এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কৃষ্ণনগর

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ১১ জুন ২০২৬ | ৩০৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কৃষ্ণনগর দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস এবং একজন মহিলাকে মারধরের আরও একটা লম্বা ভিডিও দেখলাম। দেখলাম সত্তরোর্ধ্ব প্রাক্তন বিধায়কের উপর চড়াও হয়েছেন, জনাকুড়ি লোক এবং মহিলা। অপরাধ বোঝা গেলনা। একজন পুলিশকে দেখলাম নদের নিমাইয়ের ঢঙে মিহি একটু আটকানোর ভঙ্গী করতে। বাধা দিচ্ছিলেন একমাত্র একজন মহিলা। তাঁকে টেনে হিঁচড়ে বার করা হল ঘর থেকে। “জুতো খুলে মার” ধ্বনি শোনা গেল চারদিকে। তারপর শুইয়ে ফেলে একটা থান জড়িয়ে দেওয়া হল গায়ে। গাঁয়ে গঞ্জে মহিলাদের থান পাঠানো হত ভয় দেখাতে, শুনেছি। কিন্তু গায়ের জোরে থান পরিয়ে দিতে, এবং সেটা ভিডিও করে ধরে রাখতে, এই প্রথম দেখলাম। পিছন থেকে দৈববাণীর মতো কয়েকজন বললেন, সনাতনীদের জন্য এই থান আনা হয়েছিল। কী করে জানলেন বলেননি। তারপর মহিলাকে চড় থাপ্পড় মারা হল। জামাকাপড় ছিঁড়ে দেবারও চেষ্টা হল। তিনি বলছিলেন, আমি চোর নয়, আমি একজন শিক্ষিকা। এবং এই পুরো দৃশ্য, দেখলাম, মনের আনন্দে ভিডিও করছেন বহুজন। মানে, শুধু করছি তাই নয়, বেশ করছি, এবং লোককে দেখাব বলে ভিডিওও করছি। উজ্জ্বল বিশ্বাসকে আর দেখলাম না। পুলিশ কী করছিল, সে তো বললামই। পরে শুনলাম, হেনস্থাকারীদের নয়, উজ্জ্বল বিশ্বাসকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোন অভিযোগে জানিনা। হেনস্থাও নিশ্চয়ই হয়েছে তার আগে।

    এরপর মহুয়া মৈত্র একটা লাইভ করেন। সেখানে তিনি বলেন, বর্ষার আগে ত্রাণসামগ্রী বিধায়কদের কাছে পাঠানো হয় সরকারের তরফে। নতুন সরকার এসে নির্দেশ দেয়, যে, এগুলো ফেরত দিতে হবে। বিডিওর কাছে নির্দেশ আসে, কিন্তু বিডিও কোনো উদ্যোগ নেননি। প্রাক্তন বিধায়ক নিজেই চিঠি লেখেন, জিনিসগুলো নিয়ে যেতে। কিন্তু বিডিও আপিসের গাড়ির সঙ্গে হাতে ডিম নিয়ে নাকি বিজেপির কর্মীরা হাজির হন। এরকমই নাকি হচ্ছে, তারপর যিনি ফেরত দিচ্ছেন, তাঁকেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পরে দেখলাম, এই চিঠি-চাপাটি গুলিও আপলোড করা হয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত মহুয়া মৈত্রের বিবৃতির কোনো জবাব সরকার বা বিজেপির পক্ষ থেকে আসেনি। এরপর ওই এলাকার বাম প্রার্থী লাবণী জঙ্গীও একটা ভিডিও করেন, এই মব লিঞ্চিং এর চূড়ান্ত নিন্দে করে। ফলে ধরেই নিতে হচ্ছে, যে, মহুয়া মৈত্রের কথার সারবত্তা আছে। এবং সেটা সত্যি হলে, এ অতি ভয়ানক ঘটনা। বিধায়করা সরকারি ভাবেই ত্রাণসামগ্রী পান। নির্বাচনী বিধির কারণে বিলি করতে পারেননি। তারপর চিঠি-চাপাটি লিখে বলছেন, ফেরত নিয়ে যেতে। তখন পুলিশ সহযোগে বিজেপি কর্মীরা আসছেন। হেনস্থা হচ্ছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখছে। এবং তারপর যাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে, তাঁকেই গ্রেপ্তার করছে। গোদি মিডিয়া পুরোটাকেই জনরোষ, আর ডিম-মহোৎসব বলে চালিয়ে দিচ্ছে। ফলে এখন পশ্চিমবঙ্গে আর কোনো হিংসা দেখা যাচ্ছেনা। তাপস পাল হোক বা অনিল বসু হন, স্রেফ কথা বলার অপরাধে মিডিয়ায় যে পরিমানে সমালোচিত হয়েছেন, যথার্থ কারণেই হয়েছেন, ওঁরা এই দৃশ্য দেখলে কী বলতেন কে জানে। যাঁরা নারীসুরক্ষা নিয়ে এই কয়েকমাস আগে অবধি প্রবল ফাটিয়েছেন, তাঁদের আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছেনা। শুধু এই ক্ষেত্রে না, কোথাওই দেখা যাচ্ছেনা। পুলিশ ব্যস্ত আছে গর্গ থেকে প্রবীর বিশ্বাস পর্যন্ত গ্রেপ্তারির কাজে। আর মূলধারার সাংবাদিকরা, কী আশ্চর্য, এখনও নিজেদের সাংবাদিক বলে পরিচয় দিয়ে চলেছেন। মানে, বিদ্রোহ করতে কেউ বলেনি, কিন্তু তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই, বিধায়করা সত্যিই অপরাধী, বা অপরাধী কিনা জানা যাচ্ছেনা, তাহলেও মব-লিঞ্চিং এর নিন্দে করতে তো আটকানোর কথা না। সব মিলিয়ে বাঙালিকে নেহাৎই গবেট, এবং কত সহজেই টুপি পরিয়ে দেওয়া যায়, তার একটা প্রতিযোগিতা চলছে। এবং শাইনিং বাঙালি প্রতিনিয়ত নিজেকে গবেট বলে প্রমাণ করে চলেছে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • গৌতম দেব | 2001:*:*:*:*:*:*:* | ১১ জুন ২০২৬ ২০:৫৬741154
  • প্রদীপ তা-র খুন বল, ধীরেন লেটকে কান ধরে উঠবস বল, স্বামী সহ ঊষারানি দাসকে পুড়িয়ে মারা বল, বিশেষত গ্রামে গ্রামে বহু সিপিআইএম কর্মীর বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করেছে, ভাঙচুর করেছে, মোটা টাকা জরিমানা দিয়ে গ্রামে থাকতে বাধ্য করেছে, এগুলোও সব মব কালচারই ছিল তৃণ আমলের, না লিবারেশন একটা বিবৃতি দিয়েছে তার বিরুদ্ধে বা নিন্দা করে, না লাবণীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন বার্তা ছড়িয়েছেন। তখন বিজেপির বদলে ওটা তৃণমূলী মব কালচার ছিল এবং তাই ওটা সঠিক ছিল?? জানত না বলিস না। এখন বিজেপি এগুলো করায় বিবেক জেগে উঠেছে তা হলে বলতে হয়।
    এই সিলেকটিভ প্রতিক্রিয়াটাই আজকের বাম রাজনীতিতে লিবারেশনের অন্যতম সমস্যা, বিশেষত সেটা যখন সিপিআইএমের উপর আক্রমণ হলে নীরবতা হয় আর তৃণমূলের উপরে আক্রমণ হলে প্রতিবাদ হয়।

    এই কারণেই লাবণীদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় বলে মনে হয়।

    এ বার অন্য কথা। সিপিআইএম কোথাও এই মব কালচারের পক্ষে দাঁড়িয়ে একটা কথাও বলেনি বা মিছিল করেনি বা সভা করেনি।

    ব্যক্তিগত স্তরে কেউ উল্লাস বা সন্তোষ প্রকাশ করে থাকতে পারেন। সে তো তাঁরা করবেনই, কারণ সীমাহীন তৃণমূলী মব কালচারের শিকার হয়েছেন তাঁরা। লাবণীরা তখন তাঁদের পাশে দাঁড়াননি, নিদেনপক্ষে এমন একটা পোস্ট করেও। নদীয়া বা কৃষ্ণনগরেরই অন্তত দুটো ঘটনা বলতে পারি, যেখানে লাবণীরা চুপ থেকে শুধু জলঙ্গি আর চূর্ণী নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন। এখন বিজেপির মব কালচারের শিকার তৃণরা হতেই বিবেক জেগে উঠল! বিস্ময়কর না!

    অবশ্যই সিপিআইএম এই মব কালচারের বিরোধী। কিন্তু এই মুহূর্তে সিপিআইএমের কাছে অগ্রাধিকার কী হবে? ডিম ছোড়ার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা না কি বুলডোজারের বিরুদ্ধে? সিপিআইএম তো শ্রেণি রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তাই সে বুলডোজারকে বেছে নিয়েছে।
  • ar | 96.*.*.* | ১১ জুন ২০২৬ ২১:২৫741155
  • সিপিআইএমের শ্রেণি রাজনীতির নেশাটা আবার জেগে উঠেছে দেখছি।
    আমরা বুলডোজারে বিশ্বাস করি, ডিমে নয়!!

    সর্বনাশী মায়োপিয়ার থেকে নিস্তার পাওয়া খুব মুশকিল।

    Suvendu Adhikari, who led the BJP’s campaign and is now the State’s Chief Minister, thanked the CPI(M) for helping him defeat Trinamool leader and outgoing Chief Minister Mamata Banerjee. “The CPI(M) had 13,000 votes in Bhabanipur, and at least 10,000 of them were transferred to me.
    https://frontline.thehindu.com/politics/how-left-politics-enabled-bjp-rise-in-bengal/article70997585.ece
  • | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১২ জুন ২০২৬ ০০:১৬741159
  • সাংবাদিকদের ৫০০০ ভাতা দেবে বলেছিল না বিজেপি ? তাহলে কথা বলে কী করে ?

    আর, বিশ্বব্রক্ষাণ্ডের বিশ্লেষণ যারা করতে পারে সেইসব সিপিএমপন্থী লেখক - কবিকুলের মধ্যে এক - আধজন বলছে দেখছি, ভিডিও ভাল করে দেখে বুঝে, তারপরে যে এইসব ডিমকাণ্ড বানানো, মোটেই গরীব মানুষের জনরোষ নয় ! অর্গাজমএফেক্ট কেটে যাওয়ার পরে মনে হয় বুঝতে পেরেছে।

    মামলেট দিয়ে মজিয়ে রাখা আর কী ! একটু 'রাগ'প্রধান আমোদের ব্যবস্থা করা হয়েছে জনগণের জন্য, তারপর যেমন চলার চলবে, পুরসভাটভা দখল হয়ে গেলে, ওদিকে এমপি কিনে ৪০০ পারের ব্যবস্থা করে ফেললে।
  • সৌমিত্র | 2001:*:*:*:*:*:*:* | ১২ জুন ২০২৬ ০২:২৯741162
  •  
    এই তিনুগুলো একেবারে জানোয়ার। এই ভিডিওটাতে একজন মেকাপ আর্টিস্ট নিজের নাম বলে মুখ দেখিয়ে বলছে তৃণরা কি পরিমাণ অত্যাচার করেছে। যখন ক্ষমতায় ছিল তখন খুব বীরত্ব ছিল। এখন একবার সোনিয়ার পেছনে মুখ গুঁজছে, একবার বামেরা দয়া করো বলে কাঁদছে, একবার শুভেন্দুর চাড্ডি কেচে দিচ্ছে। ওদের ইচ্ছে আর কেউ ওদের হয়ে মারামারি করে দিক।
     
    যখন দেখছে কেউ ওদের হয়ে মারামারি করতে ইচ্ছুক না তখন লিবারেশনকে ভাড়া করেছে। ওরা তো তোদের দু একটা আসন দিয়েছিল। দেখনা বাবা, যদি ওরা আমাদের হয়ে কিছু করে। মুশকিল হল, যখন তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল তখন এরা তৃণমূলের মব কালচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ান নি। তাই আজকে এদের কান্নায় সিপিএম কান দেবে তার সম্ভাবনা কম।
     
    রাগের চোটে তৃণমূলী লিবুরা গালাগাল দিচ্ছে, দু চারটে অক্ষম রসিকতা করার চেষ্টা করছে। ভাবছে খুব চালাকের মত বললাম। কিন্তু এগুলো করে লিবারেশন নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা আরো বেশি করে নষ্ট করছে।
     
    কিছু তো করার নেই। বিনোদ মিশ্র যে সংগঠন করে গেছিলেন সেটা পরের পুরুষ ধ্বংশ করছে।
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১২ জুন ২০২৬ ২২:৩৭741168
  • "বিমান বোসের মাথা লাঠি মেরে ফাটিয়েছেন।
    নবান্ন অভিযানে মেয়ো রোডে আমাদের রাস্তায় ফেলে লাঠি, বুটের লাথি মেরেছেন গান্ধীমূর্তির নীচে। গায়ে পিঠে হাতে পায়ে কালশিটে ক্ষত আজও লুকিয়ে রেখেছি।
    কার্জন পার্কের মুখে লাঠি মেরে জেলার এক কমরেডের
    হাঁটু ফাটিয়ে দিয়েছেন। তার সাথে তার বোন ছিল, তাকেও ছাড়েননি। প্রচণ্ড কাঁদানে গ্যাসে চোখ মুখ জ্বলছে সবার তার মধ্যেও তাকে জল দিয়েছি। তিনি হাউহাউ করে কেঁদে উঠেছেন। হেস্টিংসে চোখ উপড়ে নিয়েছেন, ধর্মতলায় প্রেসক্লাবের সামনে পিটিয়ে কত মানুষের না হাড় ভেঙেছেন! এই শিবপুরে ফরশোর রোডের দোতলা বাড়ি
    র ছাদ থেকে তৃণমূলবাহিনী ইঁট পাথর স্টোনচিপ ছুঁড়েছে মিছিলে নিরপরাধ মানুষের ওপর। এমনকি এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে ঢুকে রেহাই পায়নি স্কুলফেরতা শিশু ছাত্ররাও।
    লালবাজার অভিযানে বৌবাজারে ঢুকতেই রাস্তার দুধারে গলি থেকে তৃণমূলের মহিলারা গেরিলা কায়দায় বিভিন্ন আকারের ধারালো পাথর, আধলা ইঁট ছু্ঁড়েছে অবাধে।
    ফিরিঙ্গী কালীবাড়ির মোড়ে সেই পাথরে চোখের সামনে একজনের ভুরুর মাংস খুলে ঝুলে পড়েছে। আমরাই পানের দোকান থেকে বরফ এনে ধরেছি তার কপালে। পরে পার্টিনেতৃত্ব তাঁকে নিয়ে যায় মেডিকেল কলেজে।
    জামায় সেই রক্তের ছিটে আমাদের'ও লেগে আছে।
    না।
    আমরা কেউ মাথায় হেলমেট পরে ছিলাম না।
    যতটা পেরেছি একে অপরকে আগলে রেখেছি।
     
    পোষা গুণ্ডা লেলিয়ে পাড়ায় পাড়ায় চমকেছেন,
    শ্মশান করে তুলেছেন প্রতিটা গ্রাম থেকে শহর।
    মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নরকযন্ত্রণা দিয়েছেন।
    মানুষ চুপ করে থেকেছে, মনে মনে ভেবেছে রোজ
    একদিন এই চূড়ান্ত নৈরাজ্য, স্বৈরাচার, জঙ্গলরাজের
    শেষ দেখবে এই অসহায় আশায়।
     
    মানুষের কষ্ট-দুঃখ দেখেননি। রাগ-ক্ষোভ-বঞ্চনার কথা শোনেননি। অপমান করেছেন চরম তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ক্ষমতার অসহ্য দম্ভে।
     
    এখন, সামনে পিছনে ডানে বাঁয়ে পুলিশি পাহারা নেই। প্রশাসনিক ঘেরাটোপ উধাও। এমনকি গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় বিরোধী হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে নূন্যতম সম্মানটুকু পর্যন্ত ধুলোয় কাদায় মিশে গেছে।
     
    আজ, ভাইপোকে দেখুন।"
     
    জনৈক বামপন্থী কর্মীর আলোচনা।
     
    মহাপণ্ডিত তখন অবশ্য ফ্যাসিবাদ দেখতে পাননি!
  • হেহে | 2605:*:*:*:*:*:*:* | ১২ জুন ২০২৬ ২৩:১২741170
  • মহাভন্ড দিপচাড্ডি তখন বুঝি ইমানুলএর লেখার নীচে হাগছিলি? নাকি অন্য টইতে বামপ্নথীদের বাপশার শেখানো খিস্তি ঝেড়ে দুটাকা কুড়াচ্ছিলি? এখন অন্যের লেখা ঝেড়ে আবার খিস্তাতে এসছিস পাড়ভন্ড চাড্ডি। বাপশার পোষ্য শুকর একটা।
  • ar | 96.*.*.* | ১৩ জুন ২০২৬ ০৭:৩৭741173
  • "জনৈক বামপন্থী কর্মীর আলোচনা।"
    যদিও কাট এন্ড পেষ্ট, তাও জিগাই, জনৈক বামপন্থী কর্মীর নাম লালু আলম নয়তো!!
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন