এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ

  • ঘুড়িবাজি ও ফেলে আসা কিশোরবেলা।।

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩১ বার পঠিত
  • ঘুড়িবাজি ও ফেলে আসা কিশোরবেলা।
     
    কোনো রকমের ভণিতা ছাড়াই অকপটে স্বীকার করি যে
    আমি কখনোই, কোনো অর্থেই নামডাক‌ওয়ালা ঘুড়িবাজ ছিলাম না। সেই খ্যাতিতে খ্যাতিমান ছিলো আমার বন্ধুদের অনেকেই। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পা মিলিয়ে চলতে না পারলেই নাকি শুধু পিছিয়ে পড়া নয়, একেবারে দলছাড়া হতে হয়,তাই ঘুড়ি,লাটাই সুতো মাঞ্জা প্যাঁচ দুয়ো ভোকাট্টা ইত্যাদি শব্দ বন্ধের সঙ্গে পরিচয় রাখতে হয়েছিল নিজের গরজেই। আমাদের কিশোরবেলায় বাড়ির ছাদ ছিল এক পরিচিত মুক্তাঞ্চল। ছাদে উঠলেই মাথার ওপর একটা বিস্তৃত সামিয়ানা ভেসে উঠতো। তার আঁচ পেতে রীতিমতো ছটফট করতো মন। সশরীরে সেখানে হাজির হ‌ওয়া সম্ভব নয় জেনে বাহন হিসেবে ব্যবহার করতে হতো ফিনফিনে কাগজের তৈরি ঘুড়িকে। আকাশের বুকে পতপতিয়ে লেজ উঁচিয়ে উড়তে উড়তে সেই ঘুড়ি আমাদের মনকথা পৌঁছে দিতো নীল নভোমন্ডলে। ওপার থেকেও কোন্ সুদূরের বার্তা হয়তো এসে পৌছতো, তবে তা ঠিকঠাক হয়তো পড়ে উঠতে পারিনি সময় করে।
     
     
    কী কথা ক‌ইতুম আমরা? আজ এই প্রবীণ বয়সে পৌঁছে বুঝতে পারছি যে সেইসব কথা মনের দুর্বল মুহূর্তে ফাঁস করলে নির্ঘাত বালখিল্যতা হিসেবে পরিগণিত হবে এ প্রজন্মের কাছে। তাই এ ব্যাপারে প্যাঁচ বুঝে সুতো ছাড়তে হবে। তবে একটা ইচ্ছেতো জড়িয়ে থাকতোই – ‘আমার ঘুড়ি যেন থাকে নিরাপদে’। নীল আকাশের স্বপ্ন, কাগুজে শরীরের অবয়বে মেখে সে যেন আবার আমার কাছেই ফিরে আসে রণ বিজয়ী হয়ে। তাকে হাতছাড়া করতে মন চাইতো না।
     
    এরমধ্যে রণ এলো কোত্থেকে? আরে বাপু! বীরভোগ্যা বসুন্ধরার সর্বত্রই যে রণক্ষেত্র! ‘বিণা প্যাঁচে নাহি দিব সূচ্যগ্র গগন‌ই’। জল- স্থল -অন্তরীক্ষ সবখানেই যে দখলদারদের চোখরাঙানি। এহেন সর্ব পরিব্যাপ্ত রণভূমে, রণ বিণা আসমানী জমিনের অবাধ উড়ানের অধিকার কি আর সহজে মেলে ? মেলেনা। আর তাই সুযোগ আর সামর্থ্য অনুযায়ী চলতে থাকে শস্ত্র সজ্জার আয়োজন আর আস্ফালন।
    এই আয়োজন পর্বের গরিমা উড়ান পর্ব থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার জন্য কতো অনুপান, কতো হিসেব নিকেষ,কতোনা গোপনীয়তা। শস্ত্র ধারালো না হলে আকাশ যুদ্ধে জয়লাভ হবে কী করে?
     
    ‘খুঁটির জোরে যেমন মেড়া কোঁদে’ ঠিক তেমন ভাবে সুতোর জোরে লড়ে লড়াকু ঘুড়ি। সাধারণ সুতো তেমন ধারালো নয়। তাই তাতে শান দিতে হয়। এই শান চড়ানোর প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় মাঞ্জা দেওয়া। মাঞ্জা মানে সুতোয় মাঢ় চড়ানো যাতে সেই সুতো লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত হয়ে ওঠে। পোশাকে মাঢ় দিলে তা যেমন খোলতাই হয়ে ওঠে সুতোর বেলাতেও তাই। মাঞ্জা দিতে প্রয়োজন হয় সাবুর দানা, খুব সূক্ষ্ম দানার কাঁচের গুঁড়ো আর সামান্য রঙ। ফ্যাটফেটে সাদা রঙের আকর্ষণ কম,তাই রঙ মেশানো হতো জ্বাল দেওয়া সাবুর মাঢ়ে। একটা নির্দিষ্ট অনুপাতে মেশানো হতো চেলে নেওয়া মিহি কাঁচের গুঁড়ো।
     
    সেবার এক নতুন অভিজ্ঞতা হলো। আমাদের মধ্যে নেতৃস্থানীয় পরামর্শদাতা ছিল দোলন দা। ছিপছিপে চেহারার দোলন দা একদিন আমাদের কয়েকজনকে ডেকে বললো –
    “শোন! এবার আর কাঁচের গুঁড়ো দিয়ে মাঞ্জা দেবোনা। তার বদলে…”। “ তার বদলে কি?”-- আমরা সমস্বরে প্রশ্ন করি। নাকের নিচে কচি দুব্বো ঘাসের মতো সদ্য ওঠা গুম্ফে ঢেউ তুলে মুচকি হেসে দোলন দা বলে ওঠে, “ কোয়ার্টজ পাউডার দিয়ে এবার সুতোয় শান দেবো। মাঞ্জাখানা যা হবেনা! “ দাদার ভাষণে ভাইয়েরা সব অবাক, বিমোহিত। দোলন দা আমাদের প‌ইপ‌ই করে মানা করেছিল কোয়ার্টজ পাউডার রহস্য ফাঁস না করতে, কিন্তু অমন একটা সিক্রেট কতক্ষন আর পেট চেপে রাখা যায়! জনে জনে সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে – ঘুড়িবাজ বলে পরিচিতদের সবাই জিজ্ঞেস করতে শুরু করলো,” কিরে!
    তোরা নাকি সবাই কাঁচের গুঁড়োর বদলে কি সব পাউডার দিয়ে সুতোয় মাঞ্জা দিবি?” বোকার মতো বিস্মিত কন্ঠে প্রশ্ন করলাম – “তোরা জানলি কী করে? আমি তো তোদের কিছু বলিনি!” একগাল হেসে ঠাট্টার ছলে ওরা বলে ওঠে – “ন্যাকা চৈতন ! দোলন দাই’তো জনে জনে ডেকে বলে বেড়াচ্ছে এসব কথা, তুই আর লুকোবি কেন?” বোঝো ঠ্যালা! দোলন দার দোদুল্যমান সিদ্ধান্তের জন্য মান সম্মান হারিয়ে আমরা পথে বসলাম।
     
    আকাশের বুকে ঘুড়ির দাদাগিরির আসল শক্তি যে মাঞ্জার শক্তি তা বোধহয় আলাদা করে বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই।
    দোলনের দলবল মাঞ্জার মন্ডে কাঁচের বদলে কোয়ার্টজ পাউডার মেশাচ্ছে তা টের পেয়েই রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রতিপক্ষের ঘুড়িবাজরা ঘোষণা করলো,--
    “আমরা এবার লুদ্দির মাঞ্জা দেব। এর কাছে দোলনের পাউডারের মাঞ্জা তো শিশু!”
     
    লুদ্দির মাঞ্জা! সে আবার কোন্ বস্তু? শব্দটা কানে ঢোকা মাত্র সবাই চললাম দোলন দার কাছে। লুদ্দির মাঞ্জার কথা শুনে দোলন দা একটু চুপ করে রইলো বটে কিন্তু তারপরেই পটলডাঙার টেনিরামের মতো মুখ করে নিতান্তই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললো – “ওরা নিজেদের মুখে বলেছে এই কথা?
    এখানে লুদ্দি পাবে কোথায়? বললেই হলো?” এসব কথায় আসল রহস্য উন্মোচন হ‌ওয়া দূরের কথা,তা আরও ঘনীভূত হলো। আমরা শঙ্কায় র‌ইলাম।
     
    পরদিন বিপক্ষের এক কেষ্টবিষ্টুকে পাকড়াও করে জানা গেল লুদ্দি হচ্ছে আসলে শেয়ালের মল ( ? )। মাঞ্জায় মেশালে সুতোকে কাটে কার সাধ্যি ? একথা শুনে তো আমরা কয়েকজন ওয়াক তুলতে শুরু করেছি। শেষ পর্যন্ত পশুর মল দিয়ে মাঞ্জা দেওয়া হবে? “ এতে ওয়াক থুঃ করার কি আছে? আমরা তো ভোর ভোর উঠে মহীন্দ্র কাননের বাগান চষে ফেলছি। শেয়ালগুলো ওখানেই পটি করে কিনা!”-- নির্লিপ্ত কণ্ঠে উত্তর দেয় লুদ্দি পক্ষের কেউ। মূল লড়াইয়ের আগে এসব ছিলো বিপক্ষকে চাপে রাখার কৌশল। লুদ্দি আজ‌ও আমার কাছে রহস্যময় রয়ে গেছে।
     
    মাঞ্জা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের ভেতরে এক সহযোগী মনোভাব গড়ে উঠতো।আজ এতো বছর পরে যখন সেই সব ফেলে আসা দিনগুলোতে ফিরে যাই, সময়টাকে কাটাছেঁড়া করি নিজের মতো করে, তখন বুঝতে পারি সুতোয় মাঞ্জা দিতে গিয়ে কতটা কাছাকাছি আসতে হতো আমাদের। একা একা সুতোয় মাঞ্জা দেওয়া সম্ভব নয়, কম করে চারজনের একটা পল্টন তৈরি করতে হবে – একজন লাটাই নিয়ে সবার আগে আগে যাবে। তার পেছনে থাকবে দুজন - যারা সুতোয় সাবুর মন্ডটা লাগাবে। শেষে কাপড়ের একটা ছোট্ট প্যাড দুই আঙ্গুলে ধরে টিপ্পি ধরবে একজন। এই চতুর্থ জনের হাতের স্পর্শে সুতোয় লাগানো বাড়তি লেই ঝরে পড়ে মাঞ্জা টানটান হয়ে উঠবে। এতোগুলো কাজ একজনের পক্ষে করা সম্ভব? সুতরাং হাত বাড়াতেই হবে।আর হাত বাড়ালেই মিলে যাবে অসংখ্য হাত – বন্ধুদের হাত, বন্ধুত্বের হাত।
     
    একটা কাগুজে উপকরণকে উপলক্ষ্য করে এই যে আমাদের কৌশোরক উন্মাদনা, তার তুলনা মেলা ভার। আমাদের শহুরে আকাশ তখন অনেক উদার, প্রশস্ত আর নীলিমায় ভরা ছিল। সেই আকাশ আমাদের সত্যি সত্যিই ডাকতো। সেই ডাক এড়িয়ে যাওয়া আমাদের বাউন্ডুলে মনের ছিলোনা। আমরা তাই খুব সহজেই সেই ডাকে সাড়া দিতে সামান্যতম দ্বিধা করতাম না। বর্ষার দমক একটু কমতেই আমরা সবাই হয়ে উঠতাম ছত্র পতি। স্কুল থেকে ফিরে এসে কোনো রকমে নাকে মুখে কিছু গুঁজে ঘুড়ি আর লাটাই নিয়ে সোজা ছাদে। বিদায়ী বর্ষার প্রকৃতি মাঝে মাঝে বিরূপ হলেও আমাদের উৎসাহে বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি কখনো। ঘনায়মান সন্ধ্যার ম্লান হয়ে আসা আলোয় আকাশে উড়ে বেড়ানো ঘুড়িগুলোকে কেমন অলীক স্বপ্নলোকের সহচর বলে মনে হতো। জীবনের সব মারপ্যাঁচের কথা মনেও আসতো না।
     
    বিশ্বকর্মা পুজোর দিনটা ছিল সত্যিকারের লড়াইয়ের দিন। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে সকাল থেকেই চতুর্দিক থেকে নানান ধরনের উল্লাসের শব্দ ভেসে আসতো। আকাশ ছেয়ে যেতো রঙবেরঙের ঘুড়িতে – পেট কাটি, চাঁদিয়াল, চৌরঙ্গী, চাপরাশ, মুখপোড়া, লাট্টু,ঘয়লা, ময়ূরপঙ্খী …. আরও কতো কতো!
     
    এদিন সবাই একেবারে লড়াইয়ের মুডে থাকতো। গগনের একছত্র দখলদারি পেতে চলতো কাটাকাটির খেলা। কেউ কাউকে জায়গা ছাড়বেনা। মাঞ্জা নিয়ে অতশত আলোচনার পর আজ সুতোর ধারের সত্যিকারের পরীক্ষা। এদিন মালুম হতো আকাশপটে ঘুড়ির গতিবিধি যিনি পরিচালনা করছেন তাঁর কেরামতি। প্যাঁচ খেলার কত কায়দা! কেউ টেনে খেলবেন তো অন্য কেউ সুতো ছেড়ে। কোন অবস্থানে প্যাঁচ লাগালে অন্যের ঘুড়ি সহজেই ভোকাট্টা হয়ে যাবে তা ছিল প্রখর স্ট্র্যাটেজির বিষয়। এসব ক্ষেত্রে মাঞ্জার ধারের থেকেও বড়ো হয়ে উঠতো ঘুড়িবাজের করিশ্মা আর দক্ষতার বিষয়টি।কাটা ঘুড়িকে লুটে নিয়ে আসাটাও ছিল এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আর ছিল টানামানি। কখন‌ও কখন‌ও প্যাঁচে ফয়সালা হবে না বুঝতে পেরে দু পক্ষই দ্রুত সুতো টেনে প্রতিপক্ষের ঘুড়িটিকে নিজের কব্জায় নিয়ে আসতো। এ ছিল এক গাজোয়ারি লুটমারের ঘটনা। জগৎ জুড়েই যখন ‘জোর যার মুল্লুক তার’ দর্শনের স্বীকৃতি রয়েছে, তখন ঘুড়ির জগৎ তার থেকে মুক্ত থাকে কী করে?
     
    আমাদের ঐ সময়ের কিশোরবেলার স্মৃতি থেকে ঘুড়িকে কিছুতেই বাদ দেওয়া যাবেনা। ঘুড়ি, মার্বেল, লাট্টু এগুলো ছিল অনন্য সব উপকরণ যেগুলোকে জড়িয়ে নিয়েই আমাদের বেড়ে ওঠা। সময় তো একটা বহতা নদীর মতো। বয়সের পাথর সরিয়ে দিয়ে তার এগিয়ে চলা। কতো শব্দ নেহাত অপরিচিত হয়ে গেল ঘুড়ি সংস্কৃতি আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়ার ফলে – চেত্তা,কার্নিক,লাট,টিপ্পি,দুয়ো, ভোকাট্টা…..। ঘুড়ির মধ্যে মনকথা লেখার অভ্যাসটাও যে হারিয়ে গেছে চিরকালের মতো। আজ‌ও যখন বিকেলে ছাদে উঠে আকাশের দিকে তাকিয়ে কোনো ঘুড়িকে দেখতে পাই তখন মনে হয় আমার পেরিয়ে আসা কিশোরবেলা যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। তাকে ছুঁতে বড়ো সাধ জাগে। আর ঠিক তখনই প্রাক্ সন্ধ্যার মৃদু আলোতে এক পথের ছবি ভেসে ওঠে। ওই পথ ধরেই এখন এগিয়ে যেতে হবে……..।
     
     
     
    ** আজ সেপ্টেম্বর মাসের ১৬ তারিখ। আমার মায়ের চলে যাবার দিন। এই লেখাটা প্রয়াত মায়ের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলাম।
     
     
     
    সোমনাথ মুখোপাধ্যায়
    সেপ্টেম্বর ১৫.২০২৬.

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন