এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া ---  ৩৯

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫৮ বার পঠিত
  • ( ৩৯ )

    বিজয়রা কাঁকাসিতে পৌঁছল অনেক কষ্ট করে। এই দুর্যোগে কোন ভ্যান বা রিক্শা বেরয় নি।
    রাস্তায় একবার ঝেঁপে বৃষ্টি এল। দাঁড়াবার তেমন কোন জায়গা নেই। মাথা বাঁচাবার জন্য একটা তেঁতুলগাছের তলায় দাঁড়াল ওরা তিনজন। প্রায় আধঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হল ওখানে। বৃষ্টিটা একটু ধরলে আবার হাঁটতে শুরু করল।

    জঙ্গলের ভিতর পৌঁছে বিজয় দেখল বিশ্রী অবস্থা। কাল রাত থেকে লাগাতার ঝড় জল একেবারে ছত্রাকার করে দিয়েছে এদের সবকিছু। এরা বেশির ভাগই কোনভাবে একটা করে ভাঙাচোরা টিন জোগাড় করে রুগ্ন ভাঙা ঘরে ছাদ দিয়েছিল। ছাদ না বলে রুগ্ন ছাউনি বলাই ভাল।
    বিজয়রা তিনজনে গিয়ে দেখল একটানা তাগড়া বৃষ্টিতে সে সব ছাদ টাদ একেবারে ছেতরে আছে। চারপাশে জল কাদায় একেবারে লেবড়ি চেবড়ি অবস্থা।
    সুখিরামের শরীর আবার খারাপ হয়েছে। দুটো পা-ই বেশ ফুলেছে। আবার একবার সদরে নিয়ে গিয়ে দেখাতে পারলে ভাল হয়। একটা উঁচু ঢিপির মতো জায়গায় উবু হয়ে বসে ছিল। বৃষ্টিটার এখন ধরন আছে। বিজয় সুখির কাছে গেল। বিজয়কে দেখে অনেকে ওখানে গিয়ে জড়ো হল। সুখি কোন কথা না বলে বিজয়ের দিকে তাকিয়ে একগাল হাসল। বিজয় ওর কাঁধে হাত রাখল।

    এই মুহুর্তে এখানে এদের মূল সমস্যা হল মাথা গোঁজার জায়গা। ক'দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিতে এদের থাকার ছ্যাতরানো ঘরগুলো আরও বেঁকেচুরে গেছে। দিনের বেলায় তবু এখানে ওখানে করে কাটিয়ে দেওয়া যায় কিন্তু রাত এলেই যন্তন্না শুরু হয়। সাপখোপের উপদ্রব আছে খুব। তাছাড়া খাবার জলের সমস্যা তো আছেই। অনেক দূরে গিয়ে জল আনতে হয়। এই নাছোড় বৃষ্টিতে অতখানি যাওয়া কষ্টের ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে।
    সমস্যাগুলো একদিন দুদিনের নয়, বহুযুগের। বিজয় জানে, তার বাবাও জানে, এসব আপদ বিপদ জনমভর তাদের জীবনের সাথী। এসব জ্বালা যন্ত্রণা মোকাবিলা করায় তারা বংশ পরম্পরায় অভ্যস্ত। এইভাবেই জীবন একদিন ফুরিয়ে যাবে সে হিসেব ধরাই আছে।
    কিছুদিন ধরে মাওবাদি নাম নিয়ে কারও কারও উস্কানিতে সিপিএম মারা হয়েছিল শ'য়ে শ'য়ে।
    এসব নিয়ে এখন আর কেউ ভাবে না এখানে। সরকার ঘর দেবে বলেছিল কিন্তু সেসব যে কাকে ধরলে সত্যি কিছু কাজের কাজ হবে সেটা এখনও অজানা এদের। কাল রাত্তিরে বড্ড কষ্ট গেছে এদের সেটা বুঝতে বিজয়ের একেবারেই অসুবিধা হল না। কিন্তু তা নিয়ে তেমন কোন হেলদোলের ছাপ কারও চোখেমুখে দেখা যাচ্ছে না। শুধু বিজয় কী বলে সেটাই শোনার কৌতূহল এদের। আর কিছু না। কোন সুযোগ সুবিধের আশা ভরসা করাটাই এদের কাছে বিলাসিতা। লোক আসেনি তা নয়। কিছু আশা কর্মী এসেছিল একবার বছরখানেক আগে সরকারের তরফ থেকে। এসে ঘুরে ফিরে, দেখে শুনে চলে গেল। ব্যস, ওই পর্যন্ত। আর কোন খবর নেই এখন পর্যন্ত।
    দেবাশিস বলল, ' ঘুরে ফিরে, ফিরে তো যাবেই, ওদের ইন্সপেকশান রিপোর্ট বিডিও অফিসে বাজে কাগজ ফেলার ঝুড়িতে গিয়ে পড়ে ... ভালরকম জানি...। আর এখন তো নতুন বোতলে পুরনো মদ... হ্যাঃ হ্যাঃ.. নতুন টি এম সি... বুঝতেই পারছেন ... '
    --- ' না না ঠিক তা না, ব্যাপারটা হল, কাজ হবে কী করে ? ভোটের লিস্টে নাম নেই তো... ' দ্রৌপদি বলল।
    --- ' সে যাই হোক, এদিক ওদিক করে চেয়ারটা তো নিয়ে নিল। এদের সরানোর খুব দরকার ছিল। এমনি এমনি কি এদের সরানো যেত ? যেমন কুকুর তেমনি মুগুরই তো চাই। ভদ্র, নরম, ভালমানুষেরা এসব পারবে ? হাতপাখার হাওয়া করে মশা তাড়ানো যেতে পারে, কাঁকড়াবিছে তাড়ানো যায় না। তার জন্য কড়া অ্যাসিড ঢালতে হয়। সেটাই হয়েছে আর কি। এরপর কী হবে তা জানি না। এবার এই বুনো মোষের সিং কে কবে কিভাবে ধরবে দেখার জন্য বসে আছি ... ' দেবাশিস আরও কিসব বলতে যাচ্ছিল, বিজয় তাকে থামিয়ে দিল।
    --- ' আঃ, ছেড়ে দাও না। এখন এসব বন্ধ কর। এসব তো সবাই বোঝে। শুধু শুধু বলে লাভ কী যেখানে সেখানে ? এখানে এদের কিভাবে রিলিফ দেওয়া যায় সেই চিন্তা কর ... '
    দ্রৌপদি বিচক্ষণ ভঙ্গীতে অন্যদিকে চোখ রেখে চাপা গলায় দেবাশিসের উদ্দেশ্যে বলল, ' একটু সামলে দাদা... এদের মধ্যেই দালাল আছে কিন্তু দু একজন... খবর ঠিক চলে যাবে ... '
    দেবাশিস যথেষ্ট পোড় খাওয়া ছেলে। অল্প বয়সেই অনেক দেখে ফেলেছে। নিজেকে এক নিমেষে সামলে নিল। সেও চাপা গলায় বলল, ' হমম্, হুঁ ... '
    তারপর বলল, ' যাকগে... বলুন দাদা কী করতে হবে এখন ? '
    --- ' চল... এখানে বসে থেকে লাভ নেই। ব্লকের পার্টি অফিসে। যদি কোন ব্যবস্থা হয়। না হলে এরা যাবে কোথায় ? '
    --- ' আকাশের অবস্থা ভাল নয়। বৃষ্টি যখন তখন আসতে পারে... ', দেবাশিস বলল।
    --- ' সেটাই বলছি। দিনের আলো থাকতে থাকতে কিছু একটা ব্যবস্থা করার দরকার... ' বিজয় অস্থির বোধ করতে থাকে।
    দ্রৌপদি চুপচাপ দাঁড়িয়ে ওদের কথা শুনছিল।
    বলল, ' ঘর খাড়া এত তাড়াতাড়ি করা যাবে না... যে যাই বলুক। আমাদের কী অত ক্ষমতা আছে নাকি ? পার্টি অফিসে কাকে পাবে এখন। সব ঘরে বসে আছে। তার চেয়ে বরং একটা কাজ করা যাক। বিডিও অফিসের বাঁদিকে যে অ্যাসবেসটসের ছাউনি দেওয়া দালানটা অনেক বছর ধরে পড়ে আছে মিছিমিছি। বিডিওকে বলে ওখানে যদি... যতদিন বর্ষাটা না ধরে.... '
    বিজয় কথাটা শুনে একটু চিন্তা করে নিল। তারপর বলল, ' সেটা হলে ভাল হয়। কিন্তু সেটার জন্য বিডিওর পারমিশান দরকার। আর বিডিওর কতটুকু ক্ষমতা সে তো জানই। তাকে আবার পারমিশান চাইতে যেতে হবে পঞ্চায়েতে বা মিউনিসিপ্যালিটির কোন চাঁইয়ের কাছে। সেখানে তো এখন একই দলের এ টিম বি টিমের খেলা চলছে। ধান্দা ছাড়া তারা কোন কথা বলে না। ওই নিয়েই ব্যস্ত এখন। কাজের কাজ কিছু হবে না...'
    দেবাশিস বলল, ' তা হলে কী করা যায় ? '
    দ্রৌপদি বলল, ' একটা কাজ করা যেতে পারে। কয়েকদিনের জন্য আমাদের ব্লকের পার্টি অফিসের পাশের জমিতে তেরপল খাটিয়ে যদি একটা থাকার ব্যবস্থা করা যায়.... '
    বিজয় মৃদু হেসে বলল, ' দূর তা হয় নাকি? ও জমি কি পার্টির নাকি। ওখানে এদের বসালে সঙ্গে সঙ্গে ঝামেলা শুরু করে দেবে। ঝালটা গিয়ে পড়বে এই বেচারিদের ওপর। এমনিতেই মরে আছে তার ওপর আবার.... তাছাড়া ওখানে এতগুলো লোক মলমূত্র ত্যাগ করবে কোথায় ? এসব তো ভাবতে হবে... '
    দ্রৌপদি কী বলবে ভেবে না পেয়ে চুপ করে রইল।
    মথুরা মান্ডী ওপাশে বসে পুরনো একটা কুড়ুল দিয়ে কাঠ কেটে কেটে ফালি ফালি করছিল। একমনে কাঠ কাটছিল ঠিকই কিন্তু কানটা ছিল এদিকে।
    সে হঠাৎ বলল, ' বিজয়দাদা ... আমরা ব্যবস্থা করে নেব। চিন্তা করবেন না। বর্ষাটা ধরে গেলে অসুবিধা হবে না... আপনারা এত কষ্ট করে এলেন। একটু আরাম করেন ... এত ভাবেন না...'
    মথুরার দেখাদেখি আরও দু একজন এই রকম কথা বলতে লাগল।
    --- ' দেখছি আমরা... যা হোক কিছু করে নেব। আপনারা একটু বসেন এখানে... আপনারা এত করেন, কী বলব... সুখিকে একটু দেখেন, তা'লেই হবে ... '
    বিজয় চুপ করে রইল। সে জানে এদের সকলকে একসঙ্গে সেবা দেওয়া কতটা কঠিন। ইচ্ছে থাকলেই সব সময় উপায় হয় না। সামর্থ্য তো সীমিত। হাত পাও বাঁধা। দেবাশিস এবং দ্রৌপদিও কোন কথা না বলে এদিক ওদিক দেখতে লাগল।
    বিজয় একটু পরে বলল, ' পরশুদিন সুখিকে সদরে নিয়ে যাব। তোমাদের আর কারও যদি দরকার থাকে আমার সঙ্গে যেতে পার। একটা গাড়ি ঠিক করব ... '
    মথুরা কাঠ কাটা থামিয়ে বলল, ' আমার ছোট ছেলেটার প্রায় পনের দিন ধরে জ্বর। ছাড়ছে না একদম। বিধুভূষণের ওষুধ খেয়েছে। কিন্তু কাজ তো কিছু হল না এখনও।
    বিজয় বিধুভূষণকে চেনে। এ অঞ্চলের হাতুড়ে ডাক্তার। এখানকার অঞ্চলপ্রধান পিয়ালি প্রধানের স্বামী। পিয়ালি এখন ভাল টিএম সি। বিধু নিজের স্টক থেকেই ওষুধ দেয়। লোকে বলে ঝামুড়ের গ্রামীন হাসপাতাল থেকে ঝাড়া মাল। কোনটার কবে মেয়াদ পেরিয়ে গেছে কে দেখতে যাচ্ছে। এখানে দেখবার লোকটা কে আছে।
    জ্বর কেন ছাড়ছে না বিজয় সহজেই বুঝতে পারল। বলল, ' ঠিক আছে, ওকেও নিয়ে যাব। কিন্তু পরশু গেলে তো দেরি হয়ে যাবে। জ্বর চলছে একটানা... ঠিক আছে কালই যাব তা'লে... কালই যাব... '
    --- ' কিন্তু বড্ড বৃষ্টি হচ্ছে যে ... ' মথুরা বলে।
    --- ' কিছু করার নেই। বৃষ্টির সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। লড়াই ছাড়া কোন রাস্তা নেই আমাদের... '
    ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা চার পাঁচজন একসঙ্গে বলল, ' ঠিক ঠিক ঠিক ... '
    মথুরা আকাশের দিকে তাকাল। আকাশ একটু একটু ফর্সা হচ্ছিল, কয়েক মিনিটের মধ্যে পাল্টে গেল রঙ। আকাশ আবার কালিঝুলি মেখে নিভু নিভু হয়ে এল। জঙ্গলের গাছপালার মধ্যে দিয়ে এক ঝলক ভিজে ভিজে হাওয়া পশ্চিম দিক থেকে ছুটে এসে পুব দিকে বয়ে গেল। দু এক ফোঁটা জল পড়ল ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলোর মাথায়।
    মথুরা তাড়াতাড়ি একটা ভাঙা ঝুড়িতে কাটা কাঠগুলো তুলে নিয়ে বটগাছটার তলায় গিয়ে দাঁড়াল। ওখান থেকে গলা তুলে বলল, ' বিজয়দাদা ... এখানে চলে আসুন। বৃষ্টি এল বলে... '
    সকলে মিলে বিশাল বটগাছটার তলায় গিয়ে দাঁড়াল। দ্রৌপদি বলল, ' বাহ্... এই তো সবচেয়ে ভাল জায়গা... অন্য জায়গা খোঁজার দরকার কী ?'
    মথুরা বলল, ' হ্যাঁ মা... এ আমাদের মা। পঞ্চাশ বছর ধরে আমাদের কোল দিয়ে চলেছে। একে কেউ কাটতে এলে, সে যেই হোক... আমরাই তাকে কাটব ... শুয়োরের বাচ্চারা অনেকবার এসেছে, আমরা রুখেছি। আবার রুখব... '
    মথুরা মারান্ডির শান্ত নিপাট চোখ থেকে আচমকা গনগনে আঁচের জ্বলন্ত দুটো অঙ্গার যেন ঠিকরে বেরল। প্রায় চল্লিশ জন বহু বছরের ঝড় জল খাওয়া লোক স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে চোয়াল শক্ত করে।
    বিজয় নির্নিমেষে তাকিয়ে রইল সেদিকে। আপ্রাণ বিশ্বাস করতে চাইল যে এরা কোনদিন বিক্রি হবে না।
    দেবাশিস ভাবল, দ্রৌপদি যাই বলুক এদের মধ্যে কোন বেইমান দালাল আছে বিশ্বাস হয় না। তারপরই মনে ঝিলিক দিল চারদিকে প্রতিদিন ঘটতে থাকা ঘিনঘিনে গল্পগুলো। মনের মধ্যে বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের পেন্ডুলাম দুদিকে দোল খেয়ে যেতে লাগল।

    ( ক্রমশ )

    *************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন।