এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে ( দ্বিতীয় খন্ড ) - ২৯ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ | ৪৯০ বার পঠিত
  • ( ২৯ )

     হরি হরায় নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নম ... যাদবায় মাধবায় কেশবায় নমঃ  .... 
    মানিকতলা মেন রোডে কোন উপলক্ষ্যে অষ্টপ্রহর নামগানের আসর বসিয়েছে হরিমোহন বোসের বাড়িতে। মাইক লাগিয়েছে বাড়ির দুদিকে দুটো। কোন পারিবারিক পূজা পার্বণ বা শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হচ্ছে নিশ্চয়ই  বোস বাড়িতে।  
    সদানন্দ সরখেল বোস বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন সার্কুলার রোডের দিকে। ডানদিকে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলেন ভিতরে দালানের ওখানে বেশ ব্যস্ততা। রান্নাবান্নার তোড়জোড় চলছে। ভাজাভুজির গন্ধ ভেসে আসছে। তা শ'পাঁচেক লোক খাবে বলে মনে হয়। বাড়ির গেটে সাদা কাপড় কুঁচি করে সাজিয়েছে। দুপাশে কয়েক  গোছা করে রজনীগন্ধার ডাঁটি বাঁধা। ধুতি আর  ফতুয়া পরা সদানন্দ সরখেল গুটি গুটি পায়ে গেট দিয়ে ঢুকে পড়লেন। আসলে লুচি বেগুনভাজার প্রাণকাড়া গন্ধ তাকে টেনে নিয়ে গেল। এরকম আদত আছে তার। কাজের বাড়িতে খাবারের গন্ধ তাকে টান মারে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরে।   দুপুরবেলার সময়, পেটে চনমনে খিদে চাগাড় দিচ্ছে। ভিতরে ঢুকে দেখলেন রাঁধুনিরা মহাব্যস্ত।  কেউ  কুনো কুটছে খসখস করে, কেউ বাটনা বাড়ছে ঘড়াত ঘড়াত করে, একটা লোক একটা বিরাট বারকোশের ওপর একরাশ ময়দা মাখছে। একটা লোক লাল রঙের গামছা আর হাতকাটা গেঞ্জি পরে দাঁড়িয়ে কড়ায় তেল ঢেলে অপেক্ষা করছে তেল গরম হওয়ার জন্য। তেলটা গরম হলেই আর এক দফা বেলা লুচি ছাড়বে। আর একটা কাঠের বারকোশ ভর্তি বেগুন ভাজা দেখা যাচ্ছে একপাশে।  
    সদানন্দবাবু খানিক তফাত রেখে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলেন লোলুপ দৃষ্টিতে। আর একটা পাত্রে লেড়ো বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে ভেজিটেবল চপের গোল্লাগুলো সাজিয়ে রাখা আছে। তেলটা গরম হলেই ছাড়া হবে নিশ্চয়ই  । ভাজাভুজির গন্ধে তার জিভ সজল হয়ে উঠতে লাগল। দুটো বড় অ্যালুমিনিয়মের নৌকোয় ছোলার ডাল আর  ছানার ডালনা রয়েছে বেশ ঘন ঘন। ছোলার ডালে  নারকেল কুচি, কিসমিস দেওয়া আছে ওখান থেকে দেখেই আন্দাজ করতে  পারলেন সরখেল মশাই। ওপরতলায় খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে মনে হচ্ছে।  তিন চারটে লোক ঝুড়ি কিংবা ট্রে নিয়ে অনবরত ওপর নীচ করছে। দম ফেলার ফুরসত নেই যেন। অনেক লোক আসছে। গেট দিয়ে ঢুকে ভিতরে আসছে। তারপর সোজা ওপরে উঠে যাচ্ছে সিঁড়ি দিয়ে। একজন ধবধবে সাদা  পাজামা পাঞ্জাবী পরা মাঝবয়সী গুঁফো লোক ওপর থেকে নেমে এসে থানার দারোগার ভঙ্গীতে  সার্চলাইটের মতো চোখ ঘুরিয়ে এদিক ওদিক খুঁজতে লাগল।  কাকে খুঁজছে কে জানে। হয়ত লোক খুঁজে বার করার দায়িত্ব পড়েছে তার ওপর।  হঠাৎ সদানন্দবাবুর দিকে চোখ পড়তেই তার দিকে দ্রুতবেগে ধেয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, '  মেসোমশাই খাওয়া হয়েছে আপনার ? ' 
    সদানন্দবাবু হকচকিয়ে গিয়ে বিড়ম্বিত কন্ঠে বললেন, ' আমি ... মানে ... ইয়ে ... ' 
    কিন্তু লোকটি সম্ভবত একজন অভুক্ত অতিথি খুঁজে বার করার কৃতিত্ব নস্যাৎ হতে দিতে নারাজ।  
    সে বলল, ' আরে ... বেলা বেড়ে যাচ্ছে ... বয়স্ক মানুষ, আর দেরী করা উচিত  হবে না ... আসুন আসুন ... ' 
    চেঁচিয়ে বলল, ' অ্যাই ভোম্বল ... এনাকে নিয়ে যা তো বাবা ...এত বেলা হয়ে গেছে ... '  
    ভোম্বল নামক ছোকরা বলল, ' হ্যাঁ ... এই  যাই কাকু ... এক মিনিট ... ' 
    সদানন্দবাবু মহা ফাঁপরে পড়ে গেলেন।  
    ওদিকে মাইকে লাগাতার হয়ে চলেছে ... গোপাল গোবিন্দ নাম শ্রীমধুসূদন ... গিরিধারি গোপীনাথ মদনমোহন ... হরি হরায় নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ 
    .... যাদবায় মাধবায় .... 
    সদানন্দবাবু লজ্জিত স্বরে বললেন, ' এই দেখ দিকিনি ... কি বিপদ ... আমি শুধু এখানে একটু ... এমনি ইয়ে করছিলুম ... ' 
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে ... ওসব পরে করবেন। আগে ওদিকটা মিটিয়ে নিন না ... মিছিমিছি লেট করে লাভ কি ... বেলা বেড়ে যাচ্ছে ... অ্যাই ভোম্বল ...  কি হল ? আমি একা কত দিক সামলাব ? যত সব অকম্মা ... '   
    সদানন্দবাবুর খুব অস্বস্তি হতে লাগল অন্য একটা কারণে।  
    বললেন, 'মানে বলছি যে  ... পরিবার কিছু জানে না ... কানে গেলে আবার ... ওই  ইয়ে ... '  
    ---- ' আহা ... ভাবছেন কেন ? পরিবারের জন্য দিয়ে দেবে ... যান যান ... এখনও অনেক বাকি ...'
       তিনতলার ছাদে গিয়ে একদিকের লাইনে  চ্যাটাইয়ে বসে পড়লেন  একজন মোটাসোটা লোকের পাশে।  
    খাওয়া শুরু হতেই কিন্তু সদানন্দ সরখেল সদানন্দে বিভোর এবং আপ্লুত হয়ে গেলেন।  পরিবার টরিবারের কথা মনে রইল না। শেষ পাতে ঘিয়ে ভাজা বোঁদে আর দই সাপটে খেলেন। রসগোল্লা খেলেন গোটা আষ্টেক। ভোজন যাত্রার শেষ প্রান্তে পৌঁছে শীর্ণকায় সত্তরোর্দ্ধ  সরখেল মশাই খেয়াল করলেন তার পাশে বসা তার মোটামুটি অর্ধেক বয়সী বিশাল বপুটি কিছুই তেমন টানতে পারলেন না। উদাহরণস্বরূপ, সদানন্দের কুড়িখানা লুচির জায়গায় তার ডান পাশের মোটা যুবকটি মোটে চারখানা।  
    সরখেলবাবুর মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, ' আপনি তো কিছুই খেলেন না ... আপনার বয়সে আমরা তো ... কি বলব ... সে যদি দেখতেন ... '
    বাইরে থেকে মাইকের আওয়াজ আসছে ... গোপাল গোবিন্দ নাম শ্রীমধুসূদন, গিরিধারি গোপীনাথ মদনমোহন...  
    সদানন্দবাবু ভাবলেন, সে তো বটেই... সবই  মদনমোহনের কৃপা।
    পাশের লোকটি ভোজনের দৌড়ে নিজের  অসাফল্যবশত বোধহয় কিঞ্চিত হীনন্মন্যতায় ভুগছিল।  
    সে চুপ করে রইল।  তার মোটা গোঁফের ফাঁকে নীরব লজ্জিত হাসির আভা ফুটে উঠল। কলেবর বড়সড় হলেও ভদ্রলোক বোধহয় মুখচোরা এবং লাজুক প্রকৃতির।  
    তখনও অনেকের খাওয়া শেষ হয়নি। পংক্তি ভোজনের শেষে সকলের একসঙ্গে ওঠাই রেওয়াজ। এই  ধীরু ভোজনকারিরা অনেকেরই বিরক্তির কারণ  । সে যাই  হোক,  এই  ফাঁকে তিনি ওই  ভদ্রলোকের দিকে ঘাড় হেলিয়ে নীচু গলায় জিজ্ঞাসা করলেন, ' যদি কিছু মনে না করেন ... এই খাওয়ান দাওয়ানটা কি উপলক্ষ্যে হচ্ছে জানেন নাকি ? ' 
    ভদ্রলোক এবারও কোন কথা বললেন না। তিনি আবার একবার গোঁফে ঢাকা মৃদু হাসি প্রস্ফুটিত করে দুদিকে হাল্কা মাথা নাড়ালেন। অর্থাৎ তিনি জানেন না।  
    ----- ' অ ... তাই ! ' 
    সদানন্দবাবু এপাশে ওপাশে চোখ ঘুরিয়ে দেখে বোঝার চেষ্টা করতে লাগলেন এরকম আর কতজন থাকতে পারে এই  খেতে বসা লোকগুলোর মধ্যে।
    সরখেল মশাই শেষ পর্যন্ত আর ওসব জানাজানির ঝকমারির মধ্যে না গিয়ে আঁচিয়ে টাঁচিয়ে নিয়ে পান চিবোতে চিবোতে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এলেন। দেখলেন, সেই ধোপদুরস্ত পাজামা পাঞ্জাবী পরা লোকটি এখনও শশব্যস্ত ভঙ্গীতে তদারকি করে চলেছে। এদিক ওদিক দেখছে।  
    সরখেল মশাইয়ের দিকে তার চোখ পড়ে গেল।
    সে ব্যস্ততার মধ্যেও ডান হাতের পাঁচ আঙুল এক করে হাতটা মুখের কাছে এনে ইশারায় জানতে চাইল। মানে, খাওয়া হয়েছে কিনা।  সদানন্দবাবুও কোন বাক্যব্যয় না করে মৃদু হেসে ঘাড় কাত করলেন গেটের দিকে যেতে যেতে।  
    রাস্তায় বেরিয়ে কয়েক পা এগোনর পর তার মনে হল, এঃহে ... বিরাট ভুল হয়ে গেল। পরিবারের ছাঁদাটা তো বাঁধা হল না। ওই লোকটা যে বলেছিল দিয়ে দেবে, ওই  ভোম্বল না কে যেন তাকে ... '
     এখন এই অবেলায় গিন্নীর সামনে গিয়ে দাঁড়াবেন কি করে। কপালে দুঃখ আছে আজকে।  
    ইশশ্ ... ভুল হয়ে গেল। কিন্তু ভেবে দেখলেন, এখন আর ফিরে গিয়ে ওটা বলা যায় না। বিশ্রী ব্যাপার হবে। দমভোর খাওয়ার সময় কিস্যু মনে পড়েনি, এখন আর ভেবে কি হবে। সে যাই  হোক, তিনি ধীর সন্ত্রস্ত পায়ে রামদুলাল সরকার স্ট্রিটে তার বাড়ির দিকে এগোতে লাগলেন সাহসে বুক বেঁধে। বেলা তিনটে বাজে। রাস্তার চাপা কলে কুলকুল করে জল বেরিয়ে যাচ্ছে।  
    বাড়িতে ঢোকার মুখে বাইরে থেকে তার গিন্নীর সঙ্গে কার একটা কথা কাটাকাটির আওয়াজ এল কানে। ভাবলেন হয়ত বাড়িওয়ালার সঙ্গে গিন্নীর তক্কাতক্কি হচ্ছে। যেটা প্রতি মাসেই অন্তত একবার হয়। বাড়ির ভাড়াটা একশ থেকে একশ দশ টাকা করতে বলছে বাড়িওয়ালা অনাদিবাবু। কিন্তু টানাটানির সংসারে সেটাতে কিছুতেই  রাজি হতে পারছেন না সদানন্দবাবুরা। তাদের কোন ছেলেপুলে হয়নি। একজন চলে গেলে আর একজনের কি হবে সেটা ভাবা ছেড়ে দিয়েছেন এরা। বলেন, ' কপালে যা আছে হবে ... কপালের লেখা খন্ডাবে কে ? যা করার ওপরওয়ালাই করবে, মানুষ তো নিমিত্তমাত্র ...  '
    কর্তা গিন্নীতে যেমন ভাব তেমনি ঝগড়া। যেমন দরদ তেমন কাটাকাটি ... অবশ্য মুখের চাকুতে।  
    সে যাক, সদানন্দবাবু গুটি গুটি বাড়ির ভিতর ঢুকলেন। ঢুকে, একটা ছোট বাঁধানো উঠোন মতো আছে। সেখানে দাঁড়িয়ে দেখলেন, বাড়িওয়ালার ছেলে তারক এসে খুব চোটপাট করছে। দশ টাকা ভাড়া যদি এ মাস থেকেই বাড়ানো না হয় তা হলে সে নাকি ব্যবস্থা দেখবে।  
    ব্যাস আর যায় কোথায়। কথাটা পড়া মাত্র  সদানন্দের বউ একেবারে গরম তেলে জলের ছিটে পড়ার মতো চিড়বিড় করে উঠল।  
    ---- ' কি !  ব্যবস্থা দেখবে ? কি ব্যবস্থা দেখবে শুনি ...  করে দেখাও দেখি কত বড় লায়েক ... ভারি আমার ইয়ে একেবারে ... উঁ উ উ ... উঃ ... '
    তারক বলল, ' খুব বাড়াবাড়ি করে ফেলছেন কিন্তু মাসীমা। পরে সামলাতে পারবেন তো ? ' 
    আবার আগুনে ঘি পড়ল। হরিমোহন বোসের বাড়ির ভোজের মনোরম পরিতৃপ্তি চটকে যাওয়ার উপক্রম হল সরখেল মশাইয়ের।   
    সদানন্দের অর্ধাঙ্গিনী বেদানাদেবী রণচন্ডী মূর্তি  ধারণ করলেন। মুখ ভেংচে হাত নেড়ে নেড়ে বিচিত্র ভঙ্গীতে তিনি বললেন, ' ওরে আমার হরিদাস রে ... কি করবেটা শুনি, হিম্মত থাকে গলাবাজি না করে যা করবার করে দেখাও না ... '
    এরপর একটা অপ্রত্যাশিত কথা বলে বসলেন বেদানাবালা।  
    ---- ' সাগর মন্ডলের নাম শুনেছ ? খবর দিলে বুঝবে ঠ্যালা ... ' 
    তারকনাথ বেপরোয়া ভঙ্গীতে বলল, ' আরে দূর দূর ... সাগর মন্ডল কি করবে ? ওসব গুন্ডাবাজির দিন আর নেই। এদের ঠান্ডা করে দেবার  লোকজন এসে গেছে। ওসব ধমকি আমাকে দেবেন না ... সব জানা আছে ... '
    বেদানাদেবী আবার মুখ বিকৃত করে বললেন, ' তা...ই নাকি ... লোকজন এসে গেছে !  দেখতে চাও ? ঠিক আছে ... কবে দেখবে বল ... পটলের দোকানে খবর দিচ্ছি ... ' 
    সমূহ বিপদের সম্ভাবনা দেখে এই সময়ে সরখেল মশাই হাঁ হাঁ করে ছুটে এলেন।  
    ----- ' আরে থাম থাম ... কর কি  কর কি ? এর মধ্যে আবার সাগর টাগর কেন ? ' 
    বেদানাবালা জোরালো গলায় বললেন, ' কেন বুঝতে পারছ না ? শুনেছ তো সবকিছুই  নিশ্চই ...'
          তারক আর কোন কথা না বাড়িয়ে হঠাৎ নিঃশব্দে বিদায় নিল। মনের মধ্যে কিসের প্যাঁচ কষতে কষতে গেল বোঝা শক্ত। দেখা যাক ...

       ( চলবে )
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন