এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গণতন্ত্রের বিপদ এবং জোট সম্ভাবনা

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮৪ বার পঠিত
  • নব্য উদারবাদ | আরও কিছু টুকরো | নতুন সূর্যোদয় | গর্গের জামিন | স্বাধীনতার স্বাদ | সরশুনা | নতুন ফর্ম | ডবল ইঞ্জিন | নতুন মন্ত্রিসভা | ভালো বিরোধী | আরশোলারা | যাদবপুরে উচ্ছেদ | ভালো তৃণমূল | কৃষ্ণনগর | অমৃতকাল | শিক্ষার বিনির্মাণ | সাইনবোর্ড | খবর এইটুকুই | আইনের শাসন | স্থানীয় সংবাদ | কোটা | রাজধর্ম | সাত্ত্বিক খাবার | গুন্ডাদমন | ভালো ঝালমুড়ি | ডিম্মিডিয়া | বারুইপুর | বারুইপুর | জমা খরচ | গোয়ালঘরে বিভ্রান্তি | পঞ্চম বাহিনী | রাউলাট | সোনম ওয়াংচুকের অনশন | ভয় আউট ভক্তি ইন | দিল্লি ২০শে জুলাই | বালিশি সভা | বিজেপির শিরে সংক্রান্তি | মধ‍্যরাতের নাটক | ডিম্মিডিয়া বনাম রিল | ভালো মিডিয়া | ই-২০ | লেসার-ইভিল | মাস্টারস্ট্রোক | ভালো বাচ্চা | তসলিমা এবং জয় | বাঁকিপুর | ডিমে ভয় | বিরজু কেওট | "জনরোষ" চলছেই | দুবছর পর | দেশের স্বার্থ | দিমাগী নকশালরা | খারাপ ভূতেরা | ফের যাদবপুর | খাঁচার তোতারা | ফুটপাথবাসীরা | ১০০ কোটি | ৪৩% | দলবদলুরা | লাহেক আলি | আবার ঋণমকুব | এবার পুজো সনাতনী | গৈরিক আনন্দবাজার | রামবামরা | পর্যটনের লোগো | নিরিমিষ্যি পুজো | একাদশপ্রহরণধারিনী | সত্য নিকেতন | শিক্ষায় সত্যযুগ? | কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যালোচনা | জন্মদিনের মোচ্ছব | গণতন্ত্রের মোচ্ছব | রাজনীতি এখন | জনরায় ইন প্রার্থী আউট | নির্বাচন কমিশন | সব হিসেব প্রকাশ্যে | গণতন্ত্রের বিপদ
    এই পুরো এসআইআর কেলেঙ্কারিটা কিন্তু অনেক বড়, স্রেফ যেটুকু বেরোচ্ছে তা নয়। জিনিসটা শুরু হয় বিহার থেকে। ২০২৫ সালে এসআইআরের নোটিফিকেশন আসে জুনের ২৪ তারিখ। এর মোটামুটি একমাস পরে জুলাইয়ের ২৮ তারিখে আরটিআই অ্যাকটিভিস্ট অঞ্জলি ভরদ্বাজ নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি আরটিআই করে জানতে চেয়েছিলেন, এই এসআইআর এর সিদ্ধান্ত কে নিল। জবাবে তাঁকে প্রথমে একটা সার্কুলার পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যাতে এসআইআরের ঘোষণা করা হয়েছে। স্বভাবতই তিনি অ্যাপিল করেন, যার মোদ্দা বক্তব্য হল, সার্কুলার তো বুঝলাম, কিন্তু এসআইআর হবে, সিদ্ধান্তটা নিল কে? এইটাই তো মূল প্রশ্ন। জবাবে তাঁকে যেটা বলা হয়, সেটাই এই কেলেঙ্কারির শুরু। নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি অঞ্জলিকে একটা লম্বা উত্তর দেন। তার একটা অংশের হুবহু অনুবাদ এইঃ "কমিশন এখনও পর্যন্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে এসআইআর শুরু করার কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি এবং সেই জন্য এই ব্যাপারে কোনো তথ্য দেওয়া যাবেনা।"

    এটা বানানো কথা নয়। অঞ্জলির এক্স প্রোফাইলে পুরো ডকুমেন্টটাই দেওয়া আছে। যে কেউ দেখে নিতে পারেন। কিন্তু মজাটা দেখুন। এসআইআর পুরোদমে শুরু হয়ে গেল, সার্কুলার আসতে শুরু করে দিল, এর পরে বহু লোকের নাম বাদ যাবে, পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপারটা আরও বড় জায়গায় পৌঁছবে, কিন্তু এই এসআইআরের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের নয়। তাহলে প্রশ্ন হল, কে নিল সিদ্ধান্ত?

    এবার, রহস্যের দ্বিতীয় ধাপ। যদি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ফাঁস হওয়া রিপোর্ট দেখেন, দেখবেন, এর মোটামুটি তিনমাস পরে, ওই বিহার এসআইআরের মধ্যেই তিন জন কমিশনারের একজন তাঁর প্রথম নোটটা দিচ্ছেন। তারিখ অক্টোবর ২৫, ২০২৫। নোটটা কী? সংক্ষেপে, সেখানে বলা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের নামে চিঠি এবং নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে, যেগুলো কমিশনের অনুমোদিত না।

    দুটো যোগ করে কী দাঁড়াল? কমিশন এসআইআর করার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, এবং কমিশনের নামে নির্দেশ পাঠানো হচ্ছিল, যেগুলো আসলে কমিশনের নয়। কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়া, কমিশনের নির্দেশ ছাড়া এসআইআর হয়ে গেল? এত লক্ষ মানুষের নাম কাটা গেল? এত কোটি মানুষ হয়রান হলেন? দুটো সরকার বদলে গেল? কে দিল এসবের নির্দেশ? একা একক কমিশনার, না উপরের আরও বড় কোনো মাথা? আমাদের জানা নেই। তবে পুরোটা যোগ করলে, এত বড় কেলেঙ্কারি ভারতবর্ষের ইতিহাসে হয়নি। এবং একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কখনও তার সঙ্গে জড়ায়নি। নিছক পদত্যাগের দাবী তো কেলেঙ্কারির আকারের তুলনায় নেহাৎই কম।

    এখানেই কিন্তু শেষ নয়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসেরটা পরে জানা গেছেন, কিন্তু অঞ্জলি ভরদ্বাজের করা আরটিআইয়ের খবর কোনো গোপন খবর না। সব্বাই জানতেন। ওয়্যারের মতো ছোটো মিডিয়া প্রকাশও করেছিল। কিন্তু জেনে শুনেও আমাদের বৃহৎ মিডিয়ারা এসআইআরের গৌরবগাথা প্রচার করে গেছে। আমাদের ডিম্মিডিয়ার সঞ্চালক এবং প্যানেলভুক্ত চ্যানেলজীবীরা ঘাড় দুলিয়ে দুলিয়ে বলে গেছেন, এসআইআর তো হয়েই থাকে, কতবার হয়েছে। আমাদের ছাপা মিডিয়া ধুয়ো ধরেছে। নির্বাচন কমিশন এবং পরবর্তীতে কোর্ট নিযুক্ত আধিকারিকদের কাজকর্মকে তো স্বর্গের উচ্চতায় তুলে দেওয়া হয়েছিল। কোনো প্রশ্ন করা যাবেনা। আমাদের মিডিয়া নান সময় অনেক খেলা দেখিয়েছে। কিন্তু এইরকম সম্পূর্ণ জনবিরোধী একটা জিনিসকে এইভাবে প্রচার করা এই মিডিয়ার পক্ষেও অভাবনীয় একটা নিচু স্তর। চতুর্থ স্তম্ভকে নিয়েও এত বড় কেলেঙ্কারি ভারতের ইতিহাসে সম্ভবত হয়নি।

    এবং আদালত। সেখানেও বারবার উঠেছে এই প্রশ্ন। আদালতের কোথায় কতটা এক্তিয়ার, সে খুব জটিল প্রশ্ন, কিন্তু কার্যত যেটা হয়েছে, পচে যাওয়া এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মকে ব্যান্ড-এড লাগিয়ে ম্যানেজ দেবার চেষ্টা হয়েছে। আদালত-নিয়োজিত আধিকারিকদের দিয়ে এসআইআরকে কোনোমতে বৈতরণী পার করানোর চেষ্টা হয়েছে। সেটা না হওয়ায়, একজন বিচারক পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন, যে, একবার ভোট না দিতে পারলে কী হবে, পরে দেবে। এবং এখনও দুটো উপনির্বাচন বিষয়ক শুনানিতে পর্যবেক্ষণ এসেছে, এ তো দুটো উপনির্বাচন মাত্র। মানে, উপনির্বাচনের প্রক্রিয়ায় কী গোলমাল হল, তার বিচারে তাড়াহুড়োর দরকার নেই, আন্দাজ ৫% লোক সাধারণ নির্বাচনে ভোট না দিতে পারলে তেমন কী ব্যাপার। এর সঙ্গে আছে কক্রোচ সংক্রান্ত সেই বিখ্যাত উক্তি। কথাটা বলা হয়েছিল আরটিআই এবং অন্যান্য অ্যাকটিভিস্টদের সম্পর্কে। এবং মনে রাখতে হবে পুরোটারই শুরু করেছিলেন অঞ্জলি, আরটিআই দিয়েই।

    সব মিলিয়ে আদালতের দিকেও প্রশ্নচিহ্ন উঠছে। আমি তুলছিনা। লাইভ ল তে পড়লাম, দুষ্মন্ত দুবে দুদিন আগেই প্রকাশ্যে বলেছেন, "সুপ্রিম কোর্টে প্রচুর দুর্নীতিগ্রস্ত বিচারক আছেন যাঁরা ন্যায়বিচারের ক্ষতি করেছেন।" সিজেপির সৌরভ দাস দেখলাম, লম্বা একটা বক্তব্য রেখেছেন টুইটারে। পুরোটা, বাংলা অনুবাদে এরকমঃ "প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এখন হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আবেদন দাখিল করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, শেষবার যখন নাগরিকরা বিচার বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তখন কী ঘটেছিল। নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে সুপ্রিম কোর্টই নিশ্চিত করেছিল যে বাংলায় এসআইআর (SIR) যেভাবেই হোক করা হবে। যখন গণহারে ভোটার নাম বাদ দেওয়ার পরিণতি উপেক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল, তখন সেই বেঞ্চের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এক অসাধারণ মন্তব্য করেছিলেন যে, যারা ‘এবার’ ভোট দিতে পারেননি, তারা ‘পরেরবার’ ভোট দিতে পারবেন। তাঁকে কে বলবে যে, একটি সম্ভাব্য চুরি হওয়া নির্বাচনের জন্য কোনো ‘পরেরবার’ নেই? সুতরাং, যেহেতু আদালত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তাই জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে এই নতুন আবেদনগুলো তারা যতবার খুশি শুনুক। তারা যা খুশি আদেশ দিক। কিন্তু জ্ঞানেশ কুমারের জবাবদিহিতার জন্য আমাদের গণতান্ত্রিক দাবি আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে না। জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ চূড়ান্তভাবে, ভারতীয় গণতন্ত্রের মালিক কোনো নির্বাচন কমিশনার বা বিচারপতি নন। এর মালিক আমরা, জনগণ।"

    ভারতবর্ষের মানুষ এখনও আদালতকেই শেষ গতি হিসেবে ভাবে। এত কিছুর পরেও। নির্বাচন কমিশনের তো দায়বদ্ধতা বলতে কিছু বাকি নেই। চতুর্থ স্তম্ভও কী বস্তু দেখা যাচ্ছে। আদালতের প্রতিও এইভাবে আস্থা হারানোটা অশনিসংকেত।

    ওদিকে ইন্ডিয়া জোটের মিটিংএর ঠিক আগেই সুখবর। হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল জয় পেয়েছে বামপন্থী আর ভীমপন্থী জোট। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়েও হত, যদি জোটটা হত। এসআইআর থেকেই ওরা নির্বাচনের ম্যানুয়াল পেয়ে গেছে। শুরুতে ভয়-ভক্তি, শেষে গণনায় হল-ম্যানেজ এসব থাকবেই। ফলে বৃহত্তম জোট প্রয়োজন, এমন ব্যবধান প্রয়োজন, যাতে কারিকুরি করেও উল্টে দেওয়া না যায়। সেইজন্যই বৃহত্তম জোট দরকার। সেই জন্যই সিপিএমের বেবি সবাইকে চিঠি দিয়েছেন। রাহুলও উঠে পড়ে লেগেছেন। মমতা-অভিষেকও চলে গেছেন। অভিষেক অনেকগুলো সুটকেস নিয়ে নাকি অপহৃতা সীতার মতো নানা দ্বীপে ফেলতে ফেলতে আমেরিকা চলে গিয়েছিলেন শোনা গিয়েছিল। কিন্তু ডিম্মিডিয়ার মুখে ঝাঁটা মেরে আবার ফেরত এসেছেন।

    এগুলো খুবই ভালো লক্ষণ। খারাপ লক্ষণ হল ডিএমকে আর আআপ থাকছেনা। কার দোষ, কার গুণ তার মধ্যে ঢুকবনা, কিন্তু এর একটাই কারণ, নেতাদের মধ্যে তুই-বিড়াল-মুই-বিড়াল এখনও চলছে। এসআইআর নিয়ে অবাধে ভোটচুরির অভিযোগ, স্বাধীন ভারতের বৃহত্তম কেলেঙ্কারি আমরা দেখছি, গণতন্ত্র থাকবে কিনা সেই প্রশ্নই উঠে যাচ্ছে, কিন্তু তার মধ্যেও নেতারা যদি "ও যদি আমার টিফিনের ভাগটা খেয়ে নেয়" বলে মন-কষাকষি বা মুদির দোকানের মতো হিসেব-নিকেশ না থামান, তো এ জিনিস চলবেই। এটা প্রত্যক্ষ প্রমাণ, যে, বিজেপির বিপদটা এখনও, মুখে ফ্যাসিবাদ, ভোটচুরি এইসব বললেও, সবাই বুঝে উঠতে পারেননি।

    পশ্চিমবঙ্গে এটা আরও বেশি দেখা যাচ্ছে। ইউটিউবার দীপক ব্যাপারী গ্রেপ্তার হয়েছে একদিন হয়ে গেল। আমরা দু-চারজন মুখ খুলেছি, কিন্তু আর কোত্থাও কিছু নেই। আজ থেকে বছর চোদ্দ আগে অম্বিকেশ মহাপাত্র গ্রেপ্তার হবার কথাটা ভেবে দেখুন। নিন্দের, প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। আর এখন তো প্রতিনিয়ত গ্রেপ্তার হয়ে চলেছে। গর্গ থেকে শুরু করে কটা হল, হিসেব রাখাই ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু ঝড় ছেড়ে দিন, মৃদুমন্দ সমীরণও নেই। তৃণমূল কিংবা সিপিএমের কোনো প্রথম সারির নেতা কিচ্ছু বলেননি। প্রতিবাদী নাগরিক সমাজ মুখে রুমাল বেঁধে আছে। হ্যাঁ, অনেকেই হয়তো দীপকের চ্যানেল দেখেননি, কিন্তু তাতে কী। অম্বিকেশ মহাপাত্রকে চিনতেন কটা লোক, চোদ্দ বছর আগে? নাকি ডিম্মিডিয়া বলে না দিলে প্রতিবাদ করা যায়না?

    প্রতিবাদ ছাড়ুন, স্রেফ খবর ছড়ানোতেও এই মনোবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি টানা। কালই আইএসএফ একটা বিরাট বড় মিছিল করেছে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে, কলকাতা শহরে। কোনো খবর নেই সমাজমাধ্যমে। এই খবরটা ছড়ালে কেউ আইএসএফ সমর্থক হয়ে যায় না, কারণ আপনি বিষয়টার পক্ষে, দলটার নয়। তবুও নেই। এ তো তবু অন্যের দল। নিজের দলেরই খবর নেই। সিপিআই প্রার্থী মার খেলেন নন্দীগ্রামে, কোথায় হইচই। বেহালায় সিপিএমের উপর হামলা হয়েছে জানতেই পারিনি। তৃণমূলের মহিলা কর্মীদের বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয়েছে এই কদিন আগে। প্রায় কেউই জানেন না।

    এ তো কটা মাত্র। এইই চলছে টানা। এই পাঁচমাসে কজন বিরোধী নেতা আক্রান্ত হলেন, পুলিশ হেফাজতে কটা মৃত্যু হল, কটা ধর্ষণ হল হিসেব ছেড়ে দিয়েছি, লাঞ্ছনা-নিগ্রহ বাদই দিন। বারুইপুর কান্ডে, কী হল? লাহেক আলি গ্রেপ্তার হলেন, ছাড়া পেলেন, একটা এনকাউন্টার হল, সুবিচার হয়ে গেল? অথচ এই দলগুলো, নাগরিক সমাজ, হইচই করতে পারেনা তা তো নয়। তাই একটা কথাই বলব, পক্ষ বিচার না করে খবরগুলো অন্তত ছড়ান। একজোট হয়ে অন্তত নিন্দের বার্তাটা দেওয়া উচিত। এবং এইটার শুরু কর উচিত সর্বভারতীয় মঞ্চ থেকেই। রাহুল, বেবি, মমতা, দীপঙ্কর একজোট হয়ে, হাতে হাত ধরে, স্পষ্ট করে লড়াইয়ের বার্তাটা দিন আজ, এইটাই চাইব।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    নব্য উদারবাদ | আরও কিছু টুকরো | নতুন সূর্যোদয় | গর্গের জামিন | স্বাধীনতার স্বাদ | সরশুনা | নতুন ফর্ম | ডবল ইঞ্জিন | নতুন মন্ত্রিসভা | ভালো বিরোধী | আরশোলারা | যাদবপুরে উচ্ছেদ | ভালো তৃণমূল | কৃষ্ণনগর | অমৃতকাল | শিক্ষার বিনির্মাণ | সাইনবোর্ড | খবর এইটুকুই | আইনের শাসন | স্থানীয় সংবাদ | কোটা | রাজধর্ম | সাত্ত্বিক খাবার | গুন্ডাদমন | ভালো ঝালমুড়ি | ডিম্মিডিয়া | বারুইপুর | বারুইপুর | জমা খরচ | গোয়ালঘরে বিভ্রান্তি | পঞ্চম বাহিনী | রাউলাট | সোনম ওয়াংচুকের অনশন | ভয় আউট ভক্তি ইন | দিল্লি ২০শে জুলাই | বালিশি সভা | বিজেপির শিরে সংক্রান্তি | মধ‍্যরাতের নাটক | ডিম্মিডিয়া বনাম রিল | ভালো মিডিয়া | ই-২০ | লেসার-ইভিল | মাস্টারস্ট্রোক | ভালো বাচ্চা | তসলিমা এবং জয় | বাঁকিপুর | ডিমে ভয় | বিরজু কেওট | "জনরোষ" চলছেই | দুবছর পর | দেশের স্বার্থ | দিমাগী নকশালরা | খারাপ ভূতেরা | ফের যাদবপুর | খাঁচার তোতারা | ফুটপাথবাসীরা | ১০০ কোটি | ৪৩% | দলবদলুরা | লাহেক আলি | আবার ঋণমকুব | এবার পুজো সনাতনী | গৈরিক আনন্দবাজার | রামবামরা | পর্যটনের লোগো | নিরিমিষ্যি পুজো | একাদশপ্রহরণধারিনী | সত্য নিকেতন | শিক্ষায় সত্যযুগ? | কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যালোচনা | জন্মদিনের মোচ্ছব | গণতন্ত্রের মোচ্ছব | রাজনীতি এখন | জনরায় ইন প্রার্থী আউট | নির্বাচন কমিশন | সব হিসেব প্রকাশ্যে | গণতন্ত্রের বিপদ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তরমুজ | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৪৮742896
  • এখন বিজেপির বিরোধী হিসাবে বাম, তৃণমূল মত দলগুলি কংগ্রেসের পাশে দাড়াচ্ছে বৃহত্তর জোটের স্বার্থে। কারন কোন রাজ্যেই তারা ক্ষমতায় নেই। এবং বিরোধীর আসনটা আস্তে আস্তে কংগ্রেস একচ্ছত্রভাবে দখল করছে তাই। এর আগে যখন তাদের সরকার ছিল তখনকার কথা ভেবে দেখুন, মমতা বলেছিলেন কংগ্রেস পচা ডোবা। বিজয়ন বলেছিলেন কংগ্রেস স্বৈরাচারীদের দল। এবং তারাই জোট হতে দেননি। কংগ্রেসের অবস্থান সবদিন একই ছিল। .... আপনার বিজেপি বিরোধিতা সম্পর্কে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু বাম, তৃণমূল সরকারে থাকার সময় আপনিও বারংবার আঞ্চলিকতার পক্ষে সওয়াল করেছেন। তাহলে এখন কেন মনে হচ্ছে যে সর্বভারতীয় স্তর থেকেই বিরোধিতা হওয়া উচিৎ? হতে পারে এটা সময়ের প্রয়োজন। কিন্তু কংগ্রেসের ঔদর্য্য কিন্তু স্বীকার করতেই হবে। কংগ্রেস ছাড়া গতি নেই।
  • কৌতূহলী | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:১৩742898
  • @তরমুজ
    যখন ধর্মীয় ফ্যাসিস্ট রাইট উইং দল ভার্সেস লিবারেল সেন্ট্রিস্ট দলের দ্বন্দ্ব আসে, তখন দ্বিতীয়টার পক্ষ নিতেই হবে। সৈকতবাবু সেটা নিয়ে ঠিকই করেছেন। আমার ধারণা, কংগ্রেস সরকার গড়ে ফেডেরাল স্ট্রাকচার ধ্বংসের পথে গেলে সৈকতবাবু তারও বিপক্ষে থাকবেন।
  • তরমুজ | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:১৯742899
  • @কৌতুহলী, মনে করুন রাজ্যে বিজেপি। কেন্দ্রে কংগ্রেস। সেই জায়গায় যদি কংগ্রেস ফেডারাল স্ট্রাকচার ভাঙে সেই জায়গায় আপনার কী মত? বিজেপি বা জনসংঘ তো আগে আঞ্চলিক দলই ছিল। যখন কংগ্রেস কেন্দ্রে ছিল।
  • কৌতূহলী | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:২৮742900
  • সেক্ষেত্রে বিজেপি জনসংঘকে বাদ দিয়ে কেন্দ্রবিরোধী অবস্থানে যেতে হবে। ধর্মীয় ফ্যাসিস্টদের সাথে কোন আপোষ না
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন।