এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে ( তৃতীয় খন্ড ) - ১৩

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ এপ্রিল ২০২৫ | ৩৫ বার পঠিত
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩
    ( ১৩ )

    সাগর একটু ভেবে নিয়ে বলল, ' বল, তোমার কি সাজেশন ... '
    অমল বলে উঠল, ' সাজেশন দেবার কোন যোগ্যতা আমার নেই ... আমি শুধু হোল হার্টেডলি
    সঙ্গে থাকতে পারি ... '
    --- ' কার সঙ্গে ? '
    --- ' মেন্টরের সঙ্গে, লিডারের সঙ্গে, গাইডের সঙ্গে ... '
    সাগর মাথা নীচু করে চিন্তিত মুখে বলল, ' সেটাই তো নেই। আর একটা নিখিল ব্যানার্জী স্যারের দেখা আমরা কি করে পাব ? '
    অমল বেশ কিছুক্ষণ সাগরের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, ' কেন আপনি তো আছেন। আপনি ছাড়া আর কে ভার নেবে ? '
    সাগর হেসে বলল, ' দূর পাগল ... আমি কখনও স্যারের চেয়ারে বসতে পারি ? '
    --- ' স্যারের চেয়ারে বসতে হবে না। আপনি আপনার চেয়ারেই থাকবেন। আমরা শুধু পুরনো সাগর মন্ডলকে ফিরে পেতে চাই। আর কিছু দরকার নেই ... আমিও ... মানে ... আপনার সঙ্গে থাকতে চাই ... আমার সাধ্যমতো... '
    এই সময়ে তৃণা ' তোমরা কথা বল ... আমি এক্ষুণি আসছি ... ' বলে ভিতরে চলে গেল। বোধহয় জলখাবারের ব্যবস্থা করতে গেল। স্বামীর এসব উদ্ভট কান্ডকারখানায় সে এতদিনে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ভিতর থেকে গাওয়া ঘিয়ে লুচি ভাজার গন্ধ আসছে।

    রাত্রি দেখল অমল যে কারণেই হোক খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছে, খুব সম্ভবত ত্রুটিপূর্ণ সমাজব্যবস্থা এবং ঘুনধরা রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে।
    সে বলল, ' অমলদা ... এটা তো ছেলেখেলার ব্যাপার না। অনেক সিরিয়াস চিন্তাভাবনার দরকার আছে। রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা তো সহজ কথা নয়। বিক্ষিপ্তভাবে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আর সংগঠিতভাবে রাষ্ট্রীয় অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, দুটো তো এক জিনিস নয়। এটা করতে গেলে আমাদের আরও অনেকবার আলোচনায় বসতে হবে। নিখিল স্যারই শেষ পর্যন্ত কোন স্থায়ী সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি ...'
    এমনকি সঞ্চারীও না বলে পারল না, ' সাগরদাকে এ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করার একটু সময় দে দাদাভাই ... ঠিক একটা রাস্তা বেরোবে ... '
    সাগর বলল, ' রাস্তা তো একটা বার করতেই হবে ... অমল যখন দায়িত্বটা আমার ওপর দিয়েই দিল ... '
    --- ' আর কেই বা আছে ? '
    সকলে তাকিয়ে দেখল লুচির থালা নিয়ে ঘরে ঢুকছে তৃণা। পিছন পিছন আলুরদমের বাটি নিয়ে
    আর একজন পরিচারিকা।
    --- ' যাক ... এবার তা'লে গীটার হোক অমলদা ... দেখা যাক সুরের খেয়ায় চেপে মাথায় কোন নতুন বুদ্ধি গজায় কিনা ... ' রাত্রি বলল।
    তৃণা সরল আন্তরিকতায় বলল, ' ওসব হবে'খন ...আগে খেয়ে নাও তো ... জুড়িয়ে যাচ্ছে ... '
    খাওয়া দাওয়ার পর অমল গীটার বাজাল নিপুণ হাতে। একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত --- ' নাই নাই ভয়, হবে হবে জয় ... খুলে যাবে এই দ্বার ... '
    আর একটা গণ সংগীত --- ' পথে এবার নাম সাথী, পথেই হবে পথ চেনা ... '
    গীটারের তার থেকে ছিটকে বেরোতে লাগল নিটোল সুরে মোড়া বিদ্রোহতপ্ত মূর্ছনা। সাগরের গায়ে কাঁটা দিতে লাগল।
    অমলের গীটারে বাজছে, ' .... অনেক তো দিন গেল বৃথা সংশয়ে... এস এবার দ্বিধার বাধা পার হয়ে ... '

    রবিবার সকালে মধুসূদন সরকার পটলের দোকানের সামনে এসে উপস্থিত হতেই সাগর বলল, ' অ ... এসে গেছেন ? চলুন ... '
    --- ' ইয়ে ... মানে কোথায় ? '
    --- ' কমল সাহার বাড়ি '
    --- ' ওখানে যাব ... কিন্তু ... '
    --- ' হ্যাঁ ... ওখানে গিয়ে সামনাসামনি কথা বলে নেওয়াই তো ভাল ... ব্যাপারটা ঝুলিয়ে রেখে লাভ কি ? আপনিও শান্তি পাবেন ... '
    --- ' কিন্তু ওর বাড়িতে গিয়ে কথা বলা ... '
    --- ' আরে ... বাড়িতে না হোক, বাড়ির বাইরেই হবে। অত চিন্তা করছেন কেন ... আমি তো সঙ্গে যাচ্ছি ... '
    দ্বিধা এবং শঙ্কাজড়িত মধুসূদনকে নিয়ে সাগর নিবেদিতা লেনে পৌঁছে গেল।
    রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুবার কমলের নাম ধরে ডাকতে দোতলার জানলায় কমলের মুখ দেখা গেল। সাগরের সঙ্গে মধুসূদনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সে জরিপ করার ভঙ্গীতে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, ' আসছি ... আসছি ... '
    কমল নীচে নামল সাত আট মিনিট পরে। বোধহয় আন্দাজমতো সংলাপ সাজিয়ে নিচ্ছিল এতক্ষণ।
    ডোরাকাটা পাজামা আর হাফশার্ট পরে হাসিমুখে কমল সাহা নেমে এল।
    বলল, ' কি ব্যাপার মধুকে পেলেন কোথায় ? '
    --- ' ও তো গোয়াবাগানে আমার শ্বশুরবাড়ির পাড়ায় থাকে। তেমনভাবে পরিচয় হয়নি। সেদিন বাই চান্স হয়ে গেল আর কি ... সেদিনই জানলাম ও তোমার বিজনেস পার্টনার। আমি তো কিছুই জানতাম না। কিভাবে যে কার সঙ্গে কার সম্পর্ক বেরিয়ে যায় ... আশ্চর্যের ব্যাপার ... '
    --- ' হ্যাঁ ... তাই তো ... তাই তো ... ' কমল বলল একগাল হেসে।
    মধুসূদন মনে মনে বলল, ' ঘোড়েল মাল শালা ... '
    কমলের ভাবভঙ্গী দেখে সাগর বুঝে গেল, ও রক্ষণাত্মক খেলতে চাইছে, ডিফেন্স জমাট রেখে।
    সে খেলতে শুরু করল, ' মধুসূদন তোমার খুব সুখ্যাতি করছিল। বলছিল ওরকম একজন বিজনেস পার্টনার পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। এক পয়সার হিসেব এদিক ওদিক করেনি কখনও। এরকম একজন পার্টনারের ওপর সব ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যায় ... '
    মধুসূদন একবার সাগরের মুখের দিকে তাকিয়ে দ্রুত মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিল।
    সে বুঝতে পারল ডিফেন্স যতই জমাট হোক কমল সাহা একটা গোল খেয়ে গেল। এটাও বুঝতে পারল, কমল অ্যাটাকে যাবে না, ডিফেন্স মজবুত করেই খেলতে চাইছে যাতে আর গোল না খায়।
    সে দাঁত বার করে হেসে বলল, ' বিজনেস পার্টনারশিপে নিজেদের মধ্যে বিশ্বাসটাই হল আসল কথা ... হে হে ... '
    সাগর একটা লুজ বল পেয়ে গেল কমলের পেনাল্টি বক্সের ধারে।
    সে চকিতে একটা ডজ করল।
    বলল, ' সেটাই তো বলছিলাম মধুসূদনকে। আমাকে কিভাবে সাহায্য করেছ তুমি সে আমার চেয়ে ভাল আর কে জানে। ওটাই বলছিলাম ওকে, তুমি কমলের ওপর চোখ বুজে ভরসা করতে পার। ও কংগ্রেস পার্টি করে, কোন দু নম্বরী করলে পার্টি ওকে ছেড়ে দেবে ? ওর সঙ্গে বসে দু একদিনের মধ্যে তোমাদের হিসেব টিসেব গুলো সব মিলিয়ে নাও। তারপর তুমি বিজনেস ছেড়ে দিতে চাও দেবে। আশা করি কোন অসুবিধে হবে না। কমলকে তো আমি আজ থেকে চিনি না ... ওর মতো লোক হয় না ... '
    রক্ষণ মজবুত করে খেলা সত্ত্বেও কমল সাহা আর একটা গোল খেয়ে গেল।
    সে মুখের হাসি ধরে রেখে বলল, ' হ্যাঁ নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই... কোন অসুবিধে হবে না ... সামনের রবিবার হতে পারে ... '
    মধুসূদন শিক্ষনবীশ খেলোয়াড়ের মতো আবার সাগরের মুখের দিকে তাকাল। তারপর ভড়কে গিয়ে ঝট করে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিল।
    সাগর বলল, ' আমিও থাকতে পারি। আমি এ পাড়ায় ওই চিন্টু স্বাতীদের বাড়ি মাঝে মাঝেই আসি ... ওরা আমাকে খুব ভালবাসে। চিন্টু ... স্বাতী বুঝতে পারছ তো ? ওই যে ... তখন ছোট ছিল। নিবেদিতা স্কুলে পড়ত। ক'টা ছেলে ডিসটার্ব করত ... ওই যে ... ক্যাডবেরি দিতে গিয়েছিল ... মনে পড়ছে ?
    --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... বুঝতে পেরেছি ... বুঝতে পেরেছি ... ', বলতে গিয়ে কমল সাহার গলা আটকে আসছে। বুকে কে হাতুড়ি পিটছে, কেন তা সেই জানে।
    সাগর বলে যাচ্ছে ...
    --- ' .... ছেলেটাকে এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না ... জান কিনা জানি না আমি আবার কাজ শুরু করেছি। কোন ক্যাডবেরি দেনেওয়ালাকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না ... চলে আসব চলে আসব ... তোমরা দুজনে বসে সামনের রবিবার সব হিসেব মিলিয়ে নাও একেবারে কাগজে কলমে ... আমি মধুসূদনকে নিয়ে চলে আসব ... '
    কমল সাহার মজবুত ডিফেন্স ছত্রখান হয়ে গিয়ে আর একটা গোল হয়ে গেল। সে এবার আর কোন গোল না খেয়ে খেলাটা শেষ করতে চাইল।
    সে মোলায়েম স্বরে কাঁপা গলায় বলল, ' ঠিক আছে ... ঠিক আছে, ওই কথাই রইল ... সাগরদা ... মধুসূদন তুমি চিন্তা কোর না ... '
    মধুসূদন কমল সাহার চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রইল। অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিল না।

    আগস্ট মাসের ন তারিখে টেলিভিশন শুরু হয়ে গেল কলকাতায়। সেপ্টেম্বর মাসেই বিভূতিবাবু একটা কম দামের টেলিভিশন কিনে ফেললেন। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত আর একটা বাড়িতে শুধু টিভি এসেছে রামদুলাল সরকার স্ট্রিটে। ওপাশের ওই গজেন দাসের বাড়ি। গজেনবাবু একটু কিপটে ধরণের হলেও অত্যন্ত অমায়িক প্রকৃতির মানুষ।
    শনি রবিবার সন্ধেবেলায় দুটো বাড়িতেই পাড়ার লোকের ভিড় উপচে পড়তে লাগল পুরনো বাংলা হিন্দী ফিল্ম দেখার জন্য।

    ( চলবে )

    *******
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন