এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৫ জুলাই ২০২১ ১৬:৫৪495806
  • এহ দইয়ের সাথে লাল কমলা বোঁদে দিত তো অনেক বাড়িতে। এই ধরুন ৭৮ এর বন্যার আগে অবধি। তারপরে মেনুতে বেশ পরিবর্তন আসে। ডিমের ডেভিল, ফিশ ওরলি এইসব নামের জিনিষপত্র ঢুকতে থাকে। ও ৭৬ সালে পাড়ার এক বিয়েবাড়িতে লাল সবুজ কমলা থকথকে জেলির কিউব ছিল মিষ্টির মধ্যে। শুনলাম তার নাম বোম্বাই হালুয়া। সে বেশ নৈনং ছিন্দতি শস্ত্রাণি টাইপের ব্যপার।

  • b | ১৫ জুলাই ২০২১ ১৭:৫৭495807
  • আরেকটু আদিযুগে যাওয়া যাবে? এই ধরুন ১৮৬০-৭০? এক চন্দননগর নিবাসী জানাচ্ছেন, ভাটপাড়ার নৈয়ায়িক ভটচাজ্জি বিয়েতে বরযাত্রীদের জন্যে বরাদ্দ ছিলো লুচি আর চিনি, তাও তারা বরযাত্রী ছিলো বলেই ইস্পেশাল ( আকার কাছ থেকে নেমন্তন্ন পেলে সাবধানে থাকবেন )। "অন্যান্য স্থলে লুচির সহিত (কুমড়ার ) তরকারি এবং দধি ও সন্দেশ থাকিতো। ইহার অধিক আর কিছু নয়। "

  • kk | ১৫ জুলাই ২০২১ ২০:১৩495809
  • এই বিয়েবাড়ির মেনু নিয়ে আলোচনাটা খুব ইন্টারেস্টিং। আমি ভারতের উপকথার বিহার পর্বে পড়েছিলাম ওখানের গ্রামের বিয়েবাড়ির ট্র‌্যাডিশনাল মেনু ছিলো হাতির কানের মত বড় বড় পুরী, বাথুয়ার শাক ভাজা আর লাড্ডু কিম্বা জিলিপী।

  • সম্বিৎ | ১৫ জুলাই ২০২১ ২০:৫৩495810
  • মহেন্দ্র দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দির শেষার্ধে বিয়ে ইত্যাদি অনুষ্ঠানে কীরকম খাওয়ান হত বিষয়ে লিখেছেন "লোক খাওয়ানো" প্রবন্ধে। প্রথমে বড় লুচি আর নুনবিহীন কুমড়োর ছক্কা। এই আলুনি কুমড়োর ছক্কার স্বাদের যা প্রশংসা করেছেন, তাতে অন্য সব খাবারের স্বাদ ফিকে হয়ে আসে। আসত কলাপাতায়। কলাপাতার কোণে নুন। এরপর আসত খুরি-সরা। সরাতে আসত কচুরি, নিমকি, খাজা, চৌকো গজা, মতিচুর। কড়াইডালের পুরে আদা, মৌরী দিয়ে কচুরি হত। খাজা ছিল খাবারের প্রধান অঙ্গ। খুরিতে থাকত চার রকমের সন্দেশ। এরপরে ক্ষীর, দৈ দেওয়া হত। ১৮৭৩-৭৪ নাগাদ থেকে রসগোল্লা আর তিলকুট চালু হয়। রাবড়িও পরের ব্যাপার। লক্ষ্ণৌ থেকে আমদানী। বিখ্যাত ছিল পেনেটির গুপো সন্দেশ। আর খাজা দিয়ে ক্ষীর খাওয়া হত।

  • kk | ১৫ জুলাই ২০২১ ২১:০৭495811
  • ন্যাড়াদা,
    তাহলে বেশির ভাগটাই মিষ্টি? নোন্তা খাবারের মধ্যে শুধু লুচি, কচুরি আর কুমড়োর ছক্কা থাকতো?

  • সম্বিৎ | ১৫ জুলাই ২০২১ ২১:১৬495812
  • তাই লিখেছেন দেখছি। কবে থেকে যে সাবেক লুচি-ডাল-ছক্কা-মাছ-মাংস-চাটনি-পাঁপড়-দই-মিষ্টি-পান স্ট্রাকচার চালু হল, কে জানে!

  • নোন্তা খাবারের মধ্যে | ১৬ জুলাই ২০২১ ০২:৪০495813
  • কচুরি নিমকি ও রয়েছে দেখছি।

  • Amit | ১৬ জুলাই ২০২১ ০৩:৩৩495814
  • আগেকার দিনে, মানে মহেন্দ্র দত্ত র আমলে ​​​​​​​কি ​​​​​​​বাঙালি বিয়েতে ​​​​​​​শুধু নিরামিষ ​​​​​​​রাখার কিছু ​​​​​​​ব্যাপার ​​​​​​​ছিল ? ​​​​​​​যেমন ​​​​​​​সাউথ ​​​​​​​ইন্ডিয়ায় ​​​​​​​অনেক র ​​​​​​​বিয়েতে এখনো দেখেছি তারা বাড়িতে নন-ভেজ হলেও বিয়েতে ​​​​​​​কিন্তু শূধু নিরামিষ ​​​​​​​থাকে। আর ​​​​​​​সেটা ​​​​​​​শুধু ​​​​​​​ব্রাহ্মণ ​​​​​​​দের ​​​​​​​বিয়ে তে নয়। অব্রাহ্মণ দেরও। মানে ​​​​​​​অনেক বছর থাকা এবং কাজের ​​​​​​​সুবাদে ​​​​​​​যতটা ​​​​​​​সার্কলে ​​​​​​​মেলামেশার সুযোগ ​​​​​​​ঘটেছে। শহরেই মেনলি।

  • ar | ১৬ জুলাই ২০২১ ০৪:৫৩495818
  • @ডিডি,

    "যেমন একটা খাবার ছিলো সন্ধানিকা। সেটার সন্ধান আর কে দেবে?"

    সন্ধানিকাঃ- ইতি বিশ্বকোষ।


  • ইন্দ্রাণী | ১৬ জুলাই ২০২১ ০৭:০৩495819
  • এই পর্বও যথারীতি দুর্দান্ত।
    এতো রাতের খাওয়ার কথা।
    নেমন্তন্নবাড়ির দুপুরে খাওয়ার একটা পাট থাকতো। বাড়ির লোকজন, বা রাতে আসতে পারবেন না এই রকম মানুষজনের খাওয়ার বন্দোবস্ত।
    যে প্যান্ডাল রাতে আলো টালোয় ঝকঝক করবে, সে তখনও সেহেগুজে ওঠেনি- সেখানেই দুপুরের খাওয়া - একটা দুটো লম্বা টানা টেবিল, সেই কমলা হলদেটে নড়বড়ে চেয়ার, তখনও বাঁশের কাঠামোয় কাপড় লাগানো চলছে, ইলেকট্রিকের কাজ চলছে; রাতে ফ্যান থাকবে, দুপুরে হয় লাগানো হয় নি নয় কানেকশন টানা হয় নি, ফলে দুপুরে খাওয়ার সময় দরদর ঘাম -
    বিয়েবাড়ির দুপুরের খাওয়ায় একটা হৈ চৈ বাঁধত গায়ে হলুদের তত্ত্ব দেরিতে এলে- তত্ত্বের মাছ ভাজতে দেরি হয়ে যেত।
    দুপুরের খাওয়ায় শুক্তো থাকতই। বিয়েবাড়ির দুপুরের নেমন্তন্নে যে শুক্তোর স্বাদ তা আর কোথাও পেতাম না।
    একবার এক দুপুরের নেমন্তন্নে (বিয়ের নয়) শুক্তো হয় নি- লাউয়ের খোসাভাজা ছিল। হ্যাংলার মত জিগ্যেস করতে বাধা ছিল না সেই বয়সে; তখন একজন বলেছিলেন, সুখের শুক্তুনি, দুঃখের বাকলাভাজা- এইটা মনে রাখবি।

  • dc | ১৬ জুলাই ২০২১ ০৮:৪৩495820
  • কি অসাধারন আর দুর্দান্ত লেখা! পড়তে পড়তে এক গামলা জিভের জল ঝরিয়ে ফেল্লাম, আর কতো যে পুরনো বিয়েবাড়িতে খাওয়ার কথা মনে পড়লো! খুব ছোটবেলায় বিয়েবাড়িতে দিতো লুচি আর ছোলার ডাল, তো প্রায় গোটা দশেক লুচি মেরে দেওয়ার পর আর কিছু খাওয়ার জায়গা থাকতো না। তারপর আমার পিসতুতো দাদা শিখিয়েছিল, অতো লুচি খাস না, চার পাঁচটা লুচি খেয়ে বসে থাকবি, পোলাও আর মাংস দিলে তারপর খাওয়া শুরু করবি। আর কোন একবার যেনো নেমন্তন্নে বিজলি গ্রিল ক্যাটারারের খাবার খেয়েছিলাম, সেই প্রথমবার ফিস বাটার ফ্রাই খেয়েছিলাম।


    আর ইন্দ্রাণী যেমন বললেন, বিয়েবাড়ির দুপুরের খাওয়াও অসাধারন হতো, কারন পরিবারের কয়েকজন মিলে খাওয়া হতো। তবে দুপুরের খাওয়ার সময়ে কিন্তু মাঝে মাঝে পেডেস্টাল ফ্যান থাকতো, লম্বা তার দিয়ে কানেকশান দিতো। আর তত্বর মিষ্টি পাওয়া যেতো।

  • aranya | ১৬ জুলাই ২০২১ ০৯:৩৭495821
  • টু গুড। স্মৃতি সততই সুখের। এই অনবদ্য লেখা পড়ে এমন কি সেই লম্বা করে কাটা, বোঁটা ওলা বেগুন ভাজাটির জন্যও মন কেমন করল।


    বছর ৩৫-এর একজনকে জিগালাম, অমন বেগুন ভাজা বিয়ে বাড়ীতে খেয়েছে কিনা। কেমন আশ্চর্য চোখে চেয়ে রইল :-(

  • প্রতিভা | ১৬ জুলাই ২০২১ ১০:৪১495822
  • কলাপাতায় খেতে দিলে কী ভালো লাগতো। আর নুন লেবু, নিদেন পক্ষে মাটির খুরি ভরে দেবার ভার পেলেও। মনে হতো সাবালকত্ব প্রাপ্তি হলো।


    দারুণ লেখা। পড়তে পড়তে হারিয়ে ফেলা বিয়েবাড়ি ঘুরে এলাম, খেয়েও এলাম।


    আর একটা কথা, খাসির তেলের বড়া এখন বাসি বিয়ের দিন কেউ খাওয়ায়?

  • সুকি | ১৬ জুলাই ২০২১ ১১:০৬495824
  • মারহাব্বা - তবে সব কিছু পাষ্ট টেন্সে করে দেবান না প্লীজ। আপনারা যেগুলো লিখলেন তার অনেক গুলোই এখনো তো হইহই করে চলে।


    এই তো ঘোষবাড়ির ছাদে খাওয়া হচ্ছে পাত পেড়ে - এটা অবশ্য বেশ কিছু বছর আগের ছবি। এখন সব ফোর-সিটার টেবিল হয়েছে, বাকি সব একই


  • শিবাংশু | ১৬ জুলাই ২০২১ ১৩:০০495829
  • লুরুর ব্রজদা, দের আতে হ্যাঁয়, পর দুরুস্ত আতেঁ হ্যাঁয়। নস্টোলজির চূড়ান্ত,

  • Kallol Dasgupta | ১৬ জুলাই ২০২১ ১৬:৫২495832
  • অ ডিডি, গরমকালে আম খাওনিকো বে বাড়িতে ? তাবলে শীতকালে মোট্টেও কম্লানেবু দিতো না। আর বরযাত্তি ঢুকলেই গোলাব্জল স্প্রে ?

  • dd | ১৬ জুলাই ২০২১ ১৮:৪১495835
  • @কল্লোল। হ্যাঁ। আম তো নিয়মিত ছিলো গ্রীষ্মকালীন বিয়ের শেষপাতে। সুসজ্জিতা মহিলারা যাদের একাধিক বাচ্চা ছিলো - তারা যে কী পরিমান নাজেহাল হতেন সে আর কহতব্য নয়।


    আরেকটা ট্র্যাডিশন ছিলো "লুচি কেস"। নিরুচ্চারিত প্রেমে তখন ভেসে যেতো সুবে বাংলা। মানসীর বিয়ের দিনে ভগ্নহৃদয় তরুনটি মোটেই পালিয়ে বেরাতো না। কষে গামছা বেঁধে, বেতের ঝুড়ি কাঁখে নিয়ে তিনি "লুচি চাই লুচি চাই" বলে ঘুড়ে বেরাতেন। ডাকসাইটে সুন্দরীর বিয়েতে এরকম তিন চারটে "লুচি কেস" খুব কমন ছিলো।


    মাইকে সানাইএর মীড় আর গমকে হৃদয়ের তন্ত্রী ছিঁড়ে যাচ্ছে, ফিস ফ্রাইএর ধোঁয়াতে চোখ ঝাপসা, কিন্তু অবিচলিত ভাবে তরুনটি লুচি বিলিয়ে যাচ্ছেন। ওফ।

  • Proshno | ১৬ জুলাই ২০২১ ২২:০৩495842
  • সে যুগে কি পনির হতো, নাকি ছানার বা ধোঁকার ডালনা?

  • Ranjan Roy | ১৭ জুলাই ২০২১ ১১:২৮495855
  • আমি আর ডিডি প্রায় সমবয়েসি।


    তাই ডিডিকে বলি 'কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে'!


    ভিলাইয়ে এমনই এক বাড়িতে কোমরে গামছা বেঁধে লুচি, নুন, লেবু পরিবেশন করলাম। সব ব্যাচ শেষ হলে যখন বরকনে খেতে বসেছে এবং তাদের ঘিরে বন্ধু ও সখির দল, তখন ঠাকুর চাকর পরিবেশনকারীরা অন্য প্রান্তে খাচ্ছে, আমিও তাই। এদিকে মিষ্টি বাড়ন্ত তাই আমার প্লেট নিয়ে আমি অন্য প্রান্তে মিষ্টির খোঁজে যাচ্ছি, হঠাৎ সবাই হায় হায় করে উঠলো। ওখানে ভোজনরত বরবৌয়ের ফটো সেশন হচ্ছিল, আমি ন্যালাক্যাবলা না বুঝে ঠিক ক্যামেরা ক্লিক করার মুহুর্তে ক্যামেরা ও যুগলের মাঝে রাহু হয়ে ধীর লয়ে হেটে গেছি। অনেকে ফিসফিস করল, ন্যাকাচৈতন! ইচ্ছে করে করেছে। হাফসোল খেয়ে বোকার মত বদলা নিচ্ছে। কী হিংসুটে রে বাবা!


    তখন পনীর শব্দটি জানা ছিলনা। অবশ্যই ছানার ডালনা নতুন শুরু হয়েছে। ফলে বাঙালিরা তখনও ওই পদটি ভালো করে রাঁধতে শেখেনি।


    সুকি যে ছবি দিলেন, আমার কাকাদের বিয়েতে (ছয় কাকা) এটাই ছিল পরিচিত দৃশ্য। হায়, সেই কলাপাতা, মাটির খুরিতে ঠান্ডা জল, লেবু নুন! আর নাকভাঙা দই! কোথায় লাগে আইসক্রিম?


    ওই লম্বা বোঁটাওলা বেগুনভাজা নিয়ে আমার অবজেকশন! ওটা সবচেয়ে আগে ভেজে তুলে রাখা হয়। তাই পরিবেশনের সময় হয়ে যায় ন্যাতনেতে ঘুমিয়ে পড়া বিচ্ছিরি! আর যখন বোঁটা ধরে পরিবেশন করে মনে হয় ল্যাজ ধরে মরা ইঁদুর!

  • কৌশিক ঘোষ | ০৪ নভেম্বর ২০২১ ২৩:৩৩500704
  • রঞ্জন রায় লম্বা বোঁটাওয়ালা বেগুনভাজার নিন্দে করলেন।
    কিন্তু সদ‍্যভাজা বা নেতিয়ে যাওয়া, ল.বোঁ.বে. সর্বদাই নিন্দার উর্ধ্বে, জিহ্বাগ্রে রসোদ্রেককারী, পঞ্চাশোর্ধ্বগণের নস্টালজিয়ার সূত্রধারক।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন