এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • দুর্গাপূজা ২০২৬ - বাংলাদেশ! 

    bikarna লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৯২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • অবশেষে দুর্গাপূজা শেষ হল। আর প্রমাণ হল কত অল্পেই আমরা আসলে খুশি। খুব যে বিশাল কিছু হয়েছে তা না কিন্তু। তবুও সবাই খুশি। কারণ কিছু হয় নাই মানে শান্তি নষ্ট হয় এমন কিছু হয় নাই। এইটাই প্রাপ্তি। এইটার জন্যই চারদিকে প্রশংসায় ভাসছে সবাই। কিন্তু আসল চিত্র কিন্তু পরিবর্তন হয় নাই। মানুষের ঢল নেমেছিল? হ্যাঁ, নেমেছিল। কিন্তু এইটাও নতুন না। ২৪ সালের অমন ধ্বংসস্তূপেও তো মানুষ উৎসব করেছে। তো?

    এবারের বড় সাফল্য হচ্ছে কোন গণ্ডগোল না হওয়া। যদিও পূজা শুরুর আগে নিয়ম করে প্রতিমা ভাঙ্গা হয়েছে। আমার ছোট শহরে এবারের পূজায় একটু ঢিমে তালেই ছিল সবাই। অর্থনীতির অবস্থা সুবিধাজনক না হওয়ায় দোকানদারেরা বিক্রি বাট্টা তেমন করতে পারেনি। অনেক পরিচিতজনকেই দেখেছি পূজার মধ্যে আনন্দের চেয়ে অবিক্রীত পণ্য নিয়ে চিন্তা করতে। এরপরেও মানুষ আনন্দ করেছে। আমারা আমাদের মত করেই আনন্দ করেছি।

    লম্বা ছুটি পাওয়াটা বড় আশীর্বাদ ছিল এবার। মানুষের অংশগ্রহণের বড় কারণ ছিল এইটাও। যদি অনেকেই দেখলাম লিখছে সরকার পাঁচদিন ছুটি দিয়েছে। আসলে তা না। ছুটি ছিল দুইদিন। নবমী আর দশমী। দশমী বুধবার, সরকার বৃহস্পতিবারটাকেও ছুটি দিয়ে দিয়েছিল। এতে মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি, এই পাঁচ দিন ছুটি পেয়ে গেছে সরকারি চাকরিজীবীরা। বৃহস্পতিবার যে ছুটি দিয়েছে তা আসলে ছুটি না, আগের শনিবার অফিস করিয়ে নিয়েছে। শনিবারের ওই ছুটিটাকে বৃহস্পতিবার দিয়ে লম্বা ছুটি মিলিয়ে দিয়েছে। এতে মানুষের আনন্দের জন্য সব অনেক সহজ হয়েছে। মুসলমানেরা এত বড় ছুটি পেয়ে বুঝেই উঠতে পারে না কী করবে। আমার পরিচিত অনেকেই বাড়ি আসে নাই, এদিক সেদিক ঘুরতে গেছে। বাড়িতে যারা আসছে তারাও আড্ডা মারা ছাড়া আর কিছুই করে নাই। পূজার আনন্দে অংশ নিয়েছে কেউ? আমি দেখি নাই।

    মফস্বল শহরের আবহাওয়া অন্য রকম হবে এইটাই স্বাভাবিক। ঢাকায় যা স্বাভাবিক এইখানে তা বৈপ্লবিক। তাই ঢাকা বা বড় শহরে হিন্দু মুসলিমের যে বিশাল মিলন মেলা দেখা গেছে তা খুব একটা বাস্তব চিত্র না। আবার যা দেখা গেছে তাও ভুল না। তবে এর ব্যাখ্যা হচ্ছে বড় শহর গুলতেই মানুষের সাহস হয় প্রথা ভাঙ্গার। যত চারদিক থেকে চেপে ধরতে চায় তত সব ভেঙ্গে মানুষ এগিয়ে যায়। এইটাই নিয়ম। যাদের সুযোগ আছে তারা জবাব দিতে চেয়েছে। সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এর জন্য অবশ্যই সাধুবাদ জানাই তাঁদেরকে। আমি শুধু বলছি এইটা পুরো দেশের চিত্র না। ময়মনসিংহের যে ভিডিওটা ভাইরাল হয়েছে, দশমীর দিন হাজার হাজার নারী পুরুষ এক সাথে নাচছে রাস্তায়। এইটা ভাইরাল হয়েছে কিন্তু এইটা দিয়ে যা বুঝতে চাচ্ছেন তা ভুল বুঝতেছেন। জিনিসটা দারুণ, ভাইরাল হয়েছে সঙ্গত কারণেই। কিন্তু এইটা এবারের আলদা কিছু না। প্রতি বছরেই এমন হয়। যারা জানে তারা জানে। যে রাস্তার ভিডিও তার উপরেই আমার বোনের বাসা। ও প্রতিবারই আমাদেরকে বলে এগুলা। ওরা সব সময়ই দেখে এই দৃশ্য। কোন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবার এইটার দারুণ একটা ভিডিও করেছে। এবং ওইটা ভাইরাল হওয়ার পরে আরও যারা ভিডিও করেছিল তাদের গুলোও এখন ভাইরাল। কিন্তু মুল বিষয় হচ্ছে এইটা নতুন না। ওই জায়গার নাম হচ্ছে দুর্গাবাড়ি। এবার দুর্গাবাড়ির পূজাই বরং অনেক ছোট করে হয়েছে। সেখানকার কার জানি মৃত্যুর কারণে খুব ছোট করে করেছে এবার। এই রাস্তাটা দিয়ে একটু গেলেই ব্রহ্মপুত্র নদ। সেখানেই বিসর্জন হয়। এই যাত্রা পথটা তাই খুব পরিচিত সকলের। প্রতিবারই এই রাস্তায় প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয় এবং এমন করেই যাওয়া হয়।

    এর আগে পূজার মধ্যে যে সমস্যা হয়েছে তার বড় কারণ ছিল সরকারকে বিপদে ফেলার চাল। দেশেকে অস্থিতিশীল করার জন্য সংখ্যালঘুকে বেছে নেওয়া হত। এবারের সাথে অতীতের এইটাও বড় পার্থক্য। এই শক্তিটা এবার চুপ করে ছিল। আমি এর আগেও বহুবার লিখেছি যে ছাগলেরা যে নানা আকাম করে তা তাদের বুদ্ধিতে করে না। ছাগলের জন্য রাখাল থাকে, রাখালেরা যে দিকে নিয়ে যায় ওরা সেদিকেই চলে। এবার রাখেলা চুপচাপ ছিল। আর তাতেই শান্তিতে পূজা হয়ে গেছে। লীগের ব্যর্থতা ছিল এগুলা জানা সত্ত্বেও এই সব গণ্ডগোল হতে দিয়েছে। হওয়ার পরে সঠিক বিচার করেনি। এই ক্ষোভ তো ছিলই প্রতিটা হিন্দু ধর্মাবলম্বীর মনে।

    একটু ভিন্ন সুরে কথা বললাম কারণ আমার মনে হচ্ছিল হুট করেই অনেকেই মনে করা শুরু করে দিয়েছে যে বাংলাদেশের মানুষ বুঝি খুব অসাম্প্রদায়িক হয়ে গেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাস দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে বয়ে যাচ্ছে। বিষয়টা তেমন না। বিষয়টা কেমন তাই একটু বলার চেষ্টা করলাম। এবার আরেকটু বলি। ১৮ অক্টোবর ২০২৬ (রবিবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালন মেলার প্রাঙ্গণে টাইম বোম পায় পুলিশ। ঢাকা থেকে পুলিশের বিশেষ একটা দল গিয়ে এই বোমাকে নিষ্ক্রিয় করে। এবং এই কারণে মেলার সময় সংক্ষিপ্ত করা হয়, শেষের দিনের অনেক কিছুই বাদ দেওয়া হয়। এইটা হল অবস্থা। অবস্থা হল পূজার ছুটিতে বাড়িতে আসা আমার এক বন্ধু আমাকে আমার এক হিন্দু বন্ধুর দোকানে বসে থাকতে দেখে আমাকে বলেছে ওর সাথে এত খাতির কেন? ও তো হিন্দু! এইটা হল অবস্থা। অবস্থা হল আমার ভাগ্নি জাহাঙ্গীরনগরে ভর্তি হয়েছে এবার। ওর কী উৎসাহ ছিল ক্লাস শুরুর আগে। এখন পারলে প্রাইভেটে ভর্তি হয় ও। কেন? পুরো ক্যাম্পাস সাম্প্রদায়িক বিষে নীল হয়ে আছে। এদিকে ওকে আমি বহু আগে থেকেই পানি পড়ার মত করে পড়িয়েছি মানুষ হচ্ছে মানুষ, এর আর কোন পরিচয় নাই। যা পরিচয় আছে তা হচ্ছে কাগজে কলমে। কিন্তু বাস্তবে আর কোন পরিচয় নাই। তুই কাওকে সাহায্য করতে চাইলে হাত বাড়িয়ে দিবি নাকি প্রশ্ন করবি ওর ধর্ম কী? ও শুধু কান্না করতে বাকি রাখছে এখন। পুরো ক্যাম্পাস জাশি দিয়ে পূর্ণ। ও নিজে মাটি দিয়ে গয়না বানিয়ে পরে, কী সুন্দর যে বানায় ও! অথচ ওর ক্যাম্পাসে এই কারণে ওকে খোটা শুনতে হয়। এই মেয়ে বাম হয়ে গেছে! সিনিয়রা র‍্যাগের নামে এগুলা দিয়ে ওকে অত্যাচার করে, শাহাবাগি ডাকে ওকে! ওর পোশাক নিয়ে কথা শুনতে হয়, ওর জাশির বিরুদ্ধে কথা বলাকে লীগের দালাল হিসেবে ধরা হয়। অন্ধ এক কুপ বানিয়ে ফেলেছে একটা বিশ্ববিদ্যালয়কে। অথচ জাহাঙ্গীরনগর ছিল সংস্কৃতির পীঠস্থান!

    তবু, তবুও এবারের পূজাটা যে কারণেই হোক ভালো ভাবে শেষ হওয়ার জন্য, শেষ করতে পারর জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। মানুষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক, মানুষ যেন মানুষকে মানুষ হিসেবেই চিনে এইটাই চাওয়া।
     
    সবাইকে বিলম্বিত শারদীয় শুভেচ্ছা।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Джошита | ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ০২:৪৭743437
  • বাংলাদেশের পুজোর কিছু ভিডিও দেখলাম। অবশ্যই শহরের পুজো। থিম ও ছিলো। বিশাল জনসমাগম। খুব সুন্দর হয়েছে।
  • হীরেন সিংহরায় | ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২০:২৭743453
  • শুধু ময়মনসিংহ না, আরো অনেক ভিডিও যে দেখলাম। খুলনা বরিশাল সহ। আগে কখনো এমনটা দেখার সুযোগ হয় নি তাই হয়তো বেশি উন্মাদনা অনুভব করছি। তবে আপনি মাটির কাছাকাছি আছেন, আপনার কথা শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকি
  • দীপ | ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৩৩743461
  • "বেশ ভালোভাবেই এবারের দুর্গাপূজা শেষ হলো। প্রতিবছর পূজা এলেই হিন্দুদের মধ্যে যে আতঙ্ক থাকতো, এবার সেটা বেশ কম ছিলো। কিন্তু আতঙ্ক তৈরী করার চেষ্টা মুসলমানদের দিক থেকে প্রতিবারের মতোই ছিলো। পূজা শুরু হওয়ার আগেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩০/৩৫ টা প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। হিন্দুরা পুলিশের কাছে সাহায্য চেয়েছেন, বাকিটা মুখ বুঁজে সহ্য করেছেন। সরকার টু সাম এক্সটেন্ট ব্যবস্থা নিয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার করেছে কয়েক জায়গায়।

    সবচে বড় উসকানী ও পূজা ভন্ডুল করার পাঁয়তারা হয়েছিলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। মন্দিরের সামনে গরু জবাই করে উসকানি দিয়ে একটা ক্যাওস লাগিয়ে দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে জামাত শিবির আর অন্যান্য মৌলবাদীরা। হিন্দুদের মধ্যে একটা প্যানিক ছড়িয়ে দেয়ার প্রজেক্ট ছিলো এটি। কিন্তু হিন্দুরা একদম নীরবে সহ্য করে গেছেন। নিজেদের কাজে মন দিয়েছেন। গরু জবাই করা মোমেনদের নিয়ে হাসি, তামাসা করেছে দেশের বেশিরভাগ মানুষ। প্রথম থেকেই মানুষ বুঝতে পেরেছিলো যে দুর্গাপূজার সময়ে এই টাইপের ছ্যাঁচড়ামির উদ্দেশ্য কি। ফলে তাদের কর্মকাণ্ড সফল হয়নি, বরং উলটো ঠাট্টা তামাশার বস্তু হয়েছে জগন্নাথের এই জঙ্গিগুলা।

    গাজীপুরে এক মন্ডপে প্রতিমার সামনে কোরান নিয়ে এসে আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছিলো এক মোমেন মুসলমান। উদ্দেশ্য? আরেকটা ক্যাওস বাঁধিয়ে দেয়া। ইন্সট্যান্টলি তাকে পুলিশে দিয়েছে হিন্দুরা। বাকিটা সরকারের উপর দিয়ে চুপচাপ নিজেদের কাজ করেছে। একবার চিন্তা করে দেখেন তো, যদি ইন্সট্যান্টলি ওই জঙ্গিকে ধরা না যেতো, তখন চারপাশে কি রটতো? দুর্গাপূজার মন্ডপে পূজার আড়ালে কোরান পুড়াচ্ছে হিন্দুরা, চারপাশে এই কথা রটিয়ে দেয়া হতো। রক্তাক্ত শারদ ২.০ নেমে আসতো বাংলাদেশের বুকে। কানের পাশ দিয়ে গুলিটা গিয়েছে।

    পূজা চলাকালীন সময়ে বায়তুল মোকাররমের ইমাম থেকে শুরু করে আহমদুল্লাহরা যথেষ্ট উসকানি দিয়েছে। পূজা করা হারাম, কেউ মন্দিরে গেলে কাফের হয়ে যাবে ; এইসব গার্বেজ ফাতোয়া দিয়ে নানাভাবে হিন্দুদের ডিমিন করার বহু চেষ্টা করেছে। হিন্দুরা শুনেও না শুনার ভান করে নিজের কাজ করে গিয়েছে। কারণ, ধর্মীয় অনুভূতি আছে শুধু সংখ্যাগরুর, আর কারো তা নেই!

    আর বহু মুসলমান এইসব ফতোয়াকে দুই পয়সার পাত্তা না দিয়ে তাদের বন্ধু, প্রতিবেশীদের সাথে পূজায় ঘুরতে গিয়েছে।

    দুর্গাপূজা ভালো হয়েছে, সরকার নিরাপত্তা দিয়েছে। এবারের পূজা এতো উৎসবমুখর হওয়ার সবচে বড় কারণ ছিলো ছুটি বাড়িয়ে দেয়া। এর ফলে সবার মধ্যেই একটা ফেস্টিভ মুড কাজ করেছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও হিন্দুদের প্রতি সলিডারিটি দেখানো হয়েছে। এগুলা অবশ্যই এপ্রিশিয়েট করার মতো ব্যাপার।

    কিন্তু, মুসলমানদের কাছ থেকে উসকানি, ক্যাওস বাধানোর চেষ্টার কোনো কমতি ছিলোনা। তার কারনও স্পষ্ট। নিজের ধর্মের বাইরে সবার প্রতি ঘৃণা তো তারা চাইলেও তো বাদ দিতে পারবেনা। কেননা এটা ইসলামের পার্ট এন্ড পার্সেল!"
  • a | ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ০০:১৮743463
  • জাশী টা কি
  • Джошита | ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৩৪743464
  • "জাশি" (Jashi) হলো মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহৃত একটি সংক্ষিপ্ত বা পলিটিক্যাল স্ল্যাং শব্দ, যা "জামায়াত + শিবির" (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির)-কে বোঝাতে একত্রে ব্যবহার করা হয়। [1]
    এছাড়া প্রসঙ্গভেদে এই শব্দ বা নামের ভিন্ন কিছু অর্থ রয়েছে:
    • রাজনৈতিক স্ল্যাং: রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা বা ট্রল করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী বা সমর্থকদের বোঝাতে সমালোচক বা প্রতিপক্ষের দ্বারা সংক্ষেপে "জাশি" শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়।
    • bikarna | ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৪৮743482
    • এই হচ্ছে অবস্থা। লাশ দাফন করতে দেয় নাই। পরে মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী এর লাশ তার মেয়ে, বোন আর স্ত্রী রাতের বেলা কবর খুড়ে দাফন করে। দেশ চালায় কে এইটা দিয়ে একটু হলেও বুঝা যাচ্ছে!
       
      May be an image of text
    • bikarna | ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:০৫743483
    • স্ত্রী, কন্যা আর বোন রাতের আঁধারে কবর খুঁড়ছে মুক্তিযোদ্ধার জন্য। জামাতের নেতারা কাওকে আসতে দেয় নাই। লাভ ইউ বাংলাদেশ!
      No photo description available.
    • মতামত দিন
    • বিষয়বস্তু*:
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন।