এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • পুজোর ছুটিতে পুরনো ঘড়িতে 

    Aditi Dasgupta লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭ বার পঠিত
  •  
    এলাহাবাদ - ১
     
    রাজধানী এক্সপ্রেস দুটো পঁয়তাল্লিশ মিনিটে এলাহাবাদ স্টেশনে (অধুনা প্রয়াগরাজ) পৌঁছায়। পুজোর বাজারে লটারি পাওয়ার মত নিশিথ রাতে চারটে 2AC টিকিট দেখতে পেয়ে উল্লাসে গুলিয়ে গিয়েছিল যে সেটা দুপুর নয়, ভোর রাত। লোয়ার বার্থ পেয়েও পাশ ফিরে শোয়ার আগেই যে সে সুখ শয়ান ছেড়ে ঘুম চোখে নামতে হবে, পরে বুঝে একটু আফশোষ হয়নি যে তা নয়। ট্রেনে শুয়ে ঘুমোনো বড্ড প্রিয়। তবে ভোরটাকে সেই দিন ই কাজে লাগিয়ে দিতে পারব ত্রিবেণী সঙ্গমএ ছুটে গিয়ে- এমন একটা আশাবাদী পথ ও খুলে গেল চশমার সামনে। ১নম্বর প্ল্যাটফর্মে রাজধানী ঢোকে। ওপার দিয়েই বেরিয়েই সঙ্গমের পথটি। বিশ্রাম ঘর, ক্লোক রুম, খাবার দাবার, সব দিকেই সে এগিয়ে।
     
    গত কুম্ভ মেলা উত্তর প্রয়াগরাজ স্টেশনে যে কোনো অসুবিধা হবেনা এ বিশ্বাস ছিল। তবে চলার পথে একটু খাদ্য মজুত রাখা যে জরুরি সেটা আরেকবার হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। রাতের খাবার ট্রেন থেকে নিলেও খান কয়েক সেদ্ধ আটার নরম রুটি,একটু চিজ আর হরা আচার ঢুকিয়ে নিয়েছিলাম ব্যাগে। অনেক্ষণ এ রুটি শুদ্ধ কোমলে থাকে। ঘুম চোখে নেমে ওয়েটিং রুমে গিয়ে দেখি সবাই টান টান হয়ে ঘুমোচ্ছে।এখানে কোনো অ্যাটেনডেন্ট নেই।বেশ একটা আরাম দায়ক এস বোসো শুয়ে পড় হাওয়া। দু একজনকে একটু মৃদু ধাক্কা দিয়ে বসবার জায়গা টুকু করে আলো ফোটার অপেক্ষা।ওয়াশরুম পরিষ্কার। নিশ্চিন্ত।পাঁচটার একটু আগে অল্প রুটির টুকরো মুখে দেওয়া গেল। খোলা স্টল গুলিতে কেক বিস্কুট ছাড়া তেমন কিছু নেই, তবে একটিতে অনেক কিছুর ছবি আঁকা। মনে আশা ঘুরে আমরা ভারী একটা ব্রেকফাস্ট করে হোটেলে গিয়ে স্নান করে আগে ঘুমোবো। লাঞ্চের কথা পরে ভাবা যাবে। দিনের আলোয় খাদ্যরা এক এক করে ফুটে উঠবে নিশ্চই, প্রয়াগ তো সারা ভারতের মিলন ক্ষেত্র। ছয় নম্বর প্ল্যাটফর্ম এ রেল কোচ রেস্তোরাঁ ছিল প্রথম পছন্দ। তারা যে সব মরীচিকা কে জানিত হায়!
     
    ক্লোক রুমে মালপত্র রাখতে রাখতে রাখতেই দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিটি জিজ্ঞেস করলেন কোথায় উঠব,হোটেল জানা আছে কিনা। স্টেশনের ওপারের (৬ বা ১০ নম্বর ) সিভিল লাইন্স শুনে একটু মন খারাপ হলো বুঝি তার।এপারে হলে ভালো হত।চোখে আই ড্রপ দিতে দিতে অর্ধ নিমীলিত ছল ছল চোখে অভিমান প্রকাশ করেই ফেললে। স্টেশনেই অটো চালক দের আনাগোনা শুরু হল,আমরা একটি অটো নিয়ে সঙ্গমের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম, তখন বাজে পাঁচটা বেজে দশ। ১০০টাকায় রফা হলো। পরে বুঝলাম ভাড়া অত্যন্ত সঙ্গত। নবরাত্রির সাজে সেজে ওঠা শহরের আলোকময় পথে উনুনে আঁচ পড়েছে। ক্রমে রাস্তার দুপাশে প্রসারিত মাঠ বিস্তৃত হতে থাকলো,রাত জাগা পুণ্যার্থীর বাস গুলি, পুণ্য পণ্যর পশরা,মানুষ জন --- আকবর ফোর্টের ঝলমলে আলো। অনেক বছর আগে দেখা সেই আকবর ফোর্ট এখন আর চুপচাপ এক পাশে দাঁড়িয়ে নেই।সেও সেজেছে নব সাজে।তাকে ঘিরে নতুন দৃষ্টি নন্দন প্রাচীর, সিঁড়ি, চলার লম্বা পথ,আলোয় আলোয় ঘেরা। তবে এখনও অন্ধকার,আমরা পরে সেখানে প্রবেশ করব। সামনের নাও গুলিতে উঠবার জন্য পীড়াপীড়ি করছে অটো চালক ও স্থানীয় কিছু লোক।কিন্তু আমায় টানছে ওই যে দূরে, খোলা আকাশের তলায়, মাঠের পথ ধরে সারি সারি মানুষ এগিয়ে আসছে, গিয়ে জমছে লাল রং এর বাঁধানো কেল্লা ঘাটে। ওদিকে শ্রাদ্ধ হয় বলে এদিকের লোক যেতে দিতে চায়না। যাই হোক, কেল্লা ঘাটে মেলা লোক। ভোর হয়ে আসছে। আরও পুবে, নিচে আকাশের নিচে শুয়ে থাকা সঙ্গম এর বিস্তৃত বেলাভূমির ওপারে সূর্য উঠি উঠি করছে। চা খেতে খেতেই সূয্যি উঁকি মারল আর আমরাও ছুটলাম সে বেলা ভূমি ধরে। জলের উপর কমলা আলো থির থির করে কাঁপছে। মাঝিদের সাথে দর দাম, আমরা জলে ডুব দেবোনা,শুধু দুই চোখ ভরে এই ভোর টিকে দেখবো। পুণ্যার্থী দের সাথে গেলে আমাদের অসুবিধের কথা তুলে নিজস্ব নাও ভাড়া কেল্লা ঘাটের চব্বিশ শ। এখানে জল ঠেলে নাওয়ে উঠে সাতশ। সঙ্গমে গিয়ে নারকেল ফেলা পুজো দেওয়ার পীড়াপীড়ি। স্নানের অফার ও। নাও ঠেলা বড্ড পরিশ্রমের জীবিকা।সঙ্গে আর দু একটি রোজগারের পথ সবাই চায়। কিন্তু সবে যাত্রা শুরুর ওই সময়ে, সে রাত জাগা, ধরা চুড়ো পরা সময়ে সে পথ করে দেওয়া আমাদের পক্ষে সত্যি সম্ভব ছিলনা। ইচ্ছা তো নয় ই। হয়তো অন্য কোনো এক ভবিষ্যতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমরা এ কাজ করব। কে জানে! এখন শুধু জলের রং,আকাশের রং আর সী গাল গুলিই টানছে! মাঝিরা এসব উপভোগ করতে পারেনা! জীবনের কোনো উপভোগ ই বুঝি দ্বন্দ্ব হীন নয় - অপরাধ বোধ,পূর্ব স্মৃতি,বা অন্য কিছু র সাথে লড়তে লড়তেই উপভোগ।
     
    তীরে উঠে বাকি রুটির টুকরো গুলির সদ্ব্যবহার করা গেলো ফাঁকা স্টলের কাঠামো তে বসে। অন্য অনেক সময় উদ্বৃত্ত হয় খাবার, কাউকে দেবার মত পাওয়া যায়না।তাই অল্প ই এনেছিলাম।খিদে পেয়েছিল। খাবার কোনও স্টল সেখানে নেই। রোদ চড়ছে। হাঁটতে হবে।আকবর ফোর্ট দেখতে হবে।তারপর হোটেল।বারোটা চেক ইন এর সময় থাকলেও ওরা কথা দিয়েছে দশটা সরে দশটা তে আমাদের ঘর দিয়ে দেবে।
     
    আকবর ফোর্ট এর ভিতরে এখন অক্ষয় বট। তার চারপাশ ঘেরা।জুতো খুলে ঢুকতে হয়। পুজো করছেন অনেকে।আর্মির লোক পাহারায়। ভারি এক শান্ত পরিবেশ।আসলে ফোর্ট টি আর্মির ই অধীনে।আগে যেন এই বট দুর্গের বাইরে ছিল,তার তলায় ছায়ায় বসে গল্প করেছি। কি জানি, ভুল হচ্ছে কি কোনো? অন্যদিকে দুর্গের মূল ঢালু প্রবেশ পথ উপরে উঠে গেছে খোলা চত্বরে।সেখানে পাতাল মন্দিরে প্রবেশের পথ স্টিলের রড দিয়ে ঘেরা,প্রবেশ করতে দক্ষিণা, মাটির তলে নেমে প্রতিটি মূর্তির সামনে দক্ষিণার থালা।।বেরোনোর সময় আবার এক যুবক ধরলো প্রসাদ দিতে। এক ফোঁটা চরণামৃত দিয়ে আবার টাকা চাইলো। মনটা বড্ড বিরূপ হয়ে গেল সাত সকালে।এখানেও এক বট।সেও অক্ষয় বট।হয়তো একই বট এর অংশ হবে।আমি ঠিক জানিনা। নামার সময় ঢালু পথে নজরে এলো সামনের দেওয়ালে ঘন ঘোর নীল রঙে রাঙানো দৈত্যাকার দেবতার ছবি। অশোকের স্তম্ভ টি এই দুর্গেই রয়েছে,কিন্তু সাধারণের দৃষ্টির আড়ালে, সেনা বেষ্টনী তে। সে কথা জানতামনা।আমি তাকে দেখতেই মূলত এসেছিলাম। সারা সঙ্গম জুড়েই শিশু কিশোর কিশোরী ভিখিরি ঘিরে ধরছে। এই দুর্গও তার ব্যতিক্রম নয়।পারিবারিক এক ভিক্ষের পরিবেশ।বছর দু আড়াই এর অপরূপ মুখের এক শিশু কন্যা --- কি দক্ষ ভঙ্গি তার ভিক্ষে চাওয়ায়। মুখে এক অদ্ভুত হাসি, যা শিশুর নয়, চোখের দৃষ্টি ও চমকে দেয় --- মেথুশীলা! অভাব যদি সামাজিক ও ধর্মীয় স্বীকৃতি পেয়ে যায় তাহলে সে অভাব মেটানোর ভাবনা আর পথ ও বুঝি বন্ধ হয়ে যায়!
     
    বেরিয়ে এসে অটো ধরে আবার এক নম্বর প্ল্যাটফর্ম। রাস্তায় সবে তখন কিছু দোকান পাট খুলছে। জিলিপি পাকোড়ার সন্ধান করিনি আর মাঝ রাস্তায়। সাত সকালে ইচ্ছেও করছিলনা তখন ওসব খেতে। শরীর চাইছিল ভর পেট পুষ্টিকর খাবার আর বিছানা।এক নম্বর গেটে নেমে পড়ার কারণে অনেকটা হাঁটতে হয়।আমাদের যেতে হবে ছয় নম্বরে।সেখানেই রেল কোচ রেস্তোরাঁ। অনেকটা পথ হেঁটে ছয় নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আরও খানিকটা হেঁটে সামনে ম্যাক্স হোটেল, স্টেশন চত্বরে ই।জবল পুরেও এমনটাই।তার নিচে রেল কোচ রেস্তোরাঁ দেখে মন দমে গেল।ভাঙ্গা চোরা অবস্থায় পড়ে আছে সে। অগত্যা সেই এক নম্বর।সেখানে রেস্তোরাঁ সবুজ কাপড়ে মুখ লুকিয়েছে। একটি মাত্র স্টলে গাজরের স্যান্ডউইচ উঁকি মারছে শুধু।আর কিছু নেই। নব রাত্রির সাবুদানা খিচুড়ি বা পোহাও না। অগত্যা সেই স্যান্ডউইচ ই খাওয়া গেলো। স্বাদের এবং টাটকা। না হলেও সেটাই একমাত্র অপশন ছিল। আমার সহ যাত্রীর সুগার লেভেল নামছে বেশ বুঝতে পারছি।
     
    লাগেজ নিয়ে এরপর দশ নম্বর দিয়ে বেরোবার কথা, নেমে দেখলাম সেদিকের রাস্তা বন্ধ,আবার রাম্প দিয়ে উঠে সেই ছ নম্বর দিয়ে বেরিয়ে আমাদের গন্তব্য ব্রিটিশ কোঠি,১৪, স্ট্যানলি রোড। সাড়ে দশটা বাজে। ঘুমে চোখ জড়িয়ে আসছে

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন।