দুই একদিন আগে সাতক্ষীরায় একজনকে পিটিয়ে মারা হয়েছে ধর্ম অবমাননার দায়ে। জনৈক কাঠমোল্লা ফেসবুকে লাইভ করে মানুষ ডেকে পিটিয়ে মেরেছে। কয়েক দফায় পিটানোর পরে পুলিশ এসে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আগেরদিনও তাঁকে পিটানো হয়। একই কাঠমোল্লা আগের দিনও লাইভ করে মানুষ জমা করে তাঁকে পিটানোর ব্যবস্থা করে। সেদিন রক্ষা পেলেও পরেরদিন রক্ষা হয়নি। মানুষ জমা হয়ে তাঁকে পিটায়। পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মানুষকে উস্কে দিয়ে একই ব্যক্তি মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, হাসপাতালের ভিতরেই তাঁকে পিটায়, এরপরে টেনে বাহিরে এনে পিটিয়ে মেরে ফেলে! ধর্ম অবমাননা করেছিল এই শামিম নামের ব্যক্তি! কী করেছিল? নিজের ঘরে নিজের স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করেছিল। ঝগড়ার সময় রাগের বসে স্ত্রীকে এমন কিছু বলে যা ধর্ম অবমাননার মধ্যে পড়ে! এই ঝগড়া কেউ আবার রেকর্ড করে ছড়িয়ে দেয়। ফলাফল তাঁকে পিটিয়ে মেরে ধর্ম রক্ষা!
এইটাও আসলে ভয়ংকর খবর না। সবচেয়ে ভয়ংকর খবর হচ্ছে এই ঘটনা ঘটেছে, আমি পড়েছি পত্রিকায়, টেলিভিশন চ্যানেলে দেখছি খবর, আমার কোন প্রতিক্রিয়া হয় নাই! এইটাই হচ্ছে ভয়ংকর খবর। আমরা এমন নৃশংস ঘটনাতে কীভাবে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম? শুধু আমি? না, আমি আমার আশেপাশের কাওকেই তেমন গা করতে দেখিনি এই ঘটনায়। নিউজ হয়েছে, যে মোল্লা লাইভ করে মানুষ জমা করেছিল তাকে পুলিশ ধরেছে। মানে হচ্ছে এগুলা হচ্ছে মানুষ দেখছে কিন্তু কারো কোন সাড়াশব্দ নাই। এই পিশাচ পুলিশকে জানিয়েছে যে সে অনুতপ্ত না, ঠিক কাজই করেছ! এইটা পড়ার পড়েও শরীর চিড়বিড় করে উঠবে না? উঠল না! যাও লিখলাম তাও এই ব্লগে, নিজের ফেসবুকে নিজের নামে বলার সাহসও পাইলাম না!
আমরা ক্রমেই আরও নৃশংস, আরও ভয়ংকর কর্মকাণ্ডের সাথে অভ্যস্ত হতে থাকব? এই আমাদের নিয়তি? জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দিরের সামনে গরু রান্না নিয়ে ক্যাচাল। হিন্দু ছাত্ররা প্রতিবাদ করেছে, এই অপরাধে গত শুক্রবার গরু কিনে এনে জবাই করে বিশাল আয়োজন করে গরু রান্না করেছে লক্ষ্মী মুসলমান ছাত্ররা। পূজার সময় এমন সম্প্রীতির নিদর্শন দেখে আমাদের গা জ্বালা করে না আর। আমরা জম্বি হওয়ার পথে বহুদূর এগিয়ে গেছি।
নির্বাচিত সরকারকে সময় দেও। বাংলাদেশ থেকে লেখি, দেশের বাহিরের পাঠকেরাও সম্ভবত এইটাই মনে মনে বলে যে আরে এখনও কেন এত দোষ খুঁজে? একটু সময় দাও না বাপু! সময় তো দিচ্ছিই আমরা। দেশ ছেড়ে যাওয়ার তো আর অপশন নাই। এই সময়ের মধ্যে সরকার কী করলেন? ধুপ ধাপ বিমান কেনা শুরু করলেন আমেরিকা থেকে। এদিকে এত বিমান কেনা দেখে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন রাগ করছে, আমরা কী জলে ভেসে আসছি? ফ্রান্স থেকে লিগের আমলেই বিমান কেনার চুক্তি করা, সেই বিমান নিতে হবে না? ওইটাও নিবে। মানে আমাদের বয়িং, এয়ারবাস দিয়ে এয়ারপোর্ট ভরতি করে ফেলব। প্রয়োজনে ঢাকা টু ভুরুঙ্গামারি রুটে বিমান চালাব! অন্যদিকে রাশিয়া থেকে হেলিকপ্টার কিনে রাখছে, লিগের আমলেই টাকা শোধ করা হয়ে গেছিল প্রায় পুরোটা। সেই হেলিকপ্টার আর আনতে পারে না! আমেরিকা রাগ করবে যে! অন্যদিকে অর্থ মন্ত্রী বলছে এত বিমান কেনা হল, এখন তো আমেরিকার এগিয়ে আসা উচিত আমাদের দিকে, এখন না আসলে কবে? পাঞ্জেরির আর দেখা নাই!
আমরা সময় দিচ্ছি। তারা জিডিপি নিয়া আসছে দুই বা তিনের ঘরে। কই জানি পড়ছিলাম জিডিপি চার ঘরে আসলেই দেশের অবস্থা কেরোসিন! সেখানে নামছে দুই তিনে। এমন যখন অর্থনীতির অবস্থা তখন সরকার নামছে উচ্ছেদ সিনেমা দেখাইতে। ফুটপাথ উদ্ধার চলছে। এই উদ্ধার আবার নির্দিষ্ট জায়গায়। কোন জায়গায় এবং কখন? যখন পাশাপাশি দুই রাতে মিরপুরের দুইটা স্থাপনা মব করে ধ্বংস করা হয় তারপরেই! একটা হাসপাতাল, যা ওই অঞ্চলের সব শ্রেণির মানুষের সেবার প্রথম পছন্দ ছিল, তাকে এক রাতে গুড়িয়ে দিয়েছে মববাজেরা। জায়গাটা দখল করাবে, এই আর কী! পরের রাতে ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও একই তরিকায় ভেঙ্গে লুট করে নিলো। সালমান মুক্তাদির যখন লাইভে এসে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দোষারোপ করেছিল তখনই মনে হচ্ছিল এই ছেলে এবার ধরা খাবে। তাই হল, কে তার স্টুডিও ভাঙছে তার তদন্তের খবর নাই, সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করা হল, ওর শ্বশুরের মদের গোডাউন সিজ করা হল, দুদক খুঁজছে তাকে, এমন নানা কাহিনী। এবং এইসব নিয়ে যখন মানুষ প্রশ্ন করছে তখনই সেই মিরপুরেই ফুটপাথ উচ্ছেদ শুরু হল। অর্থনীতির বেহাল দশার মধ্যে এরা কিছু একটা করে খাচ্ছিল, তাদেরকে বিকল্প কিছুর সুযোগ না দিয়ে, একেবারে ভেঙ্গে তুলে দেওয়া কতখানি যুক্তি সঙ্গত তা বুঝে আসে না আমার।
একই ভাবে আমি দেখি ঢাকাবাসী ব্যাটারি চালিত অটো রিকশার প্রতি বীতশ্রদ্ধ। সব অটো রিকশা তুলে দিতে হবে। মানুষের খুব সমস্যা হচ্ছে চলাফেরায়। এদিকে মাঝে মধ্যে যে ঢাকা যাই তখন আমি অটো রিকশাই খুঁজি। গতবারও বঙ্গ বাজারের সামনে থেকে রিকশায় কুড়িল চলে আসছিলাম! ঢাকা শহরে রিকশায় ঘোরা হচ্ছে আমার কাছে সবচেয়ে রাজকীয় ঘোরা। তাই এমন সুযোগ পেলে আমি ছাড়ি না। যখন ঢাকায় থাকতাম, তখন রাত নয়টা, দশটার পরে সব রাস্তা রিকশার জন্য উম্মুক্ত করে দিত। এই সুযোগে কই কই যে ঘুরতাম রাতের বেলা। মিরপুর থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট থেকে মৌচাক, সদরঘাট, টিএসসি, নীলক্ষেত...! তো আমি আসলে ফ্যান রিকশার। কিন্তু এখন দেখি সবাই গালি দেয় অটো রিকশাকে। আমি কারণ বুঝি না। যদি সমস্যা থাকে তাহলে তার সমাধান করুক। এই গরিব রিকশা চালকদের রিকশা ভেঙ্গে কী উদ্ধার হচ্ছে? তাদেরকে একটা আইনের মধ্যে আনুক। তা না করে বন্ধ করে দেওয়া সমাধান? কয়েক লাখ রিকশা আছে। এই লোকগুলো তো চুরি ছিনতাই না করে কাজ করে খাচ্ছিল। এদেরকে সামনে কই দেখবেন? রাস্তার মোড়ে চাক্কু হাতে দেখলে আশ্চর্য হওয়া যাবে? এমনেই প্রচুর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি বন্ধ, হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন। ছিনতাই, চুরি ডাকাতি এমনেই বেড়ে গেছে। এখন যারা কাজ করে খেত, তাঁদেরকে উচ্ছেদ করে, তাদের পেটে লাথি মেরে তাঁদেরকেও চুরি ডাকাতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে না? আমরা সরকারকে সময় দিচ্ছি, সরকার এই সময়ে এমনই খেলা দেখিয়েছে যে রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে মুদির দোকানদার, সবাই বলে এরা মনে হয় পাঁচ বছর টিকতে পারব না...!
এগুলা আইন কানুন শুধু মাত্র গরিবদের জন্যই। এই যে অটো রিকশা নিয়া এত আপত্তি। তো এই রিকশা বিক্রি বন্ধ করে দেন না কেন? এগুলার পার্টস আনছে কে? ব্যাটারি আনছে কে? তাদেরকে ধরা হচ্ছে? কোনদিন ধরেছেন? না। কারণ তারা টাকাওয়ালা লোক। একেকটা অটো রিকশার দাম এক লাখ, দেড় লাখ টাকা। এই ব্যবসা নিশ্চয়ই চুনোপুঁটি কেউ করছে না, তাই না? তাই ওইখানে আমাদের আইনের হাত খাটো পড়ে যাচ্ছে। তেজগাঁর মত জায়গায় লাইন দিয়ে হাজার হাজার রিকশা অবৈধ লাইনে ব্যাটারি চার্জ দেয়। কেউ দেখে না? কেউ তখন গিয়ে এগুলা বন্ধ করতে পারে না? না, তারা পারে হচ্ছে রিকশাওয়ালা যখন রিকশা নিয়ে বের হবে তখন, যেন পেটে লাথিটা গরিবের পেটেই পরে, অন্য এমন কারো পেটে না পরে, যার পেটে পড়লে বিপদ হতে পারে উল্টা!
আমাদের সাবেক বন্ধু নোবেলম্যান ইউনুসকে আদালত ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে নির্দেশ দিয়েছে, তার এই কর ফাঁকিকে ধ্রুপদী বলে আখ্যা দিয়েছেন। আদালত পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ করেছে, সেই রায়ে বলা হয়েছে - "এটি গ্রামীন কল্যাণের (বাদী) কর্তৃক কর ফাঁকি দেওয়ার ধ্রুপদী উদাহরণ, যেখানে গ্রামীণ কল্যাণ মীমাংসিত একটি বিষয়কে দীর্ঘায়িত করে সরকারকে তার ন্যায্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করতে চেষ্টার কোনো কমতি রাখেনি।" পূর্ণাঙ্গ প্রকাশের আগে, যখন আদালত শুধু জানিয়েছিল ইউনুসকে কর দিতে হবে, তখন সবাই বলা শুরু করছিল নিজে ক্ষমতায় থাকতে বাতিল করেছিল, এখন দিছে ধরায়া। তখন ফারুকির মত চামুচেরা বলেছিল যে আরে না, ইউনুস সাহেব ইচ্ছা করেই তখন এই মামলা স্থগিত করে রেখেছিলেন যাতে তিনি সরকার প্রধান হওয়ায় আদালত প্রভাবিত হয়ে রায় না দেয়। শুনেই মনে হচ্ছে না কী মহান কী মহান? ধন্য ধন্য পড়ে যাওয়ার কথা চারিদিকে। এখন দেখা গেল না, আদালত এইটাকে ক্লাসিক কেস অব ইভেডিং ট্যাক্সেস বলে দিচ্ছে। কিন্তু আমার কথা এইটাও না। আপিলে গিয়ে কী হবে না হবে কে জানে। শেষ পর্যন্ত টাকা দিতে হবে কি না তাও জানি না আমরা। তাই আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। প্রশ্নটা হল এত বছর যে ডক্টর ইউনুসসহ সারা দুনিয়ার লোকজন বলে আসল এগুলা সব ভুয়া, শেখ হাসিনা ইউনুসকে হয়রানির জন্য এইসব করছে, সেই আলাপটা কই গেল? সব ভুয়াই যদি হবে তাহলে এখন আদালত মামলাটাই জাস্ট বাতিল করে দিল না কেন? কেন একে ধ্রুপদী কর ফাঁকির নজির বলে ঘোষণা দিল? এমন ভাব নেওয়া হয়েছিল তখন যে সবাই, আমি নিজেও মনে করতাম নোবেল জয়ী একটা লোকের সাথে লীগ একটু বাড়াবাড়িই করে ফেলছে! এখন মনে হয় এমন ধুরন্ধর লোকের সাথে লীগ কমই করেছিল!
আমাদের লোকাল রাজনীতির গল্প বলি। সর্বজন স্বীকৃত যে তিনি এই দুই বছরে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকা অবৈধ পথে কামাই করেছে। তবুও তার মেয়েকেই বিএনপি মনোনয়ন দেয়, তবু সেই মেয়ে হেরে গেলেও তাকে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে এমপি বানানো হয়! আমরা কিছুই বুঝি না? কেন এমন হয়? কোন চাঁদার ভাগ কই গেছে তাহলে? লোকে মুখে শোনা কথা, প্রধানমন্ত্রী যখন লন্ডনে পলাতক ছিলেন তখন এই এরাই নাকি তাকে চালিয়েছে লন্ডনে! তো ভাইয়া অকৃতজ্ঞ না। তিনি এখন তাকে যারা দেখেছে তখন তিনি এখন তাদেরকে দেখছন। এর আরেক বড় নমুনা হচ্ছে আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনিই নাকি দেশ থেকে মুচলেকা দিয়ে লন্ডন যাওয়ার পরে ভাইয়াকে প্রথম আশ্রয় দেন। বিদেশ বাড়িতে এমন আশ্রয়ের প্রতিদান দিতে ভাইয়া ভুল করেন নাই। আইনে থাকুক আর না থাকুক, তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী বানিয়ে দিয়েছেন। ভাইয়া মহান।
প্রধানমন্ত্রী ভাইয়া তারেক জিয়ার বেশ কিছু চাটুকার জুটেছে। এক নম্বর হচ্ছে সংসদের চিপ হুইপ। এই লোক নানান সময় নানান ধরেনর তেল বাজারে ছাড়েন। লেটেস্ট হচ্ছে এই তো সেদিন প্রধানমন্ত্রীর সাথে ঢেঁড়স ভাজি, ডাল দিয়ে ভাত খেয়ে আসলাম! এর আগে এরাই প্রচার করছে ভাইয়া মাত্র ১৫০ টাকায় দুপুরের খাবার খান! এই লোকই বলছে কে বলেছে তারেক জিয়া, তিনি হচ্ছেন আরেক জিয়া! এই চলছে বাংলাদেশে।
এক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হচ্ছে তিনজন। সেটা হচ্ছে তাও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়! তিনজন থাকার পরেও সৌদিতে দুইজন বাংলাদেশি নাগরিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কেউ কিছুই জানে না। বলা হচ্ছে মক্কায় অনৈতিক কাজ করার অপরাধে তাঁদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এঁদের বিচার চলেছে, রায় হয়েছে, রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এই রায় কার্যকর করাও হয়ে গেছে। কেউ কিছু জানে না! এখন শোনা যাচ্ছে এরা মোটেও অনৈতিক কিছু করে নাই। নতুন স্বামী স্ত্রী হানিমুনে না গিয়ে ওমরা করতে গেছিল। হারাম শরিফ থেকে দূরেরই একটা মসজিদে নামাজ পড়ার পরে স্বামী বেচারা স্ত্রীর কপালে চুমু খেয়েছিল। এই এই জিনিস আবার আরেক পাকিস্তানি ( যথারীতি, আজব এক জাতি!) ভিডিও করে গার্ডদের দেখিয়েছে। বিচারকও তেমনই, এরা আরবি জানে না, তাদের জন্য দোভাষীরও কোন ব্যবস্থা ছিল না। এক তরফা বিচার করে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে দিয়েছে। শামা ওবায়েদ বলেছেন এইটা থেকে প্রবাসীদের শিক্ষা নিতে হবে! তিনি কবে শিক্ষা নিবেন? কে জানে। ভাইয়ার যুগে সব সম্ভব।
https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/t1gapeomg6
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।