এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া - ৪২

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ১০ বার পঠিত
  • ( ৪২ )

    সোমনাথ গৌরীশঙ্কর চক্রবর্তীকে দশ বারো বছর ধরে চেনে। ওনার সঙ্গে সোমনাথের আলাপ হয়েছিল সিটি সিভিল কোর্টে। সে একটা মামলায় সাক্ষী হিসেবে গিয়েছিল ওখানে। একটা জমির দখলদারি সংক্রান্ত ব্যাপার ছিল। এসব সাক্ষী টাক্ষী দেওয়া তো দূরের ব্যাপার, সোমনাথ এর আগে কোনদিন কোন কোর্টেই ঢোকেনি। তাকে অবশ্য বিশেষ কিছু জিজ্ঞেস করা হয়নি। বিপক্ষের উকিল তাকে জিজ্ঞেস করল যে জমির এখনকার মালিককে সে কতদিন চেনে। এছাড়া আরও কয়েকটা মামুলি প্রশ্ন করা হল। সোমনাথও সরল ও স্বাভাবিকভাবে জবাব দিল। তারপর তাকে কাঠগড়া থেকে নেমে আসতে বলা হল। সব মিলিয়ে বড়জোর দশ মিনিটের ব্যাপার।

    উকিলের জেরা বলে একটা বিড়ম্বনাকর ব্যাপার সম্বন্ধে যে ধারণা ছিল সোমনাথের সেটা অন্তত এ যাত্রায় তেমন মালুম পড়ল না। পরর্তীকালে সে বুঝতে পেরেছে যে সাক্ষী অনেক ধরণের হয়। প্রথম দিকে সাধারণত এলেবেলে সাক্ষীদের হাজির করানো হয়। পরের দিকে কড়া ধাঁচের পাকাপোক্ত লোকজনদের আনা হয়। এই মামলাটায় সোমনাথ ওই এলেবেলে সাক্ষীদের দলে ছিল আর গৌরীশঙ্কর চক্রবর্তী ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। গৌরীবাবুর সেদিন সাক্ষ্যদান ছিল না। কিন্তু তিনি বগলে একটা ছাতা নিয়ে কোর্টে হাজির ছিলেন। এসব অবশ্য অনেকদিন আগের ঘটনা। এখন হলে কী হত বলা মুশ্কিল।

    সে যাই হোক, গৌরীবাবুর সঙ্গে ওখানেই প্রথম পরিচয় কোর্টের বাইরে একটা চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে। গৌরীশঙ্করবাবু তার পাশে বসা একজনের সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন। না, দুজনই কোর্টের এই মামলাটা নিয়ে একটা কথাও বললেন না। সেই ভদ্রলোকের নাম বোধহয় অমরবাবু। এই মামলার সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই বলেই জানে সোমনাথ। গৌরীবাবু বললেন, ' আরে, অমরদা আপনি এখানে ! আমার কিন্তু মনে হচ্ছিল এখানে আপনাকে পেয়ে যাব ... '
    অমরবাবু বললেন, ' আরে এই তো...অনেক দিন পরে। কী ব্যাপার, হিয়ারিং ছিল নাকি? '
    --- ' হ্যাঁ, অনেকদিন পরে না... গত মাসেই এসেছিলাম। আপনার সঙ্গে দেখা হয়নি অবশ্য... '
    --- ' তা হবে। কখন কোথায় থাকি.... '
    --- ' বসুন না। চা খাবেন তো... '
    --- ' তা একটু খেলে হয়... ', বলে অমরবাবু বসে পড়লেন গৌরীশঙ্করের পাশে।
    চা আর বিস্কুট দিতে বলে গৌরীবাবুর হঠাৎ চোখ পড়ল সোমনাথের দিকে।
    --- ' ও হ্যাঁ, তুমি আর বিস্কুট নেবে নাকি? '
    সোমনাথ সবিনয়ে বলল, ' না না... ঠিক আছে ...'
    --- ' কোথায় থাক? '
    --- ' বাগবাজারে ... '
    --- ' ও আচ্ছা... শশী পাঁজা? '
    --- ' অ্যাঁ... কী? '
    --- ' শশী পাঁজার সিট তো? '
    --- ' হ্যাঁ... '
    গৌরীবাবু এরপর আবার অমরবাবুর দিকে ফিরলেন।
    --- ' তারপর... বলুন দাদা কী খবর? হালচাল কিরকম বুঝছেন? '
    --- ' আর বোল না, দুনিয়ার লাথখোর সব। কাজ করব কী? দিতে দিতে ফতুর হয়ে যাচ্ছি। আমরাও সেরকম কাজ করছি। শুধু প্যাচওয়ার্ক। জানা কথা দুমাসেই মাল খসে আসবে। কী করব, কিছু তো করার নেই। হাতে তো কিছু মার্জিন থাকছে না। কাজ পেতে গেলেও ভালরকম পার্সেন্টেজ আছে। সেটাও তো ধরতে হবে। সিপিএম-এর সময়ও এগুলো ছিল। কিন্তু কিছু ওয়ার্ড খুব ভাল ছিল। আর এরা তো একেবারে দু কান কাটা... না না এভাবে চলে না। একটা চেঞ্জ দরকার। '
    অমরবাবু গৌরীবাবুকে তার মনের কথাগুলো বলছিলেন খুব চাপা গলায় যাতে কারো কানে না ঢোকে। কথা বলতে বলতে বার বার এদিক ওদিক তাকাচ্ছিলেন।
    সোমনাথ বুঝতে পারল, অমরবাবু মানে অমরনাথ সাহা একজন পি ডব্লিউ ডি ডিপার্টমেন্টের কন্ট্রাকটার। এটা দু হাজার তের চোদ্দ সালের ঘটনা। সোমনাথ তখন ডিলারদের কাছে বিভিন্নরকম কসমেটিকস সাপ্লাইয়ের কাজ করে। মোটামুটি ভালই চলে। পার্টির তোলাবাজির শিকার হতে হয়নি তখন পর্যন্ত।
    সে যাই হোক, গৌরীশঙ্করবাবুর সঙ্গে তার সেই প্রথম আলাপ। তার পর থেকে এত বছর ধরে নিয়মিত যোগাযোগ আছে ওদের মধ্যে। বলতে গেলে গৌরীবাবুর সংস্পর্শ এবং সাহচর্যে সোমনাথ দু তিন বছরের মধ্যে নানাবিধ সোজা বাঁকা রাস্তার খেলায় তুখোড় হয়ে উঠল। কেন তা সোমনাথ ঠিক জানে না, গৌরীশঙ্কর চক্রবর্তী তাকে প্রথম থেকেই স্নেহ করতে শুরু করেছিলেন। সোমনাথ এখন আর ভাড়া করা উইটনেস সাজার কাজ করে না।

    ভাগ্যচক্রের আবর্তনের পরিণতিতে ওসব উঞ্ছবৃত্তির দিন নিদায় নিয়েছে।

    ওই মামলার দিনটার মাস ছয় পরে গৌরীবাবুর সঙ্গে দ্বিতীয়বার দেখা হল সোমনাথের হাওড়া ময়দানের বাস গুমটির কাছে। সোমনাথ দাঁড়িয়েছিল একজনের সঙ্গে দেখা করার জন্য। একটা বড় অর্ডার পাবার কথা। ওখানে হঠাৎ গৌরীবাবুর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। তিনি একমনে একজন মোটাসোটা ভদ্রলোক, দেখে মনে হচ্ছে অবাঙালী, তার সঙ্গে বেশ জরুরী ভঙ্গীতে কথা বলতে বলতে চলেছেন। সোমনাথ ভাবল, সে আর গৌরীবাবু একই পালকের পাখি। যত্রতত্র বিচরণ নানা আকার এবং প্রকারের লোকের সঙ্গে বিচিত্র সব উদ্দেশ্যে।
    গৌরীশঙ্করবাবু সোমনাথকে দেখতে পেয়ে এগিয়ে এলেন। সঙ্গী ভদ্রলোক খানিক তফাতে দাঁড়িয়ে রইলেন।
    --- ' এখানে... কী ব্যাপার? '
    --- ' এই... একটা পার্টি আসবার কথা আছে। এখনও তো এল না। কথার দাম নেই কারও... '
    --- ' দেখ... কাজ চলছে তো ঠিকঠাক? '
    --- ' এ..ই চলছে টুকটাক... দেখা যাক... '
    --- ' হমম্... এদিকের খবর শুনেছ কিছু? '
    --- ' কী ব্যাপারে বলুন তো? '
    --- ' অমরবাবুকে মনে আছে তো... সেই সিটি সিভিল কোর্টে.... '
    --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ বুঝতে পেরেছি... অমরনাথ সাহা। কী হয়েছে কী অমরবাবুর? '
    --- ' অমরবাবু সুইসাইড করেছে... '
    --- ' সে কী ! কেন? '
    --- ' সেটা কী আর এত সহজে জানা যায়? পুলিশ যা বলছে সেটাই মানতে হবে। আমাদের আর কী করার আছে? তদন্ত স্টার্ট হয়েছে... যেমন হয় আর কী। আমরা তো পালের ভেড়া। ছিপটি মেরে যেদিকে চালাবে... '
    বিড়ম্বিত সোমনাথ কী বলবে ভেবে না পেয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।
    গৌরীবাবু পিছনদিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তার সঙ্গের ভদ্রলোককে বললেন, ' প্রকাশভাই... আসছি, এক মিনিট...'
    তারপর সোমনাথের দিকে একটু ঝুঁকে বললেন, ' তোমাকে বলেই বলছি... এটা সুইসাইড না, মার্ডার বুঝলে ... আমি শিওর... '
    --- ' মার্ডার, মানে ইয়ে... খুন? '
    --- ' হ্যাঁ তাই... চাপ ছিল খুব... খুব খারাপ অবস্থা চলছে ... '
    --- ' তা ঠিক... তা ঠিক.... '
    --- ' যাক, আমি আসি এখন। লোকটা দাঁড়িয়ে আছে। ফোন করব পরে। অমরদার ব্যাপারটা খুব নাড়া দিয়েছে আমাকে। কী আর বলব। যাক, পরে কথা হবে... আসছি... দেরি হয়ে যাচ্ছে ... আমাদের ধান্দা তো বন্ধ রাখার উপায় নেই। আসি ... '
    গৌরীবাবু চলে গেলেন।
    এসব অনেকদিন আগের কথা। এরপর আস্তে আস্তে অমর সাহার কথা নানা ব্যস্ততার ধুলোর নীচে চাপা পড়তে লাগল। তদন্তের পাখা ঝাপটানো মাস খানেকের মধ্যে ঝিমিয়ে গেল এরকম আরও অজস্র বেসাহারা মামলার মতো।
    সোমনাথ এবং গৌরীশঙ্করের মনের এক কোণে কিন্তু একটা কাঁটা বিঁধে রইল গোপন ক্রোধের একটা শিখা জ্বালিয়ে রেখে।

    সোমনাথ আর গৌরীবাবুর শেষ সাক্ষাৎ হয়েছে মাস ছয়েক আগে। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে, কামারহাটি মিউনিসিপ্যালিটির সামনে। নানা আঘাটা কুঘাটায় ঘুরে ঘুরে সোমনাথ এখন রীতিমতো তৈরি খেলোয়াড় হয়ে গেছে। গৌরীবাবুকে বলল, ' কী হবে মনে হচ্ছে দাদা? '
    গৌরীবাবু ঠোঁট উল্টে বললেন, ' কিস্যু না। এরাই থাকছে... '
    সোমনাথ ঠোঁট দুটো একপাশে বেঁকিয়ে বলল, ' উঁহু.... আমি বলছি এরা থাকছে না। ভেতরে ভেতরে কাজ চলছে। খবর আছে... '
    --- ' কী কাজ? অ্যাডভান্স বেচাকেনা? '
    --- ' ধরে নাও তাই। আমি কিছু বলব না, ভোটের পরে মিলিয়ে নিও ... '
    --- ' তাই যেন হয়। যাহোক একটা পরিবর্তন দরকার, অন্তত পাঁচবছরের জন্য। তা সে যেই আসুক... '
    --- ' সেটা হবে। আমার কথা মিলিয়ে নিও ... '

    আশ্চর্যের ব্যাপার, সোমনাথের কথা খাপে খাপে মিলে গেল ভোটের ফল বেরোবার পর।
    গৌরীবাবু বিকেল পাঁচটার সময়ে ফোন করলেন সোমনাথকে। বললেন, ' অভিনন্দন। তুমি দেখছি অনেক দূর যাবে এ লাইনে। লেগে থাক। সত্যি কথা বলতে কী আমিও এতটা আন্দাজ করতে পারিনি... '
    --- ' আসলে এরা ভবিষ্যৎ চিন্তা না করে এত খেয়ে বসে আছে কোন পাওয়ারফুল গ্রুপ এদের ব্ল্যাকমেল করতেই পারে। সেটাই হয়েছে। আমার দুটো ভাল সোর্স আছে। ভেতরের খেলাটা তারা জানত... '
    --- ' ও বাবা, এর মধ্যে সোর্সও ফিট করে ফেলেছ ... '
    --- ' না ঠিক ওরকম সোর্স না, ওরা আমাকে নানা কাজে সাহায্য করে। নানারকম জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে হয়। সেই সূত্রেই আর কী .... '
    গৌরীবাবু বললেন, ' তা বেশ। জানা রইল... '

    গতকাল দুপুরবেলায় সোমনাথের একটা কল এল গৌরীশঙ্করবাবুর মোবাইলে। গৌরীবাবু তখন কলেজ স্ট্রিটে একটা বইয়ের স্টলে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।
    --- ' হ্যাঁ বল সোমনাথ... '
    --- ' খুব ব্যস্ত নাকি? '
    --- ' না না, আড্ডা মারছি কলেজ স্ট্রিটে... '
    --- ' তা ভাল। আপনারও তা'লে আড্ডা মারারও সময় হয়... '
    --- ' কী যে বল সোমনাথ... আমিও আবার একটা মানুষ। পরের খিদমদ খাটতে খাটতে লাইফ গেল... '
    --- ' খিদমদ কেন হবে? তাদের কপাল ভাল আপনার মতো লোক পেয়েছে। যাকগে, বাদ দিন। আপনার সাহায্যের একটু দরকার ছিল। একজনের একটা রোজগারের সংস্থান করে দিতে হবে। খুব অসুবিধের মধ্যে আছে। আমি তো তেমন কিছু করতে পারলাম না ... '
    ওদিক থেকে কোন জবাব আসছে না। চুপচাপ কয়েক সেকেন্ড।
    সোমনাথ আওয়াজ দিল, ' হ্যালো হ্যালো ... গৌরীদা ... '
    --- ' হ্যাঁ শুনছি শুনছি ... খুব মুশ্কিলে ফেললে আমায়। কী বলব... আসলে কোন রোজগারের রাস্তা দেখানোর ক্ষমতা আমার নেই। আমাকে আসলে বিভিন্ন লোকের মধ্যে আদান প্রদানের একটা সেতু বলতে পার .... '
    --- ' ওটাই তো আসল সোর্স। দেখুন না একটু, আপনি চাইলে পারেন... '
    আবার কয়েক মুহুর্তের নীরবতা।
    --- ' হ্যালো গৌরীদা... কী হল? '
    --- ' আচ্ছা... ঠিক আছে একজনকে বলে দেখব। যদি কিছু করা সম্ভব হয় তিনি নিশ্চয়ই করবেন... '
    --- ' ঠিক আছে ঠিক আছে... অনেক ধন্যবাদ গৌরীদা... '
    --- ' জান সোমনাথ... অমরদার মার্ডারটার কথা আমি এখনও ভুলতে পারিনি। ওরকম একটা ভাল লোক... '
    --- ' একদম... কিছু বলার নেই... '
    --- ' কিছু বলার নেই। কিন্তু কিছু করার তো আছে... '
    --- ' ফোনে এসব কথা বলবেন না। সাক্ষাতে কথা হবে গৌরীদা... '
    সোমনাথ ফোন কেটে দিল।

    ( ক্রমশ )

    ******************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন।