এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫৩742963
  • গত কাল দিল্লিতে I N D I A জোট ভুক্ত দলগুলোর একটা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই বৈঠকে মাত্র তিন জন বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন, মল্লিকার্জুন খড়গে রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিজেপিকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখছিলেন তখন সভায় উপস্থিত সোনিয়া গান্ধী বারবার টেবিল চাপড়ে মমতার বক্তব্যকে সমর্থন করছিলেন এবং বক্তব্য শেষ হওয়ার পর সোনিয়া গান্ধী মমতার কাঁধে হাতও রাখেন।
    এই পর্যন্ত পড়ে এটা ভাবা স্বাভাবিক যে জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দূঃসময়ে তার এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসের সাথেই রয়েছে। জাতীয় কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী রাহুল গান্ধী মল্লিকার্জুন খড়গেরা রাজনীতি সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান কর্মপদ্ধতি ও ধূর্ততাকে বুঝতে পারছেন না এমনটা ভাবা কখনোই সঙ্গত নয়। তারা সবাই রাজনীতিতে দীর্ঘ দিনের পোড় খাওয়া নেতৃত্ব। তাদের এই অবস্থানের পিছনে নিশ্চয়ই কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। তা সত্ত্বেও আমার এই ব্যাপারে কিছু বলার আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই যে হঠাৎ করে ইন্ডিয়া জোট সম্পর্কে অতিমাত্রায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে তার একমাত্র কারণ মমতা এখন ইন্ডিয়া জোটকে ধরে রাজনীতিতে ভেসে থাকতে চাইছে। এছাড়া মমতার সামনে বর্তমানে আর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। কিন্তু সত্যিই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির কাছ থেকে একেবারে নিজেকে এবং তার দলকে দূরে সরিয়ে নিয়ে এসেছে। আমি অন্তত তা মনে করি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে কোনদিনই বিজেপির সাথে সমস্ত সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলা সম্ভব নয়, অন্তত বিজেপি যতোদিন কেন্দ্রে ও রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। যে মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সত্যিকার অর্থে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করবে তৎক্ষণাৎ ইডি সিবিআইয়ের খপ্পরে তাকে এবং তার ভাইপোকে পড়তে হবে। এই সহজ সরল সত্যিটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন জানেন তার ভাইপোও তা জানে। আবার বিজেপিও মুখে যতই তৃণমূল বিরোধীতা করুক না কেন তারাও কোন দিন অল আউট মমতার বা অভিষেকের বিরোধিতা করবে না। যদি বিজেপি সত্যি সত্যি মমতার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে চায়তো তাহলে এতদিন মমতা ও অভিষেকের জায়গা হতো তিহার জেলে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে যে গোপন বোঝাপড়া আছে তা সম্ভবত বিজেপির রাজ্য নেতারাও পুরোপুরি জানেন না।
    অতি সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে তৃণমূলের যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দেড় হাজার পাতার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। এই চার্জশীটে অভিযোগ করা হয়েছে যে বাগুইহাটি ও কেষ্টপুর এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে দশ কোটি টাকা তোলা আদায় করা হয়েছিল।প্রথমে ওই টাকা তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।পরবর্তীতে দেবরাজের ব্যক্তিগত স্বাক্ষরের মাধ্যমে সেই বিপুল পরিমাণ টাকা স্থানান্তরিত করা হয় লিপস্ অ্যান্ড বাউন্স কোম্পানির অ্যাকাউন্টে। এই লিপস্ অ্যান্ড বাউন্স কোম্পানি সম্পর্কে যারা খবর রাখেন তারা সবাই জানেন যে এই ভুয়ো কোম্পানিটি হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক কোম্পানি, কালো টাকা সাদা করার একটি মিডল পয়েন্ট। এই কোম্পানির দুই জন ডিরেক্টর হচ্ছে মমতার দাদা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং তার স্ত্রী লতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যে কোম্পানিতে বিপুল পরিমাণ Extortion (জুলুমবাজীর)করে আদায়কৃত টাকা ঢূকলো সেই কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর পরেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি বিরোধিতার মধ্যে কোন খাদ নেই এবং তিনি আন্তরিকভাবেই চান ফ্যাসিবাদী বিজেপির পতন হোক।
     
    কয়েকদিনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরে উপনির্বাচন হতে চলেছে | এখানেও লক্ষ্য করলে দেখবেন দুই দলের কতো ঘনিষ্ঠ বোঝাপড়া রয়েছে | নন্দীগ্রামে হিন্দু ভোটারের সংখ্যা বেশি | তৃণমূল প্রার্থী দিলে হিন্দু ভোটের একটা বড় অংশ যেহেতু তাদের দিকে চলে যেতো তাই বিজেপির সুবিধা করে দেবার জন্যে তৃণমূল নাটক করে প্রার্থী তুলে নিল | আবার রেজিনগরে মুসলিম ভোটার বেশি | মুসলিম ভোটাররা অনেকগুলো দলের মধ্যে ভাগ হয়ে গেলে বিজেপির সুবিধা | তাই রেজিনগরে তৃণমূলের প্রার্থী থেকে গেল |
     
    আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিজেপির উত্থান তৃণমূলের পতন পরবর্তীতে তৃণমূলের টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া এই সব কিছুই হয়েছে এক আগে থেকে ঠিক করে রাখা এক নাটকের প্লট অনুযায়ী |
     
    কালিদাস ঘোষ
    জলপাইগুড়ি
    ০২ ১০ ২০২৬
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:১৯742967
  • সৈকত বাবুর মতে, "এই জন্যই বাংলায় চাই সর্বাত্মক ঐক্য। কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে। আগে অ্যাজেন্ডায় একমত হতে হবে, যে, যা চলছে, সেটা গণতন্ত্র না।"
     
    এই বিষয়ে আরো এক ভিন্ন মতামত ও নীচে পেশ হইলো।
    জ্ঞানেশ মডেল ভার্সাস ডায়মণ্ড হার্বার মডেল বিষয়ে বাংলার জনগনের ঐক্য তো গুহায় নিহিত।
    অবশ্য সৈকত বাবু নির্দেশিত "কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে" পথ ধরে সন্দেশখালির শাহজাহান বা ভাঙড়ের পুষ্পা ইত্যাদির পক্ষে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন বিবেচ্য।
     
     
     
  • Ranjan Roy | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:২৭742969
  • ওরে বাবা! কী করুণ চেষ্টা!
     
    ইতিহাসের পিন্ডদান।
     
    ১ প্যাটেল মারা যান ১৯৪৮ সালে। প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৫২ সালে।
    ২ প্যাটেল ব্যান করেছিলেন আর এস এস কে।
    ৩ যে তিরিশ লক্ষ লোক ভোটার লিস্টের বাইরে সব বাংলাদেশি?
    ৪ সুপ্রীম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং প্রাক্তন চিফ ইলেকশন কমিশনার, প্রাক্তন আইন মন্ত্রী, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী সিং--সবাই আঙুল তুলেছেন। কোথায় আইন ভাঙা হয়েছে সেটা বলছেন।
    ৫ সুভাষ চন্দ্র বসু আই এন এ গঠন করে গান্ধীজির আশীর্বাদ চেয়েছিলেন। গান্ধী ব্রিগ্রেড, নেহেরু ব্রিগ্রেড, আজাদ ব্রিগ্রেড বানিয়েছিলেন-- সাভারকর ব্রিগ্রেড নয়।
    ৬ গান্ধীজিকে 'জাতির জনক' আখ্যা দিয়েছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করার পর।
    ৬ সাভারকর জেল থেকে ছাড়া পাবার আগে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ছাড়া পেলে কখনও ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে কোন সশস্ত্র বিপ্লবের চেষ্টা করবেন না। সেটা বাকি জীবন নিষ্ঠার সংগে পালন করেছেন।
    ৭ শ্যামাপ্রসাদ সর্বভারতীয় সম্মেলনে হিন্দু মহাসভাকে একটা পর্যায়ে কুইট ইন্ডিয়া আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তাব রাখলেন। বললেন-- সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশের বিরুদ্ধে এত বড় গণ আন্দোলন এদেশে হয় নি।
    সাভারকর ও মুঞ্জের বিরোধিতায় প্রস্তাব খারিজ হোল।
    ৮ সুভাষ চন্দ্র তাঁর লেখায় ও জার্মানি থেকে বেতার ভাষণে বললেন-- দেশের ভেতর থেকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্যে তাঁ দেয়া প্রস্তাব নাকচ করেছেন দু'জন--জিন্না ও সাভারকর।
    ৯ সাভারকর বড়লাটের সংগে পত্র লিখে, টেলিগ্রাম পাঠিয়ে এবং প্রতিইধি পাঠিয়ে কথা দিলেন যে মহাযুদ্ধে হিন্দু মহাসভা সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
  • Ranjan Roy | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩০742970
  • উপরের বক্তব্যটি সত্যেন্দু বাবুর পাঠানো অন্যমতের ভিডিও দেখে।
     
    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস কোথাও বলেনি যে রিতিকা চোপড়ার রিপোর্ট ভুল এবং তার জন্যে পত্রিকা ক্ষমাপ্রার্থী। উলটে ওই বিষয়ে পত্রিকাটি ওই রিতিকা চোপড়ারই আরও রিপোর্ট পাবলিশ করেছে।
  • দীপ | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩৪742971
  • এবার কোয়েল মল্লিক ভালো তৃণমূল হয়েছেন!
    বাবা ও মেয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে যথেষ্ট খ্যাতি ও সম্মান পেয়েছেন; এখন এসব না করলেই পারতেন!
    একেবারেই ভালো লাগছেনা!
     
    তবে মুকুল রায় যে সাক্ষাৎ সত্যদ্রষ্টা মহর্ষি; এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন।