এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ইন্ডিয়ান ভিসা ২০২৬ 

    bikarna লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | ১৮ বার পঠিত
  • এবার কলকাতা বইমেলায় যাওয়ার ইচ্ছায় ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করার কথা ভাবছিলাম বেশ কিছুদিন ধরে। গত ২৮ জুন নতুন হাই কমিশনার আসার পরে টুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন। মানুষজন ভারত ভ্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে তখনই। কিন্তু এই জিনিস আর সহজ নাই এখন। চাহিদা আর যোগানের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য হওয়ায় ভিসা পাওয়া এখন অলৌকিক ঘটনা বলে মনে হচ্ছে সবার।

    আগে মোট ১৬টা ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) ছিল দেশে। ( ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, যশোর, সাতক্ষীরা, নোয়াখালী, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, রংপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বগুড়া ও ঠাকুরগাঁও)। ২৪ সালের আন্দোলনের সময় অন্য অনেক কিছুর মতই ভারতীয় এই ভিসা সেন্টার গুলোকেও টার্গেট করে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। আমরা ময়মনসিংহের লোক, এখানে যে ভিসা সেন্টার ছিল তা আমাদের জন্য সবচেয়ে সহজ ও সুবিধাজনক ছিল। এইটাকে আক্রমণ করে ভাংচুর করা হয়। এমন করে দেশের প্রায় কেন্দ্র গুলোই আক্রান্ত হয়। এরপরে নতুন করে ভিসা কার্যক্রম শুরু হলেও আঞ্চলিক কেন্দ্র গুলো আর চালু করা হয় নাই বা চালু করা যায় নাই। এখন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তার বিচারে ১১টা কেন্দ্রের সেবা সীমিত বা স্থগিত রেখে ৫টা মূল প্রধান কেন্দ্রে কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে - ঢাকা (যমুনা ফিউচার পার্ক), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট এবং খুলনা।

    স্বাভাবিক ভাবেই এই পাঁচ কেন্দ্রে চাপ পড়ছে অনেক। চাপ সামলানর জন্য আগে যেমন আবেদন করলেই হত, স্বয়ংক্রিয় একটা মাধ্যমে ফাইল জমা দেওয়ার তারিখ পাওয়া যেত, এখন আর তেমন রাখা হয় নাই। কারণ আবেদন করলেই যদি তারিখ পাওয়া যায় তাহলে কয়েক লাখ আবেদন পড়বে দৈনিক আর এই পাঁচ কেন্দ্র লাখ লাখ মানুষকে সেবা দিতে পারবে না। তাই স্লট সিস্টেম করা হল। প্রথমে সপ্তাহে একদিন (প্রতি বৃহস্পতিবার) পরের সপ্তাহের জমা দেওয়ার তারিখ পাওয়া যেত। এরপরে এইটা পরিবর্তন করে প্রতি ১৫ দিন পরে পরে পরের ১৫ দিনের জমা দেওয়ার তারিখ দেওয়ার সিস্টেম নিয়ে আসল। দুপুর ১২টার দিকে স্লট নেওয়ার পোর্টাল চালু হয়। মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে এবং কেউ পায় কেউ পায় না। পেমেন্ট সিস্টেম গণ্ডগোল করে, কারো টাকা আটকে যায়, যাওয়ার পরে টাকা ফেরত পাওয়াও যায় না। কবে পাওয়া যাবে তারও কোন সঠিক জবাব কেউ জানে না!

    সিস্টেমটা আবার করা হয়েছে কঠিন করে। আমার কথাই বলি। আমি আবেদন ফরম পূরণ করলাম। করার পরে স্বাভাবিক ভাবে কী হওয়ার কথা? এই ফাইলটার একটা নাম্বার থাকবে, সেই নাম্বার অনুযায়ী পরের কাজ গুলো হবে। কিন্তু এখানে একটু ম্যানুয়াল কাজও রাখা হয়েছে। এই ফাইলটাকে ডাউনলোড করতে হবে, করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য আলাদা যে পোর্টাল তাতে আপলোড করতে হবে এই ফাইল! এরপরে আসবে তারিখের প্রশ্ন, কবে তারিখ আছে। সেই তারিখ সিস্টেম নিজেই ঠিক করে দিবে। আমাকে শুধু হ্যাঁ বলতে হবে। তারপরে আসবে পেমেন্টের অপশন। ওহ! এর মধ্যে ওটিপি আসবে, এখানেও সময় যাবে। এই কাজ গুলো সফল ভাবে করতে পারলে আপনি সামনের ১৫ দিনের যে কোন একদিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাবেন। এত ঝামেলা না করে ফাইল নাম্বার দিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল না? এই জিনিস আবার কেন আপলোড করতে হবে? পাসপোর্ট কপি সহ বাকি যা যা দরকারি কাগজপত্র সব আগেই আপলোড করে রাখার সুযোগ দিলেই তো ঝামেলা কমে যায়। আর যে জন্য এই তারিখ নেওয়া, সেদিন তো সব জমা দেওয়াই হবে, পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, পেশার প্রমাণপত্রসহ যা যা লাগে সবই তো দেওয়া হবে। তাহলে এখানে জটিল করে রাখার যুক্তিটা কী?

    বাস্তব ক্ষেত্রে কী হল বলছি। আমি শুরুতেই আটকে গেলাম। ওটিপি আসল, দিলাম, সিস্টেম হ্যাং করল। আচ্ছা, ধৈর্য বৎস ধৈর্য! আবার আসল, আবার দিলাম, পেমেন্টে গিয়ে শেষ! একটা ফাইলে তিনবারের বেশি ওটিপি দিবে না। তৃতীয়বারেও সফল ভাবে ব্যর্থ হলাম! মানে হচ্ছে আমাকে আবার ১৫ দিন পরে চেষ্টা করতে হবে!

    এর মধ্যে সিলেটের উপ হাইকমিশনার এক বক্তব্য দিলেন, বললেন দালালরা সব স্লট নিয়ে নিচ্ছে তাই সাধারণ মানুষ স্লট পাচ্ছে না। আমি বুঝলাম যে তাহলে আর নিজে চেষ্টা করে লাভ নাই, দালাল খুঁজে বের করি। ঢাকায় একজনকে ধরে ফাইল দিলাম। গত ৫ তারিখ ছিল আবার স্লট ছাড়ার তারিখ। ওই দালাল আমাকে বলল ভাই আপনার মোবাইলে একটা অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে। কেন? এই অ্যাপের কাজ হচ্ছে আমার মোবাইলে কোন ওটিপি আসলে নিজে নিজেই সিস্টেমে ওই ওটিপি পাঞ্চ করবে! আমি এই অ্যাপের ব্যাপারে শুনেছিলাম, তাই খুব একটা আশ্চর্য হই নাই। বললাম পাঠাও কিন্তু আমার ফোন কিন্তু আইফোন, আইওএস সিস্টেমের অ্যাপ পাঠাইয়াও। ও বলল ভাই এইটা তো আইফোনে কাজ করে না! আপনার অ্যান্ড্রোয়েড নাই? আমি বললাম বিপদ তো সেটও না আমার সিমও ই সিম, এইটা আবার কার অ্যান্ড্রোয়েডে কেমনে নিব? ও বলল বাদ দেন তাইলে, আমি অন্য ব্যবস্থা করছি।

    আমি বুঝলাম না, অন্য কী ব্যবস্থা? যদি এইটাই রাস্তা হয় তাহলে ফিজিক্যাল সিম রিপ্লেস করে নিয়ে নেই। ওকে ফোন দিয়া বললাম, আমি কিন্তু ফিজিক্যাল সিম নিতে পারে যখন তখন, দরকার হলে বল। সে বলল লাগবে না ভাই। পরে যা বলল তা হচ্ছে এক স্লটে চারজনকে তারিখ দেওয়ার সিস্টেম আছে। ওরা ওইটাই করে বেশি লাভের জন্য। আমার ফোন সমস্যা তাই অন্য বাকি যে তিনজন আছে তাদের কারো সেটে ওই অ্যাপ ইন্সটল করবে। একক ভাবেও করা যায় কিন্তু ওরা যেহেতু এইটাকে পেশা হিসেবে নিয়েছে তাই এক কষ্টে যদি চারজনের কাজ করতে পারে তাহলে একক স্লটে কেন যাবে? সবই হল কিন্তু স্লট আর পাইলাম না। এত কিছু করেও দালালও ফেইল মারল। পরেরদিন বসে ছিলাম কখন খবর দেয় যে ভাই অমুক দিন আপনার জমা দেওয়ার তারিখ। কিন্তু তিনটার দিকেও যখন কোন ম্যাসেজ আসল না তখন আমি নিজেই নক দিলাম। বলল না ভাই স্লট পাই নাই!

    আমার ফাইলের মেয়াদ শেষ। আগামী ১৯ তারিক আবার স্লট ছাড়বে। সেই দিনের জন্য আবার আমাকে নতুন করে আবেদন করতে হবে। আমি এর আগে দুইবার ভিসা পাইছিলাম। আমার বায়োমেট্রিক দেওয়া লাগবে না আগামী বছর জুন পর্যন্ত। এই পাসপোর্ট, দরকারি কাগজ গুলো জমা দেওয়ার জন্য শুধু একটা তারিখ দরকার, সেই তারিখ পাওয়া এখন যুদ্ধ জেতার মত হয়ে গেছে। ভিসা ফি ১৫০০ টাকা, দালাল নিবে ৫৫০০ টাকা, মোট ৭০০০ টাকার কারবার। তাও তারিখ পাওয়া যাচ্ছে না। সামনে পাব এইটারও কোন ভরসা দেখছি না। খোঁজ নিয়ে দেখলাম ময়মনসিংহের সেন্টার যে বিল্ডিঙে তা এখনও ভারতীয় দূতাবাসের কাছেই ভাড়া দেওয়া আছে। তারা নাকি টুকটাক কাজ করতেছে, সামনে হয়ত খুলবে এই সেন্টার। একমাত্র তখনই যদি এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, আর না হলে এমনই চলতে থাকবে।

    দুঃখ আসলে অন্য জায়গায়। দুঃখ হচ্ছে এত কড়াকড়ি করে, কাগজপত্র দেখে ভিসা দেওয়ার সিস্টেম, অথচ যারা দৈনিক নিয়ম করে ভারতকে গালি দেয়, দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দেয় তারা দেখি ভারতে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর আমরা ভিসা তো পরে ফাইল জমা দেওয়ার তারিখই নিতে পারছি না। আমাদের চরিত্রে দ্বিচারিতা তো আছেই, এইখানে যেন তা প্রবল ভাবেই ফুটে উঠছে। উঠতে বসতে ভারতকে গালি দেওয়ারাই লাইনের আগে, ভিসাও ওরাই পাচ্ছে। আমি বুঝিই না, তোরা গাইলই দ্যাস কেন আবার ভারতে যাওয়ার জন্য দৌড়ই বা দ্যাস কেন?

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | ১৮ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    জারজ  - albert banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন।