এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • বিশ-একুশ

    ভবঘুরে
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ৫৫ বার পঠিত
  • জুলাই ২৭- ২০২৬ | অগাস্ট ৪, ২০২৬
    ছবিঃ ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক



    মামুন এগিয়ে দিতে গেলেন বিনয়কে। কলতলা পর্যন্ত। কলতলায় প্রচণ্ড কাদা। তিনখানা গাঁয়ের একটি মাত্র টিউবওয়েল। তিন চার কিলোমিটার পর্যন্ত দূর থেকে লোকে পানীয় জল নিতে আসে। সারাক্ষণ ভিড় লেগে আছে। প্রচণ্ড কাদা। মানুষের চলা দায়। পা টিপে টিপে পার হলেন বিনয়। ধুতিতে কাদা ছিটকে লাগলে মুশকিল। ছেলে মেয়েরা আড় চোখে তাকিয়ে মিটি মিটি হাসবে।
    মামুন ফিরছেন। তাড়াহুড়োয় ছাতা নেননি। একজন এগিয়ে এল।
    --মামুন ভাই তোমার কাছেই যাচ্ছিলুম।
    --কী ব্যাপার ?
    যে জমিটায় চাষ করেছিলাম আমরা, তার ধান কেটে নেবে বলেছে মাদানগরের দাঁয়েরা।
    দাঁয়েরা ছোট জমিদার। জমিদারি প্রথা নামে উচ্ছেদের। কাজে আছে। এখনও কংগ্রেসি নেতাদের সাহায্য নিয়ে চলে জমিদারি। পাইক আছে। মাসোহারা পায় না। কিছু জমি চাষ করে। তাই বেতন। যারা এখন চাষ করেছে, এবং যাদের ধান কেটে নিতে এসেছে – তাঁদের পূর্বপুরুষও পাইক ছিল – এখন মামুন ভাইয়ের পাল্লায় পড়ে তারা নিজেদের লেঠেল পেশা ছেড়েছে, লাল ঝাণ্ডা ধরে জমির তেভাগা চাইছে, বর্গা চাইছে।--
    কিন্তু দাঁয়েরা তা চায় না।

    মামুন গিয়ে দেখলেন, দু’দিকেই বাদিরা। যারা কাটতে এসেছে এবং বাধা দিচ্ছে দু পক্ষেই গরিব বাগদি। দাঁয়ের নায়েব এক পক্ষে। অন্য পক্ষে রবি ধাউড়ে। রবি মামুনের কাছের লোক। বন্ধু। কমরেড। মামুনকে দেখেই শ্লোগান উঠল –
    লাল সেলাম।
    ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
    অন্যদিকে তেড়ে যাচ্ছে নায়েবের দল।
    -

    মামুন মাঝখানে গিয়ে দাঁড়ান, হাত তুলে।
    মামুনকে সম্মান করে সব গরিবরা। নায়েব অন্তত সামনে খাতির করে। ছোটবেলায় আপদে বিপদে সেও সাহায্য পেয়েছে মামুন ভাইয়ের। চক্ষুলজ্জা আছে। রবি কিছু বলতে চাইছিল, তার আগেই মুখ খুলল নায়েব।
    মামুন ভাই দেখো তো কী ঝামেলা ? ওরা বলছে তুমি নাকি বলেছো – তেভাগা মানে তিনভাগ হবে। আধা আধা ভাগ হবে না।
    --বলেছি তো ?
    --কেন ?
    --তোমরা কি চাষের কোনও খরচ দিয়েছো ? সার, বীজ, মুনিসের।
    --না। তবে এতকাল তো দিয়ে আসছে। আজ দেবে না বলছে।
    --তাই তুমি লোকজন নিয়ে ধান কাটতে চলে এলে।
    --না, মানে।
    --মানে কানে নয়, দাঁ বাবুকে বলো। তিন ভাগের এক ভাগ পাবেন। ধান ঝাড়ার সময় তুমিও থেকো।
    --কোথায় ঝাড়া হবে ? কাছারিবাড়িতে ?
    --না, চাষীদের ঘরে। তোমার লোক থাকুক সামনে।
    --না, এটা মানা যাবে না। ধান যাবে কাছারিবাড়িতে। ওখানেই যা ফয়সালা হওয়ার হবে।
    --বলছি তো না।
    --তাহলে ভাই, আমি নাচার। দোষ নিও না।
    বলেই নায়েব হুকুম দিলেন, ধান কাট সব। দাঁড়িয়ে কেন ?
    --কী চাইছো, তুমি ? লড়াই হুজ্জত হোক।
    --মামুন ভাই, দেখো, থানা পুলিশের হাঙ্গামা হবে। তোমার ছেলে হয়েছে – আনন্দ করবে তা নয়, ছোটলোকদের নিয়ে – দাঁয়েদের সঙ্গে লড়াই ফ্যাসাদ করছো। --
    --আমার কথা ভাবতে হবে না। তোমাকেও তো লোকে চাঁড়াল ছোটলোক বলতো।
    --আমরা আর বাগদিরা এক হলো ?
    --না, তুমি আর তোমার বাবু যেমন এক ?
    --ছি ছি কী যে বলো ?
    সরো সামনে থেকে না হলে, জোর খাটাতে বাধ্য হবো।
    বলা মাত্রই তেড়ে এল, রবি ধাউড়ে। নায়েবের ঘাড়ে মারল, এক রদ্দা।
    --কী হচ্ছে রবি?
    --সরে যাও মামুন ভাই, যা হয় হবে, এই দালালটাকে আজ মেরে মরব। অনেক অত্যাচার সয়েছি।
    নায়েব কাঁপছিল। তার দলের লোকদের ইশারা করছিল, কিন্তু রবির সামনে মামুন। রবিকে মারতে হলে, মামুনকেও মারতে হয়।
    কিন্তু সে তারা পারবে না। আবার মনে ভয়ও আছে। দাঁ-বাবুদের কাছে জমি হারানোর ভয়।

    দুয়ের দ্বন্দ্বে একটা মাঝামাঝি অবস্থানে দাঁড়াল তারা। মামুনকে বলল, একটা ল্যায্য বিচার করে দাও তুমি। শুনে নায়েব থ।দাঁত কিড়মিড় করতে থাকলেও তার পাটোয়ারি বুদ্ধি বুঝল, অবস্থা সুবিধের নয়। নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে বলল, ঠিক আছে আদালতে দেখা হবে।মামুন জানে, নায়েব ঘোড়েল মামলাবাজ। তবু তার ভরসা আছে এন. সি. চ্যাটার্জি হিন্দু মহাসভা তাদের দলে এসেছেন। এন.সি. চ্যাটার্জির ছেলে তাকে খুব পছন্দ করেন। একবার খাস চাল আর দেশি মুরগি নিয়ে গিয়েছিল, চেম্বারে –সেই শুরু।
    মামুন বলল, ঠিক আছে। ধান কাট এবার।

    তরণীর বয়স কম। তরণী জাতে বাগদি। মামুনের বড় ন্যাওটা। সে লাল পতাকা তুলে চেঁচিয়ে উঠল, ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

    নায়েব যতক্ষণ না অদৃশ্য হল, চলল, শ্লোগান –
    সবাই মিলে।

    ******



    মামুন বাড়ি ফেরার পথ ধরল। সামনে খোটেলের পাড়। এর নাম খোটেল কেন কেউ জানে না। তাকে দাঁড় করালেন সেখ সাহেব। দুই ভাই। বড়টি বেশি রূপবান এবং বুদ্ধিমান। তিনটি গ্রামে খুব কম দোতলা পাকা বাড়ি। সাকুল্যে তিনটি। একটির মালিক সেখ পরিবার। মামুনদের আত্মীয়।
    কেমন আছো মামুন – জিজ্ঞেস করলেন সেখ সাহেব। এমনিতে তুই বলেন। এখন তুমি।
    মামুন তুমি শুনেই মনে মনে সতর্ক হয়ে গেল।
    ভালো। বলেই, বাঙালি স্বভাবে, আপনি কেমন আছেন চাচাজি ? জিজ্ঞেস করে মামুন।
    সেখ সাহেব আর নিশাপতি বাগ হরিহর আত্মা। সুবিদ্গড়ে পাঁচটি পরিবার অবস্থাপন্ন। তাদের মধ্যে ভিতরে যাই থাক্‌, বাইরে খুব সদ্ভাব। বড়লোকে বড়লোকে বন্ধুত্ব হয়, বাইরের সঙ্গে মুখবেজারি।
    চালু কথা গাঁয়ে।
    সেখ সাহেব খেজুরে গল্পের লোক নন, অল্পতেই কাজের কথায় এলেন, তার আগে বললেন, চলো একটু চা খাবে।
    মামুনের বাড়ি ফেরার তাড়া ছিল। কিন্তু না করা সমীচীন হবে না। এ গাঁয়ের লোক সেখ সাহেবের কথা শোনে। তাকে চটানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
    সেখ সাহেবদের বৈঠকখানায় এল মামুন। বাড়ির কাজের মেয়ে বিছিয়ে দিল তালাই। বসল। এ গাঁয়ের মেয়েরা কেন, সব জায়গার মেয়েরা খেজুরপাতা শুকিয়ে সরু সরু করে ফেরে তালাই বোনে। কেউ কেউ রং করে। তাজমহল পর্যন্ত বানিয়ে ফেলে। মামুন দেখলেন, সুন্দর কাজ করা। শহিদ মিনারের ছবি বানিয়েছে। অবাক হলেন। কে বুনল এই এই তালাই পাটি? খোঁজ নিতে হবে। এই মেয়েকে পার্টিতে আনতে পারলে ভালো হবে। তার বউ এই কাজ ভালো পারবে। কিন্তু এখন তো ঝগড়া চলছে, তার ওপর ছেলে হয়েছে। সদ্য পোয়াতি। এখন এসব কথা তোলাই যাবে না। ঝগড়া কমলে বলবে, ঠিক করল মামুন।
    এর মধ্যেই কিসানকে হুকুম দিলেন, সেখ সাহেব। দু কাপ লাল চা।
    আপনি লাল চা খান ?
    খাই না, আজ লালপার্টির অনারে।
    হাসল, মামুন। প্রাণখুলে।
    বলুন, কী বলবেন ?
    তোমার খোকা হয়েছে শুনলাম। খুব ভালো।
    তিন মেয়ে, দুই ছেলে। এবার তো একটু সংসার দেখতে হবে বাবা। রাতদিন পার্টি পার্টি করলে চলবে।
    মামুন জানে এ সব বাইরের কথা। সাড়া দিল না।
    শোনো, মামুন, আমরা ও তুমি যে ভিটেতে আছো হেকিম সাহেব – এই গাঁয়ের বাসিন্দা না। উদয়কৃষ্ণপুরের। ১৯০৬-এর দাঙ্গা বাধে পুব বাংলায়। গরু জবাই নিয়ে। এখানেও কানাঘুষো চলে। কোথাও কোথাও সেবার কুরবানিতে অশান্তি হয়। উদয়কৃষ্ণপুরের দু একজন কলকাতায় পড়া ছোকরা কথা তোলে। হেকিম সাহেবের সেটা পছন্দ হয়নি। এ গ্রামে হিন্দু মুসলমানে বড় একতা। সেখানে ভিন্ন কথা? মন খারাপ হয়। আমরা ও তোমার দাদো হেকিম সাহেব একসঙ্গে চলে আসি। আমার বাপ আর তোমার দাদো দুইভাই জানো বোধ হয় ?
    মামুন এ সব জানে।
    চলে আসে দুই ভাই। দুই পাড়ায় বাড়ি করে। আমার বাপ এই গাঁয়ের রাস্তার ধারে। বাপের ছিল ভিটের প্রতি মায়া। চলে যেতো মাঝে মধ্যেই। হাকিম চাচার ছিল ভারি জেদ।
    বলেছিলেন, ও মুখো আর হবো না।
    তাই অন্য জায়গায় গাঁয়ের মাঝে ভিটে কিনলেন, পুকুর সমেত। তবে সেখ পুকুরের মতো বড় দিঘি কোথায় পাবে বলো।
    এ সব গল্প দাদির মুখে বহুবার শোনা। তবু আবার শুনল মামুন। চুপ করে বড়দের কথা শুনতে হয়। এটাই খানদানি রীতি। তর্ক করা চলে না। দেখলে সালাম করতে হয়। মামুন কমিউনিস্ট হওয়ার পর কাউকে সালাম করে না। ইদ্‌ বকরিদে মা ও দাদিকে ছাড়া।
    সেখ সাহেব বলে চলেন। -- জমি ছিল সোনার বাড়া।
    হেকিম সাহেব পণ করেছিলেন কারও আলে পা দেবেন না। তাই গাঁয়ের দু’পাশের জমি চড়া দাম দিয়ে কেনেন একলপ্তে। সেই জমি খাস হলে কি ভালো লাগবে ?
    --এ কথা বলছেন কেন ?
    --তুমি যে লোকের জমি খাস করে বেড়াচ্ছো, তাই বলছি।
    চাচাজি আমার আব্বা ব্রিটিশের কানপুরে চাকরি করে ৩০ বিঘা জমি কিনেছিলেন, জোলের মাঠে, ওটা আমি লাল পতাকা পুঁতে চাষীদের দিয়ে দিয়েছি। রেজিস্ট্রি করে। বলল মামুন।
    --কানাঘুষায় শুনেছিলাম। এতটা না করলেই পারতে মামুন। দিনকাল ভালো নয়, ছোটলোকদের লাই দিলে মাথায় চড়ে বসবে।
    ইতিমধ্যে কানাই বাগদি, সেখ সাহেবের কিসান ফিরে এসেছে, চা নিয়ে। সঙ্গে ব্রিটানিয়া বিস্কুট আর দুটি সেদ্ধ ডিম।
    --চাচি বললেন, দুপুরে খেয়ে যেতে বল, মামুনকে।
    --খেয়ে যও মামুন। তোমার চাচি বলেছেন।
    --আজ থাক চাচা, আরেকদিন। একটু পরে পার্টি অফিসে যেতে হবে।
    পার্টি পার্টি করেই গেলে, সংসারটাও দেখো বাবু। এদেশে আমরা মুসলমানরা আছি গান্ধি নেহরুর ভরসায়। এটা ভুলো না। তোমরা তো আবার গান্ধী নেহরুকে দেখতে পারো না! একদিন বুঝবে ঠিক করছো না।

    কানাই এসে যাওয়ায় সেখ সাহেবের সব কথা বলা হলো না। ঠিক করলেন, পরশু সকালে মামুনের দাদির সামনে গিয়েই কথাটা পাড়বেন।


    ক্রমশঃ
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
    জুলাই ২৭- ২০২৬ | অগাস্ট ৪, ২০২৬
  • ধারাবাহিক | ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন