এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ  নস্টালজিয়া

  • দেখছি আমি চেয়ে ( পর্ব  / ৩ )

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | নস্টালজিয়া | ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ২১৩ বার পঠিত
  • মন দিলোনা বধূ ….
     
    দয়িতার মন জয় করা দয়িতর কাছে এক সাধনার পর্ব। এই বিষয়ে পুরুষের পৌরুষ বড়ই বেশ নরম সরম। লভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট বা প্রথম দর্শনেই প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি গোছের অবস্থাতেও পড়তে হয় অনেককে। এতো হলো বধূয়ার প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে ওঠা মানুষের গপ্পো। না- মানুষীদের বেলায় এই রসায়ন বোধহয় সেভাবে কাজ করেনা। তবে সেখানেও যে ঘনিষ্ঠ হবার আগে একনিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হয়, আভাসে ইঙ্গিতে তার প্রমাণ বিস্তর মিলেছে। বিহঙ্গমাকে বাগে আনতে বিহঙ্গ বাবাজির কতো রকমের করতব দেখানো। সেইসব দেখে তেনার মন মজে গেল তো ভালো,না হলেই কেবল‌ই ভাঙ্গা মন নিয়ে এ গাছ, সে গাছ ফ্যা ফ্যা করে উড়ে বেড়ানো।
     
    করে পাখপাখালি, ছোটোখাটো চেহারার স্তন্যপায়ী প্রাণী মায় সরীসৃপরা বহাল তবিয়তে সংসার পেতেছে সেখানে। তাদের প্রত্যেকের স্বতঃস্ফূর্ত যাপনের কথা বলতে বসলে রাত কাবার হয়ে যাবে।
     
    তখন রাত প্রায় শেষের দিকে। সূয্যি ঠাকুরের পাটে উঠতে ঢের সময় বাকি। হঠাৎ কানে এলো ঠক্ ঠক্ ঠক্ ঠক্… শব্দ।
    কেউ কি দরজায় টোকা দিল? সজাগ হ‌ই। আবারও সেই শব্দের অনুরণন। কেউ কি কুড়াল দিয়ে গাছ কাটছে? লোকজনের চোখ এড়িয়ে অন্ধকারের মধ্যেই অপকম্মো সেরে ফেলতে চাইছে কেউ? উন্মুখ উন্মন হয়ে উঠি। আলো আর একটু ফুটে উঠতেই পায়ে স্যান্ডেল চড়িয়ে বাগানের দিকে পা বাড়ালাম। দু - পা এগোতেই…….।
     


    গাছ থেকে নারকেল বা সুপারি পাড়তে নিশ্চয়ই দেখেছেন। পা দুটোয় গোড়ালি বরাবর একটা কাপড় অথবা দড়ি বেঁধে নিয়ে হাত দিয়ে গাছের লম্বা কাণ্ডটাকে জড়িয়ে দিব্যি টঙে উঠে পড়ে। জনান্তিকে জানিয়ে রাখি যে গাছি ভাইয়েরা এই বিদ্যা আয়ত্ত করেছে কিন্তু এক পাখিদের কাছ থেকে যারা তরতরিয়ে গাছ বাইতে পারে। ভাবছেন তো কোন পাখির এমন পটুত্ব? ভাবুন, ভাবুন। ভাবা প্র্যাকটিস করুন।
     
    ফিরে এলাম অকুস্থলে। যা আন্দাজ করেছি ঠিক তাই। বাড়ির সীমানা প্রাচীর বরাবর সারি দিয়ে লাগানো হয়েছিল সুপুরি গাছ। বাবা’ই লাগিয়েছিলেন উদ্যোগ নিয়ে। তাদের মধ্যে গুটিকয়েক ঝড়ে ভেঙে গিয়েছে, কয়েকটি মারা গিয়েছে। তেমন‌ই অফলা শুকনো গাছের একটা এখন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে বাগানের পুব - দক্ষিণ কোণ ঘেঁষে। তার‌ই দীর্ঘ কাণ্ড বেয়ে বাবাজীবন ওঠানামা করছে। ভালো করে লক্ষ করতেই দেখি সকাল থেকে ঠক্ ঠক্ করতে করতে দিব‌্যি নিটোল একটা গর্ত তৈরি করেছে। বুঝলাম এনার এই পরিবেশ ভালো লেগেছে। এখানেই তো শেষ নয়! এই আবাস তেনার মনপসন্দ না হলে তো সবটুকুই বেকার হয়ে যাবে। সারাটা দিন অনেক খাটনি গেছে বেচারার। শক্ত গুঁড়ির ওপর চঞ্চু গাঁইতি চালিয়ে চালিয়ে ইনি একেবারে নাজেহাল। কোটরটি ঠিক মাপসই হয়েছে কিনা তা পরখ করতে বেশ কয়েকবার নিজেই এ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে ঢুকলো আবার বেরিয়ে এলো। ঠিকঠাক হয়েছে মনে হতেই ট্যা ট্যা করে কর্কশ গলায় হেঁকে উঠলো। বুঝলাম আশেপাশে অপেক্ষমান দয়িতার কাছে সংকেত পাঠালো – “এসো,এসো! ঘরে এসো, আমার নতুন ঘরে।”
     
    প্রতীক্ষার পর্বটি কতটা দীর্ঘ হবে তা একান্ত ভাবেই নির্ভর করবে কাঠঠোকরানির মর্জির ওপর। কিন্তু তিনি এখন কোথায়? প্রজনন কালে রীতিমতো স্বয়ম্বর সভার আয়োজন করতে হয়। শ্রীমান কাঠঠোকরা এখন শ্রীমতীর মন জয় করতে গিয়েছে। আমাদের বাগানে সোনালি পিঠের কাঠঠোকরাদের আনাগোনা অনেকদিনের। সাতসকালেই ওদের আনাগোনা বেশি। হয়তো পুবের জানালা খুলে বাগানের দিকে তাকিয়েছি দেখি নারকেল গাছের গুঁড়ি বেয়ে দুপায়ে ভর দিয়ে ওপরে উঠছে, ভাবখানা এই – “একটু সবুর করো, ওপর থেকে ডাব পেড়ে নিয়ে আসি। বয়স হচ্ছে তো এখন মাঝে মাঝে কচি ডাবের জল খাওয়া ভালো। এতে শরীরে সোডিয়াম - পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে।”
     
    যুগলের কাজকারবার দেখে খুশি না হয়ে পারাই যায়না। খানিকটা সময় পার করে এসে দেখি তিনি এসেছেন, পা টিপে টিপে নতুন ফ্ল্যাটের চারপাশ দেখে নিচ্ছে ঘুরে ঘুরে। তার 
    প্রেমাস্পদটিকে দেখি খানিকটা তফাতে ঘাড় ঘুরিয়ে পাশের আর একটা গাছে অপেক্ষা করছে। কাঠঠোকরানি ঠোঁট দিয়ে গর্তের চারপাশটা ঠোঁট দিয়ে ঠুকে ঠুকে দেখে নিয়ে একসময় সুরুৎ করে ভেতরে ঢুকে গেল। এই দৃশ্য দেখে পুরুষ পাখিটি উত্তেজিত হয়ে এসে বসলো তার নিজের তৈরি গর্তের ঠিক সামনে। কিছু সময় যেতে না যেতেই,যার মন জয়ের জন্য এতো পরিশ্রম, সেই স্ত্রী কাঠঠোকরাটি সবেগে বেড়িয়ে এলো গর্ত ছেড়ে, আর তারপর তীব্র কন্ঠে ট্যা ট্যা করতে করতে উড়ে গেল অন্য ঠিকানায়। মানে খুব পরিস্কার – “তোমার এই বাড়ি আমার পছন্দ হয়নি। ওটাকে রেনোভেট করতে হবে।”
     


    স্ত্রী কাঠঠোকরাটির প্রস্থানের ঘটনাটি দেখে মনটা খুব খারাপই লাগছিল। এ জন্যই বোধহয় আমাদের শাস্ত্রে বলেছে – স্ত্রীয়াশ্চরিত্রম দুর্জ্ঞেয়ম। ওদের ওই ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবার ঘটনার পর দিনকতক সেভাবে আর উডপেকার এ্যাপার্টমেন্টের দিকে সেভাবে নজর দেওয়া হয়নি। ভাবলাম মনের দুঃখে পুরুষ পাখিটি বোধহয় বিবাগী হয়ে গেল। কি নির্দয়ভাবে প্রত্যাখ্যাত হলো বেচারা!
     
    কয়েকটা দিন এভাবেই কেটে গেল। অন্য অতিথিরা নিয়মিত যাতায়াত করলেও কাঠঠোকরা বাবাজির আর দেখা নেই। পাঁচ দিন পর আবারো কানে এলো প্রভাতী ঠকঠকানির শব্দ। আশান্বিত হই। দাঁতের মাঝে ব্রাশ গুঁজে বাইরে আসি। দেখি জোরকদমে ঠোকাঠুকির কাজ চলছে। কোটরের ভেতরে জমে থাকা কাঠকুটোর আবর্জনাগুলোকে ঠোঁটে করে তুলে এনে বাইরে ফেলছে। বুঝলাম তেনার কাছ থেকে বোধহয় ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে! খুশি হলাম মনে মনে।
     
    এবার আর অপেক্ষা করতে হলো না। তিনি এলেন। সন্তর্পনে শরীরটাকে গলিয়ে দিলেন ভেতরে, বেশ কিছুক্ষণ পর গলা বাড়িয়ে ইঙ্গিতে বললেন – “ডার্লিং, আই লাইক দ্য নিউ 
    এপার্টমেন্ট। প্লিজ গেট ইন। আই লাইক ইউ টুউউউউ..”
     
    এরপরের গল্প এগিয়ে নিয়ে যাবার দায়িত্ব আপনাদের ওপরেই ছেড়ে দিলাম।
     
    আগের দুটি পর্বেও চোখ পড়ুক। দেদার আনন্দে ভরে উঠবে মন। পরখ করেই দেখুন। সত্যি মনে হলে মতামত জানানোর অনুরোধ রইলো। একটু খুঁজে দেখুন। হাতের কাছেই আছে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ২১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৌমেন রায় | ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৪০743186
  • বাহ! উপভোগ্য !
    সতর্কীকরণ - এইসব পড়ে বয়সকালে কেউ অমন খেলা খেলতে চাইলে বাড়ির ঝাঁটাগুলি সরিয়ে রাখবেন।
  • Somnath mukhopadhyay | ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৪৮743187
  • হায়! ভীরু প্রেম হায়রে!.....
  • ritabrata gupta | ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২২:১৩743192
  • খুব খুব সুন্দর ও মজার ! দারুন লাগলো .
  • সুস্মিতা মন্ডল | ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২২:১৬743193
  • পড়লাম না আপনার পাশে দাঁড়িয়ে পুরোটা দেখলাম আর চোখের সামনে ভেসে এলো আমার ছোটবেলার স্মৃতির মাঝে সুপুরি গাছে কাঠ ঠোকরার বাসা, বাচ্চাকে খাওয়ানোর ছবি। সত্যিই পাখপাখালির কান্ডকারখানা দেখতে দেখতে মন ভরে যায়।
  • Somnath mukhopadhyay | ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৩৩743199
  • @ ঋতব্রত গুপ্ত
    যাদের কাণ্ড কারখানা নিয়ে এই ধারাবাহিক লেখা তারাই সব ভালো লাগার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। আমি উপলক্ষ মাত্র। ছড়িয়ে দিন অন্যদের মধ্যে।
     
    @ সুস্মিতা মন্ডল
    সুস্মিতা দি ধন্যবাদ জানাই আন্তরিক মতামত জানানোর জন্য। আমি বুড়ো বেলায় এসে এইসব কাণ্ডকারখানা দেখছি। তাই হয়তো একটু বেশি মজা পাচ্ছি।কে জানে?
  • সঙ্গীতা ভট্টাচার্য | ১২ অক্টোবর ২০২৬ ০১:২০743202
  • ভীষণ সুন্দর গল্প বলার ধরণ,মন ভালো হয়ে গেল ----- কাঠঠোকরা দম্পতির পর এবার কাদের আগমন ঘটে তা জানার জন্য উদগ্রীব র‌ইলাম।
  • পলি মুখার্জি | ১২ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৩৪743217
  • লেখাটা পড়ে এক নতুন জগতের খোঁজ পেলাম। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে কতো কথাই জানিনা। এই না জানার ফলে প্রকৃতির সাথে আমাদের এক দুস্তর ব্যবধান তৈরি হয়। এই ব্যবধান যতো বাড়ে ততই বেড়ে যায় প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্নতা। খুব সুন্দর করে লেখা। পর্ব থেকে পর্বান্তরে লেখক আমাদের টেনে নিয়ে চলেছেন কথক ঠাকুরের মতো।
  • অভ্রদীপ | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:০০743220
  • গত দুটো পর্বের কথা একসাথে বলি।
    মন ভালো করা দুটো লেখা।
    দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলো, আর ধেয়ে এলো ছেলেবেলার একরাশ স্মৃতি। কতকাল দেখিনি কাঠবিড়ালির খুনসুটি!
    কিন্তু কাঠঠোকরার এতো কাণ্ডকারখানা?!
  • Somnath mukhopadhyay | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৫৮743223
  • @ সঙ্গীতা,পলি ও অভ্রদীপ
    আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই আন্তরিক মতামত জানানোর জন্য। এই কাহিনির নির্মাণের আসল রূপকার কিছু না মানুষী সহবাসী। ভালো লাগার সমস্ত কৃতিত্ব তাদের,লেখক হিসেবে আমি কেবলমাত্র চোখে দেখা ঘটনাগুলোর সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ ঘটিয়ে দিয়েছি। এখন থেকে আপনারাও চোখ কান খোলা রাখুন। অনেক মজার স্বাদ পাবেন। ভালো থাকবেন সবাই।
     
  • Diyali Chattaraj | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৪৬743256
  • মিষ্টি উপভোগ্য গল্প।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন।