এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বাংলাদেশ সমাচার - ১৭ 

    bikarna লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ২৩৯ বার পঠিত
  • দেশে এখন আলোচিত ঘটনা বেশ কয়েকটা। এক নাম্বার তারেক রহমানের ফিরে আসা। দুই নাম্বার হচ্ছে হাদি হত্যার বিচার চেয়ে শাহবাগ দখল করে বসেছে ইনকিলাব মঞ্চ। আর সবার চোখের মনি শিশু কিশোরদের প্রাণের দল এনসিপির জামাতের জোটে অংশ নেওয়া! সব গুলাই এত দারুণ বিষয় যে মনে হয় বাধাই করে রাখি মুহূর্তটাকে। এগুলার বাহিরে আরেকটা ঘটনাও ঘটছে, কেরানীগঞ্জে এক মাদ্রাসা বিস্ফোরণে উড়ে গেছে। খবরে প্রকাশ বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে। দারুণ না? 

    অবশেষে তারেক রহমান দেশে ফিরলেন। এবং প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া গেল মানুষের ভিতরে। এইটা আগে আসলেও হত। এইটা লীগের আমলে আসলেও হত। জেলে দিত? দিলেও প্রচণ্ড চাপে থাকত সরকার। সব কিছু যত সহজে করতে পেরেছে তা করতে পারত না। কিন্তু রাজপুত্র ঝুঁকি নিতে রাজি ছিলেন না। লীগের পতনের পরেও তিনি আসতে সাহস পান নাই। শোনা যাচ্ছে ভারতের সাথে যোগাযোগ করেই তিনি আসছেন। কিন্তু আমি এই তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। কারণ আমার মনে হয় না ভারত তারেক রহমানকে এত সহজে বিশ্বাস করবে। আর এখন দেশে ভারতীয় প্রভাব কতখানি আছে ওইটা নিয়েও সন্দেহ আছে আমার। যাই হোক, তিনি আসলেন। 

    বিমানবন্দরে নেমে মাটিতে খালি পায়ে হাঁটলেন, মাটি ছুঁয়ে দেখলেন। বিশাল জন সমুদ্র তাকে লীগের ক্রাউন প্রজেক্টের একটা তিনশ ফিট এক্সপ্রেস ওয়েতে তাকে বক্তব্য দিতে দেখল। তারেক রহমান ভবিষ্যতের নানা কথা বললেন, তার পরিকল্পনা আছে বললেন। হাদির কথা বললেন। অথচ সম সাময়িক সময়ে নৃশংসভাবে খুন হওয়া দিপুর কথা ভুলে গেলেন। তারেক রহমান সাথে করে তার স্ত্রী আর কন্যাকে নিয়ে আসছেন। আর আসছে তার বিলাই জেবু! এই বিড়াল একাই হাদিকে নিয়ে যে আলাপ সালাপ হচ্ছে তা খেয়ে দিছে। তারেক রহমানের কথা তো বলা বাহুল্যই। হুট করেই মনে হচ্ছে জামাত এতদিন যতদূর এগিয়েছিল তা এক ঝটকায় নাই হয়ে গেছে। জামাতকে এখন আর বিশাল কিছু মনে হচ্ছে না। অতি ক্ষুদ্র কিছু একটা কিছু মনে হচ্ছে। বিএনপি এক লাফে অনেকখানি এগিয়ে গেল, কোন সন্দেহ নাই তাতে। 

    কিন্তু প্রশ্ন তো কিছু থেকেই যায় এরপরেও। আচ্ছা তারেক রহমান ফিরল দেখে এত আয়োজন, গেছিল যেন কেন? লীগ নির্বাসন দিছিল? না। ওয়ান ইলিভেন সরকার তাকে বিদেশ পাঠায়, তারেক রহমান জীবনে আর রাজনীতি করবে না এমন একটা মুচলেকা দিয়ে দেশ ছাড়েন। তখনকার ভিডিও ক্লিপ গুলোতে দেখা যায় আর্মির চরম পিটুনি খেয়ে কাতরাতে কাতরাতে দেশ ছাড়ছেন তিনি। আমি শতভাগ নিশয়তা দিয়ে বলতে পারি তখনকার সাধারণ জনগণ তেমন আপত্তিও করে নাই এই কাণ্ডে। ২০০১ সালের বিএনপি জামাত সরকার এমই মধুর ছিল যে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছিল। সেই শাসনের মূল কারিগর ছিল তারেক। করে নাই এমন কিছু ছিল না তখন। ২১ আগস্ট তো আছেই সাথে আছে ৬৪ জেলায় বোমা হামলার মত ঘটনা। আছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিকে নষ্ট করার মত কাজ। আছে নিজের বন্ধু গিয়াস আল মামুনের সাথে মিলে সরকারের নানা কাজের পারসেন্টেজ খাওয়ার কাজ। তার নামই ১০% হয়ে গেছিল তখন। বিদ্যুৎ দেওয়ার মুরদ ছিল না দেশ জুড়ে খাম্বার পুতে রেখেছিল তারেক। খাম্বা বানানো সহজ, বিদ্যুৎ বানানো সহজ না। তাই খাম্বা দিয়েই পকেটে টাকা তুলেছিল। ডান্ডি ডাইং নামের কোম্পানি দিয়ে পুলিশের পোশাক বদল করে সেখান থেকেও কোটি কোটি টাকা কামাই করে নিয়েছে। সিএনজি চালিত অটো রিকশা আমদানি করেছে তারা, ৬০ হাজারের জিনিস তিন লাখ করে বিক্রি করছে এই মহান নেতা। এমন শত শত কাণ্ড করে মানুষের মনে বীতশ্রদ্ধ হয়ে গেছিল মানুষ। তাই সেই সময় তারেকের মার খাওয়া চেহারা, দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া জনমানুষের মনে বিন্দুমাত্র রেখাপাত করে নাই। আমার মনে আছে খালেদা জিয়ার কান্নারত ভিডিওর, সেখানে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলতেছিলেন তারেককে চলে দিতে দেওয়া হোক, ও আর রাজনীতি করবে না! ওইটা দেখে খারাপ লাগছিল যে একজন মা এত ক্ষমতাধারী ছিলেন কিছুদিন আগেই তিনিই এখন পুত্রের জন্য সব ছেড়ে মানুষের কাছে আবদার করছেন যেন তাকে দেশ ছাড়তে দেওয়া হয়! এগুলা এমন কোন অতীতের ঘটনা না যে আমরা ভুলে যাব। সব মনে আছে। 

    সব পত্রিকা নিউজ চ্যানেলেও আছে। আজকে মবের শিকার হয়ে যে প্রথম আলো গোষ্ঠী তারেক স্তুতি গাওয়া শুরু করছে তারা কি পরিমাণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল তারেককে নিয়ে? অজস্র। মতিউর রহমানের কলাম আছে অনেক গুলো যেখানে তারেককের দুর্নীতির জন্য তারেকের সাজা হওয়া উচিত তা সরাসরি বলেছেন তিনি। এখানে মনে রাখতে হবে ওয়ান ইলেভেনের যে সরকার তা আসলে ছায়া প্রথম আলো সরাকর ছিল। এমনও শোনা গেছে যে রাষ্ট্রীয় নানা ঘোষণা প্রথম আলো থেকে লিখিত হয়ে যেত। সে যাই হোক, এগুলা সব ডকুমেন্টেশন হয়ে আছে। এগুলা সব অস্বীকার করবে মানুষ? কিন্তু এইটাও সত্য! মানুষ, বাংলাদেশের মানুষ এখন এক আজব সময় পার করছে। বেদুম মারামারির মধ্যে একটু প্রশান্তির জায়গা দেখলে সেখানেই ইমান আনার জন্য তৈরি হয়ে আছে। প্রশ্ন হচ্ছে তারেক রহমান কি মানুষকে সেই জায়গাটা দিতে পারবে? তার দলের লোকজনের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ মানুষকে তিনি মুক্তি দিতে পারবে? তিনি নিজে কি নিজেকে পরিবর্তন করেছেন? তিনি কি ভারত বিরোধী মনোভাব থেকে বের হয়ে আসছেন? তিনি কি তার পাকিস্তান প্রেম থেকে বের হয়ে আসতে পারছেন? তিনি কি আগের সব দুর্নীতির নীতি ত্যাগ করে গণ মানুষের নেতা হতে পারবেন? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর সামনে পাওয়া যাবে তার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা। 

    হাদি ছিল চরম মাত্রায় মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একজন মানুষ। গণ জাগরণ মঞ্চ নিয়ে তার ছিল প্রবল আপত্তি। তাই সে শাহবাগেই ইনকিলাব মঞ্চ বানিয়েছিলেন। অল্প কিছু মানুষজন বসে থাকত। এখন তার মৃত্যুর পরে ইনকিলাব মঞ্চকে আবার জাগিয়ে তোলা হয়েছে। তারেক রহমান আসায় এমনেই সব নজর চলে গেছে একদিকে। তাই তাদের জন্য এমন একটা কাজ করা ছাড়া বিকল্প কিছু ছিল না। তারা সেখানে বসে গেছে। দাবি হচ্ছে হাদি হত্যার বিচার চায়! খুব ভালো। কার কাছে চায়? সরকারে তাদেরই লোক, যমুনায় যা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ধর কিন্তু তা না করে তারা বসে আছে শাহবাগে। ঠিক ১৩ সালের মত। ওই পরাজয়ের ধাক্কা তাদের এতদিন পুড়িয়েছে। তাই কিছু হলেই ওই সময়ের শোধ নেওয়ার চেষ্টা ওরে যায় ওরা। এখানেও তাই হচ্ছে। অন্য একটা দিক আছে এর। এরা এমন করে বসে থাকলে সামনে এখানে একটা বড় ঘটনা ঘটলে বা কেউ যদি ঘটায় তাহলে কী হবে? সাধের নির্বাচন নিয়ে টান দিবে না তো? এমনেই আমার দেশের মাহমুদুর রহমান বলতেছে হাদিই নাই নির্বাচন করে কী হবে! এইটা দিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হবে না তো? এইটাও বুঝতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। মজার বিষয় হচ্ছে এরাই এক সময় শাহবাগে নারী পুরুষ মিলে রাতে থাকে, নানা অনৈতিক কাজ হয় এমন রব তুলত। তারা এবং তাদের যে সহযোগীরা এখন কেন যেন তাদের নারী পুরুষদের এখন এই শীতের মধ্যে রাত কাটানো নিয়ে কোন আওয়াজ নাই। এইটা মাহরাম নিয়ে হালাল তরিকায় রাত্রিযাপন হচ্ছে সম্ভত! 

    ইনকিলাব মঞ্চের খেলা শেষ হয় নাই। দৈনিক তারা ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ব্লক করে বসে যাচ্ছে। হাদির নামে সব জায়েজ। তাই কেউ কিচ্ছু বলছে না। উত্তরা রাস্তা ব্লক করে রাখায় আমার দুই ভাগ্নি বাড়ি আসতেছিল। ওরা ছিল আন্তঃজেলা বাসে। কিন্তু লাভ নাই, বসে থাকতে হয়েছে এক জায়গায় ৫/৬ ঘণ্টা! রাত আটটার পরে তারা রাস্তা ছাড়ে, এরপরে ওদের বাস যেতে পারে। এখানেই শেষ না, এরপরের দিন আবার তারা একই জায়গায় রাস্তা আটকিয়ে বসে পরে। কতজন? খুব বেশি হলে দেড় দুইশ হবে। কিন্তু কিছু করার নাই। কেউ বলার নাই যে প্রধান সড়ক বন্ধ করে এমন করে আন্দোলন করা যাবে না। আমার ধারণা ইনকিলাব মঞ্চ সামনে একটা বড় ক্যাচাল লাগাবে। কেউ যদি এখানে একটা বড় গণ্ডগোল করে ফেলে তাহলেই এটাকে ইস্যু করে দুর্বার আন্দোলনের ডাক দিবে ওরা। ওরা যে পারে তার প্রমাণ ওরা দিয়েছে প্রথম আলো ডেইলি স্টার, ছায়ানট পুড়িয়ে দিয়ে। আবার যে তেমন করবে না তার কোন ভরসা নাই। তেমন কিছুর জন্যই এদেরকে রেখে দেওয়া হয়েছে। জায়গামত ইশারা আসলেই এরা রাস্তা আটকিয়ে রাখা থেকে সামনে আগাবে, বড় কিছু করে বসবে। নির্বাচন বানচালের চালও হয়ত দেখা যাবে এই তরিকায়। 

    সবচেয়ে দারুণ হচ্ছে এনসিপির জামাতের সাথে জোটে যাওয়ার বিষয়টা। মোটামুটি সবার কাছে খোলাখুলিই ছিল যে এনসিপি হচ্ছে জামাতের বি টিম। জামাতের সভায় গিয়ে এনসিপির নেতারা কান্নাকাটি করে আসছে, এমন আমরা দেখছি। রাজাকারদের মৃত্যুর জন্য হিক্কা তুলে কাঁদছে হাসনাত, সারজিসরা। তারপরেও মানুষ এখন দেখি খুব অবাক হচ্ছে। এইটা ক্যামনে হল বলে প্রশ্ন তুলছে! বাম কিছু অতি পাকনা আছে। তারা দেখি আরও অবাক। তাদের সাথে নাকি প্রতারণা করল এনসিপি! বাপরে! এই ঘিলু নিয়ে রাজনীতি করলে বিপদ না? 

    মজা শেষ হয় নাই। এনসিপির ভিতরে এই জোট মেনে নিতে পারে নাই অনেকেই। মানে এমনটা তারা দাবি করছে। তাসনিম যারা, তাজনুভার মত নেত্রীরা পদত্যাগ করেছে। তাসনিম জারা স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে। এরা দুইজনই আবার এনসিপি থেকে নির্বাচন করবে দেখে মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। মানে এর আগে তারা ফেসবুক পোস্ট দিয়ে নির্বাচনের জন্য টাকা চেয়েছে। এবং অল্প সময়েই ৫০ লাখ টাকা তুলে ফেলেছিল। জারা বলেছে সে টাকা ফেরত দিবে যদি কেউ ফেরত চায়। তাজনুভা সময় চেয়েছে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য। অন্যদিকে বিখ্যাত মাস্টার মাইন্ড মাহফুজ এনসিপিতে যোগ দিবে না বলে জানিয়েছে। তার পোস্ট দেখে মনে হয়েছে সে নিজেই একটা দল বানাতে পারে। আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করবে। 

    এ টু জেড আমার কাছে পাতানো ম্যাচ মনে হয় কেন জানি। আমি এক বিন্দু বিশ্বাস করি না এইসবের কিছু। আড়ালে কি হচ্ছে তা সামনে হয়ত পরিষ্কার হবে। এখন জা বুঝি এগুলা সব ফিক্সিং করা ম্যাচ। কে কই যাবে, কেন যাবে সবই হিসাবের খেলা। এমন কী তারেক রহমানের আগমন পর্যন্ত হয়ত সুচারু পরিকল্পনার অংশ। যে দল কোনদিন আসন পায় নাই বিশটা তারা ত্রিশটা আসন ছেড়ে দিচ্ছে আরেক খোকা খুকির দলকে! আবার শোনা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর পদ নাকি ছেড়ে দিছে তারা! ভালো খেলা না? 

    কেরানীগঞ্জের ঘটনায় আসি। আমি শুরুতে লিখেছি খবরে প্রকাশ। সত্য হচ্ছে খবরে প্রকাশ হতে সময় লাগছে ত্রিশ ঘণ্টা। ত্রিশ ঘণ্টা পরে মেইন স্ট্রিম মিডিয়াতে আসছে এই খবর। কেরানীগঞ্জের এক মাদ্রাসার দুইটা দেওয়াল উড়ে গেছে জাস্ট! শক্তিশালী বোমা বানাচ্ছিল সেখানে। ভাগ্যভাল যে কেউ মারা যায় নাই, চারজন আহত হয়েছে। বাংলাদেশের মিডিয়ার এখন সেই সাহস নাই যে প্রকাশ করবে যে মাদ্রাসায় বোমা ফুটেছে। প্রথম আলো এইটা প্রকাশ করার পরে আস্তেধিরে আরও কয়েকটা জায়গায় নিউজ হয়। 

    এখন একবার ভাবুন এই সংবাদের তাৎপর্যটা। মাদ্রাসায় বোমা বানাচ্ছে কারা? কেন? তাদের উদ্দেশ কী? সুষ্ঠু তদন্ত হবে? গলায় আটকে যাওয়ার মত খবর না? অন্য কোথাও হলে না হয় লীগের ঘাড়ে ফেলে দেওয়া যেত দোষটা। এখন মাদ্রাসায় কে বোম বানাতে যাবে? এই খেলা বাংলাদেশ খেলে আসছে। যাকে বীরোচিত সম্বর্ধনা দেওয়া হল তার আমলেই হয়েছে। লীগের আমলে জঙ্গি ধরতে গেলেই বলা হয়েছে লীগের নাটক। তো সেই নাটকের অবস্থা এখন ক্যামন? ঢাকায় তালেবান নেতাদের ঘুরাঘুরি করতে দেখা গেছে প্রকাশ্যে। তারা মিটিং করছে, বিভিন্ন মাদ্রাসায় যাচ্ছে, নেতাদের সাথে দেখা করছে। এবং আমাদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে এ তো হতেই পারে, খুব স্বাভাবিক ঘটনা! 

    ইউটিউবে ভিনা সিক্রির একটা সাক্ষাৎকার দেখলাম। তিনি এক সময় বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি সেখানে পরিষ্কার করে বললেন সামনে কী হতে যাচ্ছে। সব যে মিলেঝুলে খেলা হচ্ছে, উপরে আমি যা লিখেছি তাই বলেছেন। বলেছেন যদি জামাত নাও আসে তাহলেও সমস্যা না, বিএনপি থেকে প্রধানমন্ত্রী হবে, ইউনুস রাষ্ট্রপতি হবে আর উপ প্রধানমন্ত্রী করা হবে জামাত থেকে! উপ প্রধানমন্ত্রীর পদ নাই বর্তমানে। কিন্তু জুলাই সনদ নামের বস্তুতে সম্ভবত আছে। তো? এরপরে তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে লাগল...! 

    সরকার পাঠ্য বই থেকে শেখ মজিবুর রহমানের নামের আগে বঙ্গবন্ধু টাইটেল মুছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দারুণ না? এমন করেই এগিয়ে যাবে দেশ। 
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ২৩৯ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    পত্তাদকাল - %%
    আরও পড়ুন
    বাদামি - %%
    আরও পড়ুন
    বিজাপুর - %%
    আরও পড়ুন
    হামপি - %%
    আরও পড়ুন
    মাংস - অরিন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:cd31:aa04:bbb9:***:*** | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:৫৬737416
  • পড়ছি 
  • . | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:০০737417
  • ঠিকঠাক ভদ্র সত‍্যনিষ্ঠ নেতা নেই কোথাও। বড়ো দুর্দিন।
  • aranya | 2601:84:4600:5410:cd31:aa04:bbb9:***:*** | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:০৩737418
  • এপার বাংলার কাগজে পড়লাম, গত কয়েকদিনে কিছু হিন্দু বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে - শীল - দের বাড়ি, সাহা-দের বাড়ি 
    দুঃসময় কাটার কোন লক্ষণ নেই। বিএনপি জিতলে মন্দের ভাল, লেসার ইভিল, কিন্তু মৌলবাদ বাড়ছে, বাড়বে - এমনটাই মনে হয় :-(
  • %% | 49.206.***.*** | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:১৭737419
  • "এগুলা এমন কোন অতীতের ঘটনা না যে আমরা ভুলে যাব। সব মনে আছে" - স্বতন্ত্র স্মৃতিতে অনেক কিছু থাকে। কিন্তু কালেকটিভ মেমোরি থেকে খুব তাড়াতাড়ি মুছে যায়। সেজন্যই বারবার একই ঘটনা ঘটে। 
  • Flora Sarker | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:৩১737427
  • লেখাটা পড়লাম আর কিছুক্ষণ হাসলাম। বাঁকা হাসি। লেখাটা পড়ে মনে হলো, লেখক এখানে খুনি হাসিনার বিতাড়িত ঘটনাটা এখনো নিতে পারছেনা। তার লেখার ঢং দেখে বুঝতে অসুবিধা হয়না, ফ‍্যাসিস্ট হাসিনাকে ঘাড় ধরে তাড়িয়ে দিয়ে বাংলাদেশ এখন এক অরাজক দেশে পরিণত হইছে। আহারে লেখকের জন্য কষ্টই লাগতাছে।
     
     উনি ভুলে গেছেন বাংলাদেশ থেকে চলে যাওয়া তারেক আর বাংলাদেশে ফিরে আসা তারেক এক তারেক রহমান না। লেখক তার লেখায় সতর বছর আগের তারেক রহমানকে অতি যত্নে জমা করে রেখে দিছেন। উনি জানেনই না যে, মানুষই একমাত্র প্রাণী যে নিজেকে পরিবর্তন করতে পারে, যা অন‍্য কোন প্রাণী পারেনা। কাজেই বর্তমানের তারেক রহমানকে অতীতের তারেক রহমানকে দিয়ে  বিচার করা যাবেনা।
     
    বাংলাদেশে যদি একজন সাচ্চা মুক্তিযোদ্ধা থাকে তাহলে শহীদ ওসমান হাদিই হচ্ছে সেই মুক্তিযোদ্ধা। যার সাথে কোন মুক্তিযোদ্ধার তুলনা চলেনা। আর শাহবাগ আন্দোলন বাংলাদেশের একটা কলঙ্কিত আন্দোলন। সেই কলঙ্কিত আন্দোলনের পাপ মোচনের জন‍্যে কালচারাল মঞ্চের শাহবাগে অবস্থান নেয়া অতি জরুরি একটা পদক্ষেপ। তাছাড়া এখন সব থেকে জরুরি কাজ হাদি হত‍্যার বিচার। খুব জরুরি কাজ।
     
    লেখকের কাছে মাদ্রাসার কাজ শুধু বোমা বানানো। ইনি  বাংলাদেশের সব জায়গায় শুধু বোমা আর তালেবান ও সন্ত্রাসী  দেখতে পাচ্ছৃন, ঠিক যেভাবে, তার গুরু হাসিনা দেখতে পেতো। লেখাটা পড়ে বুঝলাম গুরুর উপযুক্ত শিষ‍্য বটে এই লেখক।
  • :|: | 2607:fb90:bd27:cd8c:a19d:b990:e309:***:*** | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:৪৪737428
  • খালেদা জিয়া চলে গেলেন।
  • bikarna | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:৩৭737430
  • "বাংলাদেশে যদি একজন সাচ্চা মুক্তিযোদ্ধা থাকে তাহলে শহীদ ওসমান হাদিই হচ্ছে সেই মুক্তিযোদ্ধা। যার সাথে কোন মুক্তিযোদ্ধার তুলনা চলেনা। আর শাহবাগ আন্দোলন বাংলাদেশের একটা কলঙ্কিত আন্দোলন। সেই কলঙ্কিত আন্দোলনের পাপ মোচনের জন‍্যে কালচারাল মঞ্চের শাহবাগে অবস্থান নেয়া অতি জরুরি একটা পদক্ষেপ। তাছাড়া এখন সব থেকে জরুরি কাজ হাদি হত‍্যার বিচার। খুব জরুরি কাজ।"
     
    দারুণ না? একদম বাঁধাই করে রাখার মত! 
  • aranya | 2600:1001:b02a:6ce9:610d:4f82:7b62:***:*** | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:৫৮737431
  • দারুণ। জাস্ট টু গুড
    হাদি-র খুনের বিচার অবশ্যই জরুরী । একই ভাবে, দীপু দাসের হত্যার বিচার দরকার , ব্ল্যাসফেমি-র অভিযোগে যারা খুন হয়েছেন এখনও পর্যন্ত, প্রতিটি খুনেরই বিচার দরকার 
  • হীরেন সিংহরায় | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:৫২737439
  • ইতিহাস একদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে আপনার দিনলিপিকে স্মরণ করবে। কাসতরো যেমন বলছিলেন ,হিস্ট্রি উইল এ‍্যাবসলভ মি 
  • মনমাঝি | ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০২:৫৫737457
  • আপনাদের লেখাগুলি পড়ি আর হাসি। আপনার লেখাটা পড়েও হাসলাম আবার আপনার লেখা পড়ে আরেকজন "বাঁকা হাসি" হাসা বিপরীত মেরুর বাঁকাবীরের হাসি দেখেও হাসলাম। হাসতে হাসতে কাঁদলাম আর আর কাঁদতে কাঁদতে হাসলাম। এ ছাড়া আমাদের মত "মাইঙ্কার চিপায়" পড়া সংখ্যাগরিষ্ঠ আমজনতার আর কীইবা করার আছে এখন। ২৪-এর ৫ই আগস্টে ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে পড়েছি। কিন্তু জ্বলন্ত উনুন-পক্ষের দাবি যত-দোষ-ফুটন্ত-কড়াই-ঘোষের, তাদের চৌদ্দ গুষ্ঠী উদ্ধার করা ছাড়া আর কিছু বলা যাবে না  আর বলতে হবে আমরা এখন গার্ডেন অফ ইডেন বা নন্দনকাননে  নবযুগের দেবদূতদের সাহচর্যে বাস করছি। আহা কি আনন্দ! ওদিকে ফুটতে ফুটতে ফুটে যাওয়া ফুটন্ত কড়াই-পক্ষেরও একই কথা --  জ্বলন্ত উনুন ব্যাটাই আসল কালপ্রিট !!! এত জ্বলে কেন তোর এ্যঁ?  ফুটন্ত কড়াই-টড়াই বলে কস্মিনকালেও কিছু ছিল না,আসলে ওটাই ছিল আমাদের স্বর্ণযুগ। জয় স্বর্ণপাত্র !!! যত-দোষ-জ্বলন্ত-উনুন -ঘোষ !!!
    অথচ দেশের বেশির ভাগ মানুষ ফুটন্ত কড়াইর  যুগে যেমন কই মাছের মত ফুটন্ত তেলে ভাজা-ভাজা হয়েছে, জ্বলন্ত উনুনের  যুগেও তেমনি বার্বিকিউ হচ্ছে। দারুন মজা না? আপনারা তাদের গাধা মনে করে তাদের সামনে যতই আকাশ-কুসুম বেহেস্তি কিচ্ছা-কাহিনির মুলা ঝুলান না কেন,আর তারা মুলাকে মুলা হিসাবে যতই চিনতে পারুক না কেন -- কোনো লাভ নাই। তাদের অবস্থা আগেও যেমন "ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে"  ছিল,এখনও তেমনই আছে। বেশি ট্যাঁ-ফো করলে আগে ছিল ভেজাল চেতনা-দণ্ডের পিটুনি থেকে শুরু করে চেতনা-গানের ব্রাশ-ফায়ার,আর এখন ফ্যাসিবাদের দালাল/র-য়ের এজেন্ট/কাফের/মুরতাদ তকমা থেকে শুরু করে জেল/জুলুম/মব/আগুন/লিঞ্চিং,ইত্যাদি। আমরা কই যাব বলেন দেখি ???? এক কাজ করেন না,আপনারা দুই পক্ষ (এবং দুই পক্ষের কলম ও কীবোর্ড সৈনিকরা) নিজেরা-নিজেরা সরাসরি মারামারি-কাটাকাটি করে খেলার ফলাফল ডিক্লেয়ার করে দেন না কেন? তখন আমরা যে জিতবে নির্বিবাদে নিরীহ গড্ডালিকার মত তাদের পদসেবা করে যাব। জয়ী পক্ষের বুদ্ধিব্যবসায়ীরা এসে তখন যতখুশি তাদের নিজস্ব ব্র্যাণ্ডের ইতিহাস, মিথলজি, আর রূপকথার ককটেল আমাদের কানে ঢেলে দিতে পারবেন। আমরাও কাঠালপাতা খেতে খেতে সেসব চুপচাপ শুনে যাব এবং এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করে দিব। একটুওপ্রতিবাদ করব না। বিশ্বাস করেন। আমাদের শুধু আপনাদের একচক্ষু খোক্কসের মত চাপাবাজির ফুটন্ত কড়াই বা জ্বলন্ত উনুনে আর ভাজবেন না,আর বার্বিকিউ বানাবেন না প্লিজ। আপনাদের দোহাই লাগে।
  • bikarna | ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:০৫737489
  • মনমাঝি, অতি সরলীকরণ হয়ে গেল। আপনে কোন চুলায় না কড়াইয়ে ছিলেন বা আছেন জানি না। কিন্তু বাংলাদেশ কোন কড়াই বা চুলায় ছিল না। কোন সূচকেই ছিল না। এখন নানা কথা বলাই যায়। বিশাল সব বিশেষজ্ঞ নিয়ে দেশ চালাতে বসে লেজেগোবরে করে ফেলছে একেজন, তবুও গলার জোর কমে না কারো। বাংলাদেশ স্বর্গ ছিল? না, কোন দেশেই তা থাকে না। সবারই নানা সমস্যা থাকে। এতটুকু একটা জায়গায় ১৮/২০ কোটি মানুষকে তার সমস্ত চাহিদা দিয়ে সন্তুষ্ট রাখা এইটা চাট্টিখানি কথা না। তারপরেও সেই রাস্তায় আমরা এগিয়ে গেছিলাম। এইটা বানায় বানায় বলছি না। নানা সূচকে তার প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০১৫ থেকে ১৮ সালের দিকে আমরা এশিয়ার সেরা দশে চলে গেছিলাম। করোনা, ইউক্রেন যুদ্ধ না আসলে এই যাত্রা অব্যাহত থাকত। এত বড় ধাক্কা সামাল দেওয়া সম্ভব হয় নাই। তবুও দাঁড়িয়েই ছিলাম। এখনকার মত শুয়ে পড়ি নাই। 
    আগেই ভালো ছিলাম এইটা শুনতেই হবে যারা রক্তের বিনিময়ে এই নষ্ট সময়কে আনছে। এই তুলনা আসবেই। দেওয়া হবেই। কেন করলাম পরিবর্তন? এই প্রশ্ন আসবে না? এই প্রশ্ন করলে দোসর ট্যাগ দেওয়া হয় এখন দেশে! এইটা ভালো না? নয়া বন্দবস্ত! 
     
    ভোটের কথা? কারা ভোট দিবে এখন দেখছেন না? এগুলাকেই গলায় পারা দিয়ে আটকে রেখেছিল লীগ। ইনুস সরকার তো নানা চাপেই হোক বা যে কারণেই হোক, গণভোটে আসল প্রশ্নটা রাখে না। আপনি কী ইসলামিক শাসন ব্যবস্থা চান? এমন একটা প্রশ্ন থাকলে দেখতেন এই মহান গণ মানুষের চেহারা! এরা সুযোগ পাইলে জাতীয় সঙ্গীত বদলে দিবে, ইসলামিক রিপাবলিক তো হতেই যাবে হয়ত সামনে, এরা সুযোগ পাইলে পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশনে যাইতেও দ্বিধা করবে না। এরা ভোট দিয়ে চিহ্নিত রাজাকারদের পাশ করিয়েছে। তাদেরকে সাহায্য করছে আজকে যার বিশাল নামাজে জানাজা হল তিনি নিজে। তিনি নিজে রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিছে। তাই এই বিভক্তি থাকবেই, কোনদিনই আমরা আর তারা এক হব না। আমরা শেষ দম পর্যন্ত দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু প্রশ্ন অনড় থাকব। লীগ যদি এর বিপক্ষে যায় তাহলে লীগের বিপক্ষেও হলেও যাব।( ছিলামও! লীগের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা আকাম কুকামের তীব্র সমালোচনা করছি, ঠেঙ্গানি খাওয়ার ঝুঁকি নিয়েই করছি!) কিন্তু স্বাধীন দেশে পাকিস্তানি ভূত সহ্য করব না। এখন আপনারা যে ট্যাগ দেন দিতে পারেন। ইনকিলাব মঞ্চ? আরবের সংস্কৃতি আনা হবে দেশে? আর তবুও বলা যাবে না আগেই ভালো ছিলাম? এগুলা মেনে নিতে হবে আমাদের? এত সহজ না, এত সস্তা না সব কিছু। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন