এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৪৩ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | ৮ বার পঠিত
  • ( ৪৩ )

    অনুমিত দিল্লি গেছে। মনোমিতাদের সঙ্গে গেছে সেটা অবশ্য তার মা বাবা জানে না। অনুমিত কবে ফিরবে জানা নেই। ফেরার টিকিট কাটার পর জানাবে বলে গেছে। অনিন্দ্যবাবু দিবারাত্র টিভি চ্যানেল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খবরের সন্ধান করে চলেছেন।

    রাত আটটা বাজে। জজসাহেব উদগ্রীব চোখে টিভির দিকে তাকিয়ে বসে আছেন। তিনি চলন্ত ভারতের জ্বলন্ত খবর দেখছেন এবং শুনছেন। শুধু দেখছেন এবং শুনছেন না ভাবছেনও। নানা ভাবনায় ডুবে আছেন তিনি। কোনটাই ব্যক্তিগত ভাবনা নয়, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি সংক্রান্ত ভাবনা। যে আন্দোলনটা এখন হচ্ছে এরকম একটা আন্দোলনের যে প্রয়োজন ছিল এ ব্যাপারে তার কোন সন্দেহ নেই। তার মতে ভারতে পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি একটা বিপজ্জনক জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে। একটা অ্যান্টিডোটের দরকার ছিল। সেটাই হয়ত এখন উঠে আসছে এস আই আর কে কেন্দ্র করে। বিষাক্ত গ্যাস মাটির নীচে বেশিদিন অবরুদ্ধ থাকলে তার উর্দ্ধমুখী ধাক্কায় ভূপৃষ্ঠে ভূমিকম্প সৃষ্টি হতে পারে। যেটা এখন হচ্ছে। অবরুদ্ধ ক্ষোভের বিস্ফোরণ।
    কিন্তু এই নিয়ে তার মনে দুটো কথা বড় খচখচ করে। ঘর পোড়া দেশি গরু তো।

    এক, তাজা তরুনদের এই আন্দোলন পলিটিকাল পার্টিগুলো হাইজ্যাক করে নেবে না তো। রাজনৈতিক দলগুলো অরাজনৈতিক কোন আন্দোলনের অগ্রগতি পছন্দ করে না। তারা সবসময়ে চায় আন্দোলনের রাশ যেন তাদের হাতে থাকে। মানুষ যেন তাদের ওপর নির্ভর করে আন্দোলনের ভবিষ্যতের ব্যাপারে।

    আর দু নম্বর হল, নেহা বোরার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। কানহাইয়া কুমারের মতো ফ্ল্যাঙ্ক সুইচ করবে না তো। মানে, সুযোগ বুঝে লেফট উইং ছেড়ে রাইট উইং ধরে দৌড়তে যাবে নাতো। অনিন্দ্যবাবুর ভেবে অবাক হয়ে যান, তিনি নেহাদের ব্যাপারে এত স্পর্শকাতর হয়ে পড়ছেন কেন। তিনি আজকাল একান্তে আত্মানুসন্ধানে মগ্ন থাকেন প্রায়ই। উপলব্ধি করতে পারেন তার তার মনের গভীরে একটা সবুজ সজীব আশার চারাগাছ সংগোপনে মাথা চাড়া দিয়েছে। একটা বাতাবরন বদলের আশা, একটা কাঠামোগত বিবর্তনের আশা। কিন্তু পরের মুহূর্তেই তার বুকের বারুদ নেতিয়ে যায়। বিমর্ষ লাগে এই ভেবে যে তার এই সযত্নলালিত স্বপ্নগুলো কোন এক আচমকা আঘাতে ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে না তো। তিনি বড্ড আশার জাল বুনে চলেছেন এই সব দামাল বাচ্চাদের দেখে। শিশিরবিন্দুবাবু আসলে তার সঙ্গে কথা বলা যেত। কিন্তু স্যারের তো অনেকদিন কোন খবর নেই। কেমন আছেন কে জানে। কিছু বলা যায় না। হয়ত আজই আবির্ভূত হলেন। শিশিরবাবুর মতামতের যথেষ্ট গুরুত্ব আছে অনিন্দ্য বোসের কাছে। প্রচুর পড়াশোনা করা প্রাক্তন বিচারক মশায় গনতন্ত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেন না। তার কাছে সিস্টেমই আসল। কিন্তু এই ছেলেমেয়ের দল তো সিস্টেমে কোন বদল চাইছে না। তারা শুধু ইলেক্টোরাল প্রসেসে দেশের সমস্ত নাগরিকের ডেমোক্রেটিক রাইট রক্ষা করার কথা বলছে। রাহুল গান্ধীও তো একই কথা বলছে। ভোট দেবার অধিকার রক্ষা। তাহলে আর তফাৎ কী হল ?

    তবে একটা কথা ঠিক, অনিন্দ্যবাবু ভাবলেন, প্রতিবাদের জন্ম নেওয়া দরকার কোন একটা জায়গা থেকে। তারপর যদি বিপথগামী না হয়, একটা ক্ষেত্র থেকে আর এক ক্ষেত্রে গড়িয়ে যাবে স্বতঃপ্রবহমান স্রোতের মতো। অনিন্দ্যবাবু প্রাণপণ আশা করতে থাকেন তেমন কিছু হবে এবার, হবেই হবে। মরা গাঙে বান আসবে। আসবেই আসবে। ফরেন ফান্ডিং, ডিপ স্টেট... এসব ভাসমান রটনাগুলোকে চিন্তাতে জায়গা দিতে চান না। আন্দোলন চালানোর টাকা কোথা থেকে আসছে, এ ব্যাপারে অনেকে নানা চিড়বিড়ে বেঁকা বেঁকা মন্তব্য করছে। কিন্তু এসব বয়ান তার কাছে অবান্তর মনে হচ্ছে। যে কোন মুভমেন্টেই টাকা পয়সার নানাভাবে ব্যবস্থা করতে হয়। সেটা নিয়ে বিনা প্রমাণে নানা বদনাম রটানো অত্যন্ত কুরুচিকর এবং দুরভিসন্ধিমূলক।
    টিভিতে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া আজকের ঘটনাগুলো দেখাচ্ছে। নেহাকেও দেখা গেল বার কয়েক। মেয়েটা শুধু ডাকাবুকোই নয়, বেশ বলিয়ে কইয়েও আছে। ওকে কোন ডিপস্টেট কনস্পিরেসির বাইপ্রোডাক্ট বলে ভাবতে খুব কষ্ট হবে অনিন্দ্যবাবুর। নেহাকে এ ক'দিনে বারবার দেখতে দেখতে ওর ওপর একটা অদ্ভুত অপত্যস্নেহের সৃষ্টি হয়েছে তার মনে।

    খবরে আবার একবার নেহা বোরাকে দেখা গেল। চলন্ত প্রিজন ভ্যানের জানলা দিয়ে সাংবাদিকদের বাড়িয়ে ধরা প্রায় পনেরটা বুমের মুখোমুখি হয়ে চিৎকার করে কী সব বলে যাচ্ছে।
    অনিন্দ্যবাবু ভাবলেন, ওইটুকু মেয়ে তার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বক্তব্য রাখছে। সেটা ঠিক হোক, ভুল হোক কোন ডিপ স্টেট ষড়যন্ত্র জারিত বয়ান হতে পারে এটা যেন এ জীবন থাকতে বিশ্বাস করতে না হয়... অনিন্দ্যবাবু ভাবতে লাগলেন। খবর চলতে লাগল।

    অনিন্দ্যবাবুর মোবাইল বেজে উঠল। পর্দায় দেখা গেল গৌরীশঙ্কর কলিং।
    --- ' হ্যাঁ বল.... '
    --- ' গৌরী বলছি স্যার... '
    --- ' বুঝেছি। বল... '
    --- ' কী করছেন... নিউস দেখছেন ? আওয়াজ পাচ্ছি .... '
    --- ' হ্যাঁ দেখছি। কী খবর তোমার ? '
    --- ' আমি ঠিক আছি। বলছি যে, কাল আপনার কাছে একজনকে নিয়ে যাব ? '
    --- ' কেন বল তো ... '
    --- ' ভদ্রলোক খুব আর্থিক অসুবিধের মধ্যে আছে। যদি কিছু করা যায়... আপনি তো অনেকের জন্য করেছেন... '
    অনিন্দ্যবাবু এসব ব্যাপার এখন একদম নিজের কাঁধে নিতে চান না।
    তিনি সরাসরি বললেন, ' আমার কোন সোর্স নেই এখন। সব কিছু বদলে গেছে। শিশিরবাবু ছাড়া আমি এখন কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখি না। আমার ভাল লাগে না কারও কথাবার্তা। কথাবার্তা এত বায়াসড যে দালাল মনে হয়... '
    --- ' দালাল ! হমম্... বুঝলাম স্যার। এভাবেই তো চলছে। তবু যদি একটু দেখেন ভদ্রলোককে। আমার এক পুরনো বন্ধুর পরিচিত।
    অনেস্ট লোক... '
    --- ' সে ঠিক আছে। কিন্তু ওই যে বললাম... এখন আমার আর তেমন কানেকশান নেই। যাদের সঙ্গে আছে তাদের কোন ক্ষমতা নেই এখন। তাই আমার কাছে এনে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না। হ্যাঁ শোন... তুমি আজকালের
    মধ্যে একবার এস সময় করে। দরকার আছে... '
    --- ' ঠিক আছে, কাল রাত্রে যাব স্যার... '
    --- ' বাবান দিল্লি গেছে জান তো জেন জি -র প্রোটেস্টে... '
    --- ' হ্যাঁ জানি। ওর কোন খবর পেয়েছেন ? '
    --- ' না, ফোন করিনি। সময় পেলে নিশ্চয়ই জানাবে ও। পুলিস হ্যারাসমেন্ট ফেস করতে হয়েছে কিনা কে জানে... '
    --- ' চিন্তা করবেন না। ও তো একা নেই। সঙ্গে সঙ্গী সাথী আছে নিশ্চয়ই... '
    --- ' হ্যাঁ তা আছে বোধহয়... কারা আছে কে জানে ... '
    গৌরীশঙ্কর বুঝতে পারলেন এখন জজসাহেবের মন জুড়ে আছে তার ছেলের দিল্লি যাওয়া এবং সেখানকার সব ধুন্ধুমার কান্ড।
    অনিন্দ্যবাবু বললেন, ' ঠিক আছে গৌরী, রাখছি এখন। খবরটা দেখি। এস কিন্তু... '
    --- ' হ্যাঁ স্যার নিশ্চয়ই। একটা কথা বলছি। এক মিনিট স্যার... '
    --- ' বল... '
    --- ' বলছি যে, অমরনাথ সাহার মার্ডার কেসটার কথা আপনার মনে আছে স্যার ? '
    --- ' অ...মর... না...থ.... ও হ্যাঁ, পি ডব্লিউ ডির কন্ট্রাক্টর ছিল। তাই তো ? '
    --- ' একদম একদম... '
    --- ' সে তো অনেকদিন হয়ে গেল। কেসটা যে কোথায় তলিয়ে গেল। আমাদের জুডিশিয়ারিতে অনেক ল্যাকুনা, মানে ফুটোফাটা... খুব বিশ্রী...'
    --- ' স্যার... বলছি যে কেসটা রিওপেন করা যায় না ? '
    ওদিক থেকে অনিন্দ্যবাবুর কোন আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু গৌরীবাবু বুঝতে পারছেন
    তিনি লাইন ছাড়েননি। তিনি অপেক্ষা করতে লাগলেন।
    কয়েক মুহুর্তের নীরবতার পর অনিন্দ্য বসুর কথা শোনা গেল।
    --- ' নিশ্চয়ই হতে পারে। ফোনে নয়। বাড়িতে এস... '
    লাইন কেটে গেল। অনিন্দ্যবাবু আবার টিভিতে মন দিলেন। ওখানে পুলিশের তান্ডব দেখাচ্ছে।

    ( ক্রমশ )

    *****************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন।