ওরে বাবা! কী করুণ চেষ্টা!
ইতিহাসের পিন্ডদান।
১ প্যাটেল মারা যান ১৯৪৮ সালে। প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৫২ সালে।
২ প্যাটেল ব্যান করেছিলেন আর এস এস কে।
৩ যে তিরিশ লক্ষ লোক ভোটার লিস্টের বাইরে সব বাংলাদেশি?
৪ সুপ্রীম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং প্রাক্তন চিফ ইলেকশন কমিশনার, প্রাক্তন আইন মন্ত্রী, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী সিং--সবাই আঙুল তুলেছেন। কোথায় আইন ভাঙা হয়েছে সেটা বলছেন।
৫ সুভাষ চন্দ্র বসু আই এন এ গঠন করে গান্ধীজির আশীর্বাদ চেয়েছিলেন। গান্ধী ব্রিগ্রেড, নেহেরু ব্রিগ্রেড, আজাদ ব্রিগ্রেড বানিয়েছিলেন-- সাভারকর ব্রিগ্রেড নয়।
৬ গান্ধীজিকে 'জাতির জনক' আখ্যা দিয়েছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করার পর।
৬ সাভারকর জেল থেকে ছাড়া পাবার আগে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ছাড়া পেলে কখনও ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে কোন সশস্ত্র বিপ্লবের চেষ্টা করবেন না। সেটা বাকি জীবন নিষ্ঠার সংগে পালন করেছেন।
৭ শ্যামাপ্রসাদ সর্বভারতীয় সম্মেলনে হিন্দু মহাসভাকে একটা পর্যায়ে কুইট ইন্ডিয়া আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তাব রাখলেন। বললেন-- সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশের বিরুদ্ধে এত বড় গণ আন্দোলন এদেশে হয় নি।
সাভারকর ও মুঞ্জের বিরোধিতায় প্রস্তাব খারিজ হোল।
৮ সুভাষ চন্দ্র তাঁর লেখায় ও জার্মানি থেকে বেতার ভাষণে বললেন-- দেশের ভেতর থেকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্যে তাঁ দেয়া প্রস্তাব নাকচ করেছেন দু'জন--জিন্না ও সাভারকর।
৯ সাভারকর বড়লাটের সংগে পত্র লিখে, টেলিগ্রাম পাঠিয়ে এবং প্রতিইধি পাঠিয়ে কথা দিলেন যে মহাযুদ্ধে হিন্দু মহাসভা সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।