হে তৃণমূলী ভাই, তোমার কী হারিয়েছে যে তুমি ক্ষুব্ধ?
তৃণমূলের জন্মদাতা বিজেপি, প্রতিদানে বিজেপিকে হাত ধরে বাংলায় টেনে এনেছেন মমতা ব্যানার্জি, সংগঠনকে জোরদার করেছেন মুকুল রায় এবং সব শেষে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তৃণমূলীদের এককালীন নয়নমণি।
একদিকে যেমন অসংখ্য প্রাক্তন তৃণমূলী নেতা কর্মীরা বিজেপিতে কৌশলে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছেন, তেমন বর্তমান তৃণমূলী এমপি/এমএলএ রা বিরোধী হয়েও মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী, সব জায়গায় অগ্রাধিকার পাচ্ছেন।
আগের জমানার মতনই এখনও একটাই পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট।
রংয়ের দোকানে এখনো বিক্রিবাটা দারুন চলছে। গুজব শুনেছিলাম নীলসাদা রঙের ডিস্ট্রিবিউটর ভাইপো ছিল, খোঁজ নিলে দেখা যাবে গেরুয়ারও হয়তো তাই।
রাস্তায় গর্ত, ফুটপাথ দখল, অবৈধ পার্কিং, কাটমানি, তোলাবাজি, গালভরা প্রতিশ্রুতি, সবই আগের মতন।
পুলিশ প্রশাসন আগেকার মতই নির্বিকল্প সমাধিতে, শুধু শাসকের নির্দেশ এলে খানিক ওঠবোস।
এখন পর্যন্ত কাজও চলছে মোটামুটি তৃণমূলী স্টাইলে, মেলা খেলা ভাতা ভাষণ তোষণ আর ক্যামেরার সামনে হম্বিতম্বি।
এবং নিজেদের সমস্ত দোষত্রুটি ঢাকতে সিপিএমের নামে বিল কাটা।
সুতরাং, মন খারাপ করবেন না ভাইসব, সরকার চাহে বিজেপিকা হো যায়ে, সিস্টেম আভিভি তৃণমূলকা হ্যায়।
একনিষ্ঠ দিদিভক্ত হিসেবে খালি একটাই আফসোস, প্রকাশ্যে মঞ্চে নটনটী পরিবৃত দিদির বেসুরো গান শোনা এবং ধেইধেই নৃত্য দেখার সুযোগ পাই না।
তবে দাদা নেচেকুঁদে, খোল কর্তাল কীর্তনে সেটাও মিটিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।
সঙ্গে আলিঙ্গন ফ্রি!
ফেসবুক