story that happened in Tamil Nadu is well-known. The beheadings that Congress did while in alliance with DMK were done with Rahul's blessing. Today, the leader of the party they have joined, Pepe, showed that 'India will not come into the alliance', and Rahul Gandhi is playing the role of a good boy. 'I will be 100 percent honest. I guarantee the DMK right now,' says Rahul.
    சட்­ட­மன்­றத் தேர்­தல் நடக்­கும் மாநி­லங்­க­ளில் எல்­லாம் ‘இந்­தியா’
    After doing all the dirty work to prevent the coalition parties from coming to power, when the parliamentary elections come, he says, "Those who are afraid of the tiger, lie on top of me."
    Aren't you ashamed to seek support, as you say?
    Akhilesh, Tejashwi, Omar Abdullah, the Nationalist Congress Party, and the Liberation Tigers of Tamil Nadu have all leveled allegations against the Congress party over the way the Congress has treated the DMK.
    Rahul did not expect this. It is Rahul's immaturity and dishonesty that should be held responsible for the fact that the majority of the discussion at the meeting held to oppose the BJP was about opposing the Congress.
    Rahul has said that 'the criticisms levelled against the Congress by the Indian alliance parties will be accepted.' What if he accepts the criticism now? What if he doesn't accept it? 'The Congress should swallow all the criticism like Lord Shiva drank poison,' says Rahul.
    According to the mythological story he tells, Shiva did not create the poison. The gods and demons created it. When he churned the ocean of milk for nectar, the poison came out. It
    Lord Shiva drank it. But who stirred up poison instead of elixir within the 'India' alliance?

     
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ১১:৪৬741265
  • সত্যিই, বিশ্বগরু অনেক ভাগ্য করে রাহুল গান্ধীর মতো একজন নন-পলিটিশিয়ানকে অপোনেন্ট হিসেবে পেয়েছে।
  • cd | ১৬ জুন ২০২৬ ১২:১১741266
  • সত্যি, বিশ্বগরু ভাগ‍্য করে একদল ভারতবাসীও পেয়েছে যারা রাহুল গান্ধীকে তুচ্ছ তাচ্ছিল‍্য করে, যেন লোকটির না আছে শিক্ষা, না আছে বুদ্ধি। চালিয়ে যান মহায়!
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ১৩:৫৭741268
  • মুরাসোলির সম্পাদকীয় ঠিকঠাকই লাগল। ঠিক এই এই গুলোই করেছে রাহুল গান্ধী।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন