এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বিষাক্ত মাদ্রাসা! 

    মুহাম্মদ সাদেকুজ্জামান শরীফ লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৮৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • সাভারের ঘটনাটা ইতোমধ্যে সকলের জানা শেষ। সাত বছরের একটা ছেলে শিশুকে প্রথমে মাদ্রাসার অন্য ছাত্র, পরে মাদ্রসার শিক্ষকেরা দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে। সাত বছর! বয়সটা শুধু চিন্তা করেন। আপনি আমি কী দেখলাম এই ঘটনার পরে? ঘটনাটা কী তার বর্ণনা দিয়ে কিছু ফেসবুক পোস্ট (আসলে কিছুও না, একটা পোস্টই কপি পেস্ট হয়ে ঘুরছে সব জায়গায়!), কিছু তীব্র নিন্দা জানানো পোস্ট, তীব্র প্রতিবাদ জানানো পোস্ট! এরপরে? এরপরে এই ঘটনার যবনিকা পতন! দেশে নানা কিছু ঘটেই চলছে, ভেসে যেতে সমস্যা কী?

    শুধু যে এই ব্যাপারেই এমন তা না, মাদ্রাসায় ছেলে শিশু ধর্ষণ নিয়ে প্রতিটা ঘটনাতেই এমনই ঘটে এরা এতই হতভাগা যে এদের নিয়ে কেউ চোখের পানি ফেলে না, কেউ রাস্তায় নামে না, কারো পদত্যাগ চায় না, মানব বন্ধন করে না, মিছিল করে না, সেমিনার করে না, সুষ্ঠু তদন্ত পর্যন্ত করে না। এরা এতই কপাল পোড়া যে এদের জন্য ন্যূনতম সমবেদনাটা পর্যন্ত জুটে না। একটু জোরে আহপর্যন্ত করবে নাকেউ, পাছে আবার ধর্ম অবমাননা হয়ে যায়! তখন? সাধের বেহেশত যদি চলে যায়? পাকা দাড়িওয়ালা, আজানুলম্বিত জুব্বা পরা হুজুরের বিরুদ্ধে বলে ৭০টা হুর কেউ হারাইতে চায় না। তাই প্রতিবাদ হয় নীরবে, পাপ ঢেকে রাখতে হয় ফর্মুলায়। মুসলমানের পাপ ঢেকে রাখলে কিয়ামতের দিন আল্লায় আপনার পাপ ঢেকে রাখবে, তাই এগুলা নিয়া অত আওয়াজ তুলা ঠিক না! এই, এমন করেই চলছে কাওমি মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন।

    কাওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে কিছুই লাগে না। আজকে আমার ইচ্ছা হইল আমি সরকারি একটা খাস জমি দেখে দখল করে কাওমি মাদ্রাসা দিয়া দেই? দেখি কে তুলে আমাকে? বেহেশত লোভী লোকজন পাওয়া যাবেই, তাই ছাত্রের অভাব হবে না। নিজেরা নানান পাপ করবে, একটা সন্তানকে পাঠাবে মাদ্রাসায়, তার অছিলায় চ্যালচ্যালায়া বেহেশত! এদিকে যে আসল তার আর কোন বক্তব্য নাই। সে মাদ্রাসায় থাকতে চায় না মানে হচ্ছে শয়তানের প্ররোচনায় পড়েছে! যে শিশু ধর্ষণের শিকার হয় না সেও যে পরিমাণ নির্যাতনের শিকার হয় তা লিখে বুঝানো কষ্টকর। অমানুষের মত মারে এই বাচ্চাদের। পশু মনে করে বেত চালায় এরা। এখন ডিজিটাল যুগ। তাই সমানেই সামনে আসে এমন কঠিন বেত্রাঘাতের ভিডিও। চোখে দেখা যায় না এমন সব দৃশ্য। বেহেশতের লোভে বাবা মা এগুলা দেখে না। কানা হাফেজ হয়ে আসে। কোরানে কী আছে, অর্থ কী কিছুই না জেনে ঝাড়া মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে বের হয়। বের হয়ে এদের পেশা কী? সেই বিদ্যাও শিখায় এখানেই। ধান উঠার সময় গৃহস্থের বাড়ি যায়, ধান তুলে! রাস্তার পাশে মাইক নিয়ে দান খয়রাত তুলে! উস্তাদেরা ওয়াজ করা শেখায়, ওয়াজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। এই পরম্পরা চলে আসছে, কোন পার্থক্য হয় নাই আজ পর্যন্ত। গরীব ঘরের সন্তানেরা আসে, এদের বাঁচার কোন উপায়ই রাখা হয় না এখানে। ভয়াবহ মানসিক রোগী হয়ে বেঁচে থাকে। আল্লার নামে দিয়ে দেওয়া হইছে এদেরকে। আর এরা আল্লার নামেই আকাম গুলো করে।

    এই সব কাওমি মাদ্রাসায় সবচেয়ে বেশি পড়ে কারা? গরীব এতিম বাচ্চারা। এখন একবার ভাবেন, একটু মাথাটা চুলকিয়ে চিন্তা করেন কবে আপনি শুনছেন মাদ্রাসায় ছেলে শিশু ধর্ষণ হয়েছে আর সে এতিম ছিল? মনে পড়ে? কোনদিন শুনছেন এমন ঘটনা? তার মানে কী? এতিম বাচ্চাদের কেউ ধর্ষণ করে নাই আজ পর্যন্ত? উত্তরটা চিন্তা করে কি এখন শিউরে উঠছেন? ঠিক তাই! এতিম বাচ্চাদের ধর্ষণের খবর প্রকাশই হয় না। এদেরকে নিকট আত্মীয় যারা আছে তারা দায় সারার জন্য এগুলা মাদ্রাসায় দিয়ে যায়। এদের দেখার কেউ নাই, শোনার কেউ না। এদের মত অসহায় কেউ নাই। যাদের মা বাবা আছে তারা একটা সময় ধরতে পারে যে তার বাচ্চার কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে, আদরেই হোক যেভাবেই হোক তারা শেষ পর্যন্ত ধরতে পারে। যদিও এদের মধ্যেও অনেক গল্পই প্রকাশ পায় না। আর এতিম বাচ্চাদের ক্ষেত্রে? কে প্রকাশ করবে? রক্ষক হচ্ছে ভক্ষক সেখানে, রক্ষা করবে কে? এখন একবার চিন্তা করেন তাহলে, মাদ্রাসায় নির্যাতনের শিকার শিশুর পরিমাণ কত তাহলে? কত শতাংশ প্রকাশ পায়? কত বড় একটা কুৎসিত দিক আমরা দেখেও না দেখার ভান করে দিনের পর দিন কাটিয়ে দিচ্ছি? লজ্জা ঘৃণায় বমি আসে আমার এই সব চিন্তা করলে।

    আর এগুলা করছে ধর্মের নামে! এরাই তৌহিদি জনতা। এরাই নিছক সামাজিক একটা সিনেমা সহ্য করতে পারে না, এরাই নৌকা বাইচ বন্ধ করে, গান বন্ধ করে, মাজার ভাঙে, কবর থেকে তুলে লাশ আগুন দিয়া জ্বালায় দেয়, নিজেদের রায়ে জ্যান্ত মানুষ আগুনে পুড়িয়ে মারে! আপনি একটা শব্দ করতে পারবেন না, একটা জোরাল পদক্ষেপ নিতে পারবেন না। বছরের পর বছর ধরে এরা শক্তি অর্জন করেছে। এখন মনে হয়েছে তাদের সময় তাই এখন কিছুতেই কিছু মানে না আর। পুলিশ লাইনে আক্রমণ করে কনসার্ট বন্ধ করে।

    আমি অন্য নারী নির্যাতন, ধর্ষণের প্রতিবাদের বিপক্ষে বলছি না। শুধু বলছি আপনেরা তো প্রতিবাদ করেন সেই সব ঘটনায়, মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া এই কুৎসিত ধর্ষণ সম্পর্কে কেন নীরব হয়ে জান? রামিশার ঘটনার কথা মনে আছে? বনশ্রীতে এক মাদ্রাসায় ঠিক একই দিনে ১০ বছর বয়সের শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন আব্দুল্লাহর পরিবারের কাছে? কোনদিন কোন প্রধানমন্ত্রী, কোন মন্ত্রী গিয়েছিল মাদ্রাসায় নির্যাতনের শিকার হয়েছে এমন কোন পরিবারের কাছে? এদের শোক নাই? কষ্ট নাই? আপনি কী করছেন? কোন খোঁজ জানেন কেউ সেই মামলা, আসামির কী হয়েছে? সেই তদন্ত কবে আলোর মুখ দেখবে? কেন জানেন না? কেন ওইটার প্রতিবাদ হল না? আমি রামিশার সাথে তুলনা করছি না। কিন্তু তবুও বলছি কারণ শুধু আব্দুল্লাহ না, প্রতিবারই এমনই হয়। মাদ্রাসায় বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধর্ষণের শিকার হয়, মানুষ একটু উহ আহ করে, এরপরে শেষ।

    এখন সময় হয়েছে একটা কমিশন গঠন করে এর তদন্ত করার। সারা দেশের সমস্ত মাদ্রাসাকে এই কমিশনের আওতায় এনে সত্যকে সবার সামনে আনা হোক। আমরা কতটা নিচে নামছি তা জানতে হবে আমাদের। জানা হলে, সমস্যাকে সমস্যা বলে স্বীকার করলেই তার সমাধান সম্ভব। বোস্টনের ঘটনা মনে আছে? ক্যাথলিক চার্চের ঘটনা? বিখ্যাত স্পটলাইট সিনেমা? চার্চের একজন যাজককে নিয়ে তদন্ত করে গ্লোব পত্রিকার সাংবাদিকেরা। আস্তে আস্তে বের হয়ে আসে চার্চের ভিতরে আমাদের মাদ্রাসার মত কুৎসিত কাণ্ডের গল্প। এক বোস্টন শহরেই পাওয়া যায় ৭০ জন যাজক যারা শিশুদেরকে ধর্ষণ করত। পুরো ক্যাথলিক চার্চ নেটওয়ার্কের কী অবস্থা? সেই সময় এগুলা প্রকাশ পাওয়ায় চার্চে এগুলা বন্ধ হয়। আমাদের এখানেও তাই, আগে বের করতে হবে, সমস্যাকে মোকাবেলা করতে হবে, তাহলেই সমাধান পাওয়া যাবে। না হলে যদি দেখেও না দেখার ভান করে যাই তাহলে এদের থেকে রক্ষা নাই।

    ধর্মের নামে যারা সবচেয়ে বড় অধর্ম করতে পারে তাদের হাতে ধর্মের দায়িত্ব দিয়ে কোন স্বর্গে যাইতে চান আমার জানা নাই। সম্ভবত সেই স্বর্গে আমার আর যাওয়া হবে না। এই সব ভণ্ডদের নিয়ে আপনেরাই থাইকেন সেই স্বর্গে। যতক্ষণ শ্বাস আছে ততক্ষণ এই ভণ্ডদের বিরুদ্ধে বলেই যাব।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৮৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    হোমানল  - Srimallar
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:০৫742465
  • ধর্মান্ধতা যতদিন থাকবে এ জিনিস চলবে। শুধু কিছু সংবাদ বাইরে আসে, তখন একটু সাড়া পড়ে।
    মানুষ যতদিন ধর্মান্ধ থাকবে ততদিন এই ধরণের অন‍্যায় চালাবে শয়তানেরা।
  • মুহাম্মদ সাদেকুজ্জামান শরীফ | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:১০742473
  • @. ধর্মান্ধতা তো আছেই। তবে এই ক্ষেত্রে আসলে আরও অনেক কিছুই দায়ী। এক গাদা পুলাপান এক সাথে থাকে। বড়রা পাকনা হয়ে যায় স্বাভাবিক ভাবেই। এরা মোবাইলে নানা পর্ণ দেখে। মাস্টারবেশন সম্পর্কে তীব্র ভয় দেখানো হয় এখানে। প্রচণ্ড ভাবে ট্যাবু বানায় রাখছে এগুলা। এরা করবে কী? শুরু করে এই সব আকাম। ক্যাথলিক চার্চের যে কাণ্ডটা ওইটার পিছনেও একই যুক্তি ছিল। নারী বিবর্জিত জীবন এদের, এরা করবে কী? ঝাঁপায় পড়ে শিশুদের ওপরে! খুব জোরাল সামাজিক আন্দোলন করা ছাড়া এর থেকে উত্তরণের কোন উপায় আমি দেখি না। আর এখানেই বিপদ। জোরাল তো পরে, কোন সামাজিক আন্দোলনই হচ্ছে না। এদের জন্য কোন মানববন্ধন নাই, মিটিং নাই মিছিল নাই কিচ্ছু নাই। এরা করবে কী? যাবে কার কাছে? কে বাঁচাবে এদেরকে?
  • মুহাম্মদ সাদেকুজ্জামান শরীফ | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৪০742480
  • এই পোস্টটা আমার ফেসবুকেও করেছি। সেখানে এক আল্লার বান্দা কমেন্ট করেছে -
    "এসব ইসকন থেকে ছড়ানো তথ্য ও গল্প। আর যদি হয়েও থাকে তাহলে এটাই আপনাদের চোখে পরে কেন? মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জায় কি হয় জানেন? শির*কের মত কাজকর্ম সেখানে হয়, মাদরাসায় যাই হোক শির*কের মত গুনাহ তো আর হয়না, আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করবেন শির*ক ক্ষমা করবেন না।
    আল্লাহ তাআলা শিরকে গোনাহের পরিণতি সম্পর্কে ঘোষণা করেন-إِنَّ اللّهَ لاَ يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَن يَشَاء وَمَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدِ افْتَرَى إِثْمًا عَظِيمًا ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার সঙ্গে শিরক করাকে ক্ষমা করবেন না। তবে শিরক ছাড়া অন্যান্য গোনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন। আর যে লোক আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার সাব্যস্ত করে; সে যেন অপবাদ আরোপ করে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ৪৮)"
     
    কোরানের আয়াত লিখে ডিফেন্স করছে এমন কাজের! কী দিয়ে বন্ধ করবে এই সব?
  • albert banerjee | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৪৬742489
  • অভাব আছে ক্রিটিকাল থিংকিং এ। এটাতে যত তা পর্ন ইনফ্লুয়েন্স পাওয়া যাচ্ছে তার থেকে বেশি পাওয়া যাচ্ছে ক্ষমতার দম্ভ "আমি না দেখলে এরা মরে যেত আমি এদের ভরণ পোষণ করছি তাই আমিযা খুশি করতে পারি। "
    ঠিক একইরকম একটা প্রশ্ন উঠে আসে যখন কেউ কেউ বলে "বিয়ে হয়ে গেছে তাদের মধ্যে আবার কনসেন্ট কিসের? " এক রকম মানসিকতা। এদের সরকারি ভাবে বাঁচাতে হবে জাস্ট মনে রাখতে হবে মানুষ কারো দাস নয়।
  • syandi | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৫১742493
  • মাদ্রাসা টাইপের ইন্সটিটিউশনের প্রয়োজনীয়তাটা কি? এরা মাস স্কেলে ভিক্ষাজীবি ছাড়া কিছু তো বানায় না, আধুনিক শিক্ষা দেওয়াটা তো অনেক দূরের কথা। মুশকিল হল মাদ্রাসা তুলে দিতে গেলেই কট্টর জনতা এবং ধর্মজীবি মানুষ আওয়াজ তোলে 'সরকার ধর্মের উপর আঘাত হানছে।' এদেরকে তাও ট্যাকল করা যায়। কিন্তু মুশকিল হল আমরা যাদেরকে সাধারণ জনতা বলি তাদেরকে নিয়ে। এই 'সাধারণ জনতা' জেনে বা না জেনে কট্টর জনতা এবং ধর্মজীবীদের সঙ্গে গলা মেলান। ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্মের নামে যা খুশী করা যায়।
  • albert banerjee | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:০৩742494
  • হ্যাঁ তাই তো দেকছি গোটা পৃথিবী জুড়েই দেখছি? আপনাকে দেখছি আমাকে দেখছি //মাদ্রাসা টাইপের ইন্সটিটিউশনের প্রয়োজনীয়তাটা কি?//ইটা পরের প্রশ্ন প্রথমে যা হয়েছে বা হচ্ছে বা হতে পারে তারবিরুদ্ধে কথাবলা। এইমুহূর্তে পকস দুটো একসাথে জোড়ার কোনো মানে হয় না। তাহলে মূল এজেন্ডা গুলিয়ে যায়।
  • syandi | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:৫৪742499
  • ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:০৩,
    এটা নিয়ে তো দ্বিমত নেই যে ঐ জানোয়াররূপী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। একই সঙ্গে যারা বলিষ্ঠভাবে বা ইনিয়ে-বিনিয়ে ঐ পশুগুলোর সমর্থনে কথা বলছেন সেগুলোকেও ভালভাবে সাইজ করা দরকার। তবে এগুলো লংটার্মে সেরকম এফেক্টিভ নাও হতে পারে এবং না হওয়াটাই স্বাভাবিক। আমি মাদ্রাসা তুলে দেওয়ার প্রস্তাবকে দু'হাত তুলে সমর্থন করব, কারণ ওভার দ্য লং হল এটা বেনিফিশিয়াল। খুব radical ভিউ মনে হতে পারে, কিন্তু আমি জেন্ডার সেগ্রিগ্রেটেড স্কুলও তুলে দেওয়ার পক্ষে। সিঙ্গল-সেক্স স্কুলে বাচ্ছারা অপর লিঙ্গের প্রতি একটা ভুলভাল আইডিয়া বা বলা ভাল ডিসটর্টেড ভ্যিউ নিয়ে বেড়ে ওঠে।
  • s | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:১১742506
  • গুরুটাও ইসলামোফৈব চাড্ডিদের আড়ত হয়ে গেল। শুভনন্দন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন