এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  -  ৩৮ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩ বার পঠিত
  • ( ৩৮ )

    অনুমিত সব শুনে বলল, ' কী করবে এখন ? '
    ---- ' মিডিয়াতে ডিসক্লোজ করব ভাবছি... কিন্তু তার আগে একটু দেখে নিতে চাইছি... '
    ----- ' কী দেখবে ? '
    ----- ' দেখতে চাইছি কিভাবে রিট্যালিয়েট করে... '
    অনুমিত বেশ পরিণতমনষ্কের মতো বলল, ' সব হাউসই তো সোল্ড হয়ে গেছে। আদারওয়াইজ সারভাইভ করা ডিফিকাল্ট এই ফ্রেমওয়ার্কে.... '
    ----- ' তা ঠিক। কিন্তু তবু তো কিছু হাউস এসব ম্যালপ্র্যাকটিস এক্সটেনসিভলি পাবলিক করছে। সেটা তো অস্বীকার করা যায় না... ', অনিন্দ্যবাবু অনুমিতের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব দিলেন।
    অনুমিত কথাটা নিল। বলল, ' তা ঠিক। তবে তুমি একটা কাজ করতে পার। সোশ্যাল মিডিয়ায়
    আমার অ্যাকাউন্ট থেকে আপলোড কর। পোস্ট ভাইরাল হলে ওয়াইড ইমপ্যাক্ট হবে। সিজেপির কাছেও রিচ হবে। তাহলে কোন মিডিয়ায় অ্যাপ্রোচ করার দরকার পড়বে না... '
    গৌরীবাবু বললেন, ' সাজেসানটা খারাপ দেয়নি বাবান। এটা করতে পারেন। ওই করে দিতে পারবে নিশ্চয়ই। আপনার তো অ্যাকাউন্ট নেই বোধহয়। কী... তাই তো ? '
    অনুমিত বলল, ' হ্যাঁ হ্যাঁ... অসুবিধে হবে না। তোমার অ্যাকাউন্ট থাকলে ওটায় করা যেত। এনিওয়ে অসুবিধে হবে না... '
    চক্রবর্তীবাবু বললেন, ' আরে বাবা, এসব ঘোটালা তো আগে মোবাইলে দেখা যায়। তারপর দু একটা টিভি চ্যানেল এগুলো টুকে বাজার গরম করে। তাই তো দেখছি ... '
    ----- ' হবে হয়ত। সে যাই হোক পরিস্থিতি কিন্তু মোটেই ভাল নয়। দেখি কী করা যায়... ', অনিন্দ্য বসু বললেন।
    গৌরীবাবু বললেন, ' আমি আজ উঠি স্যার। এখন একটু ধর্মতলায় যাব। কাজ আছে... '
    অনিন্দ্যবাবু জানতে চাইলেন না ধর্মতলায় এখন তার কী কাজ আছে।
    বললেন, ' ঠিক আছে। যোগাযোগ রেখ। খবর থাকলে দিও। বাদল ভৌমিকের আপডেট... '
    ----- ' চিন্তা করবেন না... দেখব। লোক আছে পার্টিরই ... '
    গৌরীশঙ্করবাবু বেরিয়ে গেলেন।

    দেবাশিস ভাবল, সুভাষ গিরির বাড়ি অনেকদিন যাওয়া হয়নি। এটা খুব অন্যায় হচ্ছে। ওরাই তো তাকে একটা দিশা দেখিয়েছে। কালকে রাত্তিরে খবর পেয়েছে সকালের দিকে নাকি বিজয়ের ওপর একটা হামলা হয়েছে। বড় কিছু হতে পারত । বাজারের লোকজনই নাকি আটকেছে। যারা হামলা করেছে তাদের নাকি কেউ চেনে না। সত্যিই চেনে না, নাকি চেনাচেনির মধ্যে গেলে 'রিস্ক' আছে সেটা বুঝে নিতে হবে।

    বেলা এগারোটা নাগাদ সুভাষ গিরির বাড়ি গিয়ে সুভাষবাবু এবং বিজয় দুজনকেই পেয়ে গেল দেবাশিস।
    দেবাশিস কিছু বলার আগেই বিজয় বলল, ' খুশির খবরটা পেয়েছ তো ? '
    দেবাশিস অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল বিজয়ের মুখের দিকে।
    ----- ' বুঝতে পারলে না। সেই কোন সিনেমার একটা ডায়লগ আছে না... এ ডর মুঝে আচ্ছা লাগা... '
    দেবাশিস একটু সময় নিল। ভ্রু কুঁচকে একটু ভেবে নিয়ে বলল, ' ও আচ্ছা, বুঝলাম... এখন জেনুইন বিরোধী বলতে তো আপনারাই। এটা কিন্তু অনেকে বলছে ... '
    এই সময়ে সুভাষ গিরি বলে উঠলেন, ' লোকে বলছে তো বুঝলাম। কিন্তু পার্টির তো তাগিদ থাকার দরকার। সেরকম ক্ষিধে কোথায়। বিরোধী স্পেস একদম খালি.... সে জায়গাটা নেবার উদ্যোগ কোথায় ? শুধু টিভি চ্যানেলে বসে গলা ফাটালেই হবে ? '
    দেবাশিস বলল, ' কেন কাকু, কলকাতায় অনেক জায়গায় তো বুলডোজার থামিয়েছে পার্টি ... '
    সুভাষবাবু বিরক্ত স্বরে বললেন, ' আরে... ওতে কিছু হবে না। ওরা টাকা দিয়ে কিনবে সব কিছু। আমাদের সংগঠন কোথায় ? শুধু কোর্ট কাছারি করলে চলবে না। রাজ্যের প্রতিটি কোনায় বুথ স্তরে সংগঠন চাই। কমরেডরা শুধু কে জেলা কমিটির সভাপতি হবে, কে রাজ্য কমিটির সম্পাদক হবে এই সব নিয়ে নিজেদের মধ্যে দড়ি টানাটানি করে হাঁফিয়ে মরছে। ঘরের মাথার ছাদ উড়ে গেছে দেয়ালে তেলরঙ লাগাচ্ছে। কী আর বলব !'
    বিজয় বলল, ' সাফিসিয়েন্ট ফান্ড না থাকলে এখন রাজনৈতিক দল চালানো খুব কঠিন। দেখছ না টিএমসির দুটো গ্রুপ ওই বিশাল ফান্ডটা দখলে নেবার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে... '
    ----- ' আরে বাবা ... এটা তোরা কবে বুঝবি যে মানুষকে কাছে টানার জন্য বিশাল খরচ এবং আড়ম্বর করতে হবে তার কোন মানে নেই। লোক টানার জন্য অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু মানুষের মনের একদম ভিতরে গিয়ে ঢোকার জন্য টাকার তেমন দরকার হয় না। দরকার ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় ঘা মারার। সেটা কই ? '
    বিজয় কিন্তু নিজের মতে অনড় রইল। বলল, ' সেটা তো যতটা সম্ভব করা হচ্ছে। তার এফেক্টও কিছুটা পড়ছে। আমার ওপর কালকের অ্যাটাকটা তার প্রমাণ। এটা একটা পজিটিভ সাইন বলে মনে হচ্ছে। কিছু জায়গায় পার্টি অফিস ভাঙচুর হচ্ছে, মিছিলে আক্রমন হচ্ছে, তার মানে লাইন ঠিক আছে। কারেন্টটা ঠিকমতো ধরে রাখাটা অবশ্য সহজ কাজ নয়। স্রোত এদিকে ওদিকে ঘুরে যেতে পারে যে কোন মুহুর্তে। কিন্তু মানি ইজ এ ক্রুশিয়াল ফ্যাক্টর... '
    দেবাশিস ঘাড় নেড়ে বলল, ' তা ঠিক... '
    সুভাষ গিরির কী মনে হল কে জানে, তিনি ওখান থেকে উঠে আস্তে আস্তে ভিতরের ঘরে চলে গেলেন।
    বিজয় এরপর বলল, ' কিন্তু মাইনরিটিদের যতদিন এ বিশ্বাস আসছে যে আমরা জিততে পারি ততদিন পর্যন্ত পরিস্থিতি তেমন বদলাবে না। বড়জোর ভোট পার্সেন্টেজ কিছুটা বাড়তে পারে। মাইনরিটিদের আস্থা তৈরির ইস্যুটা আমরা কিছুতেই ধরতে পারছি না। এটা একটা বিরাট ত্রুটি... '
    দেবাশিস আবার মাথা নাড়ল।
    বিজয় বলতে লাগল, ' কাল সকালে জঙ্গলের দিকে যাব ঠিক করেছি। দ্রৌপদিও যাবে বলেছে। ওদের অবস্থায় তো কোন পরিবর্তন নেই। ক্ষমতায় যারাই আসুক। ওদের আর ক'টাই বা ভোট। কেউ হিসেবের মধ্যে ধরে না ওদের। সে যাক, দেখ কী করবে ... '
    দেবাশিস সঙ্গে সঙ্গে বলল, ' আমিও যাব দাদা ... ' ----- ' ওদের খোঁজ নেবার কেউ নেই। কেউ কিছু বলার নেই। রাজ্য একেবারে বিরোধীশূন্য। শাসক রকমারি গেম প্ল্যানে ব্যস্ত। আর চলছে অগুন্তি তদন্ত তদন্ত খেলা। একেবারে ফাঁকা মাঠে ইচ্ছেমতো গ্যালারি শো করে চলেছে। কেউ কিছু বলার নেই। বেচারি চন্দ্রনাথের ব্যাপারটাই দেখ না। অত ভাল ছেলেটা... এর নাম যদি গণতন্ত্র হয়... ছ্যাঃ ! এর চেয়ে সোজাসুজি ডিক্টেটরশিপ ভাল... '
    দেবাশিস মাথা নীচু করে শুনছিল। সে মাথা তুলে বলল, ' আমি কিন্তু দাদা একটা সহজ কথা মানি। পাবলিকের মার দুনিয়ার বার। কখন কী হয় কিছু বলা যায় না... '
    ----- ' কথাটা ভুল নয়। সেদিকে তাকিয়েই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। সারা দেশ জুড়েই গণজাগরণের একটা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেটাকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করার জন্য রাষ্ট্রীয় কলাকৌশলের অভাব নেই। কঠিন, খুবই কঠিন... '
    বিজয় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। দেবাশিস নিরুত্তর রইল। ভাবল, কলাকৌশল ছাড়া বাঁচার আর অন্য কী রাস্তা আছে। বিপ্লব পোদ্দার তাকে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসে একটা কাজ পাইয়ে দেবে বলেছে। টাকাপয়সা কিছু চায়নি। নিশ্চয়ই গেরুয়া পার্টির হয়ে খাটতে বলবে। বলেনি কিছু এখনও, কিন্তু বলবে তো বটেই। এমনি এমনি কি কিছু হয় এই দুনিয়ায়। প্রশান্ত দাস কি কম খেলা খেলেছে তার সঙ্গে। শালা এখন কেঁচো হয়ে গর্তে ঢুকে গেছে। হয়ত নতুন কলাকৌশলের সন্ধান করছে শালা শুয়োরের বা...। কিন্তু বিজয়দা যদি তার এই অন্য ডালে চড়ার প্ল্যানটার খবর পায় কী হবে ভেবে তার খুব লজ্জা করতে লাগল। তারপরেই তার মনে হল, এত কিছু দেখে শুনেও এখনও যে সে যথেষ্ট নির্লজ্জ হতে পারেনি এটা বোধহয় তার জন্য একটা অশনি সংকেত।
    বিজয় বলল, ' কী হল, কী এত ভাবছ ? '
    দেবাশিস চমকে উঠে বলল, ' না... ওই একটা ব্যাপার ছিল... মানে, বেইমানি ক' ধরণের হয় ? '
    ----- ' হঠাৎ ... কী ব্যাপার ? '
    দেবাশিস চটকা ভেঙে বেরিয়ে এসে বলল, ' না না... কিছু না। বললাম তো যাব। কাল যাব আপনার সঙ্গে... '

    কাল মাঝরাতে খুব ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। বিজয় সকালে উঠে দেখে চারদিকে জল কাদায় ভর্তি।
    অনেক গাছের ডালপালা ভেঙে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে এখানে ওখানে। আকাশ ছাইরঙা স্লেটের মতো কালো। মেঘলা দিনের ঘোর লাগা পথঘাট। টিপটিপ করে বৃষ্টিও হচ্ছে।
    এই আবহাওয়াতেও দেবাশিস কিন্তু দ্রৌপদির আগেই এসে গেল। বিজয় বলল, ' কী ওয়েদার পড়ল বল তো। কী করা যায় বল তো... রাস্তা তো অনেকখানি। এরকম বিশ্রী আবহাওয়ায় ভ্যানও পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। আবার বৃষ্টি আসবে মনে হচ্ছে। মুশ্কিল হয়ে গেল। অথচ যাওয়ার দরকার ছিল ভীষণ। বেচারিদের কাল রাতটা কেমন কেটেছে কে জানে। ক'জনের ঘর পড়ল কে জানে। সুখির জন্য খুব চিন্তা হচ্ছে। ওর শরীরটা এখনও ঠিকমতো সারেনি। মনটা খুব ছটফট করছে। দ্রৌপদিও তো এখনও এল না... তুমি একটা রেনকোট পরে এলে পারতে... '
    ----- ' আমার কোন রেনকোট নেই। পয়সা কোথায় ? ইয়ে, মানে... আমার ওসব লাগে না। ছাতাই লাগে না আমার। ঠিক ম্যানেজ করে নিই। একটা ভাঙা ছাতা আছে বাড়িতে। আনিনি। ঘরে তো একটা থাকার দরকার। ও...ই তো আসছে... '
    বিজয় ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল টিনের দরজা খুলে ঢুকে উঠোন পেরিয়ে দ্রৌপদি আসছে একটা ছাতা মাথায় দিয়ে। এদের দায়বদ্ধতা দেখে বিজয় চমকে গেল।
    সে আবার বলল, ' কী করা যায় বল তো দেবাশিস। রাস্তায় যদি ভ্যান ট্যান কিছু না পাই। এতটা রাস্তা ... '
    দেবাশিসের মুখ থেকে সটান জবাব এল, ' না পেলে, কী আছে ... হেঁটে চলে যাব। ওরকম কত হেঁটেছি ... চলুন বেরিয়ে পড়ি, হাঁটতে থাকি। আপনি রেনকোট বা ছাতা কিছু নিয়ে নেবেন। আমার কিছু লাগবে না। চলুন হাঁটতে থাকি... '
    দ্রৌপদি বলল, ' হ্যাঁ চল... আমার একটা ছাতা আছে। এতেই হবে... চল... '
    মেঘমেদুর আঁধার ছাওয়া এই ঝিমোনো দিনের পরিমন্ডলে দাঁড়িয়ে বিজয়ের মনে হল, এখনও অনেক পথ হাঁটা বাকি হয়ত ...
    কোথায় যেন শোনা গানের লাইনটা। ঠিক মনে পড়ছে না। মাথার ওপর একটা ঠাসবুনোটের ছাতা দরকার এটা সে আবার অনুভব করল।
    সুভাষ গিরি এইসময়ে বাইরে বেরিয়ে এলেন। নীরব গভীর দৃষ্টি মেলে তার উত্তরসূরীদের দিকে দেখতে লাগলেন। তিনি অপরিবর্তনীয়ভাবে বিশ্বাস করেন, লড়াই কখনও ছেড়ে দিতে নেই।

    ( ক্রমশ )

    ********************************************


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন