এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে ( তৃতীয় খন্ড ) - ১২

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ এপ্রিল ২০২৫ | ৩২ বার পঠিত
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২
    ( ১২ )

    চিন্টুর মায়ের চেহারায় খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। মোটামুটি একইরকম আছে। বাবা এখনও অফিস থেকে ফেরেননি।
    চিন্টুর মা অপর্ণাদেবী নিয়ন্ত্রিত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন,
    ' কতদিন পরে আপনার সঙ্গে দেখা হল। এরা তো এখনও আপনার কথা প্রায়ই বলে ... '

    স্বাতী বাড়ি ছিল না। বোধহয় কোথাও পড়তে গিয়েছিল। মিনিট দশেকের মধ্যে বাড়ি ফিরল। সাগরকে দেখে সে যেমন অবাক হয়ে গেল, সাগরও শাড়ি পরা স্বাতীকে দেখে অবাক হয়ে গেল। সজীব মালতিলতার মতো ক্রমশ বেড়ে উঠেছে। স্বাতী এখন আর স্কুলবালিকা নয়। বিদ্যাসাগর কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।
    সাগরকে দেখে বলে উঠল, ' কাকু আপনি ! আমাদের ভুলে গেলেন ? '
    --- ' না রে ... এদিকে তো তেমন আসা হয় না ... সময় পাই না ... তোরা কত বড় হয়ে গেছিস ... '
    স্বাতী কিছু না বলে শুধু হেসে ঝোলাটা নামিয়ে টেবিলের ওপর রাখল।

    চিন্টু গিয়ে সিঙ্গাড়া কিনে নিয়ে এল। সকলে মিলে চা আর সিঙ্গাড়া খেতে লাগল। সাগর কোন আপত্তি করল না। সে মনে মনে গা এগিয়ে দিল এই প্রশান্তির স্রোতে। এই বর্ষাকালের সন্ধেবেলায় বোরোলীন হাউসের পাশের রকে অনেকগুলো বছর আগে বসে থাকা সেই ছেলেটার কথা একবারও উঠল না। অবশ্য ওঠার কথাও নয়। হয়ত কারও মনেই নেই তার কথা।
    প্রায় কুড়ি মিনিট সাগর রইল স্বাতী চিন্টুদের বাড়ি। স্বাতী আর চিন্টু এটা ওটা অনেক কথা বলতে লাগল। সাগর আর কি বলবে। ওদের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল খুব মনোযোগের দৃষ্টি মেলে।
    কমল সাহা এবং মধুসূদন সরকারের কথা মনে পড়ল। একটা কাজের দায়িত্ব নিয়েছে সে।
    কুড়ি বাইশ মিনিট গল্পগুজব করার পর সে বলল, ' আচ্ছা ... আজ আমি আসি। আবার পরে কোনদিন দেখা হবে ... '
    অপর্ণাদেবী বললেন, ' আবার আসবেন কিন্তু ... '
    চিন্টু বলল, ' আবার কবে আসবে ? বল বল ... '
    --- ' এই তো ... সময় পেলেই চলে আসব আবার ... আসব না কেন ? '
    স্বাতী বলল, ' আসবেন কিন্তু কাকু ... '
    সাগর চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে পড়ল। দাঁড়িয়ে হঠাৎ স্বাতীর মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ' আচ্ছা বৌদি আপনি নিবেদিতা লেনের কমল সাহাকে চেনেন ? '
    --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... কমল সাহা ... কংগ্রেস পার্টির ওই ... দেখি মাঝে মাঝে ... '
    --- ' হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন ... এছাড়া ব্যবসাও করে ... '
    --- ' হ্যাঁ, সেই রকমই জানি ... '
    ---'ও লোক হিসেবে কেমন আপনারা জানেন কি ?
    --- ' অতটা জানিনা। তবে এমনি তো ভালই মনে হয় ... '
    এই সময়ে স্বাতী আচমকা বলে উঠল, ' দূর ... '
    সাগর চমকে ওর দিকে তাকাল।
    তার মা বলল, ' কেন কি ... '
    --- ' আমার একদম ভাল লাগে না ... '
    সাগর আবার বসে পড়ল।
    বলল, ' কেন রে ... কিছু হয়েছে ? '
    স্বাতী নীচের দিকে তাকিয়ে তার তর্জনিতে শাড়ির আঁচল জড়াতে লাগল।
    স্বাতী বলল, ' কি আবার হবে ... এমনি আমার ভাল লাগে না ... কেমন ধরণের যেন ... '
    অপর্ণা বলল, ' ওমা ... সে আবার কি ! কেমন ধরণের যেন ... কেমন ধরণের তুই জানলি কি করে ? '
    সাগর পরিষ্কার একটা কিছুর গন্ধ পেল স্বাতীর হাবভাবে।
    সে অপর্ণাকে হাত দেখিয়ে নিষেধের ভঙ্গীতে বলল, ' যাকগে বৌদি ... ছেড়ে দিন ওসব ... তেমন কিছু হলে নিশ্চয়ই বলত ও ... সামান্য ব্যাপার ... ছেলেমানুষ সব ... '
    স্বাতী অন্যদিকে তাকিয়ে বলল, ' মোটেই না ... '
    --- ' কি ? '
    --- ' আমি আর ছেলেমানুষ নই... '
    স্বাতীর কথাটা এবং বলার ভঙ্গীটা সাগর একেবারেই আন্দাজ করতে পারেনি। তার বহু দশকের অভিজ্ঞ ললাটে তার অজান্তেই চিন্তার ভাঁজ ফুটে উঠল।
    সে বলল, ' সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। স্বাতী এখন অনেক বড় হয়ে গেছে ... এটা বুঝতে পারছেন না বৌদি। দেখুন, কমল সাহা স্বাতীর বাবার বয়সী হয়েও ঠিক বুঝে গেছে ... পার্টির লোক কিনা। কি স্বাতী ... তাই তো ? '
    --- ' রাস্তায় দেখলেই ক্যাডবেরি দিতে চায়। তুই কত বড় হয়ে গেছিস ... বলে গাল টিপে দিয়েছে দুদিন ... একদিন আমার কাছে এগিয়ে এসে বলল ... '
    এইখানে সাগর ওকে থামিয়ে দিল, ' ব্যাস ব্যাস ... ঠিক আছে, আর বলতে হবে না ... বুঝে নিয়েছি ... '
    সাগর আবার চেয়ার থেকে উঠে পড়ল।
    --- ' আচ্ছা, আমি আসি এখন ... অনেক কাজ পড়ে আছে। ঠিক সময়ে আবার দেখা করব ... তোকে আর কেউ ক্যাডবেরি দেবে না ... ', স্বাতীর দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলে সাগর ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। অপর্ণাদেবী হতভম্ব হয়ে একবার এর দিকে আর একবার ওর দিকে তাকাতে লাগলেন বিভ্রান্ত দৃষ্টিতে।
    সাগর স্বাতীদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে হেদুয়ার ধারে পটলের দোকানে চলে গেল। কমল সাহার খোঁজে নিবেদিতা লেনে গেল না।

    পটল দোকান বন্ধ করার তোড়জোড় করছিল। সে আজকাল একটা মানসিক চাঞ্চল্যের মধ্যে থাকে। মন ছটফট করে বাড়ি ফেরার জন্য। ওখানে আর এক অপর্ণা আছে। সে তার অপেক্ষায় বসে থাকে। প্রায় রোজই দেখা হয়। তবু দেখা হওয়ার ইচ্ছেতে একটুও ঘুন ধরেনি এখনও। ওদের বিয়ের দিনটা নিজেরাই ঠিক করে নিয়েছে মোটামুটি। পটল ভাবল, সুমনা ম্যাডামকে জানিয়ে দিতে হবে বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলে ডেটটা ফাইনাল করে নিয়ে। বাড়ির লোকই বা কে আর আছে। অপর্ণার তো বাবা নেই। শুধু মা আছেন। তাকে যা বোঝানো হবে তাই বুঝবেন তিনি। পটলের বাড়িতেও প্রায় তাই। পটল জিনিসপত্র গোছাতে গোছাতে গুনগুন করে ' ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে ... তোড়েঙ্গে দম মগর ... তেরে সাথ না ছোড়েঙ্গে ... ' বেশ বুঁদ হয়ে গুনগুন করতে লাগল, অপর্নার উদ্দেশ্যেই হয়ত।
    এই সময় সাগর আবির্ভূত হল দোকানের সামনে।
    --- ' কিরে ... মনে খুব ফুর্তি দেখছি। কি ব্যাপার ... দেখা হয়েছে না কি ? '
    পটল সলজ্জভাবে জবাব দিল, ' না ... দেখা হবে ... '
    --- ' ও ... সেই জন্য এত ফুর্তি। আচ্ছা, ঠিক আছে ... তুই দোকান বন্ধ করে বেরিয়ে যা ... হ্যাঁ শোন ... মধুসূদন সরকার নামে যদি কোনও লোক আমার খোঁজ করতে আসে তাকে রবিবার সকাল দশটা সাড়ে দশটা নাগাদ আসতে বলবি ... '
    --- ' আচ্ছা ঠিক আছে ... নামটা কি বললে ... মধুসূদন ? '
    --- ' মধুসূদন সরকার ... একটু মোটাসোটা ... '
    --- 'হুঁ হুঁ ... ঠিক আছে ... '

    প্রায় মাস দেড়েক হয়ে গেল মধুমিতা সংক্রান্ত ব্যাপারে আর কোন নতুন তরঙ্গ উঠল না। দুর্বারের মনে তেমন উচাটন না থাক একটা গাঢ় কৌতূহল তো ছিলই। মিথ্যে কথা বলে লাভ নেই, একটা হতাশা কুরে খাচ্ছে তাকে। সকলেই জীবনকে সরস করে রাখতে কিছু রঙীন উত্তেজনার অঙ্কুরোদ্গম কামনা করে চেতনে বা অবচেতনে।
    অতীশকে সেদিন রাস্তায় আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলল, ' চল হেদুয়ায় পাক মেরে আসি ... '
    পাক মারতে মারতে অতীশই কথাটা তুলল।
    --- ' ওটা আর এগোল নাকি কিছু ? '
    --- ' নাঃ ... এতদিন হয়ে গেল, আর কোন সাড়া শব্দই নেই। কি অদ্ভুত পাবলিক বলতো ? '
    অতীশ বিজ্ঞের মতো বলল, ' আমি এটাই আন্দাজ করেছিলাম ... '
    --- ' কি ? '
    --- ' যে পাবলিক ঢিলটা মেরে দিয়ে লুকিয়ে পড়বে ... আমার মনে হয় ওর এরকম ওব্যেস আছে ... '
    অতীশের অনুমানের সারবত্তা থাক না থাক কথাটা দুর্বারের মনে যেন একটা রোলার চালিয়ে দিল। যে যাই বলুক, ভাবের ঘরে তো আর চুরি করা যায় না।
    দুর্বার উৎকন্ঠিত গলায় বলে উঠল, ' কেন কেন ? '
    --- ' না ... লক্ষণগুলো সেরকমই মনে হচ্ছে ... '
    অতীশ একদম চাঁচাছোলা এবং নির্মমভাবে বলল, ' দেখ... আমার ধারণা মেয়েটা আরও অনেকের সঙ্গে এরকম করে বা আগে করেছে ... '
    --- ' না ... সেটা কি করে জানলি ... দেখে তো মনে হয় না ওরকম ... আমি ঠিক বুঝতে পারছি না ... ' দুর্বার ম্লান গলায় বলল।
    --- ' অ্যাই... এই হল কথা ... আমি এটাই বলতে চাইছি ...', অতীশ কড়া হাতে ব্যাপারটা সামলানোর ভার নিল।
    ' ... অত বোঝাবুঝি, মগজমারির কোন দরকারই নেই। ইস্যুটা ঝেঁটিয়ে মন থেকে বার করে দে। ওইসব উৎকট ব্যাপার নিয়ে মাথা ঘামানোরই দরকার নেই। অকারণে নিজেকে ধ্বংস করিস না। ও কি করল না করল তা নিয়ে চিন্তা করাটাই পুরো ব্লক করে দে। নিজের ভাল নিজে বুঝতে হবে। ছাড়, ওসব ফালতু ব্যাপার ছাড় ... '
    অলস ভোলাভালা প্রকৃতির অতীশের মধ্যে যে এত পরিণামদর্শীতা এবং বাস্তববোধ ছিল তা দুর্বার কোনদিন কল্পনাও করেনি। কার মধ্যে যে কি আছে সময় না এলে জানা যায় না। সে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল অতীশের মুখের দিকে।
    তবে দুর্বার এখনই রণে ভঙ্গ দিল না। এ বড় নেশার জিনিস। চট করে মৌতাত কাটানো যায় না।
    সে বলল, ' এমনও তো হতে পারে, ও কোন সমস্যায় পড়েছে যে জন্য যোগাযোগ করতে পারছে না ... আমরা তো বুঝতে পারছি না ... '
    অতীশ দুর্বারের এই কোমল কুসুম একেবারে মাড়িয়ে দিয়ে চলে গেল।
    --- ' আরে দূর দূর ... বোঝাবুঝির আবার আছেটা কি ? পাকা খেলোয়াড় একেবারে। সমস্যা টমস্যা কিস্যু নেই। পাক্কা দুনম্বরী। এই ধরণের নাচানোর ঝোঁক এসব মেয়েদের কাছে একটা টাইম পাসের খেলা। আমার কথাগুলো এখন বিশ্বাস করতে হবে না ... পরে মিলিয়ে নিস ... '
    দুর্বার অনেক চেষ্টা করেও অতীশের কথাগুলোর কোন জোরাল প্রতিবাদ করতে পারল না। হেদুয়ার পুকুরের রাত্রিমাখা শান্ত জলের ধারে দিকে তাকিয়ে সে বলল, ' হমম্ ... নে চল ... '

    অমলের বাড়িতে রাত্রি আর সাগর এসেছে।
    সঞ্চারীও এসেছে রাত্রিদের আসার খবর পেয়ে। তৃণা যথেষ্ট আপ্যায়ন করতে লাগল ওদের।
    অমল বলল, ' এত ভাল লাগছে কি বলব সাগরদা
    ... তোমরা এসেছ ... ভীষণ আনন্দ হচ্ছে ... '
    রাত্রি বলল, ' তোমার গীটার শোনার লোভেই কিন্তু মেনলি আসা অমলদা ... ওটা হচ্ছে তো ? তোমার গীটারে রবীন্দ্রসংগীতের সুর ... আহা ... '
    সবাইকে হতবাক করে অমল খোলাখুলি এবং কর্কশ অরোম্যান্টিকতায় রাত্রির আবেদনটা প্রত্যাখ্যান করল।
    --- ' না না ... ওসব রবীন্দ্র সংগীত টংগীত, গান বাজনা করার মুডে একেবারেই নেই ... '
    সাগর বলল, ' কেন গো ... কি হল ? '
    অমল বলল, ' আমি শুধু নিখিল ব্যানার্জী স্যারের একজন বিকল্পের কথা ভাবছি। আজ শুধু তার কথাই হোক ... '
    রাত্রি ভাবল, এত পরিবর্তনও মানুষের হয় ...

    ( চলবে )

    *****
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন