এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ০৪ মার্চ ২০২১ ১৭:৪৫103162
  • ওহ ডিডি! কতা হবে না।

  • dc | ০৪ মার্চ ২০২১ ২০:৪৭103163
  • অসাধারন লেখা, দুর্দান্ত লেখা। দুবার পড়ে ফেল্লাম :-)

  • Du | ০৪ মার্চ ২০২১ ২২:১৪103164
  • কেঁদে ই ফেললেন ? :))

  • খুব শক্তিশালী বিষ আটা | ০৪ মার্চ ২০২১ ২২:৪৪103166
  • এই জিনিষটা ঠিক কি আর কোথায় কিভাবে পাওয়া যায়? নাকি কালের কপোলতলে বিলুপ্ত?

  • Ramit Chatterjee | ০৫ মার্চ ২০২১ ০৮:৫৮103173
  • ধুত্রর বীজ দিয়ে তৈরি করুন। তবে কাউকে দেওয়ার আগে নিজে টেস্ট করে নেবেন। এখনো অব্দি কোনো কমপ্লেন জমা পড়েনি।

  • সম্বিৎ | ০৫ মার্চ ২০২১ ১০:৫৩103176
  • এটা খানাকুল সিরিজের জন্যে লিখে রেখেহছিলাম, পোস্ট করা হয়নি। এই কিচাইনের সূত্রে মনে পড়ল।


    ------------

    আমার শ্বশুরমশাই অরুণকান্তি দাস সরকারী চাকরিতে পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় কাজ করেছেন। "মৌলানা সাহবের দাওয়াত" শিরোনামে নিজের যৌবনের একটা অভিজ্ঞতা লিখেছিলেন -
     
    "মৌলানা সাহেব একজন সম্ভ্রান্ত ধনী কৃষক। ... ছেলের বিয়েতে আমাদের দাওয়াত দিলেন। ... খাওয়ার ডাক পড়লে মৌলানা সায়েবের সঙ্গে গেলাম ভোজের জায়গায়। মেঝেতে পাতা ফরাস, তার উপরে ফুটখানেক উঁচু লম্বা করে টেবিল পাতা, আর তাতে সাদা চাদর বিছানো। বসার পর ঐ টেবিলে খাবার দিয়ে গেল। অনেকটা বাফে বা নিজে-নিয়ে-খান গোছের ব্যাপার। পদের মধ্যে জবরজং কিছু নেই। কিছু ভাজাভুজি, কাবাব, বিরিয়ানি আর মাংস। মাংসটাই আসল। রেওয়াজী খাসি আর জম্পেশ করে পেশাদার রাঁধুনির রান্না। মৌলানা সায়েব হুঁশিয়ারি দিলেন মাংস এক বা দু টুকরো খেয়ে আস্বাদ করে তারপরে আরো নিতে। নেমন্তন্নবাড়িতে এসে এমন কথা শুনে একটু অবাকই হলাম। বিডিও সায়েবও সম্ভ্রান্ত মুশলমান, তিনিও আগে দু টুকরো খেয়ে তারপরে বেশী নেবার নির্দেশ দিলেন। আমি কিছুটা কাবাব খেয়ে ঠিক দু টুকরো মাংসই তুলে নিলাম। সঙ্গে নান রুটি।
     
    "ভোজবাড়িতে সেদিন ঐ দু টুকরো মাংসও খেয়ে উঠতে পারিনি। অসাধারণ স্বাদ-গন্ধযুক্ত ঐ তুলতুলে নরম একটুকরো মাংস খেতেই আমি নাজেহাল হলাম। জিহবা এড়ে গেল ঘি আর মশলার কারসাজিতে। তখন বোঝা গেল বারংবার হুঁশিয়ারীর কারণ। খাওয়াশেষে পরিবেশিত হয়েছিল পৈটিক গন্ডগোল থেকে বাঁচানোর জন্য এক বিশেষ পানীয়।" (বানানবিধি বদলাইনি।)
     
    এইটা পড়ে আমার আব্দুল হালিম শররের বইতে পড়া একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল -
     
    লক্ষ্ণৌর হাকিম বন্দে মেহেন্দি রইস লোক ছিলেন। খানা-পিনা আর পহেন্নায় তাঁর মতন সৌখীন লোক মেলা ছিল ভার।
     
    একবার এক পালোয়ানকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়েছেন। সে পালোয়ানসায়েব প্রাতঃরাশই সারেন কুড়ি সের দুধ আর দু-আড়াই সের শুখা ফল, কাঠবাদাম, পেস্তা ইত্যাদি দিয়ে। দুপুরে ও রাতে আহার্য্য বলতে দু-আড়াই সের রুটির সঙ্গে একটা প্রমাণ সাইজের খাসির মাংস। বলা বাহুল্য, সায়েবের চেহারাটাও খোরাকির উপযুক্ত।
     
    দাওয়াতের দিন, প্রাতঃরাশের সময় হয়ে গেছে, তখনও খাবার আসেনি। পালোয়ানসায়েব উশখুশ করছেন। উশখুশ ছটফটানিতে পরিণত হল। তখনও খাবারের দেখা নেই। পালোয়ানপুঙ্গবের অবস্থা যখন কাহিল হয়ে এসেছে, তখন হাকিমসায়েব "দেখি তো কী হল" বলে ভেতরপানে গেলেন। এরও অনেক পরে, যখন শ্রীমান পালোয়ান খিদে আর সইতে পারছেন না, হাকিমসায়েব অন্দর থেকে একটা খ্বান পাঠালেন। পহ্লবি ভাষায় ট্রে-কে বলে খ্বান, যেখান থেকে দস্তরখ্বান। তো খ্বান আসতে দেখে পালোয়ান খুব খুশি। কিন্তু পাত্রর ঢাকনা খুলতেই তার মুখ গেল শুকিয়ে। পাত্রে দু-চার চামচ ভাত, এক গাল হয় কি হয়না। চটেমটে সে তক্ষুনি উঠে বেরিয়ে যায় আর কী! কোনরকমে বাবা-বাছা করে তাকে নিরস্ত করা হল। পালোয়ান থালা উপুড় করে ওই পক্ষীর-আহার পরিমাণ খাবার এক ধাক্কায় মুখে পুরে উদরাসাৎ করে ফেলল। তার ক'মিনিট পরে তার হুকুম হল পানি নিয়ে আসার। পানি খাবার পাঁচ মিনিট পরেই আবার পানি আর্জি, আর সেই সঙ্গে শুরু হল একের পর এক ঢেঁকুর।
     
    এতক্ষণে অন্দর থেকে সার দিয়ে খাবারের নান পদ আসতে শুরু করেছে। সাজানো হচ্ছে দস্তরখানে। পোলাওয়ের পাত্র দেখিয়ে হাকিমসাহেব তাঁর অতিথিকে অনুরোধ করলেন, "আপনি যে পোলাও খেলেন সে পোলাও আর এটা একই পোলাও। দয়া করে আরও নিন।" পালোয়ান কানে হাত ঠেকিয়ে বললেন, "মাপ করবেন, আর এক দানা খাওয়ারও জায়গা নেই পেটে।"
  • Nirmalya Nag | ০৬ মার্চ ২০২১ ২১:৫০103201
  • দারুণ। পড়েই খিদে পেয়ে গেল।

  • shyamalendu Biswas | ২৭ এপ্রিল ২০২১ ১০:২৪105221
  • লাস্টটাইম নন্দীগ্রামে নয়, হরিপুরে। ২০০৬ সাল।শীতকাল।পরমাণু বিদ্যুত প্রকল্প বিরোধী আন্দোলনের তথ্যচিত্র তৈরির নিমিত্ত মূল রাস্তা ছেড়ে গ্রামে ঢুকেছি সকাল সাতটা।বসতবাড়ী,ধানের গোলা,সজনে গাছের ছায়া মাখানো গুলজারেরইজাজত ছবির জাপানি ফ্রেম গৃহস্তের পুকুরে গোয়ালের ধারে লটকে আছে।তারপর সবজি খেত মাটির রাস্তা,তেঁতুল গাছ,নলেন গুড়ের ভাঁটি,বট গাছের ছায়ার মায়া টপকে একদম সমুদ্রের ধারে মাছের খটিতে পৌছতে পৌছতে দশটা বেজে গেলো।বাসনা ছিল আঁখো দেখি হাল মানে কয়েকশো মাছের খটি থেকে উৎখাত হতে পারেন এমন ফিশারমেনের অন্দরের কথা ক্যামেরাবন্দি করা। সমুদ্রের ঠাণ্ডা হাওয়া ও অস্থায়ী চায়ের দোকানের আবহে ক্যামেরা চালু করার আগে প্রায় দু ঘণ্টা আমাদের ইন্তারভ্যু দিতে হোল। কী কাজ কী কথা সেটা বড়ো কথা নয় আগে বলো তুমি(তোমরা) কোন দলভুললে চলবে না,মেদিনীপুর নন্দীগ্রামের আগে দু-দুবার স্বাধীন হয়েছিল,এই বহিরাগতের ধরাধামে ল্যান্ড করার দশ বছর আগে।হরিপুরও স্বদেশৗ,ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। বারোটা বেজে গেলোপ্রয়োজনীয় সাক্ষাৎকার শেষ হোল প্রায় দেড়টায়এদিকে পাকস্থলীতে আট দফা ভোটের মহড়া।ফলে মগজে অক্সিজেনের ঘাটতি। পাঁচ হাত দূরে প্রবীণ দম্পতির অস্থায়ী চালাঘর ডিপ-টিউবওয়েলের পাশে।পান,বিড়ি, পার্লে-জি,সিগারেট,লেবেঞ্চুস,চানাচুর,ডিস্পিরিন,কান খুসকি, গুটকার দোকানের এককোনে ছোট একটি কেরোসিন স্টোভ,শিরে হাঁড়ি শোভিত,দন্তবিকশিত।দম্পতি সংসার পাতেন ( না,হাওয়া বদলাতে দক্ষিণ সমুদ্র তীরে আসেন ?) প্রতিবছর,যে-কদিন মাছ ধরা ও সমুদ্রের বেলাভুমিতে মাছ শুকোনোর মরশুম। মাসীমা,ভাত খামুতো মাসীমা রাজি। দিম্ভাত। নীড় ছোট ক্ষতি নেই... গুনগুন করতে করতে বালিতে সদ্য সমুদ্র ফেরত নৌকোর লো এঙ্গেল শট নিয়ে আধ ঘণ্টা কাটিয়ে দিতে বাধ্য হলাম। সমুদ্রের নোনা হাওয়া ও গভীর নলকূপের অতি ঠাণ্ডা জলের যৌথ সঙ্গতে কাকস্নান সেরে কাঁপতে কাঁপতে মাসীমার পাতা মাদুরের আসনে বসে গরম গরম মোটা লাল চালের ধোঁয়া ওঠা ভাত, পেঁয়াজ শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দেওয়া মুসুর ডাল ও ডিমের ঝোলে ডুব দিলাম,তিনজন। একটু ধাতস্থ হয়ে চোখ গেলো হাঁড়ির কোনে রাখা ছোট একটি বাটির দিকে। লালচে রঙের(এ রং,সে রং নয় )টাটকা চুনো মাছের চচ্চড়ি,নিজেদের জন্য রেঁধে রেখেছিলেন।লজ্জাহীন,বলে ফেললাম, মাসিমা একটু হবে? তারপর, এতো বছর, নন্দীগ্রাম,সিঙ্গুর,ইউ-পি-এ,সিঙ্ঘু সীমান্ত, শীতলখুচি,সেকেন্ড ওয়েভ,থার্ড ওয়েভের আক্রমণের মুখেও, টাগরায় টিকে আছে,উদাসীন চুনো মাছের ঝাঁঝালো ঝাল।আ-হা। প্রবীণ দম্পতিকে মাছের ঝালের জন্য অতিরিক্ত মুল্য দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। সফল হই নি।

  • পিউ | ২২ আগস্ট ২০২১ ১৭:১৮497007
  • হ্যাঁ; ঐ ক্যাওড়া ছানাটে জিবি নয়কো, ইনফিনিটি হর্স পাওয়ারের...বাআআপরেএ কী ঝাঁআআআঝ
  • পিউ | ২২ আগস্ট ২০২১ ১৭:২৬497008
  • ঠিক বটে ঐ গাঁদাল পাতার রসে ম্যারিনেট করা ব্লটিংএর তলকালী টে খেইছিলাম বটে ভেলোর হাঁসপাতালে...তবে অ্যাসবেস্টসের মনমাতানো ম্যাজেন্টা তাতে ছিলোনা; ঐ সিপিয়া দিয়ে শ্মশাণ-কালী বন্ন ছেলো...বল্লুমতো তলকালী
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন