এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ  নস্টালজিয়া

  • দেখছি আমি চেয়ে ( পর্ব -- ৪ )

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | নস্টালজিয়া | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ১২৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • দেখছি আমি চেয়ে ( পর্ব - ৪ )
     
    বাবু! ইয়ে হ্যায় সার্কাস…..
     
    “বাবু! ইয়ে হ্যায় সার্কাস…। দেখোগে, তব মালুম পড়েগা কিতনা জোখিমভরা খেল হমে দিখানা পড়তা হ্যায়,হর রোজ, হর শো মে। তালি বাজাইয়ে জোর সে। ঔর জোরসে। ট্রাপিজ কি উপর ম্যায় ট্রাপিজ মাস্টার ক্লাউন বাবলু! আইয়ে, ভাই দেখিয়ে ট্রাপিজ মাস্টার ক্লাউন বাবলুকো।”
     
    এসব ডায়লগ বহু বহু কাল আগের, আমাদের শৈশব বেলার। তখন শীতকাল মানেই হলো সার্কাস। শীতের ছুটিতে কেক, কমলালেবু আর ক্লাউনদের মজা আস্বাদন করেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুর্লভ। প্রশিক্ষিত পশু পাখিদের নানান রকমের মজাদার খেলা দেখতে দেখতে কীভাবে যে শো টাইমের দু ঘন্টার মেয়াদ শেষ হয়ে যেত তা টের‌ই পেতাম না। ফাঁকে ফাঁকে চলতে থাকা জোকারদের মজাদার কর্মকাণ্ড আর একদম শেষে ট্রাপিজের খেলা আর লোহার তৈরি বিশাল গ্লোবের ভেতরে মটোর সাইকেল চালানোর শিহরণ জাগানো ডেয়ারডেভিল শো দিয়ে শেষ হতো সার্কাস শিল্পীদের রোমহর্ষক অনুষ্ঠানের উত্তেজনাময় পর্ব। একরাশ আনন্দ আর শিহরণের মুহুর্ত উপভোগ করে আমরা বাড়ি ফিরে এলেও তার রেশ থেকে যেত আরও অনেক অনেক দিন।
     



    সেসব দিন কেটে গেছে অনেক আগেই। নানান রীতি নিয়মের ফাঁদে পড়ে সার্কাস আজ তার সাবেকি গরিমা হারিয়েছে অথচ একদা পরাধীন ভারতে এক বাঙালির হাতেই পত্তন হয়েছিল স্বদেশী সার্কাস দলের। সেই সব সোনাঝরা সময়ের কথা না হয় অন্য কোনো অবসরে আলোচনা করা যাবে। শৈশবের সেই স্মৃতিবিজড়িত মুহূর্তগুলো আজ‌ও যেন আমার চোখের সামনে মূর্ত হয়ে ওঠে জনৈক ছিপছিপে গড়নের কালো কোট পরা কুশীলবের দৌলতে। এ‌্যাক্রোবেটিক কায়দায় সে আমাকে, আমার বার্ধক্য জীবনের বিশেষ সময়কে ভরিয়ে রাখে ক্লাউন মাস্টার বাবলুর মতো। উঁহু! এতো অধৈর্য্য হলে চলবেক নাই। সময় হ‌ইলে ঠিক জানায়ে দেবো তার পরিচয়।
     
    দিন কয়েক ধরে বৃষ্টির দাপটে বেশ বেসামাল অবস্থা সকলের। সকালে জোর বৃষ্টি হয়েছে। দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যের
    মুখে সেই বৃষ্টির দমক একটু কমতেই এক নতুন সমস্যায় পড়তে হলো। খোলা জানালা দরজার ফাঁক দিয়ে গলগলিয়ে ঢুকতে শুরু করেছে বাদলা পোকার দল। উত্তরের জানালা বন্ধ করতে গিয়ে থমকে গেলাম ! 
     
    সঘন বাদল দিনে নাকি মানুষের হৃদয় উদ্বেলিত হয়ে ওঠে মিলন পিয়াসে। বন্য প্রাণিদের থেকে শুরু করে পাখি ও কীটপতঙ্গরাও নাকি সঙ্গসুখের কামনায় কাতর হয়ে ওঠে। দীপাবলির সময় বারুদে ঠাসা তুবড়ির মুখে আগুন দিলেই যেমন আলোর ফুলকি বেরোতে থাকে,এ যেন ঠিক তেমনি ব্যাপার। বাতি স্তম্ভের আশেপাশের মাটি ফুঁড়ে নাগাড়ে বেরিয়ে আসতে থাকে বাদলা পোকারা – শয়ে শয়ে, হাজারে হাজারে, লাখে….। জানিনা উইপোকার এমন উড়ান দৃশ্য আপনাদের দেখার সুযোগ হয়েছে কিনা? আমি কিন্তু দেখি। অফুরান জল ঝরানো বর্ষার দিনে এমন দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ মিলে যায়। জানালার ফাঁক দিয়ে অনাহুত অতিথির মতো ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়া উইপোকাদের উপস্থিতিকে একরকম উপেক্ষা করি ঐ দৃশ্যপট উপভোগ করতে। এ হলো প্রজননের সময়, আর তাই ডানাওয়ালা, প্রজননে সক্ষম উইপোকা বা alates ‘রা বেরিয়ে আসে পাশের ঢিবিতলির সঙ্গিনীদের সঙ্গে ডেটিংয়ের জন্য। স্বল্প সময়ের মধ্যেই ঘটে যায় কাঙ্খিত মিলনপর্বটি। আর এভাবেই বল্মীক বংশের বংশধারা অব্যাহত থাকে সম্পূর্ণ প্রকৃতির নিয়ম মেনে। 
     
    আবারও বোধহয় আপনাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাচ্ছি! সার্কাস দেখানোর কথা বলে সবাইকে এক জায়গায় জড়ো করে শেষে বল্মীক প্রেম কথা বলতে বসলাম? না, না একদম নয়। শুনুন কনসার্ট বেজে উঠেছে। মাইকে বোধহয় কোনো বিশেষ ঘোষণা শোনা যাচ্ছে। কান পেতে শান্ত হয়ে শুনে নিই সেইসব কথা — 
    “গুড ইভিনিং, লেডিস এন্ড জেন্টলমেন। উই আর গোয়িং টু প্রেজেন্ট রিং মাস্টার ড্রঙ্গো বিফোর ইউ। নাউ এনজয় হিজ মাইন্ড ব্লোয়িং এক্রোবেটিক পারফরম্যান্স। প্লিজ ওয়েলকাম মি: ড্রঙ্গো উইথ বিগ ক্ল্যাপিংস।”
     
    জানালার গরাদের পেছনের আলো আঁধারিতে দাঁড়িয়ে আমিও তালি দিয়ে উঠি। শুরু হয় মি: ড্রঙ্গো শো। কুচকুচে বরণ,ছিপছিপে গড়ন, পেছনে লম্বা বাহারি ঢঙের লেজ, ঠিক যেন মাছের লেজের মতো মাঝখানে চেরা। এই লেজ দেখেই সহজে চেনা যায় পাখিটিকে। ইনি পাখিদের জগতের কোতোয়াল, বাংলায় তার পরিচিতি ফিঙে নামে। উঁচু টাওয়ারের ওপর থেকে পুলিশ যেমন চতুর্দিকে নজরদারি করে, ফিঙে পাখিও ঠিক তাই। প্রহরে প্রহরে চলে তার এরিয়া ডমিনশনের কাজ। একটা এলাকার কোতোয়াল সাহেব সজাগ থাকলে ক্রিমিনালরা সব ঠাণ্ডা। ফিঙের সতর্ক প্রহরার কারণে অন্যসব ছোটো ছোটো পাখিরা অনেকটাই নিশ্চিন্তে থাকতে পারে কাচ্চা বাচ্চা নিয়ে। কোতোয়ালের কাজতো সহজ নয়, বিস্তর ওড়াউড়ি। এসব কাজে শারীরিক দক্ষতার শীর্ষে থাকতে হয়।আর এই ব্যাপারে ফিঙের জুড়ি মেলা ভার। অন্যপাখি বা পশুদের ডাক নকল করে তাদের ভড়কে দিতেও রীতিমতো ওস্তাদ এরা। এতে শত্রুরা বিভ্রান্ত হয়। 
     
    একদিনের কথা বলি। আমার লেখার টেবিলে বসে কি একটা লেখার মকশো করছি। এমন সময় কানে এলো পুষি মাসির মিউ মিউ ডাক। থেকে থেকে এই ডাক শুনে আমি খানিকটা বিরক্ত হয়ে জানালার সামনে এসে দাঁড়াই তাকে একটু কড়কে দেবার জন্য। ওমা! বিড়াল কোথা? সে তো প্রাচিরের ওপারে বসে কড়া রোদে চোখ পিটপিট করছে আর তার গলা নকল করে সমানে তাকে ভেংচিয়ে চলেছে শিড়িঙ্গে চেহারার এক ফিঙে। একেই বোধহয় বলে মিউ টিজিং।
     



    বৃষ্টি থেমে গেছে খানিক আগে তবে মাটির ফোঁকর ভেদ করে ডানাওয়ালা উইপোকাদের বেরিয়ে আসার বিরাম নেই। তাদের জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করতে আসরে নেমে পড়ে এক দুই তিন চার করে বেশ কয়েকটি ফিঙে। কখন‍ও জেট বিমানের মতো ওপরে উঠছে,কখন‌ও বা গোত্তা মেরে নিচে নামছে। মাঝেমাঝে বার্তা পাঠিয়ে ডেকে এনেছে আরও কয়েকজন জুনিয়র অফিসারকে। কতো বিচিত্র ভঙ্গিতে যে তারা নৈশভোজ সারছে তা বর্ণনাতীত। আমি নির্মিমেষ নয়নে সে সব আশ্চর্য ইভিনিং শো’এর মজা লুটতে থাকি। বৃষ্টি ভেজা স্যাঁতসেঁতে সময়, পাতালতলির বসতি ছেড়ে দলে দলে ডানাওয়ালা উইপোকাদের নিষ্ক্রমণ এবং ফিঙে পাখিদের সংঘবদ্ধ ব্যুফে ডিনার – তিনটি ঘটনা যেন এক সুতোয় বাঁধা এক মজাদার ট্রিলজি। সব আনন্দের শরিক সবাই হতে পারে না। আজ এই আনন্দের ভাগীদার করে নিলাম আপনাদের। মহাজন উবাচ – “এখন হ‌ইতে চক্ষু খুলিয়া রাখিলে পুস্তক বহির্ভূত পাঠের আনন্দ উপভোগ করিতে পারিবেন।” পরখ করে দেখুন‌ই না! মনে রাখবেন -মহাজন বাক্য উপেক্ষণীয় নয়।
     
     
     **সঙ্গের পাখির ছবিটি অনুজপ্রতিম সুবীর ভট্টাচার্যর তোলা। তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। 
     
     
     দেখছি আমি চেয়ে শীর্ষক ধারাবাহিকটির অন্যান্য পর্বগুলো নেড়েচেড়ে দেখার অনুরোধ রইলো। আর একটি পর্বের পরেই এই পর্যায়ের আলাপচারিতার সমাপ্তি। লেখাগুলো সম্পর্কে আপনাদের মতামত জানানোর অনুরোধ রইলো। 
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ১২৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অভ্রদীপ | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৩৭743241
  • দারুণ লাগলো সার্কাসের মোড়কে ফিঙে পাখির কোতোয়ালির গল্প! প্রচুর ফিঙে চোখে পড়তো এককালে, কিন্তু অপরের ডাক নকল করার দক্ষতার কথা আজই জানলাম।
  • Somnath mukhopadhyay | ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৪৬743243
  • অভ্রদীপ, তোমার মন্তব্য দেখে খুব ভালো লাগছে।একসময় তোমাদের খাতায় মন্তব্য লিখে হাত ব্যথা করেছি এখন তোমাদের মন্তব্য পড়ে নিজেকে চাঙ্গা রাখছি।সময় বদলে গেছে। ভালো থেকো।
  • সৌমেন রায় | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৫৬743250
  • স্বর নকল করার ব্যাপারটা নূতন জানলাম। ধন্যবাদ। উপভোগ্য হচ্ছে লেখাগুলি।
  • Ritabrata Gupta | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫৫743252
  • দারুন লিখেছেন সোমনাথদা ! ফিঙের স্বর নকল করাটা আগেও শুনেছিলাম, কিন্তু বিশ্বাস হয়নি . আপনার লেখা পড়ে নিশ্চিত হলাম . দারুন মজার ব্যাপার . পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম .
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন।